* রাজশাহীর জলে-স্থলে নৌকার ছড়াছড়ি           * সিডার মেশিন দ্বারা লাইন পদ্ধতিতে ফসল চাষে ব্যপক সাফল্য           *  আশুলিয়ায় ফার্নিচার কারখানা পুড়ে ছাই           * টাইগারের ধুন্ধুমার অ্যাকশনে ভরপুর ‘বাঘি ২’ ট্রেলার           *  ‘তারেক পরিবারের যুক্তরাজ্যে নাগরিকত্বের আবেদন অপপ্রচার’           *  পেরুতে দ্বিতল বাসে খাদে, নিহত ৪৪           *  আরেকটি বিরল রেকর্ডের সামনে আফগান স্পিনার রশিদ           * বঙ্গবন্ধুর জন্ম না হলে বাংলাদেশ স্বাধীন হতো না ----- ধর্মমন্ত্রী           * পেট ব্যথার ৫ প্রাকৃতিক সমাধান           * নকিয়ার ফোনে ‘ডিএসএলআর ক্যামেরা’           *  ঢাকায় নারীদের সাপ্তাহিক হাট           * গাজীপুরে ৩০ কোটি টাকার বনভূমি উদ্ধার           * নড়াইল জেলা প্রশাসক, পুলিশ সুপার এর শহীদ মিনারের বেদিতে শ্রদ্ধাঞ্জলি নিবদেন           * বদলগাছীতে শহীদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস ২০১৮ উদ্যাপন           *  আসামি ধরতে গিয়ে দুই পুলিশ সদস্য আহত           *  ওভারব্রিজে ধাক্কা লেগে চার ট্রেনযাত্রী নিহত           *  কিশোরগঞ্জের নতুন ডিসি সারওয়ার মুর্শেদ           * নতুন কুঁড়ি থেকে রুপালি পর্দায় তিশা           * ব্যাটিংয়ে শীর্ষে কোহলি, জায়গা ধরে রেখেছেন সাকিব           * যুক্তরাষ্ট্রে কেন এত বন্দুক হামলা?          
* বঙ্গবন্ধুর জন্ম না হলে বাংলাদেশ স্বাধীন হতো না ----- ধর্মমন্ত্রী           * পরিদর্শক সজিব রহমানের নেতৃত্বে মাদক বিরোধী ছিনতাই রোধে হার্ডলাইনে ২নং ফাঁড়ি পুলিশ           * বিকালে সংবাদ সম্মেলনে আসছেন প্রধানমন্ত্রী          

চীন-ভারত উত্তেজনার শেষ কোথায়?

আন্তর্জাতিক ডেস্ক, | বৃহস্পতিবার, জুলাই ২৭, ২০১৭
চীন-ভারত উত্তেজনার শেষ কোথায়?
সিকিম সীমান্তে চীনের রাস্তা তৈরি নিয়ে প্রায় দুই মাস ধরে চীন ও ভারতের মধ্যে উত্তেজনা চলছে। এমন প্রেক্ষাপটে আজ বৃহস্পতিবার বেইজিং যাচ্ছেন ভারতের জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা অজিত দোভাল। খবর বিবিসির।

সফরের মূল উদ্দেশ্য ব্রিকস জোটের বৈঠক। তবে বিশ্লেষকেরা বলছেন, এই সফরের সুযোগে দিল্লি ও বেইজিং সীমান্তে বিপজ্জনক অচলাবস্থা নিরসনের চেষ্টা করবে।

সীমান্তের বিতর্কিত একটি অংশ নিয়ে দুই দেশের কয়েক হাজার সেনা এখন আছে মুখোমুখি অবস্থানে। কিন্তু দোভালের বেইজিং সফরে কি সেই অচলাবস্থা দুর হবে?

সিকিম থেকে সাংবাদিক ও বিশ্লেষক সুবীর ভৌমিক বলছেন, অজিত দোভালের সফরে এই সংকটের এখনি কোন সুরাহা হবে বলে তিনি মনে করেন না।

ভারত-চীন সীমান্ত বিষয়ক কমিটিতে ভারতের প্রতিনিধিত্ব করেন অজিত দোভাল আর চীনের তরফ থেকে প্রতিনিধিত্ব করেন স্টেট কাউন্সিলর ইয়েঙ জিয়েচি। ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়কে বলা হয়েছিল, আলাদা করে ইয়াঙ জিয়েচির সঙ্গে একটি আলোচনার আয়োজন করার জন্য। কিন্তু চীনের তরফ থেকে উৎসাহ দেখানো না হলে, ভারতের তরফ থেকেও খুব একটা উৎসাহ দেখাতে বলা হয়নি।

কিন্তু চীনের পত্রপত্রিকায় যেরকম খবর প্রকাশিত হচ্ছে, তাতে পরিষ্কার চীন এক্ষেত্রে খুব একটা নমনীয় না হওয়ার নীতি নিয়েছে। শর্তহীনভাবে সীমান্ত থেকে ভারতকে সৈন্য প্রত্যাহার করতে হবে।

ভারতও এক্ষেত্রে খুব একটা উদ্যোগী হবে না বলেই ইঙ্গিত দেয়া হচ্ছে। তাহলে সমাধানের পথ কি?

