* ঘূর্ণিঝড় ‘দেয়ি’ : ৩ নম্বর সঙ্কেত বহাল            * নূপুর আছে মরিয়ম নেই, রাজহাঁসের বুকের ২ টুকরা মাংস নেই           * বাকৃবিতে কর্মকর্তা কর্মচারীদের বিক্ষোভ           * বিসিএস উত্তীর্ণ মেয়েকে উদ্ধারে থানার সামনে অবস্থান বাবা-মায়ের           * ক্লান্ত মাশরাফিদের সামনে সতেজ ভারত           * নিউইয়র্কের উদ্দেশে সকালে ঢাকা ছাড়ছেন প্রধানমন্ত্রী           *  প্রতারক কামাল-মাসুদ এর বিরুদ্ধে চার মামলা            * হালুয়াঘাটে পুলিশের হাতে ফের আটক-৬           *  ঝিনাইগাতীতে বাবা শ্রেষ্ঠ শিক্ষক মেয়ে সেরা শিক্ষার্থী           * ভারত থেকে প্রশিক্ষন প্রাপ্ত ২০ টি ঘোড়া আমদানী           *  ফুলপুরে ৭৭ জন ভিক্ষুকের মাঝে সেলাই মেশিন বিতরণ            * কেন্দুয়ায় নারী বিসিএস ক্যাডারকে অপহরণের অভিযোগ           * মাদ্রাসায় জোড়া খুন: পরিচালকের বিরুদ্ধে মামলা           * তরুণীরা আবেদনময়ী সেলফি তোলেন কেন?            * মাথাপিছু আয় বেড়েছে ১৬,৩৮৮ টাকা           * সৌন্দর্যের গোপন রহস্য জানালেন শ্রীদেবীর মেয়ে            * নবনিযুক্ত দুই রাষ্ট্রদূতের রাষ্ট্রপতির কাছে পরিচয়পত্র পেশ           * শ্রীলঙ্কার দুর্দিন দেখে অবসর ভেঙে ফেরার ইঙ্গিত দিলশানের            * স্মার্টফোনের আসক্তি কাটানোর নয়া অস্ত্র           * আলোচনায় বসতে মোদিকে ইমরানের চিঠি          
* ঘূর্ণিঝড় ‘দেয়ি’ : ৩ নম্বর সঙ্কেত বহাল            * বাকৃবিতে কর্মকর্তা কর্মচারীদের বিক্ষোভ           * বিসিএস উত্তীর্ণ মেয়েকে উদ্ধারে থানার সামনে অবস্থান বাবা-মায়ের          

প্রধানমন্ত্রী ও রেলমন্ত্রী বরাবরে স্মারকলিপি প্রদান

অপরাধ সংবাদ ডেস্ক | সোমবার, এপ্রিল ১৮, ২০১৬
প্রধানমন্ত্রী ও রেলমন্ত্রী বরাবরে স্মারকলিপি প্রদান
 রংপুর থেকে ঢাকাগামী দিবাকালীন আন্তঃনগর ট্রেন চালুর ঘোষণার দাবিতে আগামী ১৫ দিনের আলটিমেটাম দিয়েছে রংপুর বিভাগ উন্নয়ন আন্দোলন পরিষদ। অন্যথায় দিনব্যাপী রংপুর রেল ষ্টেশন ঘেরাও, অবরোধ ও বিক্ষোভ সমাবেশের মাধ্যমে দাবি আদায় করা হবে ঘোষণা দেয়া হয়। গতকাল সোমবার প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও রেলমন্ত্রী মুজিবুল হক বরাবরে স্মারকলিপি প্রদান উপলক্ষে রংপুর রেল ষ্টেশন