*  নিজ বাড়িতে নকলা উপজেলা চেয়ারম্যানের ঝুলন্ত লাশ           *  অন্ধত্বঃ ‘মার্কিন সামাজ্র্যবাদ’ বুলি--মাহমুদুল বাসার           * ইসি সংলাপে কোনো প্রস্তাব দেয়নি মঞ্জুর জেপি           *  এবার আফগান সেনাঘাঁটিতে তালেবান হামলা, নিহত ৪৩           *  মাননীয় আদালত, আমি কার কাছে যাব: খালেদা           *  গৌরীপুরে নৌকার আগামী সম্ভাবনা           * ফরিদপুরে পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা অভিযান           * আবারও সুযোগ পেলে উন্নয়নের ধারা অব্যাহত রাখবো- এমপি সালাহউদ্দিন মুক্তি           *  ২৪ বছর ধরে কথা বলেন না সানি-শাহরুখ            * ‘ভূমি’তে ব্যর্থ সঞ্জয় বাদ পরবর্তী ছবিতে           * জামালগঞ্জে কিশোরীদের বর্ণাঢ্য নৌকাবাইচ           * বিমানবন্দরে জড়ো হচ্ছেন বিএনপির নেতাকর্মীরা           * রোহিঙ্গা ইস্যুতে রাশিয়া-চীনও পাশে আছে: পররাষ্ট্রমন্ত্রী           * সিইসিকে সতর্ক হয়ে কথা বলার পরামর্শ আ.লীগের           * বাণিজ্যিকরণে মিলবে ডিজিটাল বাংলাদেশের সুফল’           * লিটন স্পেশালিস্ট ব্যাটসম্যান, কিপিংয়ে মুশফিক!           * মিয়ানমারের ‘কৌশলগত’ বন্দরের ৭০% মালিকানা পাচ্ছে চীন           * ভোটের আগে কেনিয়ায় নির্বাচন কমিশনারের পদত্যাগ           *  বঙ্গবন্ধুর পিএস অনুর মৃত্যু, প্রধানমন্ত্রীর শোক           *  ভালুকায় ছিনতাইকারী ধরতে গিয়ে পুলিশ গুলিবিদ্ধ          
*  নিজ বাড়িতে নকলা উপজেলা চেয়ারম্যানের ঝুলন্ত লাশ           *  গৌরীপুরে নৌকার আগামী সম্ভাবনা           *  ভালুকায় ছিনতাইকারী ধরতে গিয়ে পুলিশ গুলিবিদ্ধ          

