* সোনালী শীষের আড়ালে সুবিনয়ের অপসাংবাদিকতা           * ডাক্তারদের সেবার মনোভাব কম: স্বাস্থ্যমন্ত্রী           * ফুলপুরে জঙ্গীবাদ বিরোধী মা সমাবেশ অনুষ্টিত           * দুই মণ গাঁজাসহ ৩ মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফতার            * নামাযে অজু নিয়ে সন্দেহ হলে কি করবেন?           * ৭-২৮ অক্টোবর ইলিশ ধরা নিষিদ্ধ           * মদ না খেয়েও মাতাল যারা!           * মোদির দলের হয়ে লড়বেন অক্ষয়-কঙ্গনা-সুনিল           * পাকিস্তানকে সবক শেখাতে চান ভারতের সেনাপ্রধান           * পৃথিবীকে বাংলাদেশ থেকে শিখতে বলল বিশ্বব্যাংক           * নগ্ন হয়ে ঘর পরিষ্কার করে তার মাসিক আয় ৪ লাখ টাকা            * প্রতিপক্ষকে ফাঁসাতে সন্তানকে হত্যা করলো মা            * মোস্তাফিজ একজন ম্যাজিসিয়ান : মাশরাফি            * ত্রিশালে দাখিল মাদ্রাসায় অভিভাবক সমাবেশ            * সিরাজদিখানে মুন্সীগঞ্জ-১ আসনে আওয়ামীলীগ মনোনয়ন প্রত্যাশী গিয়াস উদ্দিনের গণসংযোগ ও উঠান বৈঠক            * পূর্বধলায় গ্রাম পুলিশদের মাঝে বাই সাইকেল বিতরণ           * বেনাপোলে পিস্তল-গুলি ও গাঁজাসহ আটক-১           * পূর্বধলায় কবর থেকে শিশুর গলিত লাশ তুলে মর্গে প্রেরণ            * হালুয়াঘাটে জাল দলিলে পাহাড়ী কাষ্ঠল উদ্ভিদের বাগান দখল           * ২ আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়নের অভিযানে জুয়ার আসর হইতে ০৫ জনকে আটক          
* সোনালী শীষের আড়ালে সুবিনয়ের অপসাংবাদিকতা           * ডাক্তারদের সেবার মনোভাব কম: স্বাস্থ্যমন্ত্রী           * মোদির দলের হয়ে লড়বেন অক্ষয়-কঙ্গনা-সুনিল          

বাবা-মায়ের চোখের জল সন্তানের অভিশাপ

নিজস্ব প্রতিবেদক, | বুধবার, অক্টোবর ১২, ২০১৬
বাবা-মায়ের চোখের জল সন্তানের অভিশাপ
হতে পারেন জ্ঞানী-গুণী বিজ্ঞজন, আলেম মাওলানা মুফতি; বাবা-মায়ের একটি আহ, একটি দীর্ঘশ্বাস ধ্বংস করে দেবে সব ইহকাল ও পরকাল।  মাথায় কালো দাগ ফেলবেন ইবাদতে কোনো কাজ হবে না। লং স্লিভ পরে সুফি সাজে বোঝাবেন ইউ আর দা বেস্ট, আপনার পিতামাতার রাখবেন না খবর, চতুরামি-চালাকি সৃষ্টিকর্তা ঠিকই বোঝেন। পাবলিকের চোখে ধুলা দেয়া সহজ, আল্লাহর নয়। মিষ্টি কথায় চিড়া ভিজলেও কর্মটাই আসল, ইউ শুড থিঙ্ক, হোয়াট ইউ ডিড, হোয়াট আর ইউ ডুয়িং, হোয়াট ইউ উইল ডু।  কোটি কোটি টাকার প্রাসাদ হবে বিলীন, বাবা মায়ের কষ্টে। মায়ের চোখের জল সন্তানের জন্য শ্রেষ্ঠ অভিশাপ।বাবার বদদোয়া করে দেবে ছারখার। হোক পিতামাতা পাগল উম্মাদ, ব্যভিচারী, সন্তানের জন্মদাতা তারাই। প্রত্যেক সন্তানের দায়িত্ব তার পিতামাতার জন্য প্রয়োজনীয় দায়িত্ব কর্তব্য পালন করা।

বৃদ্ধ বাবা-মায়ের বিচারবুদ্ধি আবেগ বিভিন্ন রকম হতে পারে। বয়সের কারণে, সন্তানদের অসম আয়, জীবিত অবস্থায় সন্তানদের সমবণ্টনের ভাবনা বাবা-মায়ের ভাবনায় থাকে। জন্ম থেকে একটা নির্দিষ্ট সময় পর্যন্ত কিন্তু মাথার ঘাম পায়ে ফেলে, রক্ত পানি করে নিজেরা কষ্ট করে সন্তানকে বড় করে, শিক্ষা দেয়, কর্মসংস্থান দেয়। সন্তানদের আদর করে ভবিষ্যৎ বংশ রক্ষায়, ধর্মীয় রীতিতে, সন্তানের সুখ কামনায় সন্তানকে বিয়ে দেয়, বিয়ের পর অলৌকিকভাবে সব পরিবর্তন হয়ে যায়। আফসোস!

