*  জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্ট মামলা রায়ের রাষ্ট্রপক্ষের : আদেশ ৩০ সেপ্টেম্বর            * ভুলত্রুটি যতটুকু পারি শুধরে নেয়ার চেষ্টা করবো           * ব্যক্তিগত সুসম্পর্ক তৈরি করবেন যেভাবে            * বিসিএস উত্তীর্ণ সিনথিয়া আদালতে বললেন প্রেম করে বিয়ে করেছি           * পুরনো আগুন নেভানোর অপেক্ষা           * জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা কার্যক্রমের সংস্কার চাইলেন প্রধানমন্ত্রী           * ত্রিশালে যুবলীগ নেতাকে কুপানোর দায়ে মামলায় আসামী ৩০, গ্রেফতার ৯           *  ময়মনসিংহে দুই সাংবাদিকের নামে তথ্যপ্রযুক্তি আইনে মামলা           * ‘পাকিস্তানের বিশ্বাস নেই, যেদিন খেলে কাউকে পাত্তা দেয় না           * কেউ খোঁজ রাখেনি মুক্তিযোদ্ধাদের ‘মা’ ইছিমন বেওয়া'র           * এক মাছের পেটে মিলল ৬১৪ পিস ইয়াবা            * মোদির জন্য নোবেল!            * ৫ লাখ রোহিঙ্গা বাংলাদেশে ঢোকার অপেক্ষায় রয়েছে           * শিক্ষায় বিনিয়োগের আহ্বান শেখ হাসিনার            * ডাক্তারদের সেবার মনোভাব কম: স্বাস্থ্যমন্ত্রী           * ফুলপুরে জঙ্গীবাদ বিরোধী মা সমাবেশ অনুষ্টিত           * দুই মণ গাঁজাসহ ৩ মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফতার            * নামাযে অজু নিয়ে সন্দেহ হলে কি করবেন?           * ৭-২৮ অক্টোবর ইলিশ ধরা নিষিদ্ধ           * মদ না খেয়েও মাতাল যারা!          
*  জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্ট মামলা রায়ের রাষ্ট্রপক্ষের : আদেশ ৩০ সেপ্টেম্বর            * ভুলত্রুটি যতটুকু পারি শুধরে নেয়ার চেষ্টা করবো           * পুরনো আগুন নেভানোর অপেক্ষা          

