* শীতকালে শুষ্ক ও ফাটা ত্বকের ঘরোয়া সমাধান           *  ইতিহাস গড়ে জিতল বাংলাদেশ           *  দণ্ডিতদের ভোটে আসার পথ আটকাই থাকল           *  গোলাম মাওলা রনির মনোনয়নপত্র বাতিল           * হিরো আলমের প্রার্থিতা বাতিল           *  ইবি অধ্যাপক নূরী আর নেই           * কেন্দুয়ায় চিথোলিয়া গ্রামে বসেছিল রাতব্যাপী লালন সংগীতের আসর           * গাজীপুরে মরুভূমি ফুল এর মানবন্ধন           *  শান্তিচুক্তির ২১ বছর পাহাড়ে থামেনি ভাতৃঘাতী সংঘাত           *  প্রতিপক্ষকে প্রথমবার ফলোঅন করালো বাংলাদেশ           *  ১৫০ সিসির নতুন পালসার আনল বাজাজ           *  গাঁজা সেবনের দায়ে যুবকের জেল           *  সেরা ডিজিটাল ব্যাংকের পুরস্কার পেল সিটি ব্যাংক           * দেশে পৌঁছেছে ‘হংসবলাকা’            * মোদি কেমন হিন্দু, প্রশ্ন রাহুলের            * মিরাজের ঘূর্ণিতে ফলোঅনে উইন্ডিজ           * কাঠবোঝাই ট্রাক চাপায় প্রাণ গেল তিন শ্রমিকের           * নারায়ণগঞ্জে ‘বন্দুকযুদ্ধে’ মাদক বিক্রেতা নিহত           * আলাস্কায় ভয়াবহ ভূমিকম্প, ৬ ঘণ্টায় ৪০ বার কম্পন           * জাতিসংঘের মিশনে বিমান বাহিনীর ২০২ সদস্যের কঙ্গো গমন          
* দেশে পৌঁছেছে ‘হংসবলাকা’            * মোদি কেমন হিন্দু, প্রশ্ন রাহুলের            * মিরাজের ঘূর্ণিতে ফলোঅনে উইন্ডিজ          

যুবলীগ কর্মীকে জনসম্মুখে হত্যা

যশোর প্রতিনিধি, | সোমবার, অক্টোবর ১০, ২০১৬
যুবলীগ কর্মীকে জনসম্মুখে হত্যা
আগের বছর খুন হয়েছিলেন বড় ভাই। এক বছর যেতে না যেতেই এবার দুর্বৃত্তের হামলায় প্রাণ গেলো ছোট ভাই যুবলীগ কর্মী এজাজ হোসেন। আধিপত্য বিস্তার নিয়ে স্থানীয় দুটি গ্রুপের মধ্যে কোন্দলের জেরে এই হত্যা হয়েছে বলে মনে করছেন স্থানীয়রা। দুটি গ্রুপকেই নেতৃত্ব দিচ্ছেন আওয়ামী লীগ সমর্থক দুই স্থানীয় নেতা।

সকাল নয়টার দিকে যশোর সদরের চুড়ামনকাটি এলাকায় ঝাউদিয়া রেলক্রসিংয়ে এজাজকে প্রকাশ্যে গুলি করা হয়।

পুলিশ জানায়, চুড়ামনকাটি বাজার থেকে মোটরসাইকেলে করে বাড়ি ফিরছিলেন এজাজ। ঝাউদিয়া এলাকায় তার গতিরোধ করে মাথায় অস্ত্র ঠেকিয়ে গুলি করে নির্বিঘ্নে সরে পড়ে তারা। এরপর স্থানীয়রা আজিজকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নেয়া হলে তাকে মৃত ঘোষণা করেন চিকিৎসক।

সদ্য সমাপ্ত ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চুড়ামনকাটির সদস্য পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে হেরে যান এজাজ।

গত বছর ঝাউদিয়া বিলে এজাজের বড় ভাই শহীদুল ইসলামের ক্ষতবিক্ষত লাশ উদ্ধার হয় ঝাউদিয়া বিলের পাড় থেকে। এই ঘটনায় স্থানীয় কয়েকজন যুবককে আসামি করে মামলা করেন শহীদুলের পরিবার। কিন্তু এক বছরেও কোনো আসামি গ্রেপ্তার হয়নি।

তখনই অভিযোগ উঠে স্থানীয় ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আবদুল মান্নান মুন্না এবং ইউপি সদস্য মো. মোস্তফার সমর্থকদের মধ্যে দ্বন্দ্বের জেরেই হত্যা করা হয় শহীদুলকে। শহীদুল ছিলেন মুন্নার সমর্থক। এজাজের মৃত্যুর পরও একই অভিযোগ করছেন স্থানীয়রা।

এজাজ হত্যার পরও এই ঘটনার জন্য তার প্রতিদ্বন্দ্বী মুস্তফাকেই এর জন্য দায়ী করছেন স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যান আবদুল মান্নান মুন্না। তিনি বলেন, ‘অনেক দিন ধরেই মুস্ত এলকায় আধিপত্য বিস্তারের চেষ্টা করছে। তারাই এজাজকে খুন করেছে। এর আগে শহীদুলকেও হত্যা করেছিল তারাই।’

তবে এ বিষয়ে জনাব মোস্তফার কোনো মন্তব্য পাওয়া যায়নি। তিনি ফোন বন্ধ রেখেছেন। আর তার অবস্থান সম্পর্কেও স্বজনরা কোনো তথ্য দিচ্ছেন না।

এজাজ হত্যার বিষয়ে জানতে চাইলে যশোর কতোয়ালি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ইলিয়াস হোসেন বলেন, ‘বড় ভাই শহীদুল হত্যার সঙ্গে এজাজ হত্যাকে মিলিয়ে দেখার সুযোগ নেই।’ তিনি বলেন, ‘এই ঘটনায় মামলা হবে। তদন্তে যার নাম আসবে তার বিরুদ্ধেই ব্যবস্থা নেয়া হবে।




আরও পড়ুন



সম্পাদক ও প্রকাশকঃ
মোঃ খায়রুল আলম রফিক

বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয়ঃ ৬৫/১ চরপাড়া মোড়, সদর, ময়মনসিংহ।
ফোন- +৮৮০৯৬৬৬৮৪, +৮৮০১৭৭৯০৯১২৫০, +৮৮০১৯৫৩২৫২০৩৭
ইমেইল- aporadhshongbad@gmail.com
(নিউজ) এডিটর-ইন-চিফ,
ইমেইল- khirulalam250@gmail.com
close