* সু চির বক্তব্য গ্রহণযোগ্য নয়: ইনু           *  সিঙ্গাপুর নেয়া হচ্ছে গুরুতর অসুস্থ ডিপজলকে           *  ইয়েমেন আগ্রাসনের মধ্যেই সৌদি-ব্রিটেনের সামরিক চুক্তি           * মুন্সীগঞ্জে মিলে আগুন জিএমসহ ছয় কর্মকর্তা আটক, তদন্ত কমিটি গঠন           *  বাসাতেই আছি, ধরে নিয়ে যান: ইমরান           *  ময়মনসিংহ বিভাগের শ্রেষ্ঠ সার্কেল এএসপি আল-আমীন           *  অফিসিয়াল যোগাযোগে ব্যর্থ হয়ে ফেসবুকে পোস্ট           * ত্রিশালে অপরাধ দমন সভা অনুষ্ঠিত           * ইনোভেশন ইন পাবলিক সার্ভিস কর্মশালা আজ সমাপ্ত           *  ময়মনসিংহ শহর আওয়ামীলীগের সাবেক সভাপতি প্রয়াত আলহাজ্ব ইঞ্জিনিয়ার আমিনুল ইসলাম তারার ১ম মৃত্যু বার্ষিকীতে দোয়া ও মিলাদ মাহফিল অনুষ্ঠিত           * ভাঙ্গায় কৃর্তি ছাত্র-ছাত্রীদের সংবর্ধনা অনুষ্ঠান           * ৯ ডাকাত সদস্য আটক ও দেশীয় অস্ত্র উদ্ধার           * চাল আতঙ্কে উত্তরের মানুষ           * বরিশাল মহানগর ছাত্রলীগ সম্পাদক রূপগঞ্জে অস্ত্রসহ আটক           * রোহিঙ্গাদের জন্য ৬০০ কোটি টাকা দেবে জার্মানি           * ট্যানারির বর্জ্য সরাবে কে?           * রোহিঙ্গা সংকটে বাংলাদেশের পাশে থাকবে যুক্তরাষ্ট্র           * ভাঙ্গায় কুমার নদে নৌকা বাইচ অনুষ্ঠিত           * স্বামীকে মুক্ত করতে ঘরের টিন ও গয়না বিক্রি           *  গণহত্যা বন্ধ করে রোহিঙ্গাদের স্বদেশে ফিরিয়ে নেয়ার দাবীতে ময়মনসিংহে নাগরিকদের মানববন্ধন কর্মসূচী ও প্রতিবাদ সমাবেশ           
* সু চির বক্তব্য গ্রহণযোগ্য নয়: ইনু           *  বাসাতেই আছি, ধরে নিয়ে যান: ইমরান           *  অফিসিয়াল যোগাযোগে ব্যর্থ হয়ে ফেসবুকে পোস্ট          