ছেলে বউয়েরা বিয়ের পর স্বামীকে নিয়ে আলাদা থাকতে চায়। এটাও ঠিক যে ছেলের বাবা-মায়ের জন্য ছেলে বউয়ের সেবা বাধ্যতামূলক নয়, ছেলের জন্য বাধ্যতামূলক। অনেক বউ স্বর্গীয়ভাবে ধৈর্যশীল হয়ে থাকে, মানবতা, বিবেকবোধের তাড়নায় বড় পরিবারের জন্য নিজেকে উৎসর্গ করেন।

একের এক নতুন বউ আসে প্রথম, দ্বিতীয়, তৃতীয় বউদের আগমনে টুং টাং শুরু, ভালো বউয়েরাও বিগড়ে যায়। নিজের কথা ভাবতে শুরু করে, অশান্তি শুরু হয়, সংসারে দেখা দেয় ভাঙন। বেয়াদব যদি ঢুকে যায় শান্তির ঘরে, বাবা মায়ের সোম দৃষ্টি একটু এদিক সে দিক হলেই আগুনের শিখায় লাগে হাওয়া। জ্বলে দাউদাউ করে। আজকাল ছেলের বউ শ্বশুর শাশুড়ি দেবর ননদ এর পরিবারে নিজেদের দাসী, বাঁদি, কামলা, বদলা ভাবা শুরু করে। অথচ নিজের দুই চার দশটা ছেলেপুলে থাকলে সবাইকে মেইন্টেন করেন নিখুঁতভাবে। কাহিনী যেভাবেই ঘোরাই না কেন, চিত্রনাট্য যেভাবে সাজাই না কেন, আমি মনে করি ছেলেরা ইচ্ছে করলেই স্বল্প আয়, বেশি আয় বিষয় নয়, ইচ্ছা আর ধৈর্য গুণ দিয়ে বাবা মায়ের পদতলে সন্তানকে জান্নাত খুঁজে নেয়া উচিত।

উন্নত দেশ, পাশ্চাত্য, প্রাচ্য, আরব্য যত তুলনাই নিয়ে আসি না কেন, আমাদের বাংলাদেশে একান্নবর্তী সংসারের মায়া মমতায় যারা বড়ো হয়েছে তারাই জানে এর স্বাদ। এখনকার দিনের পর্যালোচনায় অবশ্য ছেলেদের আলাদা করে বিয়ে দেয়া উচিত। ছেলেদের ওপর কোনো আশা করা ঠিক না, সপ্তাহ, মাসে, বছরে, অনুষ্ঠানে দূর-দূরান্তের আত্মীয়-স্বজনের মতো দেখা হবে সম্পর্ক ভালো থাকবে।

একটি দারুণ বিষয় রয়েছে ছেলেমেয়েদের ক্ষেত্রে। ছেলে বউ যখন নিজের বাবা মায়ের কথা ভাবে তখন সে চায় তার ভাইয়ের বৌয়েরা তার বাবা মায়ের সেবা করুক, নিজে শ্বশুর বাড়িতে দজ্জালের ভূমিকায় অবতীর্ণ হতে দ্বিধা করেন না, ছেলেরা বিয়ের আগে পর্যন্ত বিশেষ করে দ্বিতীয় তৃতীয় ক্রমান্বয়ে ছোট ছেলেরা ভাবিদের ওপর প্রভাব খাটান। তার বাবা মায়ের খেদমতের ত্রুটি হলে ভাবিকে নাজেহাল করেন। ভালো হলে সহযোগিতা করেন, নিজের বন্ধুদের নিয়ে রং তামাশা, খাওয়া দাওয়া, পার্টি করেন, ভবিষ্যতে বাবা মা ভাইদের জন্য এই করবে, সেই করবে বড় বড় লেকচার। বিয়ের পর হুতুম প্যাচার চেয়ে অধম হয়ে যান তারা। প্রকৃতির সেইকী লীলা।




আরও পড়ুন



প্রধান সম্পাদকঃ
ড. মো: ইদ্রিস খান

সম্পাদক ও প্রকাশকঃ
মোঃ খায়রুল আলম রফিক

সিয়াম এন্ড সিফাত লিমিটেড
বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয়ঃ ৬৫/১ চরপাড়া মোড়, সদর, ময়মনসিংহ।
ফোন- +৮৮০৯৬৬৬৮৪, +৮৮০১৭৭৯০৯১২৫০, +৮৮০১৯৫৩২৫২০৩৭
ইমেইল- aporadhshongbad@gmail.com
(নিউজ) এডিটর-ইন-চিফ,
ইমেইল- khirulalam250@gmail.com
close