* রূপবতী হতে চান? ইয়োগা করুন           *  সৌদি যুবরাজকে ইসরায়েল সফরে আহ্বান           *  ফরিদপুরে দুই ভুয়া চিকিৎসককে দণ্ড           *  ক্যানসার চিকিৎসায় বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক তৈরির উদ্যোগ           *  মুমনিরে মহাপুরস্কাররে রাত           *  ঈদের ষষ্ঠ দিন টেলিফিল্ম ম্যাজেসিয়ান তিশা           *  ঈদে নিরাপত্তার কোনো ঘাটতি নেই: আইজিপি           *  ময়মনসিংহে জমেছে ঈদ মার্কেট           * চাঁপাইনবাবগঞ্চে পথের ধারে তালের শাঁস বিক্রিতেই জীবিকা           * কুলিয়ারচরে ভিজিএফ কর্মসূচীর চাউল বিতরণ            * মেলান্দহে কর্মসৃজনের প্রায় ৬কোটি টাকা হরিলুট চলছে           *  দুর্গাপুরে সামাজিক নিরাপত্তা বেষ্টনীর আওতায় বয়স্ক,বিধবা ও প্রতিবন্ধী ভাতা বিতরণ।           *  ঈদ মানে খুশি, ঈদ মানেই আনন্দ           * আটপাড়ায় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার পক্ষ থেকে অসীম ও অপু উকিলের ঈদ বস্ত্র বিতরণ           * বিভাগীয় কমিশনারের কার্যালয়ের সামনে চরাঞ্চলবাসির অবস্থান ময়মনসিংহ বিভাগীয় নতুন শহরের প্রস্তাবিত এলাকায় নতুন করে তথ্য সংগ্রহের সিদ্ধান্ত           * ১৫ নং ওয়ার্ড মহানগর যুবলীগের দোয়া ও ইফতার           * পথ শিশুদের হাতে ‘সম্ভাবনার’ ঈদ উপহার           * হ্যাপির পর্দানশীন জীবন নিয়ে এএফপিতে বিশেষ প্রতিবেদন           *  ময়মনসিংহে গ্রেপ্তার ১০           * বুধবার থেকে রাঙামাটি-চট্টগ্রাম সড়কে গাড়ি চলবে          
*  ঈদে নিরাপত্তার কোনো ঘাটতি নেই: আইজিপি           * মেলান্দহে কর্মসৃজনের প্রায় ৬কোটি টাকা হরিলুট চলছে           * আটপাড়ায় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার পক্ষ থেকে অসীম ও অপু উকিলের ঈদ বস্ত্র বিতরণ          