জামাত-শিবির-জঙ্গীরা আছে ওলামা লীগের মুখোশেও... মোমিন মেহেদী

স্টাফ রিপোর্টার | | বৃহস্পতিবার, এপ্রিল ২৮, ২০১৬

জামাত-শিবির-জঙ্গীরা আছে ওলামা লীগের মুখোশেও...
মোমিন মেহেদী
ওলামা লীগ! এটা কি খায় না মাথায় দেয়? পহেলা বৈশাখের বিরুদ্ধে যারা কথা বলে তারা আওয়ামী লীগের কেউ নয়, এ কথা আমি দায়িত্ব নিয়ে বলছিৃ।’ এক নেতা এই কথা বলার পর আরেক আওয়ামী লীগের নেতা  বলেছেন, ‘ওলামা লীগের সঙ্গে আওয়ামী লীগের কোনো সম্পর্ক নেই। ওটা বাটপারদের দল, যারা আওয়ামী লীগের নাম ভাঙিয়ে এ ধরনের দল বা সংগঠন করে তাদের বিরুদ্ধে আমরা প্রশাসনকে ব্যবস্থা নিতে বলেছি। আওয়ামী ওলামা লীগের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নিতে পুলিশকে বলা হয়েছে।’ আসলে কি করা হয়েছে, আর কি করা হয় নি তা বিষয় হলো- বর্তমানে এই ওলামা লীগের কি অবস্থা কি? বর্তমান অবস্থা নিয়ে একটু ভালো ভাবে বাংলাদেশের রাজপথে তাকালেই দেখবো যে, জামাত-শিবির-জঙ্গীদের পাশাপাশি স্বাধীনতা বিরোধীদেরকে ঐক্যবদ্ধ করে স্বাধীনতার স্বপক্ষের রাজনৈতিক প্রধান শক্তি আওয়ামী লীগের ভেতরে প্রবেশ করিয়েছে ইসলামী ব্যাংক-ইসলামী হাসপাতাল আর ইবনে সিনা হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ। আর এদেরকে নাম দেয়া হয়েছে আওয়ামী ওলামা লীগ (ইলিয়াস বিন হেলালী গ্রুপ, কাঁচপুরী গ্রুপ, ইমাম বোখারী-মোমেনী গ্রুপ এবং খোরশেদ আলম গ্রুপ)। যে গ্রুপের রাজনীতি নিয়ে রয়েছে কেবল-ই ধর্ম ব্যবসার অভিজ্ঞতা। দৈনিক ভোরের কাগজ-এর সিনিয়র স্টাফ রিপোর্টার ঝর্ণা মনি লিখেছেন ঠিক এভাবে ‘ঈমান, ঐক্য, শান্তি স্লোগানের নিচে বামপাশে বাঙালির প্রাণের ধ্বনি ‘জয়বাংলা’ আর ডানপাশে স্বাধীনতার মহান স্থপতি ‘জয় বঙ্গবন্ধু।’ এর নিচে বড় হরফে লেখা ‘বাংলাদেশ আওয়ামী ওলামা লীগ।’ ঠিকানা : ২৩, বঙ্গবন্ধু এভিনিউ, ঢাকা। এভাবেই আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের ঠিকানা ব্যবহার করে ক্ষমতাসীন দলের পিঠে সাওয়ার হয়ে নিজেদের আখের  গোছাতে ব্যস্ত ওলামা লীগ। সংগঠনের আগে আওয়ামী এবং পরে লীগ শব্দটি ব্যবহার করে বঙ্গবন্ধুর আদর্শে গড়া দলটির সহযোগী হিসেবে দাবি করলেও সম্প্রতি উগ্রপন্থী, মৌলবাদী আর সাম্প্রদায়িক আচরণে মুখোশের আড়ালে ঢেকে রাখা চেহারার উন্মোচন করেছে তারা। পহেলা বৈশাখ উদযাপন ইসলাম বিরোধী, নাস্তিক ও পর্দাবিরোধী মন্ত্রীদের বাদ দেয়া, হিন্দু বৌদ্ধ থ্রিস্টান ঐক্য পরিষদ নিষিদ্ধ করার দাবি জানানোসহ নানা কর্মকান্ডের মধ্য দিয়ে এরা জামাত-শিবির-জঙ্গীদের দেয়া বিভিন্ন এজেন্ডা বাস্তবায়নের চেষ্টার সাথে সাথে আওয়ামী লীগের মত একটি বড় রাজনৈতিক শক্তিকে কালো অন্ধকারে ঢেকে দিয়ে গ্রুপিং-এর রাজনৈতিক চেষ্টায় মত্ত । যে কারনে আমরা চার খন্ডে বিভক্ত তথাকথিত ওলামাদেরকে দেখেছি একে অপরকে অভিযুক্ত করছেন আলকায়েদা, আইএসের এজেন্ট হিসেবে। যদিও আওয়ামী লীগের একাধিক নেতা বিভিন্ন সময় ওলামা লীগ আওয়ামী লীগের কেউ নয়- বলে দাবি করেছেন, তবে এ বিষয়ে লীগের পক্ষ থেকে স্পষ্ট কোনো নির্দেশনা আসেনি। এদিকে, ঔদ্ধত্যপূর্ণ ওলামা লীগকে এখনই রাশ না টানলে জামায়াত যেমন গিলে খেয়েছে বিএনপিকে তেমনি এই ওলামারা গিলে খেতে পারে আওয়ামী লীগকেই- এমনটি আশঙ্কা আমার মত অসংখ্য স্বাধীনতার স্বপক্ষের রাজনীতি সচেতন নতুন প্রজন্মের প্রতিনিধির।

