* ময়লা, আর্বজনা ও বজ্র ফেলে দূষন হচ্ছে ফুলবাড়ী ছোট যমুনা নদী, দেখার কি কেউ নেই ?           * ঝিনাইগাতীতে বধ্যভূমিগুলো আজো সংরক্ষণ করা হয়নি           * রাবিতে সড়ক দুর্ঘটনায় আহত : ২           * অভয়নগরের মাদকব্যবসায়ী নড়াইল ডিবি পুলিশ ১৯০ পিছ ইয়াবাসহ গ্রেফতার           *  আইজিপি এ কে এম শহীদুল হক ময়মনসিংহের মানুষের সঙ্গে আমার আত্মিক সম্পর্ক           * গাজীপুরে প্যাকেজিং কারখানায় আগুন           *  ময়মনসিংহের দুই উপজেলায় গ্রেপ্তার ৭           * নকলায় ডিআরএইচ’র সম্মাননা ও বই প্রদান            * শেরপুরে সরকারিভাবে আমন চাল সংগ্রহ অভিযান শুরু           * নেত্রকোনায় বারী সিদ্দিকী স্মরণসভা           *  স্কুলে অতিরিক্ত ফি নিলে ব্যবস্থা: হাইকোর্ট           *  ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষক সমিতির নির্বাচনে ভোট চলছে           *  প্রশ্নপত্র ‘ফাঁসে’ নয়জন আটক, ১১৩ প্রাথমিকে পরীক্ষা স্থগিত           *  ২৫ বছর পর আলাবামার সিনেট ডেমোক্র্যাটদের দখলে           * ৫ বছরে বাংলাদেশের ৩৫ টেস্ট           *  বেনাপোলে ট্রাকবোঝাই ফেনসিডিলসহ পাচারকারী আটক           * ইরানে আবার ভূমিকম্প, আহত ৫৫           * ভোলায় পুলিশের মাদকবিরোধী সাইকেল র‌্যালি           * নন্দীগ্রাম হানাদারমুক্ত দিবস পালিত           * হত্যার তিন দিন পর লাশ ফেরত দিলো বিএসএফ          
* মুক্তিযুদ্ধের সৈনিক এখন ভিক্ষুক           * আ.লীগ আবার ক্ষমতায় না এলে দেশ পিছিয়ে যাবে’           * বদলগাছীর সাগরপুর-সন্ন্যাসতলা সড়ক কাজ না করেই বিল উত্তেলন করলেন ঠিকাদার          

যে নারীর ব্রেস্ট ক্যান্সারে আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকি সবচেয়ে বেশি

| সোমবার, আগস্ট ২১, ২০১৭
যে নারীর ব্রেস্ট ক্যান্সারে আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকি সবচেয়ে বেশি
 ব্রেস্ট ক্যান্সার বা স্তন ক্যান্সার আজকাল নারীদের একটি ভয়াবহ রোগ। এ রোগের কারণে অনেক নারী মারা যাচ্ছেন। স্তনের কিছু কোষ যখন অস্বাভাবিকভাবে বেড়ে উঠে তখন স্তন ক্যান্সার হতে দেখা যায়। পুরুষের থেকে মহিলাদের স্তন ক্যান্সারে আক্রান্ত হওয়ার ঝুকি বেশি থাকে।

নিয়মিত স্তন পরীক্ষা করা কিংবা প্রতি এক অথবা দুই বছর অন্তর ম্যামোগ্রাম(স্তনের এক্সরে ছবি) করিয়ে আপনি সম্ভবত ভাবছেন, স্তন ক্যান্সার প্রতিরোধে আপনি যথেষ্ট সতর্কতা অবলম্বন করছেন। সমস্যা হলো স্তনে চাকা কিংবা মাংসপিন্ডের উপস্থিতি সনাক্ত করার কথা শুনতে যতটা সহজ মনে হয় বাস্তবে এটা সনাক্ত করা ততটা সহজ নয়।

গবেষণায় দেখা গেছে, যতক্ষণ মাংসপিন্ডের আকার অন্তত ১০ থেকে ১৫ মিলিমিটার সাইজের না হচ্ছে ততক্ষণ স্পর্শের মাধ্যমে এর উপস্থিতি সনাক্ত করা কঠিন। স্তনে সৃষ্টি হওয়া টিউমার ২০ মিলিমিটার বা তার বেশি হলেই সুনিশ্চিতভাবে আপনি তা স্পর্শের মাধ্যমে অনুভব করতে পারবেন।