পূর্বধলায় মুহ, আবদুল হাননান খান পিপিএম আওয়ামীলীগের যোগ্য প্রার্থী

নিজস্ব প্রতিবেদক | রবিবার, সেপ্টেম্বর ২৪, ২০১৭

পূর্বধলায় মুহ, আবদুল হাননান খান পিপিএম আওয়ামীলীগের যোগ্য প্রার্থী
১৬১, নেত্রকোনা-৫, পূর্বধলা সংসদীয় আসনে আওয়ামীলীগের প্রার্থী হিসাবে নির্বাচন করলে মুহ, আবদুল হাননান খান পিপিএম বিপুল ভোটে নির্বাচিত হবেন । এমনটাই দাবি করছেন উপজেলাবাসী । আওয়ামীলীগের প্রার্থী হয়ে নৌকার মাঝি হিসাবে হাল ধরতেও রাজি রাছেন মুহ. আবদুল হাননান খান। পূর্বধলার সকলের প্রিয় জননন্দিত আবদুল হান্নান খান আওয়মীলীগের নিবেদিত প্রাণ, প্রবাদ পুরুষ। ব্যাপক জনপ্রিয়, অনুকরনীয়, অনুসরনীয়, মহানুভব , দয়ালু, গরীব, দু:খি মেহনতি মানুষের বন্ধু এ নেতার নেই কোন প্রকার লোভ-লালসা। আছে শুধুই দেশপ্রেম আর মানুষের প্রতি অগাধ বিশ^াস এবং ভালোবাসা । বঙ্গবন্ধু প্রেমি মুহ, আবদুল হাননান খান যিনি সেই ছাত্র জীবন থেকেই নৌকার মাঝি হয়ে নৌকা টেনেই চলেছেন।
নেত্রকোনা ৫ আসনে মুহ, আবদুল হাননান খান পিপিএম আওয়ামীলীগের মনোনয়ন প্রত্যাশী মুহ, আবদুল হাননান খান । জানা যায়, নেত্রকোনা জেলার পূর্বধলা উপজেলার খলিশাউর খানপাড়ার এক সম্ভ্রান্ত মুসলিম পরিবারে তার জন্ম । জনমানুষের বন্ধু পিতা মৃত আবদুল আলী খান, মাতা মৃত রৌশন আরা বেগম ।
মুহ, আবদুল হাননান খান পিপিএম দেশের শীর্ষ বিদ্যাপিঠ ঢাকা বিশ^বিদ্যালয়ে ১৯৬৫ সালে এম এ(ইংরেজি) এরপর এল এল বি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়, সাল,১৯৭৩ ইং পাশ করেন। প্রাথমিক বিদ্যালয়ে অধ্যয়ন কালীন জেষ্টভ্রাতা মরহুম আঃ ওয়াদুদ খানের নেতৃত্বে ভাষা আন্দোলনে অংশ গ্রহন।
 কলেজ জীবনে ১৯৫৮থেকে ১৯৬২ পর্যন্ত বর্তমান কিশোরগঞ্জ জেলার গুরুদয়াল কলেজের ছাত্র।হাবিবুর শিক্ষা কমিশন আন্দোলনে কিশোরগঞ্জ মহকুমার ছাত্র সংগ্রাম কমিটির সভাপতি হিসাবে এলাকায় নেতৃত্ব দান। ১৯৬১সালে তৎকালীন স্পীকার ফজলুল কাদের চৌধুরীর জনসভা প্রতিরোধ গড়ে তোলা এবং ফলশ্র“তিতে কিশোরগঞ্জ থানায় তার বিরুদ্বে মামলা রুজু।
 বর্তমান মহামান্য রাষ্ট্রপতি ছাত্রকালীন সময়ে তার সাথে একই পাল্লাটফর্মে রাজনীতি করার সৌভাগ্য হয়েছিল। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ইংরেজি বিভাগে অধ্যয়নরত অবস্থায় আইয়ুুব বিরোধী আন্দোলনে সক্রিয় ভাবে অংশ গ্রহন করেন। ১৯৬৪সালে ডাকাসু নির্বাচনে সদস্য নির্বাচিত হন। ঐ বৎসর কার্জন হলের অনুষ্ঠিত কনভোকেশন(যাহাতে তৎকালীন গভর্নর মোনায়েন খান ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় চ্যান্সেলর হিসাবে প্রধান অতিথি ছিলেন)পেন্ডেল ভেংগে দেয়া হয় এবং মোনায়েম খানের হাত হতে সার্টিফিকেট গ্রহন করতে সাধারণ ছাত্র ছাত্রীগন অস্বীকৃত জ্ঞাপন করেন। কনভোকেশন ভন্ডল হয়ে যায়। তাৎপরবর্তীতে গ্রামের বাডী হতে পৃর্বপাকিস্তান জন নিরাপত্তা আইনে গ্রেপ্তার হয়ে ছয় মাস পর মুক্তি পান। কিন্ত কনভোকেশন মামলায় ৬ মাসের জেল হয়। গন আন্দোলনের মুখে মামলার কার্যক্রম শেষ হয়। পরে তিনি ১৯৬৫ সাল থেকেই বিভিন্ন কলেজে অধ্যাপনা করেন। ১। ব্রাক্ষনবাড়ীয়া কলেজ। ২। মৌলভীবাজার কলেজ। ৩। নাসিরাবাদ কলেজ ময়মনসিংহ। ৪। আশেক মাহমুদ কলেজ জামালপুর। মহান মুক্তিযুদ্ধে অংশ গ্রহন করেন। জামালপুরে স্বাধীনতা সংগ্রাম সংগঠক। ১১ নং সেক্ট্ররের ঢালু সাব সেক্টরে সক্রিয় মুক্তিযুদ্বে অংশ গ্রহন। স্বাধীনতার পর: অধাপনায় ফেরত। নকল বিরোধী আন্দোলন সংগঠন। বৃহত্তর ময়মন সিংহ জেলা কলেজ শিক্ষক সমিতি সভাপতি নির্বাচিত হন। ১৯৭৩ সালে বিসিএস প্রথম ব্যাচে পুলিশ বিভাগে এ এস পি হিসাবে যোগদান করেন। ১৯৭৩ সালে সারদায় প্রথম ব্যাচে প্রথম স্থান অর্জন করেন। পরবর্তীতে ঢাকা মহানগর পুলিশ, পুলিশ সিকিউরিটি সেল,গাজীপুর নারায়ণগঞ্জ, টাংগাইল, নোয়াখালী, বগুড়া ব্যাটালিয়ন, বান্দরবান ও সি আই ডিতে বিভিন্ন পদে চাকরী করেন। উল্লেখ যোগ্য বিষয় হলো, ১৯৯৬ সালে রাষ্ট্রীয় গুরুত্বপূর্ণ মামলা "বঙ্গবন্ধু হত্যা মামলা"র প্রধান তদন্ত তদারকি কর্মকর্তা নিয়োগ হন।


