* ময়লা, আর্বজনা ও বজ্র ফেলে দূষন হচ্ছে ফুলবাড়ী ছোট যমুনা নদী, দেখার কি কেউ নেই ?           * ঝিনাইগাতীতে বধ্যভূমিগুলো আজো সংরক্ষণ করা হয়নি           * রাবিতে সড়ক দুর্ঘটনায় আহত : ২           * অভয়নগরের মাদকব্যবসায়ী নড়াইল ডিবি পুলিশ ১৯০ পিছ ইয়াবাসহ গ্রেফতার           *  আইজিপি এ কে এম শহীদুল হক ময়মনসিংহের মানুষের সঙ্গে আমার আত্মিক সম্পর্ক           * গাজীপুরে প্যাকেজিং কারখানায় আগুন           *  ময়মনসিংহের দুই উপজেলায় গ্রেপ্তার ৭           * নকলায় ডিআরএইচ’র সম্মাননা ও বই প্রদান            * শেরপুরে সরকারিভাবে আমন চাল সংগ্রহ অভিযান শুরু           * নেত্রকোনায় বারী সিদ্দিকী স্মরণসভা           *  স্কুলে অতিরিক্ত ফি নিলে ব্যবস্থা: হাইকোর্ট           *  ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষক সমিতির নির্বাচনে ভোট চলছে           *  প্রশ্নপত্র ‘ফাঁসে’ নয়জন আটক, ১১৩ প্রাথমিকে পরীক্ষা স্থগিত           *  ২৫ বছর পর আলাবামার সিনেট ডেমোক্র্যাটদের দখলে           * ৫ বছরে বাংলাদেশের ৩৫ টেস্ট           *  বেনাপোলে ট্রাকবোঝাই ফেনসিডিলসহ পাচারকারী আটক           * ইরানে আবার ভূমিকম্প, আহত ৫৫           * ভোলায় পুলিশের মাদকবিরোধী সাইকেল র‌্যালি           * নন্দীগ্রাম হানাদারমুক্ত দিবস পালিত           * হত্যার তিন দিন পর লাশ ফেরত দিলো বিএসএফ          
* মুক্তিযুদ্ধের সৈনিক এখন ভিক্ষুক           * আ.লীগ আবার ক্ষমতায় না এলে দেশ পিছিয়ে যাবে’           * বদলগাছীর সাগরপুর-সন্ন্যাসতলা সড়ক কাজ না করেই বিল উত্তেলন করলেন ঠিকাদার          

ত্রিশাল নজরুল কলেজের অধ্যক্ষ মজিবর রহমান এর দূর্নীতির দায়-দায়িত্ব কে বহন করবে? বিপর্যস্ত নজরুল কলেজ- ১