পাথরঘাটার কালমেঘা ইউনিয়নে রোয়ানুর বরাদ্দকৃত চাল পুরোটাই আত্মসাত

বরগুনা প্রতিনিধি, | সোমবার, অক্টোবর ১০, ২০১৬
পাথরঘাটার কালমেঘা ইউনিয়নে রোয়ানুর
বরাদ্দকৃত চাল পুরোটাই আত্মসাত
বরগুনার পাথরঘাটা উপজেলাধীন কালমেঘা ইউনিয়নের চেয়ারম্যান আকন মোঃ শহিদের বিরুদ্ধে ঘূর্ণিঝড় রোয়ানুতে যারা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে তাদের জন্য দেয়া বরাদ্দকৃত চাল আতা¥সাতের অভিযোগ উঠেছে। সুবিধাভোগীদের দাবী, তাদের নাম ব্যবহার করে ভুয়া তালিকা ও মাষ্টার রোলে টিপসই জমা দিয়ে চেয়ারম্যান শহীদ গোটা বরাদ্দকৃত চাল আতা¥সাত করেছেন।
পাথরঘাটা উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তার কার্যালয় দেয়া তথ্যমতে, মে মাসের শেষের দিকে ঘূর্নিঝড় রোয়ানু’তে ক্ষতিগ্রস্ত প্রত্যেক পরিবারের জন্য সরকার ২০ কেজি করে চাল বরাদ্দ দেন। জুন মাসের মধ্যে এসব চাল বিতরণ শেষ করার নির্দেশ দিয়ে ইউপি চেয়ারম্যানদের কাছে ক্ষতিগ্রস্তদের তালিকা চাওয়া হয়। কালমেঘা ইউনিয়ন থেকে চেয়ারম্যান আকন মোঃ শহীদ ১৯০ জনের একটি তালিকা পিআইও অফিসে জমা দেন। তালিকার অনুকূলে ২৯ মে’২০১৬ তারিখে ৭১ জন ক্ষতিগ্রস্তের অনুকুলে ১৪’শ ২০ কেজি আবার ৬ জুন’১৬ তারিখে ১১৯ নামের বিপরীতে ২৩৮০কেজি মোট ৩৮’শ কেজি চাল চেয়ারম্যান আকন মোঃ শহীদকে বুঝিয়ে দেয়া হয়।
খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, তালিকায় উল্লেখিত ১৯০ জনের কাউকেই এসব চাল দেয়া হয়নি। তালিকাভুক্তদের কেউ তাদের নামের বরাদ্দকৃত চালের কথা জানেন না। জমাকৃত তালিকা ও মাষ্টার রোলে ওই ইউনিয়নের ৩নং ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য শাহিন মিয়ার বাবা আনিস মিয়ার নাম রয়েছে । চাল পেয়েছেন কিনা জানতে চাইলে তিনি বলেন, আমি আমার গোটা জীবনে সরকারি-বেসরকারি কোন ধরনের সহয়তা নেইনি। আমার নাম কি করে তালিকায় এল আমি জানিনা। আমাকে কোন প্রকার চাল দেয়া হয়নি। ৬ নং ওয়ার্ডের বাসিন্দা রবীন্দ্র নাথের স্ত্রী’র নাম রয়েছে এ তালিকায়। রবীন্দ্রনাথ সাংবাদ কর্মীদের জানান আমার স্ত্রী’ হেলেন রানী আমাকে বলেন, আমার নাম তালিকাভুক্ত হয়েছে কিভাবে আমার জানা নেই। আমরা এ নামের বরাদ্দকৃত চাল পাইনি। ৩নং ওয়ার্ডের বাসিন্দা নাসিরের নাম তালিকাভুক্ত থাকলেও নাসির বর্তমানে প্রবাসে অবস্থান করছেন। নাসিরের বাবা চান মিয়া বলেন, আমার ছেলের নামে আমি কোন চাল পাইনি। অনুসন্ধানে জানা গেছে, ইউনিয়নের ৯টি ওয়ার্ড থেকে ক্ষতিগ্রস্ত যে ১৯০ জনের তালিকা ও মাষ্টার রোল জমা দিয়ে চাল উত্তোলন করা করা হলেও বাস্তবে কেউই এসব চাল পাননি। ইউপি সদস্যদের প্রতিটি ওয়ার্ড থেকে ক্ষতিগ্রস্তদের তালিকা দেয়ার কথা থাকলেও তালিকা তৈরি ও চাল বিতরণের বিষয়টি ইউপি’র নয়জন সদস্যে’র কারোরই জানা নেই। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক ওই ইউপি’র কয়েকজন সদস্য জানান,  রোয়ানু’র জন্য তাদের ইউনিয়নের চাল বরাদ্দ দেয়া হয়েছে এমন তথ্য তারা কেউ এর আগে শোনেননি। নির্ভরযোগ্য একটি সূত্রে জানা গেছে, রোয়ানু’র অনুকুলে বরাদ্দৃকত চাল খাদ্য গুদাম থেকে বিক্রি করে দিয়েছেন চেয়ারম্যন শহীদ।
এ ব্যাপারে জানতে চাইলে কালমেঘা ইউনয়িনের চেয়ারম্যান আকন মোঃ শহীদ বলেন, একদিকে ঈদ অপরদিকে ভিজিডি বিরতরনের চাপে তরিঘরি করে তালিকা তৈরী করে জমা দিয়ে চাল বুঝে নিয়েছেন। এছাড়াও মাষ্টার রোলের টিপসই নিয়ে পিআইও অফিসে জমা দেয়া হয়েছে। এখন ধীরে সুস্থে চাল পর্যায়ক্রমে বিতরণ করা হবে।
কালমেঘা ইউপি’র নির্ভযোগ্য একটি সূত্র জানিয়েছেন, এদিকে বিষয়টি জানাজানি হওয়ায় চেয়ারম্যান শহীদ ইউপি সদস্যদের নিয়ে পরিষদে সভা ডাকেন। তিনি রোয়ানু’র বরাদ্দকৃত চালের দায় দ্বায়িত্ব নিজে বুঝে নিয়ে ভবিষ্যতে এ ধরনের ঘটনা না ঘটার অঙ্গীকার করেন। পরে চাল আত্মসাতের বিষয়টি ধামাচাপা দিতে প্রতিটি ওয়ার্ডের সদস্যদের মাধ্যমে ওই ওয়ার্ডের রোয়ানুর ক্ষতিগ্রস্তদের তালিকাভুক্তদের ইতোমধ্যে চলমান ফেয়ার প্রাইজের ডিলারদের ম্যানেজ করে ২০ কেজি করে চাল বিতরণ শুরু করেছেন।
ওই কার্যক্রমের ট্যাগ অফিসার পাথরঘাটা উপজেলা যুব উন্নয়ন কর্মকর্তা কবির আহমেদ বলেন, ভিজিডি’র সাথে রোয়ানু’র চালও আলাদাভাবে বিতরণ করা হয়েছে। আমি উপস্থিত থেকে চাল বিতরণ কার্যক্রম উদ্বোধন করে আসছি। আদৌ চাল বিতরণ হয়েছে কিনা জানতে চাইলে তিনি বলেন, চাল বিতরণ হয়েছে এমনটাই তিনি জানেন।
পাথরঘাটা উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা এইচএম মাহবুব হোসেন বলেন, কালমেঘা ইউনিয়নে চাল বিতরণ হয়নি এমন কথা আমি শুনেছি। বিষয়টি নিয়ে আমি চেয়ারম্যান আকন মোঃ শহীদের সাথে কথা বলেছি। তিনি জানিয়েছেন , ঢাকাতে অবস্থানের কারণে চাল বিতরণ হয়নি। শীঘ্রই তালিকা মোতাবেক চাল দিয়ে দেয়া হবে। আত্মসাত প্রসঙ্গে মাহবুব বলেন, অভিযোগ পেলে তদন্ত স্বাপেক্ষে যথাযথ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।




আরও পড়ুন



প্রধান সম্পাদকঃ
ড. মো: ইদ্রিস খান

সম্পাদক ও প্রকাশকঃ
মোঃ খায়রুল আলম রফিক

সিয়াম এন্ড সিফাত লিমিটেড
বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয়ঃ ৬৫/১ চরপাড়া মোড়, সদর, ময়মনসিংহ।
ফোন- +৮৮০৯৬৬৬৮৪, +৮৮০১৭৭৯০৯১২৫০, +৮৮০১৯৫৩২৫২০৩৭
ইমেইল- aporadhshongbad@gmail.com
(নিউজ) এডিটর-ইন-চিফ,
ইমেইল- khirulalam250@gmail.com
close