* বিশ্বকাপ-২০১৮তে রুশ নারীরা যে কারণে এত আলোচনায়           * মানুষ ঈমানদার কিনা বুঝবেন কীভাবে?           * বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইটের সেবা গ্রহণে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়কে চিঠি           * সরকারি ব্যাংকগুলোকে ডিপোজিট না বাড়ানোর নির্দেশনা           * আত্মজীবনী লিখছেন প্রিয়াঙ্কা চোপড়া           * রাজশাহীতে শিবির নেতা গ্রেপ্তার, অস্ত্র উদ্ধার           * সরি বলার সেরা উপায়           * নতুন পরিচয়ে আসছেন শ্রুতি হাসান            * গাজীপুর সিটি নির্বাচনে সেনাবাহিনী থাকছে না : গাজীপুরে সিইসি           * হালুয়াঘাটে প্রতিবন্ধী অতুলা রাস্তার পাশেই কাটালেন ৩৫টি বৎসর            * পাট ক্ষেতে প্রেমিকাকে ধর্ষণ            * রাস্তা থেকে তুলে নিয়ে কিশোরীকে ধর্ষণ           * ময়মনসিংহে বিএনপির বিক্ষোভে পুলিশের বাধা           * দিনে ঘুম ঘুম ভাব কাটাবেন যেভাবে           * আজ জয়ের বিকল্প নেই আর্জেন্টিনার           * বদলে গেছেন মালালা!           * ছবির কাজে ইরানে অনন্ত-বর্ষা           * আলজেরিয়ায় পরীক্ষায় নকল ঠেকাতে ইন্টারনেট বন্ধ!           * খালেদার মনোবল ‘অটুট’, আন্দোলন চালানোর পরামর্শ           * ফুলপুরে অনুষ্টিত হয়েছে কমিউনিটি পুলিশিং সভা।          
* গাজীপুর সিটি নির্বাচনে সেনাবাহিনী থাকছে না : গাজীপুরে সিইসি           * যুক্তরাষ্ট্রের জন্য বার্তা নিয়ে চীন সফর শেষ করলেন কিম           * মিয়ানমারের বিচারে আইসিসিতে ২৬ বাংলাদেশির পর্যবেক্ষণ          

৫৭ ধারায় মামলা: কেন্দ্রের অনুমতি বাধ্যতামূলক করল আ.লীগ

| বুধবার, আগস্ট ৯, ২০১৭
৫৭ ধারায় মামলা: কেন্দ্রের অনুমতি বাধ্যতামূলক করল আ.লীগ
আওয়ামী লীগের কোনো নেতা-কর্মী কারও বিরুদ্ধে তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি আইনের ৫৭ ধারায় মামলা করতে হলে দলের কেন্দ্রীয় কমিটির অনুমতি নিতে হবে। সম্প্রতি ৫৭ ধারায় করা কয়েকটি মামলা নিয়ে দেশব্যাপী বিতর্কের পর দলীয় সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের বিভিন্ন জেলায় এ নির্দেশনা পাঠিয়েছেন।

আওয়ামী লীগের নেতারা জানান, জেলা আওয়ামী লীগের নেতাদের টেলিফোনে এ নির্দেশনা দিয়েছেন ওবায়দুল কাদের। তিনি জানান, কেউ যদি ৫৭ ধারায় মামলা করতে চায়, সেক্ষেত্রে তথ্য প্রমাণসহ উপযুক্ত অভিযোগ নিয়ে কেন্দ্রীয় নেতাদের সঙ্গে যোগাযোগ করতে হবে।

আওয়ামী লীগ নেতারা জানান, কেন্দ্রীয় আওয়ামী লীগের অনুমতি ছাড়া কোন নেতা এই ধারায় মামলা করলে দল তার বিরুদ্ধে সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেবে।

২০০৬ সালে করা তথ্য ও যোগাযোগ আইনটি সংশোধন করা হয় ২০১৩ সালে। অনলাইন মাধ্যমে কারও বিরুদ্ধে অপপ্রচার বন্ধে তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি আইনের ৫৭ ধারা সংযোজন করা হয়। এতে বলা আছে, ‘কোন ব্যক্তি যদি ইচ্ছাকৃতভাবে ওয়েব সাইটে বা অন্য কোন ইলেক্ট্রনিক বিন্যাসে এমন কিছু প্রকাশ বা সম্প্রচার করেন, যাহা মিথ্যা ও অশ্লীল বা সংশ্লিষ্ট অবস্থা বিবেচনায় কেহ পড়িলে, দেখিলে বা শুনলে নীতিভ্রষ্ট বা অসৎ হতে উদ্বুদ্ধ হতে পারেন অথবা যার দ্বারা মানহানি ঘটে, আইন শৃঙ্খলার অবনতি ঘটে বা ঘটার সম্ভাবনা সৃষ্টি হয়, রাষ্ট্র ও ব্যক্তির ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন হয় বা ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত করে বা করতে পারে বা এ ধরনের তথ্যের মাধ্যমে কোন ব্যক্তি বা সংগঠনের বিরুদ্ধে উস্কানি দেয়া হয়, তাহলে তার এই কাজ হবে একটি অপরাধ৷’

আইনে এই অপরাধের সাজা হিসেবে সর্বনিম্ন সাত থেকে সর্বোচ্চ ১৪ বছরের কারাদণ্ডের কথা বলা আছে। পাশাপাশি এক কোটি টাকা জরিমানার কথাও বলা আছে আইনে।