 পলাতক আসামী মেজর হুদাকে ব্যাংকক থেকে আনয়নের জন্য সরকারী ভাবে মনোনয়ন।এছাড়া ও জেল হত্যা মামলা এবং বুদ্ধিজীবী হত্যা মামলার ও তদন্ত তদারকি অফিসার হিসাবে নিয়োগ। ২০০০ সালে ঢাকা রেঞ্জের অতিঃডি আই জি হিসাবে কর্মরত থাকা অবস্বায় অবসর গ্রহণ করেন। রাজনীি তে অংশ গ্রহণ : সরকারী চাকরী হইতে অবসর গ্রহনের পরপরই আওয়ামী লীগে যোগদান করেন এবং এলাকায় দলকে শক্তিশালী করনের লক্ষে ব্যাপক কর্মকান্ডে অংশগ্রহণ ২০০১ সালে মনোনয়ন প্রার্থী কিন্ত বঙ্গবন্ধু মামলার প্রধান তদন্ত তদারকীতে সংশ্লিষ্টতা থাকায় বিব্রত বোধের আশংকায় মনোনয়ন দেয়া হয় নাই। ২০০৮ সালে আওয়ামীলীগের তৃনমূল পর্যায়ের ভোটে প্রথম স্থান প্রাপ্তি (যা কোন অবসর প্রাপ্ত বেসামরিক /সামরিক কর্মকর্তাদের পক্ষে সম্ভব হয় নাই) ২০০৮ সালে মনোনয়ন না পেয়ে মনক্ষুন্ন হয়ে স্বতন্ত্র নির্বাচন অংশ গ্রহণ করেন। ববর্তমান অবস্থান : ২০০৯ সালে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের মাধ্যমে ১৯৭১ সালের মানবতা বিরোধী অপরাধের বিচারের সিদ্বান্ত হয়। তদন্ত সংস্থার প্রধান হিসাবে নিয়োগ প্রাপ্ত প্রথম ব্যাক্তি নিয়ে সমলোচনা শুরু হয় এবং তদন্ত কার্যক্রম মোটামুটি বন্দের পর্যায়ে চলে যায়। ২০১১ সালে উনাকে আই জি পি পদ মর্যাদায় তদন্ত সংস্থার প্রধান হিসাবে নিয়োগ দেয়া হয়। স্থিমিত সংস্থার গতি পায়।


উনার নেতৃত্বে তদন্ত সংস্থার সকল তদন্তকারী কর্মকর্তা দিবারাত্রি কঠোর পরিশ্রমে ইতিমধ্যেই জাতি ফলাফল পেতে শুরু করেছে। এ পর্যন্ত অনেক গুলি মামলার রায় ট্রাইব্যুনালে বিচার কাজ হয়েছে। কয়াকটি মামলার রায় অপেক্ষামান। বেশ কয়েক টি মামলার রায় কার্যকর হয়েছে।স্বাধীনতার ৪২ বৎসর পর জাতি কলংকমুক্ত হতে যাচ্ছে এ প্রচেষ্টায় উনার ক্ষুদ্র অংশীদারিত্বে তিনি এবং পরিবার অত্যন্ত গর্বত।