চত্বরে ঘন্টাব্যাপী অনুষ্ঠিত মানববন্ধন ও বিক্ষোভ সমাবেশে এই ঘোষণা দেন পরিষদের আহ্বায়ক সাংবাদিক ওয়াদুদ আলী। দাবি আদায়ের লক্ষে রংপুরের অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) ড. এটিএম মাহবুব-উল-করিম ও রংপুর রেল ষ্টেশনের সুপারিনটেনডেন্ট শেখ আব্দুল জব্বারের মাধ্যমে প্রধানমন্ত্রী ও রেলমন্ত্রীসহ উর্ধ্বতন রেল কর্তৃপক্ষ বরাবরে স্মারকলিপি প্রদান করা হয়। এ সময় উপস্থিত ছিলেন, রংপুর রেল ষ্টেশনের মাষ্টার আব্দুল বাছেত।
এর আগে সকালে অনুষ্ঠিত মানববন্ধন ও বিক্ষোভ সমাবেশে বক্তারা বলেন, ইন্দোনেশিয়া ও ভারত থেকে উন্নতমানের ২৭০টি বগি ও ইঞ্জিন ক্রয় করা হচ্ছে। কিন্তু দেশের অন্যান্য বিভাগে নতুন ট্রেনের বরাদ্দ থাকলেও রংপুর বিভাগীয় শহরের জন্য কোন বরাদ্দ থাকছে না। এ অবস্থায় রংপুরের মানুষ হতাশ ও বঞ্চিত হচ্ছে। সমাবেশ থেকে উন্নয়নবান্ধব প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সরকার ও রেলমন্ত্রী মুজিবুল হকের কাছে নিরাপদ ও আরামদায়ক রেল ভ্রমনে রংপুর থেকে ঢাকাগামী দিবাকালীন আন্তঃনগর ট্রেন প্রদান, রংপুর এক্সপ্রেসকে আধুনিক ট্রেন হিসেবে গড়ে তোলা, আলাদা এসি চেয়ার কোচ সংযোজন, সময় মতো ট্রেন চলাচলের পদক্ষেপ গ্রহণ, রংপুরের জন্য উন্নতমানের বগি ও ইঞ্জিন বরাদ্দ, রংপুর অঞ্চলের মানুষের সুবিধার্থে বন্ধ হওয়া ট্রেনসমূহ পুনরায় চালু ও যাত্রী সেবার মান উন্নয়নকরণের দাবি জানানো হয়। বক্তারা বলেন, ২০১১ সালের ৬ জানুয়ারী রংপুর বিভাগ উন্নয়ন আন্দোলন পরিষদের দিনব্যাপী রংপুর রেল ষ্টেশন ঘেরাও, রেলপথ অবরোধসহ বিক্ষোভ কর্মসূচির কারণে সরকার আন্তঃনগর ট্রেন ‘রংপুর এক্সপ্রেক্স’ চালু করে। কিন্তু একটিমাত্র আন্তঃনগর ট্রেনের কারণে রংপুরের মানুষ ঢাকা চলাচলে দুর্ভোগে পড়ছে।
এ সময় অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন, রংপুর জেলা ক্রীড়া সংস্থার সহ-সভাপতি ও আওয়ামী লীগ নেতা আ.ক.ম শামীম খান রাজু, সাংবাদিক নেতা আফতাব হোসেন, দৈনিক নতুন স্বপ্নের সম্পাদক ও বিভাগ উন্নয়ন আন্দোলন পরিষদ নেতা আব্দুল আজিজ চৌধুরী সাঈদ, রিপোর্টার্স ইউনিটির প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি ও পরিষদ নেতা রবিউল হোসেন সরকার বাবলু, সংস্কৃতি কর্মী মাহমুদুন নবী বাবলু, আওয়ামী