* ময়লা, আর্বজনা ও বজ্র ফেলে দূষন হচ্ছে ফুলবাড়ী ছোট যমুনা নদী, দেখার কি কেউ নেই ?           * ঝিনাইগাতীতে বধ্যভূমিগুলো আজো সংরক্ষণ করা হয়নি           * রাবিতে সড়ক দুর্ঘটনায় আহত : ২           * অভয়নগরের মাদকব্যবসায়ী নড়াইল ডিবি পুলিশ ১৯০ পিছ ইয়াবাসহ গ্রেফতার           *  আইজিপি এ কে এম শহীদুল হক ময়মনসিংহের মানুষের সঙ্গে আমার আত্মিক সম্পর্ক           * গাজীপুরে প্যাকেজিং কারখানায় আগুন           *  ময়মনসিংহের দুই উপজেলায় গ্রেপ্তার ৭           * নকলায় ডিআরএইচ’র সম্মাননা ও বই প্রদান            * শেরপুরে সরকারিভাবে আমন চাল সংগ্রহ অভিযান শুরু           * নেত্রকোনায় বারী সিদ্দিকী স্মরণসভা           *  স্কুলে অতিরিক্ত ফি নিলে ব্যবস্থা: হাইকোর্ট           *  ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষক সমিতির নির্বাচনে ভোট চলছে           *  প্রশ্নপত্র ‘ফাঁসে’ নয়জন আটক, ১১৩ প্রাথমিকে পরীক্ষা স্থগিত           *  ২৫ বছর পর আলাবামার সিনেট ডেমোক্র্যাটদের দখলে           * ৫ বছরে বাংলাদেশের ৩৫ টেস্ট           *  বেনাপোলে ট্রাকবোঝাই ফেনসিডিলসহ পাচারকারী আটক           * ইরানে আবার ভূমিকম্প, আহত ৫৫           * ভোলায় পুলিশের মাদকবিরোধী সাইকেল র‌্যালি           * নন্দীগ্রাম হানাদারমুক্ত দিবস পালিত           * হত্যার তিন দিন পর লাশ ফেরত দিলো বিএসএফ          
* মুক্তিযুদ্ধের সৈনিক এখন ভিক্ষুক           * আ.লীগ আবার ক্ষমতায় না এলে দেশ পিছিয়ে যাবে’           * বদলগাছীর সাগরপুর-সন্ন্যাসতলা সড়ক কাজ না করেই বিল উত্তেলন করলেন ঠিকাদার          

সরকার আমার বাড়িটা নিয়ে গেল: মওদুদ

নিজস্ব প্রতিবেদক, | বুধবার, জুন ৭, ২০১৭

সরকার আমার বাড়িটা নিয়ে গেল: মওদুদ
বাড়িতে রাজউকের উচ্ছেদ অভিযান চালানোকে অবৈধ দাবি করেছেন বিএনপি নেতা মওদুদ আহমদ। তিনি বলেছেন, বিনা নোটিশে এই অভিযান চালানো যায় না। উচ্চ আদালত তার বাড়িটির দখল অবৈধ ঘোষণা করলেও তিনি বলেছেন, সরকার তার বাড়িটি নিয়ে গেছে।

গত তিন দশক ধরে গুলশান-২ এর ১৫৯ নম্বর প্লটের বাড়িতে বসবাস করছেন মওদুদ। তার ভাইয়ের নামে জমিটির নামজারি করা হয়েছিল। এক বিঘা ১৩ কাঠা জমির ওপর ওই বাড়ি অবৈধভাবে দখল ও আত্মসাতের অভিযোগে ২০১৩ সালের ১৭ ডিসেম্বর গুলশান থানায় মওদুদ ও তার ভাইয়ের বিরুদ্ধে এই মামলা করেন দুদকের উপ-পরিচালক হারুনুর রশীদ।

মওদুদ বাড়িটি অবৈধভাবে দখল করেছেন-উচ্চ আদালত এই রায় দেয়ার পর রায়ের বিরুদ্ধে রিভিউ আবেদন করেন মওদুদ। ৪ জুন আপিল বিভাগ মওদুদের রিভিও আবেদন খারিজ করে দেয়। সেদিনই অ্যাটর্নি জেনারেল মাহবুবে আলম জানান, মওদুদকে এই বাড়ি ছাড়তে হবে।

আর আপিল বিভাগের রায়ের তিন দিন পর বুধবার দুপুরে রাজউকের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের নেতৃত্বে এই উচ্ছেদ অভিযান শুরু হয়।