 বঙ্গবন্ধু হত্যা মামলা, জেল হত্যা মামলার তদন্ত তদারকিতে নেতৃত্ব দিয়েছেন, তাতেও সকলে গর্বিত। সামাজিক অবস্থান : ১। নেত্রকোনা জেলা পুর্বধলা উপজেলাধীন শ্যামগঞ্জ হাফেজ জিয়াউর রহমান কলেজের পরিচালা পরিষদের আজীবন সদস্য। ২।নেত্রকোনা জেলার পুর্বধলা উপজেলাধীন শহীদ স্মৃতি হাইস্কুলের প্রতিষ্ঠাতা এবং সভাপতি। ৩।
 নেত্রকোনা জেলার পুর্বধলা উপজেলা ধীন শিমুল কান্দি হাইস্কলের প্রতিষ্ঠাতা ৪। পিতামাতার নামে প্রতিষ্ঠিত, আলী রওশন ফাউন্ডেশন, এর চেয়ারম্যান। ৫। নেত্রকোনা, অর্থনৈতিক ও অমানবিক উন্নয়ন সংস্থা,(অমাস)এর প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি। ৬। নেত্রকোনা জেলার ইতিহাস, বই এর সম্পাদক। ৭। সভাপতি নেত্রকোনা জেলা সমিতি ঢাকা।

 তিনি তদন্ত সংস্থায় কর্মরত থাকা অবস্থাও এলাকা এবং তার কর্মীদের সাথে যোগাযোগ সার্বক্ষনিক। বিভিন্ন সামাজিক কর্মকান্ডের মাধ্যমে এলাকায় ব্যপক গন সংযোগ করে থাকেন। দল,মত, গ্রপিং নির্বিশেষে এলাকার সকলের কাছে তিনি প্রিয় ব্যক্তিত্ব। স্বাধীনতা স্বপক্ষের শক্তির ধারনা একমাত্র তিনিই আগামী নির্বাচনে আওয়ামীলীগের পক্ষে আসনটি ধরে রাখতে পারেন।

 ২০০৮ সালের নির্বাচন পূর্ববতী তৃনমূল কর্মীদের ভোটো তিনিই প্রথম হয়েছিল।এবং স্বতন্ত্র প্রাথী হিসেবে প্রায় ২০০০০ ভোট পেয়েছিলেন।তিন গ্রুপের মধ্যে কেবল মাত্র হাননান সাহেবেরই নিজস্ব ভোট ব্যাংক আছে,যা অন্যদের ক্ষেত্রে নাই।
 সজ্জন, সদালাপী, জনসেবা মুখি হাননান সাহেবের ব্যাপক পরিচিত এবং জনপ্রিয়। এলাকাবাসী বলেন, দাবী আমাদের একটাই আগামী নির্বাচনে হাননান সাহেবের পক্ষে নৌকা মার্কা নৌকা প্রতিক চাই। জিবনন্ত কিংবদন্তি সাবেক অতিরিক্ত ডি আই জি, বর্তমানে আই জি পি পদ মর্যাদায় , আন্তরজাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল তদন্ত সংস্থার প্রধান সমন্নয়ক, মহ, আবদুল হাননান খান, স্বাধীন বাংলাদেশর পুলিশ বাহিনীর এক উজ্জ্বল নক্ষত্র, ১৯৭৫ সনের ১৫ ই আগষ্টের সেই কাল রাত্রে পৃথিবীর ইতিহাসের জঘন্য বর্বর নিকৃষ্টতম হত্যাকান্ড সংঘটিত হয়, নিহত হয় জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মজিবর রহমান এবং তার পরিবারের সদস্যরা, বিদেশে থাকায় বেচে যান শেখ হাসিনা এবং শেখ রেহেনা, ,ঘাতকের দল এখানেই থেমে নেই, ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারে ৩ রা নভেম্বর ইতিহাসের আরেকটি বর্বরতম হত্যাকান্ড সংঘটিত করে, নিহত হয় জাতিয় চার নেতা, তখনকার শাসক গোষ্ঠী ইনডেমিনেটি অধ্যাদেশ নামক আইনের মাধ্যমে বিচারের রাস্তা বন্ধ করে দেয়, ১৯৯৬ সালে জাতীয় নির্বাচনে বিজয়ী হয়ে, জাতিরজনক বঙ্গবন্দু কন্যা জননেত্রী শেখ হাসিনার নেত্রীত্বে বাংলাদেশ আওয়ামীলীগ সরকার গঠন করে, জাতীয় সংসদে ইনডেমেনিটি অধ্যাদেশ বাতিল করা হয়। শুরু হয় বঙ্গবন্ধু তার পরিবার এবং জাতীয় চার নেতার হত্যা কান্ডের বিচার।