তনু হত্যার সুরাহা হোল না

অপরাধ সম্পাদক ডেস্ক | মঙ্গলবার, জুন ১৪, ২০১৬
তনু হত্যার সুরাহা হোল না
কুমিল্লার কলেজছাত্রী সোহাগী জাহান তনুর মৃত্যু রহস্য এখনো  উন্মোচিত হয়নি। তিন মাস কাল সময় অতিবাহিত হতে চললো- কিন্তু তনু হত্যার সুরাহা হোল না। মাসের পর মাস জিজ্ঞাসাবাদ চালানো হলো বিভিন্ন জনকে । কিন্তু সেসব জিজ্ঞাসাবাদের কোন সুফল পাওয়া গেল কিনা জানিনা। মনে হয়, কল্পনা চাকমার মৃত্যুরহন্য যেমন আজো জানা যায়নি,সাগরÑরুনি হত্যা জট যেমন আজো খোলেনি তেমনি তনুর সত্যিকারের হত্যাকারীর সন্ধান হয়তো কোনদিন জানা যাবে না। তনুর পরিবার ,আত্মীয়-স্বজন বা দেশবাসী তনুর হত্যাকারী কে তা হয়তো কোনদিন জানবে না। আমাদের দেশের তদন্তকারী কর্মকর্তাদের সীমাবদ্ধতা সম্পর্কে দেশবাসীর জনতে বাকি নেই। তেমনি খুনিরাও জানে পুলিশসহ সংশ্লিষ্টদের দৌড় কতটুকু। আধুনিক দুনিয়ায় অন্যান্য দেশে খুনিরা ধরা পরবেই, আমাদের দেশে তা হয় না।   
আদালতের আদেশে কুমিল্লার কলেজছাত্রী সোহাগী জাহান তনুর  লাশ কবর থেকে তুলে দ্বিতীয় দফা ময়নাতদন্ত করার আড়াই মাস পর পুলিশের কাছে প্রতিবেদন দিয়েছেন চিকিৎসকরা। তবে দ্বিতীয় দফা প্রতিবেদনে কী আছে, তনুকে হত্যার আগে ধর্ষণের কোনো প্রমাণ চিকিৎসকরা পেয়েছেন কি না- সে তথ্য জানা যায়নি। শুধু সংবাদ মাধ্যমে খবর এসেছে, তনুর শরীরে যৌন নিপিড়নের চিহ্ন পাওয়া গেছে। গত ২০ মার্চ খুনের পর প্রথম ময়নাতদন্ত প্রতিবেদনে চিকিৎসকরা বলেছিলেন, তনুকে হত্যার আগে ধর্ষণের কোনো প্রমাণ  তারা পাননি। কিন্তু ডিএনএ পরীক্ষার পর সিআইডির পক্ষ থেকে জানানো হয়, খুনিরা তনুকে ধর্ষণও করেছিল; তার ডিএনএ নমুনা তারা পেয়েছেন। আলোচিত এই খুনের প্রথম ময়নাতদন্ত নিয়ে প্রশ্ন ওঠার পর আদালতের নির্দেশে ৩০ মার্চ দ্বিতীয়বার ময়নাতদন্ত করেন কুমিল্লা মেডিকেল কলেজের চিকিৎসকরা। তারপর দীর্ঘ সময়েও তারা প্রতিবেদন দিতে না পারায় সমালোচনা হয়। তনুর বাবা ইয়ার হোসেন ওই চিকিৎসকদের উকিল নোটিসও পাঠান। ময়নাতদন্তকারী চিকিৎসক দলের সদস্য কুমিল্লা মেডিকেল কলেজের ফরেনসিক বিভাগের প্রধান কামদা প্রসাদ বলে আসছিলেন, সিআইডির ডিএনএ টেস্টের প্রতিবেদন পেলেই তারা প্রতিবেদন দিতে পারবেন। এ নিয়ে কিছুদিন টানাপড়েনও চলে। চিকিৎসকদের পক্ষ থেকে তনুর দাঁত ও লালা পরীক্ষার প্রতিবেদন চাওয়া হয়েছিল মামলার তদন্তকারী সংস্থা সিআইডির কাছে। তখন সিআইডি বলেছিল, এগুলোর আলাদা কোনো প্রতিবেদন তারা করেনি। এই প্রেক্ষাপটে কুমিল্লার অতিরিক্ত মুখ্য বিচারিক হাকিম জয়নাব বেগম পূর্ণাঙ্গ ময়নাতদন্ত প্রতিবেদন চিকিৎসকদের সরবরাহের নির্দেশ দেন। চিকিৎসকার ওই প্রতিবেদন হাতে পান গত ৭ জুন। সেনানিবাস বোর্ডের কর্মচারী ইয়ার হোসেনের মেয়ে তনু গত ২০ মার্চ রাতে কুমিল্লা সেনানিবাসের ভেতরে নিজেদের কোয়ার্টার থেকে অন্য কোয়ার্টারে ছাত্র পড়াতে গিয়ে খুন হন। ভিক্টোরিয়া কলেজের ছাত্রী তনুর লাশ উদ্ধারের সময় পুলিশ ধর্ষণের সন্দেহের কথা জানালেও প্রথম ময়নাতদন্তের পর চিকিৎসকরা ধর্ষণের প্রমাণ না পাওয়ার কথা জানান। এ নিয়ে সারাদেশে ক্ষোভ-বিক্ষোভের মধ্যে আদালতের নির্দেশে দ্বিতীয় দফা ময়নাতদন্ত হয়। আর সেনানিবাসের ভেতরে তনুর লাশ যেখানে পাওয়া গিয়েছিল, সেখান থেকে আলামত সংগ্রহ করে তার পরীক্ষা চালায় সিআইডি।

