* সাত বছরের সাজার বিরুদ্ধে খালেদার আপিল           *  খুলনা-২ শেখ জুয়েলের জন্য মাঠ ছাড়লেন এমপি মিজান           *  ইয়াবাসহ বহিষ্কৃত এএসআই গ্রেপ্তার           *  ভোটেও নেই ফালু           *  কুড়িগ্রামে পারিবারিক কলহের জেরে বৃদ্ধের আত্মহত্যা           *  নেত্রকোণায় তরুণীর লাশ উদ্ধার           *  সংসদে আটটি আসন দাবি হিজড়াদের           * প্রাথমিক সমাপনী পরীক্ষা শুরু           *  দীপিকার জন্য সুখবর           *  নিষেধাজ্ঞা মোকাবেলায় বহুমুখী পরিকল্পনা রয়েছে: ইরান           *  সবার আগে সেমিতে পর্তুগাল           * পালিয়ে বিয়ের পর লাশ হলেন মল্লিকা            * ভোট বর্জন ভুল ছিল: ড. কামাল           * বেনাপোল সীমান্ত থেকে বিপুল পরিমান ফেন্সিডিল উদ্ধার           * জামাল খাসোগি হত্যা: ১৭ সৌদি নাগরিকের ওপর নিষেধাজ্ঞা যুক্তরাষ্ট্রের           * মানুষের অধিকার প্রতিষ্ঠায় আজীবন কাজ করেছেন মওলানা ভাসানী           * আমার স্ত্রী সত্যিই দারুণ: জাস্টিন বিবার           * চট্টগ্রাম টেস্টে নেই তামিম           * টাঙ্গাইলের দুই আসনে মনোনয়নপত্র কিনলেন কাদের সিদ্দিকী           *  নতুন আইপ্যাড আনল অ্যাপল          
*  খুলনা-২ শেখ জুয়েলের জন্য মাঠ ছাড়লেন এমপি মিজান           *  কুড়িগ্রামে পারিবারিক কলহের জেরে বৃদ্ধের আত্মহত্যা           *  নেত্রকোণায় তরুণীর লাশ উদ্ধার          

ঈদকে সামনে রেখে শৈলকুপা থানা পুলিশের গ্রেফতার বাণিজ্য!