 তদন্ত তদারকি অফিসার হিসাবে দায়ীত্ব দেয়া হয়, বঙ্গবন্ধুর আদর্শে অনুপ্রাণিত জননেত্রী শেখ হাসিনার আস্থাভাজন ব্যাক্তি মুক্তিযোদ্ধা পুলিশ অফিসার মুহ,আবদুল হাননান খান সাহেবকে, শুরু হয় তদন্ত কার্যক্রম, আদালতে আসামী দের বিরুদ্দে প্রতিবেদন দাখিল করেন, দীর্ঘ বিচার প্রক্রিয়ার পর, প্রতিটা নর ঘাতককে ফাসীর দরি পর্যন্ত পৌছে দেন, এবং রায় কার্যকর হয়, বিদেশের মাটিতে যারা পালিয়ে আছে এক দিন তাদের ফাসীও কার্যকর হবে ইনশাল্লাহ।
 দায়ীত্ব সচেতন হাননান সাহেব এক বিরল দৃষ্টান্ত স্থাপন করে ইতিহাসে পাতায় জায়গা করে নেন। আমরা বাঙালী জাতী জাতির জনকের এবং জাতীয় চার নেতার রক্তের বদলা কিছুটা হলেও নিতে পেরেছি। অথচ এই মেধাবী পুলিশ অফিসার দুটি স্বৈরাশাসক এবং বি এন পি জামায়েত ২০ দলীয় জোট সরকারের নির্যাতন নিপিরনের শিকার।
 চাকরি জিবনে ঘন ঘন বদলি করা হয, প্রমোশনের বেলায় বৈশ্যম্মের শিকার হন, প্রমোশন দেয়া হয় নাই বললেই চলে, দীর্ঘ সময় চাকরী শেষে যেখানে আই জি পি হওয়ার কথা সেখানে ২০০১ এ অতিরিক্ত ডি আই জি হিসাবে অবসর গ্রহন করেন,২০০১ জাতীয় নির্বাচনে আওয়ামীলীগের পক্ষে ব্যাপক গনসংযোগ করেন, এডভোকেট মোশারফ হোসেনের নৌকা প্রতিকের পক্ষে প্রতিটি হাট বাজারে জনসভা পথসভা প্রতিটি গ্রামে উঠোন বৈঠক করেন, কিন্ত মীরজাফরের দল এবং দলে অনুপ্রবেশকারী হাইব্রিডদের বিশ্বাসঘাতকতায় অল্প ভোটে এডভোকেট মোশারফ হোসেন হেরে যান। কিন্ত হাননান সাহেব হেরে যাবার পাত্র নয়, ২০০১ হইতে ২০০৮ পর্যন্ত পূর্বধলা উপজেলার প্রতিটি হাট বাজার গ্রামে গঞ্জে দলীয় এবং জাতীয় প্রতিটি কর্মসুচিতে মিছিল মিটিং সহকারে অংশগ্রহণ করেন আওয়ামীলীগের পক্ষে ব্যাপক জনমত সৃষ্টি করেন। চার দলীয় ঐক্যজোট সরকারের নির্যাতন নিপিরন এবং অপারেশন ক্লিনহার্টের সময় অনেক নেতা কর্মিকে নিরাপদ এবং নির্যাতন থেকে রক্ষা করেন। ২০০৮ এর জাতীয় নির্বাচনের আগে আওয়ামীলীগের তৃনমূল নির্বাচনে ভালবাসার প্রতিদান দেন কাউন্সিলররা, হাননান সাহেব প্রথম স্থান অধিকার করেন। দ্বিতীয় স্থান হয় সাবেক পূৃর্বধলা উপজেলা আওয়ামীলীগ সভাপতি আবু ছিদ্দিক আহাম্মেদ। তৃতীয় হয় বর্তমান বাংলাদেশ আওয়ামীলীগ সাংগঠনিক সম্পাদক জনাব আহাম্মদ হোসেন । চতুর্থ হয় বর্তমান এম পি ওয়ারেসাত হোসেন বেলাল সাহেব। তৃনমূলের ভোটে প্রথম হওয়ার পরও জাতীয় নির্বচনে মনোনয়ন থেকে বঞ্চিত হন, মনোক্ষুণ্ণ হয়ে স্বতন্ত্র নির্বাচন করেন, আওয়ামীলীগের গন জোয়ারের মধ্যে প্রায় বিশহাজার ভোট পেয়ে সাভাবিক ভাবে পরাজয় বরন করেন। নিন্দুকেরা ভেবে ছিল হাননান সাহেব হারিয় যাবে, কিন্ত না, হারিয়ে যাবার পাত্র নয় হাননান সাহেব,।