যখন এই অভিযান শুরু হয় তখন মওদুদ আহমদ ছিলেন আদালতে। রাজউকের অভিযান শুরুর খবরে তিনি তাৎক্ষণিকভাবে গুলশানে ছুটে যান। এ সময় এসময় টেলিফোনে ঢাকাটাইমসের সঙ্গে কথা বলেন তিনি।

মওদুদ বলেন, ‘দেখ সরকার আমার বাড়িটা নিয়ে গেল।’ কথা বলার সময় অপরপ্রান্তে তাকে খুব চিন্তিত লাগছিল।

বাড়ির দখল অবৈধ ঘোষণা করেছে আদালত। তাহলে সরকার নিয়ে গেল বলছেন কেন- এমন প্রশ্নে মওদুদ আহমদ বলেন, ‘কোনো ধরণের নোটিশ ছাড়া এইভাবে বাড়ি উচ্ছেদ করা বেআইনি, আইনের সুস্পষ্ট লঙ্ঘন। তারা আমাকে নোটিশ দিতে পারত। একটি আইনি প্রক্রিয়া মেনে করতে পারত। বলতে পারত এই সময়ের বাড়ি ছাড়তে হবে। না ছাড়লে উচ্ছেদ করতে পারত। কিন্তু সেটা না হরে হঠাৎ করে যেভাবে করলো এটা বেআইনি।’

বিএনপি নেতা আরও বলেন, ‘বিরোধী দলের রাজনীতি করি বলে প্রতিহিংসা থেকে এই উচ্ছেদ চালাচ্ছে সরকার। এটা নোংরা রাজনীতি।’

পরে বাড়িতে গিয়ে সাংবাদিকদের কাছে ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া জানান মওদুদ। তিনি বলেন, ‘তাদের কোনো অর্ডার আছে যে একজনের রুমে ঢুকে গেল? দেশে কি কোনো আইন নেই?’।

এক প্রশ্নের জবারে মওদুদ বলেন, ‘কে বলেছে এটা সরকারি সমপত্তি? এটা রাষ্ট্রীয় সম্পত্তি নয়। সুপ্রিম কোর্ট বলে দিয়েছে এটা রাষ্ট্রীয় সম্পত্তি নয়।’

গুলশানের সেই বাড়িটির প্রকৃত মালিক ছিলেন পাকিস্তানি নাগরিক মো. এহসান। ১৯৬০ সালে তৎকালীন ডিআইটির কাছ থেকে এই বাড়ির মালিকানা এহসান পান। ১৯৬৫ সালে বাড়ির মালিকানার কাগজপত্র এহসানের স্ত্রী অস্ট্রিয়ার নাগরিক ইনজে মারিয়া প্লাজের নামে নিবন্ধন করা হয়।

১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধ শুরু হলে এহসান স্ত্রীসহ ঢাকা ত্যাগ করেন। তারা আর ফিরে না আসায় ১৯৭২ সালে এটি পরিত্যক্ত সম্পত্তির তালিকাভুক্ত হয়। ওই বছরই মওদুদ ওই বাড়ির দখল নেন। এরপর ১৯৭৩ সালের ২ অগাস্ট তারিখে মওদুদ ইনজে মারিয়া প্লাজের নামে একটি ‘ভুয়া’ আমমোক্তারনামা তৈরি করান এবং নিজেকে তার ভাড়াটিয়া হিসেবে দেখিয়ে ওই বাড়িতে বসবাস করতে থাকেন।

দুদকের মামলায় বলা হয়, জিয়া সরকারের উপ প্রধানমন্ত্রী থাকাকালে মওদুদ প্রভাব খাটিয়ে বাড়িটি পরিত্যক্ত সম্পত্তির তালিকা থেকে বাদ দেওয়ার চেষ্টা করেন। এর ধারাবাহিকতায় ১০০ টাকা মূল্য দেখিয়ে ১৯৮০ সালে প্লটটি তিনি বরাদ্দ নেন।




আরও পড়ুন



প্রধান সম্পাদকঃ
ড. মো: ইদ্রিস খান

সম্পাদক ও প্রকাশকঃ
মোঃ খায়রুল আলম রফিক

সিয়াম এন্ড সিফাত লিমিটেড
বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয়ঃ ৬৫/১ চরপাড়া মোড়, সদর, ময়মনসিংহ।
ফোন- +৮৮০৯৬৬৬৮৪, +৮৮০১৭৭৯০৯১২৫০, +৮৮০১৯৫৩২৫২০৩৭
ইমেইল- aporadhshongbad@gmail.com
(নিউজ) এডিটর-ইন-চিফ,
ইমেইল- khirulalam250@gmail.com
close