আমাদের রাজনীতিকে কলুষিত করতে জামাত-শিবির-জঙ্গীচক্র তাদের উচ্ছিষ্টগুলোকে ওলামা লীগ সাজিয়ে আওয়ামী লীগের ভেতরে প্রবেশ করানোর যে চেষ্টাটি গত ৩০ বছর যাবৎ করে আসছে, সে চেষ্টায় অবশ্য অনেকদূর এগিয়ে গেছে ষড়যন্ত্র। এই ষড়যন্ত্র এতদূর এসেছে যে, জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের হাতে গড়া ইসলামী ফাউন্ডেশনে নিয়ে এসেছে ছাত্র শিবির-জামাত-জঙ্গী সদস্যদেরকে। সর্বোচ্চ চেষ্টা করে তারা সফল হয়েছে সবুজপাতার সম্পাদক হিসেবে ছাত্র শিবিরের কেন্দ্রীয় নেতা এহছানুল ইয়াছিনসহ অর্ধশতাধিক দেশ বিরোধী ষড়যন্ত্রকারীকে নিয়োগের মধ্য দিয়ে। একই সাথে তারা রাজনৈতিকভাবে বাংলাদেশেরও বিরোধীতার রাস্তা ধরে এগিয়ে এসেছে ঠিক এভাবে- ‘আওয়ামী লীগে ওলামা লীগ বিতর্ক নতুন নয়। কট্টরপন্থী ধর্মীয় সংগঠন  হেফাজতে ইসলামের সঙ্গে সুর মিলিয়ে তথাকথিত ইসলাম অবমাননার অভিযোগে ব্লগারদের মৃত্যুদন্ড দাবি করে আইন চেয়ে বিক্ষোভ করে প্রথম নজরে আসে তারা। এই উগ্র মৌলবাদী নেতারা জনসংখ্যার ৯৮ শতাংশ মুসলমান দাবি করে তাদের জন্য সেই অনুপাতে সরকারি চাকরির বরাদ্দও চান তারা। তাদের মতে, স্বঘোষিত ইসলাম বিদ্বেষী নাস্তিক ব্লগাররা ইসলাম ধর্ম অবমাননা করে আসছে, যা তসলিমা নাসরীন, সালমান রুশদী, দাউদ হায়দারকেও হার মানিয়েছে। তাই মুক্তমনা ও মুক্তচিন্তার নামে ইসলাম অবমাননাকারী এসব নাস্তিকদের মৃত্যুদন্ডের আইন করতে হবে। চারুকলা ও শিল্পকলার নামে সঙ্গীত, নাটক, নৃত্যানুষ্ঠান, নৃত্য একাডেমি করা হচ্ছে, যার মাধ্যমে কোমলমতি শিক্ষার্থীদের বেহায়াপনায় ঠেলে দেয়া হচ্ছে। মানববন্ধনে ওলামা লীগের দাবিগুলোর অধিকাংশই ছিল হেফাজতে ইসলামীর ১৩ দফার অনুরূপ। এরপরই বঙ্গবন্ধুর আদর্শের ধোয়া তোলা ওলামা লীগের খোলস খুলে যায়। উন্মোচিত হয় মৌলবাদী, সাম্প্রদায়িক চেহারার। জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে একাধিক মানবন্ধনে জাতীয় শিক্ষানীতি বাতিল ও বাল্যবিবাহবিরোধী সব আইন রদ করার দাবি জানানো হয়। শিক্ষামন্ত্রী আওয়ামী লীগের কাঁধে চড়ে তার নাস্তিক্যবাদী শিক্ষা দর্শন ৯৮ ভাগ মুসলমানের ওপর চাপিয়ে দিচ্ছে অভিযোগ করে মানববন্ধনে ‘জাতীয় শিক্ষানীতিকে ‘ইসলামবিদ্বেষী’ অ্যাখ্যা দিয়ে এটি সংশোধনেরও দাবি জানানো হয়।’ এমন একটা কালো সময়ে আমরা নতুন প্রজন্মের প্রতিনিধিরা সত্যিই খুব অসহায়।