 হাননান সাহেবের মত ব্যক্তি এই বাংলায় এক বারই জন্ম গ্রহণ করে বার বার নয়, ২০০৮ সালের নির্বাচনে আওয়ামীলীগ বিশাল সংখ্যাগরিষ্টতা নিয়ে জয়লাভ করে, প্রতিশ্রুতি মোতাবেক যুদ্ধ অপরাধীদের বিচার প্রক্রিয়া শুরু হয়, গঠন করা হয় আন্তরজাতিক ট্রাইব্যুনাল এবং তদন্ত সংস্থা, প্রথম যাকে তদন্ত সংস্থায় নিয়োগ দেয়া হয়, তার ব্যাপারে ব্যাপক সমলোচনা শুরু হয় এবং ওনাকে অব্যাহতি দেয়া হয়।

 জননেত্রী শেখ হাসিনা সিদ্ধান্ত নিতে ভুল করেন না জাতিরজনকের কন্যা বলে কথা,আবারো জাতীয় এই গুরুত্ব পূর্ণ দায়ীত্ব তুলে দেন ওনার বিশ্বস্ত ব্যক্তি জনাব মুহ, আবদুল হাননান খান সাহেবের হাতে। আই জি পি পদ মর্যাদায় নিয়োগ দেয়া হয় তদন্ত সংস্থার প্রধান সমন্নয়ক হিসাবে।
গতি পায় সংস্থা, সাড়া দেশ চষে বেরান, সংগ্রহ করেন নরপিচাশ জল্লাদদের আমলনামা, অনেক বাধা বিপত্তি হাজার হাজার কোটি টাকা বিনিয়োগ, অনেক বিদেশী রাষ্ট্রের হুমকি ধমকি কোন কিছুই ওনাকে থামাতে পারে নাই সততা নিষ্টা লোভ লালসার উর্ধেথেকে শীর্ষ যুদ্ধ অপরাধীদের তদন্ত কাজ শেয করে দীর্ঘ বিচার প্রক্রিয়া শেষে ফাসীর দরি পর্যন্ত পৌছে দিয়েছেন ঘাতকদের , আমিত্ব্য কারাভোগ করছেন অনেকে, তিরিশ লক্ষ শহিদের আত্ত্যা কিছু টা হলেও শান্তি পেয়েছে দুই লক্ষ মা বোনের ইজ্জতের মূল্য প্রতিষ্টিত হয়েছে। বাঙালি জাতির স্বাধিকার আন্দোলনের প্রতিটি ধাপে ধাপে অংশগ্রহণ করেন মুহ,আবদুল হাননান খান।


 ৫২ এ ভাষা আন্দোলন ৬ দফা আন্দোলন ৬৯ এর গন অভ্যুত্থান ৭০ রের নির্বাচন ৭১ এ মুক্তিযোদ্ধা।এখনো রাষ্ট্র এবং জাতির কল্যাণে ব্যাস্ত সময় পার করছেন। দীর্ঘ দিন ওনার একজন কর্মী হিসাবে পাশে থেকে য়ত টুকু দেখেছি শুনেছি তার সামান্য ক্ষুদ্র অংশ উল্লেখ করেছি মাত্র। হাননান সাহেব আমাদের মাঝে আগেও ছিলেন, এখনও আছেন, আগামীতে থাকবেন বলে আশাবাদী পূর্বধলার জনগণ ।






আরও পড়ুন



প্রধান সম্পাদকঃ
ড. মো: ইদ্রিস খান

সম্পাদক ও প্রকাশকঃ
মোঃ খায়রুল আলম রফিক

সিয়াম এন্ড সিফাত লিমিটেড
বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয়ঃ ৬৫/১ চরপাড়া মোড়, সদর, ময়মনসিংহ।
ফোন- +৮৮০৯৬৬৬৮৪, +৮৮০১৭৭৯০৯১২৫০, +৮৮০১৯৫৩২৫২০৩৭
ইমেইল- aporadhshongbad@gmail.com
(নিউজ) এডিটর-ইন-চিফ,
ইমেইল- khirulalam250@gmail.com
close