কিন্তু এ ক্যান্সারে আক্রান্ত হওয়ার ক্ষেত্রে কোন ধরনের নারীর ঝুঁকি বেশি সে বিষয়ে নতুন করে হুঁশিয়ারি দিয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের শীর্ষ স্থানীয় কয়েকজন ডাক্তার। তারা বলেছেন, যেসব নারীর ব্রেস্টের ঘনত্ব যত বেশি তার জেনেটিক কারণের চেয়ে শুধু এ কারণে ক্যান্সারে আক্রান্ত হওয়ার আশঙ্কা বেশি।
ফাইল ছবি

অন্যদিকে যাদের ব্রেস্টের ঘনত্ব কম বা থলথলে তাদের ক্যান্সারে আক্রান্ত হওয়ার আশঙ্কা অনেক কম। যুক্তরাষ্ট্রের এ বিষয়ক বিশেষজ্ঞ প্রফেসর জ্যাক কুজিক বলেছেন, অনেক সময় শুধু এক্সরে করে এ বিষয়টি বোঝা যায় না। শুধু এক্সরে’র ওপরে ভিত্তি করে বোঝা যায় না একজন নারীর ব্রেস্ট কতটা ঘন বা শক্ত, অথবা কতটা থলথলে। এক্ষেত্রে একজন নারীও নিজেকে লজ্জায় নিজের মধ্যে লুকিয়ে রাখেন। ফলে ঝুঁকিটা বেড়ে যায়। তাই তিনি এক্ষেত্রে শুধু এক্সরে’র ওপর নির্ভরশীল না হয়ে আরো কিছু স্ক্রিনিং পদ্ধতি অবলম্বনের আহ্বান জানিয়েছেন। শনিবার রাতে নারীদের সচেতন করতে এ সতর্কতা জানিয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের ওই চিকিৎসকরা। তারা পরিষ্কারভাবে বলেছেন, অনেক নারী পারিবারিক কারণে বা জেনেটিক কারণে ব্রেস্ট ক্যান্সারে আক্রান্ত হন। তবে এর চেয়ে বড় ঝুঁকি হলো ব্রেস্টের ঘনত্ব বা শক্ত গড়নের ব্রেস্ট।

এ বিষয়ে ডাক্তারদের একটি দল সম্প্রতি গবেষণা করেছেন। তারা তাতে দেখেতে পেয়েছেন, যুবতীদের মধ্যে যারা ব্রেস্ট ক্যান্সারে আক্রান্ত তাদের মধ্যে প্রতি ১০ জনের মধ্যে চার জনই আক্রান্ত হয়েছে তাদের ব্রেস্টের ঘনত্ব অত্যধিক হওয়ার কারণে। গবেষণায় আরো দেখা গেছে, যেসব নারীর ব্রেস্টের ঘনত্ব কম বা থলথলে তাদের ব্রেস্টে ফ্যাট সেল বেশি। এ জন্য তাদের ক্যান্সারে আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকি থাকে কম। কিন্তু শক্ত গড়নের বা বেশি ঘনত্বের ব্রেস্টে থাকে উচ্চ মাত্রায় গ্রান্ডুলার বা গ্রন্থিযুক্ত টিস্যু। এ কারণে তাদের ঝুঁকিটা বেশি। গবেষণায় বলা হয়েছে, ব্রেস্টের এই ঘনত্ব নির্দারণ করা যায় স্ক্যানিং করে। এ ছাড়া আরো উপায় অবলম্বন করা যেতে পারে। ওদিকে বৃটেনে জাতীয় স্বাস্থ্য বিভাগের অধীনে ব্রেস্ট স্ক্রিনিং প্রোগ্রামের অধীনে নারীদের নিয়মিতভাবে জিজ্ঞেস করা হয় না তাদের ব্রেস্টের গড়ন থলথলে নাকি শক্ত অর্থাৎ ঘনত্ব বেশি। প্রফেসর কাজিক বলেছেন, যেসব নারীর ব্রেস্টের সব স্থানে একই রকম ঘনত্ব তাদেরকে বেশি করে স্ক্রিনিং পদ্ধতি অবলম্বরে যুক্তি দিয়েছে বিজ্ঞান।