লীগ নেতা রফিকুল আলম, রাসেল সরকার রুকুল, আব্দুল গনি দুলাল, নাসিম আহমেদ সনু, আব্দুল্লাহ খান নান্নু, স্বেচ্ছাসেবক লীগ নেতা শাহাজাদা আরমান, ব্যবসায়ী নেতা আব্দুর রহমান রুবেন, জাসদ ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় সদস্য ও মহানগর সভাপতি ওসমান গনি, বাংলাদেশ ফটো জার্নালিষ্ট এসোসিয়েশন রংপুর সাধারণ সম্পাদক মমিনুল ইসলাম রিপন, সিনিয়র সহ-সভাপতি এম মিরু সরকার, কোষাধ্যক্ষ আসাদুজ্জামান আফজাল, দপ্তর সম্পাদক তারিকুল ইসলাম তারেক, যুব নেতা আব্দুল মতিন, মাহমুদুল হাসান রানা, জাসদ ছাত্রলীগ নেতা এহতেশাম জেমী, সুমন আহমেদ, যুবলীগ নেতা তৌহিদুল ইসলাম, জাহাঙ্গীর আলম রতন, শ্রমিক নেতা আরমান হোসেন, ব্যবসায়ী জাকির হোসেন টিটু, সাদ্দাম হোসেন বিপ্লব, যুব নেতা শাহীন হোসেন, মাসুদার রহমান বাবু, জিয়াউল ইসলাম লাভলু, ইকবাল হোসেন লাবু, আশিকুর রহমান সোহেল, আশরাফুল ইসলাম মিঠুন, আবু তাহের সুমন, আজমল হোসেন টুটুল, ফরহাদ সিদ্দিক, তুষার, সুমন হোসেন, ওবায়দুল ইসলাম রুবেল, ইমরান হোসেন, শাকিল আহমেদ, মারুফ হোসেন, ছাত্রলীগ নেতা শহিদার রহমান নয়ন, সাদ্দাম হোসেন বিপ্লব, আব্দুল মালেক, যুব নেতা আরিফুল ইসলাম আরিফিন, সোহেল হোসেন, গোলাম মোস্তফা হিরা, আরফান হোসেন পাপ্পু, আরমান হোসেন মোহন, আফতাবুজ্জামান সজীব, জাকির হোসেন মামুন, জাহিদ আহমেদ, মোঃ শাহাজাদা, শরিফুজ্জামান সোহেল, সোহাগ হোসেন (১), ফাহিম আলম, বিক্রম হোসেন, সোহাগ হোসেন (২), জাহাঙ্গীর হোসেন মাহিন, সামসাদ হোসেন মার্শাল, আলআমিন সেতু, মিজানুর রহমান মিজান, নাহিদুল হক সবুজ, মাহমুদ হোসেন সজীব, রবিউল হোসেন, শাকিল আহমেদ সুমন প্রমুখ।
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বরাবরে প্রেরিত স্মারকলিপিতে বলা হয়, গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী রংপুরের পুত্রবধূ জননেত্রী শেখ হাসিনা রংপুরের উন্নয়নের দায়িত্ব নেয়ায় আমরা গর্বিত ও আনন্দিত। রংপুরে বিভাগ, বিশ্ববিদ্যালয়, সিটি কর্পোরেশনসহ এই অঞ্চলের আর্থসামাজিক উন্নয়নে ব্যাপক কর্মযজ্ঞ আমাদেরকে আশাবাদি করেছে। এরই ধারাবাহিকতায় আপনার উন্নয়নবান্ধব সরকারের প্রচেষ্টায় অবহেলিত এই অঞ্চলের যোগাযোগ ব্যবস্থার প্রভূত উন্নতি হয়েছে। বিগত সরকারের আমলে রংপুর থেকে ঢাকা