কারও বিরুদ্ধে মিথ্যাচার বা অপপ্রচার রোধে এই ধারাটি সংযোজন করা হলেও এর সংজ্ঞা অনেক বেশি বিস্তৃত বলে অভিযোগ আছে। বিশেষ করে অনলাইন গণমাধ্যমে সাংবাদিকতা এই ধারার কারণে অনেকটাই ব্যাহত হচ্ছে বলে দাবি করে আসছেন গণমাধ্যমকর্মীরা। কারণ, বিস্তৃত সংজ্ঞার কারণে সংবাদের একটি বড় অংশই এই ধরার অধীনে মামলাযোগ্য হতে পারে।

সম্প্রতি একজন সাংবাদিক এই ধারায় মামলার শিকার হয়েছেন সংবাদ শেয়ার করে। এক জনের বিরুদ্ধে মামলা হয়েছে বিচারকের ট্রেনে ওঠার কাহিনি লেখায়। সবশেষ খুলনায় মামলার পর এক সাংবাদিককে গ্রেপ্তার করা হয়েছে ছাগলের মৃত্যুর সংবাদে মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী নারায়ণ চন্দ্র চন্দের ছবি জুড়ে দেয়ায়। পরে অবশ্য ওই সাংবাদিক জামিন পান।

৫৭ ধারার অপপ্রয়োগের অভিযোগ উঠার পর সরকারের পক্ষ থেকে ধারাটি সংশোধনের কথা জানানো হয়েছে। এ নিয়ে মন্ত্রিসভায় আলোচনাও হয়েছে। তবে চূড়ান্ত কোনো ঘোষণা আসেনি। তবে একাধিক অনুষ্ঠানে আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের বলেছেন এই ধারার অপপ্রয়োগ হচ্ছে। আর এই পরিস্থিতিতে আওয়ামী লীগের কোনো নেতা-কর্মীর কারণে যেন দলকে সমালোচনার মুখে পড়তে না হয়, সে জন্য সচেষ্ট হয়েছেন নেতারা।

গত ২ আগস্ট রাজধানীতে এক অনুষ্ঠানে ওবায়দুল কাদের বলেন, ‘সাইবার ক্রাইম নিয়ন্ত্রণের জন্য ৫৭ ধারা করা হয়েছিল। কিন্তু তুচ্ছ কারণে এর অপপ্রয়োগ করা ঠিক নয়।’ এ ব্যপারে তথ্যমন্ত্রীকে হস্তক্ষেপ করার আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, ‘এ আইন বাদ দেওয়ার কথা আমি বলব না, অপপ্রয়োগ ঠেকাতে বলব।’

আওয়ামী লীগের সম্পাদকমণ্ডলীর এক নেতা ঢাকাটাইমসকে বলেন, ‘বিভিন্ন ঘটনায় আওয়ামী লীগের নেতাদের ৫৭ ধারায় দায়ের করা মামলা নিয়ে দেশব্যাপী নেতিবাচক সমালোচনার ঝড় ওঠেছে। আমরা গণমাধ্যমের স্বাধীনতায় বিশ্বাসী বলেই এই সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছি।’

নোয়াখালী জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি খায়রুল আনাম সেলিম ঢাকাটাইমসকে বলেন, ‘দুই তিন দিন আগে দলীয় সাধারণ সম্পাদক ফোনে এ বিষয়ে নির্দেশনা দিয়েছেন।’

গাজীপুর মহানগর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক জাহাঙ্গীর আলম বলেন, ‘দলের হাইকমান্ডের কাছ থেকে আমি মৌখিক নির্দেশ পেয়েছি।’

নাম প্রকাশ অনিচ্ছুক একটি জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি বলেন, ‘আমি সরাসরি ফোন পাইনি। তবে বিভিন্ন মাধ্যমে জানতে পেরেছি এই ধরণের স্পর্শকাতর বিষয়ে মামলা করার ক্ষেত্রে আমাদের সতর্ক থাকতে দলের হাইকমান্ড নির্দেশ দিয়েছেন।’

জানতে চাইলে আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাহবুব উল আলম হানিফ ঢাকাটাইমসকে বলেন, ‘দলীয় সাধারণ সম্পাদক বিভিন্ন জেলায় ফোন করে এই বিষয়ে নির্দেশনা দিয়েছেন।’

এর আগে ৫৭ ধারায় মামলা গ্রহণের ক্ষেত্রে সতর্কতা অবলম্বন করতে সংশ্লিষ্টদের নির্দেশ দেওয়া হয় পুলিশ সদর দপ্তর থেকে। পাশাপাশি এই ধারায় মামলা গ্রহণের আগে পুলিশ সদর দপ্তরের আইন শাখার পরামর্শ নেওয়ার কথা বলা হয়।




আরও পড়ুন



প্রধান সম্পাদকঃ
ড. মো: ইদ্রিস খান

সম্পাদক ও প্রকাশকঃ
মোঃ খায়রুল আলম রফিক

সিয়াম এন্ড সিফাত লিমিটেড
বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয়ঃ ৬৫/১ চরপাড়া মোড়, সদর, ময়মনসিংহ।
ফোন- +৮৮০৯৬৬৬৮৪, +৮৮০১৭৭৯০৯১২৫০, +৮৮০১৯৫৩২৫২০৩৭
ইমেইল- aporadhshongbad@gmail.com
(নিউজ) এডিটর-ইন-চিফ,
ইমেইল- khirulalam250@gmail.com
close