স্টাফ রিপোর্টার | বুধবার, আগস্ট ৯, ২০১৭

ত্রিশাল নজরুল কলেজের অধ্যক্ষ মজিবর রহমান এর দূর্নীতির দায়-দায়িত্ব কে বহন করবে?
বিপর্যস্ত নজরুল কলেজ- ১
 ময়মনসিংহ ত্রিশাল নজরুল কলেজটি এক সময় সুনাম খ্যাত ঐতিহ্যপূর্ণ একটি কলেজ ছিল। বর্তমানে এর ছিটে ফোটাও নেই। সুনাম নষ্টকারী কথিত ঔদ্ধত্যপূর্ণ এক স্বাধীনতা বিরোধী শক্তি নিয়ে জগদ্দল পাথরের মতো এই কলেজের অধ্যক্ষ হিসেবে আসীন হবার পর কলেজটি সামগ্রিক উন্নয়ন হারায় পাশাপাশি চলতে থাকে অনিয়ম অব্যবস্থাপনা অনৈতিকতা আর টাকা-পয়সা লুটপাটের এক অভয়াশ্রম হিসেবে। নজরুল কলেজটির পূর্ব ঐতিহ্য ফিরিয়ে এনে তাকে রক্ষা করার জন্য স্থানীয়বাসী সম্মিলিত ভাবে ঐকান্তিক চেষ্টা চালিয়ে গেলেও এ রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত শেষ রক্ষা হয়নি বরং কলেজটি এখন ডুবতে বসেছে। অথচ কলেজটির একটি ব্যবস্থাপনা কমিটি আছে, অনেক বিদ্যুৎসাহী লোক আছে। আছে অনেক অভিজ্ঞতাপূর্ণ শিক্ষক কৃতিমান শিক্ষার্থী কিন্তু ত্রিশালবাসীর দূভার্গ্য সৎসাহসী কর্তব্য পরায়ন জন প্রতিনিধিদের কোন কথাই শোনে না এখনকার ত্রিশাল নজরুল কলেজের অধ্যক্ষ মজিবর রহমান। বাংলাদেশে জননেত্রী মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার শিক্ষা খাতে যে নিরলস পরিশ্রম এবং শিক্ষা মন্ত্রীর যে উপজেলা ভিত্তিক শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোকে সমৃদ্ধশীল করার সচেষ্টা তার সবটাই জলাঞ্জলি দিয়ে নির্মম স্বেচ্ছাচারী এই অধ্যক্ষ মজিবর রহমান কলেজটিকে একটি ঘুষ বাণিজ্যে পরিণত করে ঠাঁই দিয়েছে স্বাধীনতা বিরোধী চক্রকে। এই চক্রটির ওপর বন্দুক ফেলে শিকারে লিপ্ত অধ্যক্ষ মজিবর রহমান। বাংলাদেশে এখন স্বাধীনতা বিরোধী চক্রের উন্মেষ যদি কোথাও ঘটে থাকে তাহলে ময়মনসিংহের উপজেলা ত্রিশালের নজরুল কলেজে এসে যে কেউই দেখে যেতে পারেন। এখানে অধ্যক্ষ মজিবর রহমানের নেতৃত্বে কীভাবে ধীরে ধীরে স্বাধীনতা বিরোধী চক্র মাথা তুলে দাঁড়াচ্ছে। অধ্যক্ষ মজিবর রহমান নিজেও জামায়াত পন্থীদের হোতা। মজিবর রহমান ১৯৭১ এর রাজাকার এবং যুদ্ধাপরাধী কাজী আলতাফ হোসেনের মেয়ের জামাতা। অন্যদিকে কাজী আলতাফ হোসেন ছিলেন গোলাম আযমের প্রাইভেট সেক্রেটারী (পিএস) জানা গেছে, সেই সুবাদে মগবাজারে গোলাম আযমের বাসায় এখনও অবাধ যাতায়াত আছে মজিবর রহমানের। জনশ্রুতি আছে, গোলাম আযমের বাড়ীর বাজার সওদাও করে দেয় নজরুল কলেজ অধ্যক্ষ মজিবর রহমান। সুতরাং মজিবর রহমানের ক্ষমতার উৎস কোথায় সেটা পরিস্কার বোঝা যায় এবং এ কারণে মজিবর রহমান দাপটের সাথে স্বেচ্ছাচারিতা চালিয়ে যাচ্ছে ত্রিশাল নজরুল কলেজের অধ্যক্ষ হিসেবে। অধ্যক্ষ মজিবর এর কলেজ দূর্নীতি ও অর্থ আত্মসাতের ঘটনা একেবারেই প্রকাশ্য কারণ; যে ক্ষমতায় মজিবর রহমান টিকে আছে সেই ক্ষমতা রাষ্ট্র ও দেশের কাছে প্রশ্নবিদ্ধ। জনমনেও এ নিয়ে বিস্তর কথাবার্তা চলছে যে, মজিবর রহমান প্রকৃত অর্থে নজরুল কলেজের মিত্র নয় বলেই এমনতর স্বেচ্ছাচারিতা চালাতে পারে।