এক্ষেত্রে যেসব নারীর ব্রেস্টের ঘনত্ব বেশি তাদের টিউমার সনাক্ত করতে স্ট্যান্ডার্ড মানের এক্স-রে বা ম্যামোগ্রাফিতে অনেকটা বেগ পেতে হয়। কারণ, এক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট নারীর ব্রেস্টের টিস্যু ও টিউমার দু’টোই সাদা দেখায়। লন্ডনের কুইন মেরি ইউনিভার্সিটির উলফসন ইন্সটিটিউট অব প্রিভেন্টিভ মেডিসিনের পরিচালক প্রফেসর জ্যাক কুজিক। তিনি বলেন, এই সাদা দেখানোর কারণে অনেক ক্যান্সার শুরুতে সনাক্ত করা যায় না। এ জন্য ঘন ব্রেস্টের নারীর ব্রেস্ট ক্যান্সারে আক্রান্ত হওয়ার আশঙ্কা অনেক বেড়ে যায়। তিনি এমন নারীদের ট্যামোক্সিফেন জাতীয় প্রতিরোধমুলক ওষুধ সেবনের পরামর্শ দিয়েছেন, যাতে ব্রেস্টের ঘনত্ব কমে যায়। ইংল্যান্ডের পাবলিক হেলথ ডিরেক্টর অব স্ক্রিনিং ডাক্তার অ্যানি ম্যাকি বলেন, ব্রেস্টের ঘনত্বের কারণে ব্রেস্ট ক্যান্সারের ঝুঁকির বিষয়ে পর্যালোচনার জন্য আমরা একটি কমিশন করেছি। তাতে ব্রেস্ট ক্যান্সার সনাক্ত করার বিষয়ও নজরে রাখা হবে। ওই পর্যালোচনার রিপোর্টের দিকে তাকিয়ে আছি আমরা।

স্তন ক্যান্সারের সতর্কতাসূচক লক্ষণ

১। স্তন কিংবা বুকে ব্যথা

স্তন কিংবা বুকে ব্যথা, ধড়ফড় করা, টনটন করা অথবা ধারালো ছুরির আঘাতের মতো ব্যথা কিংবা অস্বস্তি কোন ভালো লক্ষণ নয়। ব্রেস্ট ক্যান্সার থেকে বেঁচে যাওয়া এক রোগী ডাক্তারের কাছে বর্ণনা করেন, তীব্র ব্যথা যা আসে এবং চলে যায়। আরেকজন এই ব্যথাকে মৃদু বৈদ্যুতিক শকের সাথে তুলনা করেছেন। তিনি বলেন, এটা আমার বাম স্তন থেকে প্রবাহিত হয়ে ডান স্তনবৃন্তে যাচ্ছে বলে মনে হয়।

স্তন টিউমার বিভিন্ন ফর্মে হতে পারে। একক পিন্ড অথবা বিক্ষিপ্ত বীজের মতো নির্দিষ্ট আকারহীন একাধিক কর্ষিকার মতো স্তন টিস্যুর মধ্যে ছড়িয়ে থাকতে পারে। এগুলি স্তনবৃন্তের পিছনে কিংবা দুগ্ধ নালীতে থাকতে পারে। এই টিউমারের বৃদ্ধির ফলে ব্যথা অথবা অস্বস্তিবোধ হয়।

অনেক সময় স্তন টিউমার চাকা কিংবা মাংসপিন্ডের মতো অনুভূত হয় না। এক্ষেত্রে শতকরা ৩০ ভাগের বেলায় একে সনাক্ত করা কঠিন হয়ে যায়।

এসব ক্ষেত্রে কখন, কিভাবে এবং কোথায় ব্যথা হয় তার প্রতি খেয়াল রাখতে হবে। ডাক্তারকে এবিষয়ে বিস্তারিত বলতে হবে। ডাক্তার যদি অ্যান্টিবায়োটিক দেয় তাহলে কোর্স পুরো শেষ করবেন। তারপরও ব্যথা না সারলে অন্যান্য টেস্ট করার জন্য তাকে অনুরোধ করুন।

২। স্তনে চুলকানি

এই লক্ষণ প্রদাহজনক স্তন ক্যান্সারের প্রাথমিক লক্ষণ বলে বিবেচনা করা হয়। এটা আশ্চর্যের বিষয় যে, অনেক নারী এধরনের ক্যান্সারে আক্রান্ত হবার পর, এটাকে চর্মরোগ বিবেচনা করে মাসের পর মাস চর্মরোগ বিশেষজ্ঞের কাছে গিয়ে চিকিৎসা নিয়ে থাকেন।

স্তনে ফুসকুড়ি হলে তীব্র চুলকানি থেকে ক্ষতের সৃষ্টি হয়। এক্ষেত্রে মলম ব্যবহার করেও কোন উপকার পাওয়া যায় না। এধরনের সমস্যায় স্তনের চামড়া আঁশযুক্ত হয়ে যায়। স্তনে টোল খায় অথবা খাঁজের সৃষ্টি হয়। স্তন কুঁচকে যায়।