ঝিনাইদহ প্রতিনিধি | শুক্রবার, জুলাই ৩, ২০১৫
ঈদকে সামনে রেখে শৈলকুপা থানা পুলিশের গ্রেফতার বাণিজ্য!
ঝিনাইদহের শৈলকুপা থানায় প্রতিনিয়তই চলছিলো গ্রেফতার বাণিজ্য। এরপর আবার সামনে পবিত্র ঈদুল ফিতর। ঈদকে সামনে রেখেই তারা মেতেছে বেপরোয়া গ্রেফতার বাণিজ্যে।
তথ্য অনুসন্ধানে জানা যায়, শৈলকুপা থানার বর্তমান ওসি এম,এ হাশেম খান সততা ও ভদ্রতার মুখোশ পরে হরহামেশাই চালিয়ে যাচ্ছে তার গ্রেফতার বাণিজ্য। প্রতি রাতেই উপজেলার বিভিন্ন এলাকা থেকে সাধারণ মানুষকে হয়রানিমূলক আটক করে থানায় এনে দাবী করছে মোটা অংকের টাকা। যারা টাকা দিতে অসম্মতি জ্ঞাপন করছে তাদেরকে পেন্ডিং ও নাশকতাসহ বিভিন্ন মামলা দিয়ে পাঠানো হচ্ছে শ্রীঘরে। আর যারা টাকা দিতে রাজি হচ্ছে তাদেরকে রাতের আধারেই ছেড়ে দেয়ার অভিযোগ পাওয়া গেছে।
ওসি এম,এ হাশেম খান গত ৬ মাস পূর্বে এই থানায় যোগদান করার পর থেকে হয়রানি ও গ্রেফতার আতঙ্কে রাতের ঘুম হারাম হয়ে গেছে উপজেলার সাধারণ মানুষের। বিশেষ করে ঈদকে সামনে বেশী বেপরোয়া হয়ে উঠেছে শৈলকুপা থানা পুলিশ।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক উপজেলার ধলহরাচন্দ্র গ্রামের এক ব্যক্তি জানান, গত ১ মাস ধরে এই গ্রামে রাতের আধারে অভিযান চালিয়ে এস,আই রায়হান, এ,এস,আই সুজন ও মাহবুব প্রায় ২০ জন সাধারণ মানুষকে হয়রানিমূলক আটক করে ভয়ভীতি দেখিয়ে মোটা অংকের টাকার বিনিময়ে ঘটনাস্থলেই ছেড়ে দেয়।
বৃহস্পতিবার দিবাগত রাতে উপজেলার ব্রাহিমপুর এলাকা থেকে মানবপাচারে জড়িত থাকার একাধিক অভিযোগে অভিযুক্ত নুরুল ইসলাম নামের এক ব্যক্তিকে আটক করে পুলিশ। পরে রাতের আধারেই মোটা অংকের টাকার বিনিময়ে তাকে ছেড়ে দেয়। এ ঘটনায়  এলাকার সাধারণ মানুষ, জণপ্রতিনিধি ও সচেতন মহলের মাঝে ক্ষোভের সৃষ্টি হয়।  
এছাড়াও গত মাসের ২১ তারিখে কবিরপুর থেকে প্রসূতি হত্যা মামলার প্রধান আসামী আয়েশা ক্লিনিক এর মালিক সাইদুল ইসলামকে এস,আই রায়হান গ্রেফতার করে। পরে নাশকতা মামলাসহ ৫/৬ টি মামলা দেয়ার ভয় দেখিয়ে তার কাছে ৫০ হাজার টাকা দাবি করে। বাধ্য হয়ে তার পরিবার ৩০ হাজার টাকা দিতে রাজি হলে তাকে ঐ মামলায়ই চালান দেওয়া হয়।
এদিকে প্রতিনিয়তই সাধারণ মানুষকে হয়রানিমূলক রাতের আধারে থানায় এনে মামলার ভয় দেখিয়ে মোটা অংকের নেয় পুলিশ। অন্যথায় তাদেরকে নাশকতাসহ বিভিন্ন পেন্ডিং মামলায় চালান করা হয়। আবার প্রকৃত অপরাধীদের ধরে মোটা অংকের টাকার বিনিময়ে সন্দেহভাজন মামলায় চালান দেখানো হয়।
রাতে অভিযান ডিউটিতে থাকা পুলিশের বিরুদ্ধে আরো অভিযোগ উঠেছে, তারাবী নামাজ শেষে বাড়ীতে ফেরা মুসল্লীদেরকেও বিভিন্ন ভাবে হয়রানি করে থাকে তারা।
উল্লেখ্য, পবিত্র শবেবরাতের রাতে কবিরপুর গ্রামের মধু শেখের ছেলে ১০ম শ্রেণীর ছাত্র রাফাত নামাজ শেষে বাড়ীতে ফিরছিলো। পথিমধ্যে অভিযান ডিউটিতে থাকা এস,আই রায়হান তাকে আটক করে বেধড়ক পিটিয়ে রক্তাত্ব জখম করে প্রথমে হাসপাতালে ও পরে থানায় নিয়ে যায়। পর দিন সকাল ১০টায় তার পরীক্ষা থাকায় তাকে ছেড়ে দেয়। এ ঘটনায় এলাকায় চরম উত্তেজনা সৃষ্টি হয়।
তবে পুলিশী হয়রানির শিকার উপজেলার নিরপরাধ ব্যক্তিরা পুলিশের বিরুদ্ধে মানহানির মামলা করবে বলে একাধিক সূত্র জানিয়েছে। অযথা পুলিশী হয়রানির হাত থেকে রেহাই পেতে উর্দ্ধতন কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছে এলাকার সাধারণ মানুষসহ সচেতন মহল, সুধী সমাজ ও জণপ্রতিনিধিরা।
এসব বিষয়ে সাংবাদিকদের কাছে কোন প্রকার তথ্য দিতে নারাজ শৈলকুপা থানা পুলিশ। এছাড়াও বিভিন্ন মামলায় গ্রেফতারকৃত আসামীদের বিষয়েও কোন তথ্য দিতে চায়না পুলিশ। এমনকি সাংবাদিকরা কোন তথ্য নিতে স্ব-শরিরে থানায় গেলে গাত্রদাহ হয় ওসি হাশেম খানসহ অন্যান্য দূর্নীতিবাজ অফিসারদের।
স্থানীয় সাংবাদিকদের অভিযোগ, তথ্য নিতে থানায় গেলে বিভিন্ন ভাবে হয়রানির শিকার হতে হয় তাদের।
এ বিষয়ে শৈলকুপা থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) এম,এ হাশেম খান তার বিরুদ্ধে সকল অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, আমি সাংবাদিকদের প্রতি যথেষ্ট আন্তরিক।  




আরও পড়ুন



সম্পাদক ও প্রকাশকঃ
মোঃ খায়রুল আলম রফিক

বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয়ঃ ৬৫/১ চরপাড়া মোড়, সদর, ময়মনসিংহ।
ফোন- +৮৮০৯৬৬৬৮৪, +৮৮০১৭৭৯০৯১২৫০, +৮৮০১৯৫৩২৫২০৩৭
ইমেইল- aporadhshongbad@gmail.com
(নিউজ) এডিটর-ইন-চিফ,
ইমেইল- khirulalam250@gmail.com
close