তনু হত্যার সুরাহা হোল না
কুমিল্লার কলেজছাত্রী সোহাগী জাহান তনুর মৃত্যু রহস্য এখনো  উন্মোচিত হয়নি। তিন মাস কাল সময় অতিবাহিত হতে চললো- কিন্তু তনু হত্যার সুরাহা হোল না। মাসের পর মাস জিজ্ঞাসাবাদ চালানো হলো বিভিন্ন জনকে । কিন্তু সেসব জিজ্ঞাসাবাদের কোন সুফল পাওয়া গেল কিনা জানিনা। মনে হয়, কল্পনা চাকমার মৃত্যুরহন্য যেমন আজো জানা যায়নি,সাগরÑরুনি হত্যা জট যেমন আজো খোলেনি তেমনি তনুর সত্যিকারের হত্যাকারীর সন্ধান হয়তো কোনদিন জানা যাবে না। তনুর পরিবার ,আত্মীয়-স্বজন বা দেশবাসী তনুর হত্যাকারী কে তা হয়তো কোনদিন জানবে না। আমাদের দেশের তদন্তকারী কর্মকর্তাদের সীমাবদ্ধতা সম্পর্কে দেশবাসীর জনতে বাকি নেই। তেমনি খুনিরাও জানে পুলিশসহ সংশ্লিষ্টদের দৌড় কতটুকু। আধুনিক দুনিয়ায় অন্যান্য দেশে খুনিরা ধরা পরবেই, আমাদের দেশে তা হয় না।   
আদালতের আদেশে কুমিল্লার কলেজছাত্রী সোহাগী জাহান তনুর  লাশ কবর থেকে তুলে দ্বিতীয় দফা ময়নাতদন্ত করার আড়াই মাস পর পুলিশের কাছে প্রতিবেদন দিয়েছেন চিকিৎসকরা। তবে দ্বিতীয় দফা প্রতিবেদনে কী আছে, তনুকে হত্যার আগে ধর্ষণের কোনো প্রমাণ চিকিৎসকরা পেয়েছেন কি না- সে তথ্য জানা যায়নি। শুধু সংবাদ মাধ্যমে খবর এসেছে, তনুর শরীরে যৌন নিপিড়নের চিহ্ন পাওয়া গেছে। গত ২০ মার্চ খুনের পর প্রথম ময়নাতদন্ত প্রতিবেদনে চিকিৎসকরা বলেছিলেন, তনুকে হত্যার আগে ধর্ষণের কোনো প্রমাণ  তারা পাননি। কিন্তু ডিএনএ পরীক্ষার পর সিআইডির পক্ষ থেকে জানানো হয়, খুনিরা তনুকে ধর্ষণও করেছিল; তার ডিএনএ নমুনা তারা পেয়েছেন। আলোচিত এই খুনের প্রথম ময়নাতদন্ত নিয়ে প্রশ্ন ওঠার পর আদালতের নির্দেশে ৩০ মার্চ দ্বিতীয়বার ময়নাতদন্ত করেন কুমিল্লা মেডিকেল কলেজের চিকিৎসকরা। তারপর দীর্ঘ সময়েও তারা প্রতিবেদন দিতে না পারায় সমালোচনা হয়। তনুর বাবা ইয়ার হোসেন ওই চিকিৎসকদের উকিল নোটিসও পাঠান। ময়নাতদন্তকারী চিকিৎসক দলের সদস্য কুমিল্লা মেডিকেল কলেজের ফরেনসিক বিভাগের প্রধান কামদা প্রসাদ বলে আসছিলেন, সিআইডির ডিএনএ টেস্টের প্রতিবেদন পেলেই তারা প্রতিবেদন দিতে পারবেন। এ নিয়ে কিছুদিন টানাপড়েনও চলে। চিকিৎসকদের পক্ষ থেকে তনুর দাঁত ও লালা পরীক্ষার প্রতিবেদন চাওয়া হয়েছিল মামলার তদন্তকারী সংস্থা সিআইডির কাছে। তখন সিআইডি বলেছিল, এগুলোর আলাদা কোনো প্রতিবেদন তারা করেনি। এই প্রেক্ষাপটে কুমিল্লার অতিরিক্ত মুখ্য বিচারিক হাকিম জয়নাব বেগম পূর্ণাঙ্গ ময়নাতদন্ত প্রতিবেদন চিকিৎসকদের সরবরাহের নির্দেশ দেন। চিকিৎসকার ওই প্রতিবেদন হাতে পান গত ৭ জুন। সেনানিবাস বোর্ডের কর্মচারী ইয়ার হোসেনের মেয়ে তনু গত ২০ মার্চ রাতে কুমিল্লা সেনানিবাসের ভেতরে নিজেদের কোয়ার্টার থেকে অন্য কোয়ার্টারে ছাত্র পড়াতে গিয়ে খুন হন। ভিক্টোরিয়া কলেজের ছাত্রী তনুর লাশ উদ্ধারের সময় পুলিশ ধর্ষণের সন্দেহের কথা জানালেও প্রথম ময়নাতদন্তের পর চিকিৎসকরা ধর্ষণের প্রমাণ না পাওয়ার কথা জানান। এ নিয়ে সারাদেশে ক্ষোভ-বিক্ষোভের মধ্যে আদালতের নির্দেশে দ্বিতীয় দফা ময়নাতদন্ত হয়। আর সেনানিবাসের ভেতরে তনুর লাশ যেখানে পাওয়া গিয়েছিল, সেখান থেকে আলামত সংগ্রহ করে তার পরীক্ষা চালায় সিআইডি।




আরও পড়ুন



প্রধান সম্পাদকঃ
ড. মো: ইদ্রিস খান

সম্পাদক ও প্রকাশকঃ
মোঃ খায়রুল আলম রফিক

সিয়াম এন্ড সিফাত লিমিটেড
বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয়ঃ ৬৫/১ চরপাড়া মোড়, সদর, ময়মনসিংহ।
ফোন- +৮৮০৯৬৬৬৮৪, +৮৮০১৭৭৯০৯১২৫০, +৮৮০১৯৫৩২৫২০৩৭
ইমেইল- aporadhshongbad@gmail.com
(নিউজ) এডিটর-ইন-চিফ,
ইমেইল- khirulalam250@gmail.com
close