এক্ষেত্রে দ্রুত বর্ধমান ক্যান্সার টিস্যুর কারণে স্তন টিস্যু দিয়ে লসিকা নালীর স্বাভাবিক প্রবাহ ব্যাহত হয়। অন্য যেকোন স্তন ক্যান্সারের তুলনায় প্রদাহজনক স্তন ক্যান্সার অনেক বেশি ভয়াবহ।

৩। পিঠের উপরের দিকে, কাঁধে কিংবা ঘাড়ে ব্যথা

স্তন ক্যান্সারের অনেক রোগীর ক্ষেত্রে বুকে ব্যথা না করে কাঁধে কিংবা ঘাড়ে, পিঠে ব্যথা করে। এ কারণে অনেকে মেরুদন্ড বিশেষজ্ঞের কাছে গিয়ে স্বাভাবিকভাবেই ক্রনিক পিঠে ব্যথার চিকিৎসা নিয়ে থাকেন। যা ফিজিক্যাল থেরাপি দিয়েও ঠিক করা যায় না।

অনেক স্তন টিউমার গ্রন্থিময় টিস্যুতে বিকশিত হয়, যা বুকের গভীরে প্রসারিত হয়। এই টিউমার বড় হয়ে পাঁজরে কিংবা মেরুদন্ডে চাপের সৃষ্টি করে। ফলে এসব এলাকায় ব্যথার উদ্ভব হয়। এ থেকে পরবর্তীকালে দ্বিতীয় পর্যায়ের হাড়ের ক্যান্সার হতে পারে।

এক্ষেত্রে পিঠের ব্যথা ভালভাবে পর্যবেক্ষণ করুন। চিকিৎসায় ব্যথা ঠিক না হলে পিঠের স্ক্যান করান।

৪। স্তনের আকার পরিবর্তন

স্তন ক্যান্সারের প্রাথমিক সনাক্তকরণের ক্ষেত্রে জনপ্রিয় ধারণা হলো স্তনে চাকার উপস্থিতি। তবে ক্যালিফোর্নিয়ার স্তন ক্যান্সারে আক্রান্ত ৪২ বছর বয়সি একজন নারী বলেন, চাকার পরিবর্তে আমার একটি স্তন ডিম্বাকৃতির মতো হয়ে গিয়েছিলো।

এই ধরণের সমস্যা অনুভব করার চেয়ে আয়নার সামনে বেশি দৃশ্যমান হয়। এক্ষেত্রে ব্রা খুলে আয়নার সামনে দাঁড়িয়ে ভালভাবে আপনার স্তন পর্যবেক্ষণ করুন।

৫। স্তনবৃন্তে পরিবর্তন কিংবা সংবেদনশীলতা

সাধারণত টিউমার স্তনবৃন্তের পিছনে অবস্থান করে। ফলে এর আকারের পরিবর্তন ঘটে। পুরুষের স্তন ক্যান্সারের ক্ষেত্রে প্রায় সময় স্তনবৃন্তের পরিবর্তন দেখা যায়।

স্তনবৃন্তের আশপাশের জায়গা সংকুচিত হয়ে যায়। নিপল এ অসামঞ্জস্যতা দেখা যায় ও মোটা হয়ে যায়, স্তনের চামড়ায় ছোট ছোট ছিদ্রের মত দেখা যায়।

স্তন ক্যান্সারে আক্রান্তরা প্রায় সময় লক্ষ করেন তাদের স্তনবৃন্তের সংবেদনশীলতা হ্রাস পাচ্ছে। নিপল থেকে রক্ত, পুঁজ অথবা পানি জাতীয় পদার্থ বের হয়ে আসছে।

আমেরিকান সোসাইটি অব ব্রেস্ট সার্জন সম্প্রতি জানিয়েছে, পুরুষের স্তন ক্যান্সার নারীর তুলনায় দেরীতে সনাক্ত করা যায় এবং এটা মারাত্মক হয়ে থাকে।

৬। বগলে পিন্ড কিংবা ফোলাভাব

বগলে কোন ব্যথা হলে আঙ্গুল দিয়ে সতর্কতার সাথে পরীক্ষা করে দেখুন। স্তন থেকে নির্গত লসিকা তরলের মাধ্যমে বগলের লসিকা গ্রন্থিতে প্রথমে স্তন ক্যান্সারের বিস্তৃতি ঘটে।

ঠান্ডা, ফ্লু অথবা সংক্রমণের কারণে লসিকা গ্রন্থি ফুলে গেলে অপেক্ষা করুন সেরে যাওয়া পর্যন্ত। যদি এক সপ্তাহের পরও বগলের ফোলা না কমে তাহলে ডাক্তার কে দেখাতে পারেন।