সুবীর ভৌমিক বলছেন, ভারতের অবস্থান হচ্ছে, যৌথ পদক্ষেপের মাধ্যমে সরে আসা। ভারত একতরফা কোনো সমাধানে আগ্রহী নয়। অজিত দোভালের সঙ্গে ইয়াঙ জিয়েচির বৈঠক হলে সেখানেও এই প্রস্তাবটি করা হবে।

ভুটান সীমান্তে ডোকালাম এলাকায় একটি রাস্তা বানাতে চাইছে চীন। ভুটান বলছে, সেটি তাদের এলাকা। তবে চীনের দাবি, সেটি তাদের। চীন রাস্তা বানানোর কাজ শুরু করার পর ভারতের সৈন্যরা তাদের বাধা দিয়েছে। দুই পক্ষের মধ্যে ছোটখাটো সংঘর্ষের ঘটনাও ঘটেছে।

ভৌমিক বলছেন, যদি ভুটান সেই জায়গা চীনকে ছেড়ে দেয়, সেটা পৃথক ব্যাপার। কিন্তু যতক্ষণ সেটি না হচ্ছে, ততক্ষণ ভারত-চীন-ভুটানকে তাদের সীমান্তের স্ব স্ব অবস্থানেই থাকতে হবে। যেহেতু চীন ভুটানের জায়গায় রাস্তা করছে আর ভারত ভুটানের স্বাধীনতা রক্ষায় চুক্তিবদ্ধ, তাই তারা সেখানে ঢুকে চীনকে বাধা দিয়েছে।

এখন অজিত দোভাল চীনকে প্রস্তাব দেবেন, তোমরা এখানে রাস্তা বানানো বন্ধ করো এবং পিছিয়ে চলে যাও। ডোকালাম থেকে তোমরা চলে যাও, তাহলে ভারতের সৈন্যরা চলে আসবে- বলছেন ভৌমিক।

কিন্তু চীন যদি ভারতকে আগে সৈন্য সরাতে বলে, তাহলে কোন সমাধানের আশা ক্ষীণ, বলছেন ভৌমিক।

ভুটানের সঙ্গে ১৯৪৯ সাল থেকে ভারতের সঙ্গে একটি প্রতিরক্ষার চুক্তি রয়েছে, যেটি ২০০৭ সালে নবায়ন করা হয়েছে। সেখানে ভুটানকে নিরাপত্তা দেয়া ও বিদেশীদের ক্ষেত্রে পরামর্শ দেয়ার মতো বিষয় রয়েছে।

সুবীর ভৌমিক বলছেন, এখন যদি ভারত এখান থেকে সরে আসে, তাহলে দক্ষিণ এশিয়ায় ভারতের কোন গুরুত্বই থাকবে না। আর তাই ভারত এখান থেকে পেছাবে না। আবার চীন কোন শর্ত দিয়ে আলোচনায় বসলেও তাতে রাজি হবে না ভারত।উভয় দেশের মাঝে প্রায় সাড়ে তিন হাজার কিলোমিটার সীমান্ত রয়েছে।

সীমান্ত বিরোধী নিয়ে ১৯৬২ সালে ভারত-চীন যুদ্ধও হয়েছিল, যে যুদ্ধে ভারত পরাজিত হয়।কিন্তু তারপরেও বিভিন্ন জায়গায় বিরোধ এখনো অমীমাংসিত রয়ে গেছে এবং মাঝে-মধ্যেই সেটি মাথা চাড়া দেয়।

চীন, ভুটান আর ভারতের সিকিম প্রদেশের সংযোগস্থলে একটি উপত্যকার ভেতর দিয়ে রাস্তা তৈরি করাকে কেন্দ্র করে নতুন বিরোধের সূচনা।চীন চায় সেখানে একটি রাস্তা তৈরি করতে। কিন্তু যে জায়গাটিতে চীন রাস্তা তৈরি করতে চাইছে সেটি ভুটান ও চীনের মধ্যকার একটি বিরোধপূর্ণ এলাকা।

সে উপত্যকাকে চীন এবং ভুটান উভয় দেশই দাবি করে। এক্ষেত্রে ভারতের অবস্থান ভুটানের পক্ষে।

এ রাস্তাটির মাধ্যমে চীন এমন একটি জায়গায় পৌঁছে যাবে যেটি ভারতের উত্তর-পূর্ব রাজ্যগুলোর জন্য হুমকি তৈরি করতে পারে।

চীন এমন জায়গায় সড়ক নির্মাণ করতে চাইছে যার পাশেই ভারতের ২০ কিলোমিটার চওড়া একটি করিডোর আছে।

এ করিডোরের মাধ্যমে ভারতের উত্তর-পূর্ব রাজ্যগুলো মূল ভারতের সাথে সংযোগ রক্ষা করে।

উত্তেজনার প্রেক্ষাপটে উভয় দেশ সীমান্তে তাদের সামরিক শক্তি বাড়িয়েছে এবং একটি মুখোমুখি অবস্থান তৈরি হয়েছে।




আরও পড়ুন



প্রধান সম্পাদকঃ
ড. মো: ইদ্রিস খান

সম্পাদক ও প্রকাশকঃ
মোঃ খায়রুল আলম রফিক

সিয়াম এন্ড সিফাত লিমিটেড
বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয়ঃ ৬৫/১ চরপাড়া মোড়, সদর, ময়মনসিংহ।
ফোন- +৮৮০৯৬৬৬৮৪, +৮৮০১৭৭৯০৯১২৫০, +৮৮০১৯৫৩২৫২০৩৭
ইমেইল- aporadhshongbad@gmail.com
(নিউজ) এডিটর-ইন-চিফ,
ইমেইল- khirulalam250@gmail.com
close