আমাদের রাজনৈতিক অধিকার আর পরিবেশ রক্ষার জন্য হলেও অনতিবিলম্বে ইসলামী ব্যাংকে প্রশাসক নিয়োগ, জামাত-শিবির-জঙ্গী সকল সংগঠন নিষিদ্ধের সাথে সাথে ওলামা লীগ-এর সকল কার্যক্রম নিষিদ্ধ করার আহবান থাকলো লোভ-মোহহীন আওয়ামী লীগ সভাপতি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার কাছে। একই সাথে অনুরোধ জানাবো বাংলাদেশকে বচাঁন, বাংলাদেশের রাজনীতি-শিক্ষা-সাহিত্য-সংস্কৃতি-সমাজ-অর্থনীতি ও কূটনৈতিক কৌশলে এগিয়ে যেতে যেতে মেতে উঠুন সাহসের উৎসবে। সাহসের সাথে নিষিদ্ধ করুন সকল অন্যায় আর অপরাধের দোকান। বিশেষ করে রাজনৈতিক অরাজকতার সূত্রতাকে কবর দিন নিজ হাতে-নিজের দলের হাতে। যাতে করে ‘যে আওয়ামী লীগের কাঁধে চেপে নিজেদের স্বার্থ হাসিলে কাজ করছে  সেই আওয়ামী লীগকে হুমকিতো দূরের কথা নামও আর ব্যবহার করতে না পারে তথাকথিত ওলামা লীগ। বিশেষ করে এদের সংবিধান থেকে রাষ্ট্রধর্ম ইসলামকে বাদ দেয়া হলে সারা দেশে বড় ধরনের আন্দোলন গড়ে তোলে দেশ অচল করে দেয়া হবে বলে সরকারকে দেয়া হুঁশিয়ারির কথা মনে করে হলেও  আখতার হুসাইন বোখারির বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নিয়ে এই দেশ বিরোধী-ধর্ম বিরোধীর বিমান, রেলপথ, সড়কপথ, অফিস-আদালত, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান অচল করে দেয়ার হুমকিকে কাশি দিয়ে থামিয়ে দেয়া এখন নিরন্তর দায়িত্ব।
মনে রাখতে হবে, এই ওলামা লীগ সেই ওলামা লীগ, যেই ওলামা লীগ গত বছরের ৫ সেপ্টেম্বর প্রেসক্লাবের সামনে এক মানববন্ধনে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধুর আগে শহীদ ও পরে রহমতুল্লাহি আলাইহি লাগানোর দাবি জানিয়েছে,  শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ড. জাফর ইকবালকে ‘নাস্তিক’ আখ্যা দিয়ে তাকে বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বহিষ্কারের দাবি জানিয়েছে,  চলতি বছরের শুরুতেই হিন্দু- বৌদ্ধ-খ্রিস্টান ঐক্য পরিষদ নিষিদ্ধ করার দাবিও জানিয়েছে। এত কিছুর পরও যখন নির্বিঘেœ ইসলামী ফাউন্ডেশনের মত একটি পবিত্র স্থানে অপবিত্র ছাত্র শিবির-জামাত-জঙ্গীদেরকে লালন পালন করছে সরকার ওলামা লীগের কথা শুনে, সেই সরকারের কাছে অনুরোধ জানাবো- একবারের জন্য হলেও ভাবেন। ভেবে ভেবে পদক্ষেপ নিন। এগিয়ে যান দেশ-মানুষ ও মাটির কল্যাণের জন্য নিবেদিত থেকে। অবশ্য এই আহবান নতুন প্রজন্মের প্রতিনিধি হিসেবে বাংলাদেশের প্রতিটি মানুষের কাছে।