৭। লাল, ফোলা স্তন

স্তনে আঘাত লাগলে স্বাভাবিকভাবেই এটি ফুলে যাবে।কিন্ত স্তন যদি গরম অনুভূত হয় কিংবা লালচে রঙ এর হয়ে যায় তাহলে স্তনগ্রন্থির স্ফীতি অথবা প্রদাহ বলে সন্দেহ করতে পারেন। এটা প্রদাহজনক স্তন ক্যান্সারের লক্ষণ হতে পারে। এছাড়া স্তনের টিউমারের কারণে স্তন ফুলে যেতে পারে। এক্ষেত্রে আপনি নিজেই ফোলাভাব পরীক্ষা করে দেখতে পারেন।

স্তন ক্যান্সারের প্রতিকার:

যেহেতু এ রোগটির নির্দিষ্ট কোনও কারন এখনো জানা যায়নি, তাই এই রোগ এড়ানোর জন্য নির্দিষ্ট কোনো উপায় বলা যাবে না। তবে কিছু বিষয় মেনে চলার পরামর্শ দেয়া যেতে পারে। যা বেশ ফলদায়ক।

    ২০ বছর বয়স থেকে নিজে নিজে ব্রেস্ট পরীক্ষা করুন।
    ৩০ বছর বয়সের মধ্যে ১ম সন্তান জন্ম দেয়ার চেষ্টা করুন।
    সন্তানকে বুকের দুধ পান করান।
    খাবার দাবারের ক্ষেত্রে চর্বিযুক্ত খাবার পরিহার করুন।
    ফলমূল এবং সবজি বেশী খাওয়ার অভ্যাস করুন।
    ভিটামিন ‘এ’ এবং ‘সি’ জাতীয় ফলমূল বেশী খাওয়ার চেষ্টা করুন।
    যেসব খাবারে বিটা ক্যারোটিন রয়েছে, যেমন গাজর, মিষ্টি আলু এবং সবুজ শাক বেশি বেশি খাওয়ার অভ্যাস করুন। নিয়মিত ব্যায়াম করুন।
    যাদের ওজন বেশী অবশ্যই তাদের ওজন কমাতে হবে।
    মানুসিক চাপ থাকলে সাইকোথেরাপিস্টের পরামর্শ নিন।
    ধর্মীয় অনুশীলন মেনে চলুন।
    জীবনযাত্রায় নৈতিকতা এবং শৃংঙ্খলা বজায় রাখুন।
    ধূমপান ও এ্যালকোহল পরিহার করুন।
    রিস্ক ফ্যাক্টর থাকলে মেমোগ্রাফি করুন।
    সন্দেহ থাকলে ক্যান্সার সার্জনের শরনাপন্ন হন।
    ব্রেস্ট বা স্তন ক্যান্সার এর চিকিৎসা:

স্তন ক্যান্সার,ক্যান্সারের মধ্যে সবচেয়ে সাধারণ ম্যালিগন্যান্ট টিউমার। বিভিন্ন ম্যালিগন্যান্ট টিউমারের মধ্যে এর আনুপাতিক হার ১০% যা মহিলাদের স্বাস্থ্যের জন্য গুরুতর হুমকিস্বরূপ। স্তন ক্যান্সার আক্রমনে নারী জীবন ও কাজের প্রতি আস্থা হারিয়ে ফেলে যা তাদের পরিবারের জন্য সবচেয়ে কঠিন সময়। স্তন ক্যান্সার রোগীদের কিভাবে পর্যালোচনা করা উচিত তা রোগী এবং তাদের পরিবারের জন্য প্রধান সমস্যা হয়ে দাঁড়ায়।মডার্ণ ক্যান্সার হাসপাতাল গুয়াংজৌ বিশেষজ্ঞদের পরামর্শনুযায়ী বায়োইম্যুনোথেরাপি স্তন ক্যান্সার রোগীদের জন্য সবচেয়ে উপযোগী পদ্ধতি।




আরও পড়ুন



প্রধান সম্পাদকঃ
ড. মো: ইদ্রিস খান

সম্পাদক ও প্রকাশকঃ
মোঃ খায়রুল আলম রফিক

সিয়াম এন্ড সিফাত লিমিটেড
বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয়ঃ ৬৫/১ চরপাড়া মোড়, সদর, ময়মনসিংহ।
ফোন- +৮৮০৯৬৬৬৮৪, +৮৮০১৭৭৯০৯১২৫০, +৮৮০১৯৫৩২৫২০৩৭
ইমেইল- aporadhshongbad@gmail.com
(নিউজ) এডিটর-ইন-চিফ,
ইমেইল- khirulalam250@gmail.com
close