চলাচলকারী আন্তঃনগর ‘একতা’ ও ‘তিস্তা’ এক্সপ্রেস নামের ট্রেন দুটি বন্ধ করে দেয়া হয়। এই দুটি ট্রেনে রংপুর-দিনাজপুর অঞ্চলের হাজার হাজার মানুষ দীর্ঘদিন ধরে নিরাপদ এবং আরামদায়ক পরিবেশে ঢাকায় যাতায়াত করছিল। ট্রেন দুটি বন্ধ করে দেয়ায় উত্তরের ৮ জেলার প্রায় দেড় কোটি মানুষ বাধ্য হয়ে জীবনের ঝুঁকি নিয়ে সড়ক পথে ঢাকায় যাতায়াত করছেন। আর এর কারণে প্রতিদিন সড়ক দুর্ঘটনায় অসংখ্য মানুষ হতাহত হচ্ছে। বন্ধ হওয়া আন্তঃনগর ট্রেন দুটি চালুর দাবিতে রংপুরের মানুষ দীর্ঘদিন আন্দোলন, সংগ্রাম করেছে। এরপরও তৎকালীন সরকারের কোন টনক নড়েনি। আশার কথা, বর্তমান মহাজোট সরকার ক্ষমতায় আসার পর রংপুরবাসী পুনরায় এ দাবি তুলে ধরেন। সরকারের পক্ষ থেকে আন্তঃনগর ট্রেন দুটি চালুর সিদ্ধান্ত নেয়া হয়। কিন্তু তা চালু না হওয়ার ফলে রংপুর বিভাগ উন্নয়ন আন্দোলন পরিষদ গঠন করে এ অঞ্চলের মানুষের প্রাণের দাবি রংপুর-ঢাকা চলাচলকারী আন্তঃনগর ট্রেন তিস্তা ও একতা পুনরায় চালুর জন্য আন্দোলন শুরু করে। এরই ধারাবাহিকতায় গত ২০১১ সালের ৬ জানুয়ারী দিনভর রেলপথ অবরোধ ও অবস্থান ধর্মঘট পালন করা হয়। পরবর্তীতে দাবি আদায়ে আপনার কাছে পরিষদের পক্ষ থেকে স্মারকলিপি প্রেরণ করা হয়।
রংপুর বিভাগ উন্নয়ন আন্দোলন পরিষদের আহ্বানে সাড়া দিয়ে সর্বস্তরের জনসাধারণের স্বতঃস্ফূর্ত আন্দোলন-সংগ্রামের ফসল হিসেবে আপনার মহানুভবতায় রংপুর থেকে সরাসরি ঢাকাগামী আন্তঃনগর ট্রেন ‘রংপুর এক্সপ্রেস’ চালু করা হয়। কিন্তু ট্রেনটি চালু থেকেই নানা বৈষম্যের শিকার হয়ে আসছে। বরাদ্দকৃত বিলাস বহুল ট্রেন না দিয়ে অন্য রুটের পুরাতন একটি ট্রেন সংস্কার করে দেয়া হয়। এছাড়া এটি যথাসময়ে যাতায়াতে প্রতিনিয়ত বাধাগ্রস্ত হচ্ছে। ট্রেন চালু থেকেই শিক্ষার্থী, নিরাপদ ভ্রমনকারী পর্যটক, সরকারি আমলা থেকে শুরু করে মন্ত্রী, এমপি ও ভিআইপি ব্যক্তিরা যাতায়াত করছেন। এদিকে এ অঞ্চলের কেন্দ্রবিন্দু রংপুরে যাতায়াতের জন্য চালু থাকা ট্রেনগুলোর মধ্যে ৭টি বন্ধ করে দেয়া হয়েছে। রংপুর রেল স্টেশন লাভজনক হলেও এই পথে দীর্ঘদিন চলা ট্রেনসমূহ অকারণেই বন্ধ করে দেয়া হয়।