কেননা, এরা নওরোজ-এর ইতিহাস ভুলে গিয়ে জামাত-জঙ্গীদের কথামত বাংলা নববর্ষবরণের অনুষ্ঠান পুরোপুরি বন্ধের দাবি জানায়, মুসলমানদের ‘ইসলামহীন’ করার জন্যই পহেলা বৈশাখের ‘অপতৎপরতা’ বলে দাবি করে, একইদিনে সংগঠনটির এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে পহেলা বৈশাখের আয়োজনকে ‘অনৈসলামিক ও হারাম’ বলে উল্লেখ করে ঠিক এভাবে ‘পহেলা বৈশাখের নামে চারুকলার গাঁজাখোর মিডিয়া ও পুঁজিবাদী বেনিয়াগোষ্ঠী বাণিজ্য করছে। ওদের শোষণ থেকে জনগণকে বাঁচাতে হবে। শুধু তাই নয়, যেখানে বৈশাখী বোনাস চালু করে সব মহলের দারুণ প্রশংসা পেয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা, সেখানে বৈশাখি ভাতা বন্ধ করে সংবিধানে রাষ্ট্রধর্ম ইসলামের দোহাই তুলে মুসলমানদের মহাপবিত্র সাইয়্যিদুল আইয়াদ শরিফ উপলক্ষে বোনাস দেয়ার দাবি জানায় তারা। এমনকি সংগঠনটি চরম ঔদ্ধত্য দেখিয়ে প্রধান বিচারপতি সুরেন্দ্র কুমার সিনহার পদত্যাগ দাবি করেছে। তাদের মূল আপত্তি প্রধান বিচারপতির ধর্ম।’ এই বর্তমানে দাঁড়িয়ে আমি বরাবরের মত ছন্দিত উচ্চারণে বলতে চাই-
এই আমাদের দেশটাতে ভাই দ্বিতীয় দেশ আছে
সেই দেশটা ‘ইসলামী দেশ’ জানা সবার কাছে
যেমন ধরেন- ইসলামী ব্যাংক-ইন্স্যুরেন্স আর বাড়ি
হাসপাতাল-স্কুলও আছে; আছে প্রেস আর গাড়ি
টিভি আছে, প্রকাশনা-নতুন আরো হাজার
বাংলাদেশে বসে এখন ইসলামী এক বাজার
তার উপরে পোশাক আছে এখন আছে স্বামী
সকল কিছুই যাচ্ছে হয়ে ইসলামী ইসলামী
এখান থেকে বের হতে চাই ‘মানুষ’ হবো ‘মানুষ’
যাদের কাছে থাকবে না ভাই মিথ্যে কথার ফানুষ
সততা আর থাকবে ভালো লোভ-মোহহীন সত্য
তাদের ভয়ে পালিয়ে যাবে ওলামা লীগ দৈত্য...




আরও পড়ুন



প্রধান সম্পাদকঃ
ড. মো: ইদ্রিস খান

সম্পাদক ও প্রকাশকঃ
মোঃ খায়রুল আলম রফিক

সিয়াম এন্ড সিফাত লিমিটেড
বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয়ঃ ৬৫/১ চরপাড়া মোড়, সদর, ময়মনসিংহ।
ফোন- +৮৮০৯৬৬৬৮৪, +৮৮০১৭৭৯০৯১২৫০, +৮৮০১৯৫৩২৫২০৩৭
ইমেইল- aporadhshongbad@gmail.com
(নিউজ) এডিটর-ইন-চিফ,
ইমেইল- khirulalam250@gmail.com
close