অভিযোগ রয়েছে নামকাওয়াস্তে নিজেই কলেজের গেইট নির্মাণ করে প্রকাশ্যেই কয়েক লক্ষ টাকা মজিবর আত্মসাৎ করেছে। এমনকি কলেজের পরিচালন বোর্ডের দায়িত্বের কোন বাছ বিচারও মজিবর রহমান না করে গেইট নির্মাণের কোন ভাউচারও ম্যানেজিং কমিটির সামনে উপস্থাপন করার প্রয়োজন বোধ করেনি। মজিবর রহমান যে কত টাকা কলেজ ফান্ড থেকে নিয়েছে তদন্ত কমিটি যদি রেজুলেশন খাতাটি দেখেন তাহলেই বুঝতে পারবেন। পদাধিকার বলে একজন উপজেলা নির্বাহী অফিসার নজরুল কলেজের ব্যবস্থাপনা পরিষদের সভাপতি। সাবেক উপজেলা নির্বাহী অফিসার জান্নাতুল ফেরদৌস মার্কেট বিল্ডিং এ বেশ কিছু দোকানের সিকিউরিটির টাকা ধার্য্য করে ভাড়া দেবার বন্দোবস্ত করেছিলেন। কিন্তু দীর্ঘ চার বছর পরেও প্রায় ৩৬ লক্ষ টাকা আজনও বকেয়া পড়ে আছে। এছাড়াও তৎকালীন উপজেলা নির্বাহী অফিসার জান্নাতুল ফেরদৌস রেজুলেশনে উল্লেখ করে পনের দিনের মধ্যে নোটিশ প্রদানের মাধ্যমে দখলমুক্ত করার জন্য জোরালোভাবে নির্দেশ দিয়েছিলেন কিন্তু অধ্যক্ষ মজিবর রহমান একটি কাজও করেনি বরং টিএনও এর প্রতি বৃদ্ধাঙ্গুলী প্রদর্শন করে মজিবর রহমান চরম ধৃষ্টতা দেখিয়ে গেছে। জানা গেছে সিকিউরিটির সমুদয় টাকা মজিবর রহমানের পকেটে চলে গেছে। কোন ব্যাংকেই টাকা জমা রাখা হয় নাই। অন্যদিকে ভাড়াটিয়ারা প্রভাবশালীদের হুমকিতে এবং অধ্যক্ষ মজিবর রহমান এর দাপটে সকল মুখ বন্ধ রেখেছে। এমনকি নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একাধিক শিক্ষক জানান মজিবুর রহমান কলেজ ব্যবস্থাপনা কমিটির সভাপতির কোন কথা শোনেনা তার ফোনও রিসিভ করে না। চিঠি দিলেও চিঠি ফেরত যায়। দৃশ্যমান হয় একক ভাবেই কলেজ চালিয়ে যাচ্ছে অধ্যক্ষ মজিবর রহমান। এদিকে গুরুতর অভিযোগ আরও জানা গেছে, কলেজের বিদ্যুৎসাহী সদস্য চেয়ারম্যান নবী নেওয়াজ জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ে একটি অভিযোগ প্রদান করেছিলেন যে, মজিবর রহমান দুইজন বিদ্যুৎসাহী সদস্য অবৈধভাবে বানিয়েছেন, যার প্রতিবাদ প্রায় সকলেই করেছেন কিন্তু অধ্যক্ষ মজিবর রহমান তার নিজস্ব দুই ভাতিজাকে বিদ্যুৎসাহী সদস্য বানিয়ে ফেলেন, যা সম্পূর্ণ অবৈধ এবং নিয়মবহির্ভূত বলে সংশ্লিষ্ট এলাকায় তোলপাড় সৃষ্টি হয়েছে।




আরও পড়ুন



প্রধান সম্পাদকঃ
ড. মো: ইদ্রিস খান

সম্পাদক ও প্রকাশকঃ
মোঃ খায়রুল আলম রফিক

সিয়াম এন্ড সিফাত লিমিটেড
বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয়ঃ ৬৫/১ চরপাড়া মোড়, সদর, ময়মনসিংহ।
ফোন- +৮৮০৯৬৬৬৮৪, +৮৮০১৭৭৯০৯১২৫০, +৮৮০১৯৫৩২৫২০৩৭
ইমেইল- aporadhshongbad@gmail.com
(নিউজ) এডিটর-ইন-চিফ,
ইমেইল- khirulalam250@gmail.com
close