২০০৫ সালে রংপুর-ঢাকা চলাচলকারী তিস্তা ও একতা এক্সপ্রেস বন্ধ হয়ে যায়। রংপুর-ঢাকা চলাচলকারী তিস্তা-একতা ট্রেন বন্ধ করা হলেও রংপুরকে পাশ কাটিয়ে সংকীর্ণ আঞ্চলিকতার কারণে ৭টি ট্রেন যথাক্রমে তিস্তা, একতা, দ্রুতযান, রূপসা, সীমান্ত, বরেন্দ্র, তিতুমীর, রাজশাহী থেকে ঈশ্বরদী হয়ে ঢাকা চলাচল করতো। রংপুর থেকে ঢাকা, রাজশাহী, খুলনা, চট্টগ্রাম ও সিলেটের সঙ্গে রেল যোগাযোগ প্রশাসনিক কারণে দরকার। যা আমাদের মৌলিক ও নাগরিক অধিকার।
রংপুরবাসী বিশ্বাস করে যে, আন্তর্জাতিক ভাবে খ্যাতিমান বর্তমান প্রধানমন্ত্রীর যোগ্য নেতৃত্বে দেশের যোগাযোগ ব্যবস্থা বিশেষত নিরাপদ ও আরামদায়ক ভ্রমনের রেলপথ উন্নয়নে যুগান্তকারী পদক্ষেপ গৃহিত হয়েছে। যা রংপুরের মানুষকে আশান্বিত করেছে। রেলকে লাভজনক করার পাশাপাশি রেল যাত্রীদের সেবার মান বৃদ্ধির বর্তমান সরকারের উদ্যোগ সর্বমহলে প্রশংসিত হয়েছে। এরই প্রেক্ষিতে রংপুরের মানুষ আপনার কাছে নিরাপদ ও আরামদায়ক রেল ভ্রমনে রংপুর থেকে ঢাকাগামী দিবাকালীন আন্তঃনগর ট্রেন চালু, রংপুর এক্সপ্রেসকে আধুনিক ট্রেন হিসেবে গড়ে তোলা, আলাদা এসি চেয়ার কোচ সংযোজন, সময় মতো ট্রেন চলাচলের পদক্ষেপ গ্রহণ, এ অঞ্চলের মানুষের সুবিধার্থে বন্ধ হওয়া ট্রেনসমূহ পুনরায় চালু ও যাত্রী সেবার মান উন্নয়নকরণের দাবি জানাচ্ছে। একই সাথে বর্তমান সরকার বাংলাদেশ রেলওয়ের জন্য আধুনিকমানের যে ২৭০টি নতুন বগি সংযোজন করছেন এতে রংপুর বিভাগীয় নগরীর জন্য কোন বরাদ্দ নেই। সেই সাথে রংপুর বিভাগে মিটারগেজ লাইন সংস্কার ও নতুন ব্রডগেজ লাইন স্থাপনের দাবি জানালেও দীর্ঘদিনেও তা বাস্তবায়ন হয়নি।  
রংপুর থেকে ঢাকাগামী দিবাকালীন আন্তঃনগর ট্রেন চালু হলে প্রতিদিন সরকারের বিপুল রাজস্ব আয় হবে। তাই, রাজস্ব আয়ের পাশাপাশি রংপুরের মানুষের যাতায়াত অসুবিধা বিবেচনা করে দাবিগুলো বাস্তবায়নের জন্য দ্রুত পদক্ষেপ নিবেন এমন প্রত্যাশা উন্নয়নবান্ধব সরকারের দক্ষ প্রধানমন্ত্রীর নিকট।




আরও পড়ুন



প্রধান সম্পাদকঃ
ড. মো: ইদ্রিস খান

সম্পাদক ও প্রকাশকঃ
মোঃ খায়রুল আলম রফিক

সিয়াম এন্ড সিফাত লিমিটেড
বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয়ঃ ৬৫/১ চরপাড়া মোড়, সদর, ময়মনসিংহ।
ফোন- +৮৮০৯৬৬৬৮৪, +৮৮০১৭৭৯০৯১২৫০, +৮৮০১৯৫৩২৫২০৩৭
ইমেইল- aporadhshongbad@gmail.com
(নিউজ) এডিটর-ইন-চিফ,
ইমেইল- khirulalam250@gmail.com
close