* পিবিআইয়ের রিপোর্ট প্রত্যাখ্যান করেছে সাংবাদিকরা মচিমহায় কোন ঘটনা ঘটেনি            * ময়মনসিংহ জেলা আওয়ামীলীগের ৭৫ সদস্য বিশিষ্ট পূর্ণাঙ্গ কমিটি অনুমোদন           * ময়মনসিংহ মহানগর আওয়ামী লীগের পূর্ণাঙ্গ কমিটি অনুমোদন           * যমুনার পানি বিপদসীমা ছুঁই ছুঁই           * ‘পরকীয়া জানাজানি হওয়ায়’ গৃহবধূর আত্মহত্যা           * খাগড়াছড়িতে ৮০০ ইয়াবাসহ আটক ২           * মাদক কারবারিদের নতুন ‘হিটলিস্টে’ সাংসদসহ প্রভাবশালীরা           * সাশ্রয়ী দামের ল্যাপটপ আনলো লেনোভো           * ছিনতাইকারীকে তরুণীর পেটানো ভিডিও ভাইরাল           *  চাঁদপুরের পদ্মা ও মেঘনায় ইলিশের আকাল           *  তিন জেলায় ‘বন্দুকযুদ্ধে’ নিহত ৫           * ‘আড়াই লাখ বাংলাদেশি পাকিস্তানের নাগরিকত্ব পাবেন’           *  মানে মনোযোগী আরমান           * শ্রীলঙ্কাকে বিদায় করে সুপার ফোরে আফগানিস্তান           * ভুটানের প্রধানমন্ত্রী হচ্ছেন ময়মনসিংহ মেডিকেলের ছাত্র           * মেয়ের গায়ে হলুদের দিন মায়ের মৃত্যু            * নদীভাঙন : পূর্বপ্রস্তুতি না নেয়ায় প্রধানমন্ত্রীর ক্ষোভ            * দুর্বৃত্তদের অতর্কিত হামলা ও গুলিতে দুই হিজড়াসহ চারজন আহত            * আবারো শুদ্ধাচার পুরস্কার পেলেন গফরগাঁও ইউএনও           * ভারতে পাচারকালে চার শিশুসহ রোহিঙ্গা নারী আটক          
* পিবিআইয়ের রিপোর্ট প্রত্যাখ্যান করেছে সাংবাদিকরা মচিমহায় কোন ঘটনা ঘটেনি            * ময়মনসিংহ জেলা আওয়ামীলীগের ৭৫ সদস্য বিশিষ্ট পূর্ণাঙ্গ কমিটি অনুমোদন           * ময়মনসিংহ মহানগর আওয়ামী লীগের পূর্ণাঙ্গ কমিটি অনুমোদন          

দুর্দশা ঘোচেনি কুড়িগ্রামে বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত ৫শতাধিক পরিবারের

স্টাফ রিপোর্টার | মঙ্গলবার, অক্টোবর ৩, ২০১৭
দুর্দশা ঘোচেনি কুড়িগ্রামে বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত ৫শতাধিক পরিবারের
কুড়িগ্রামের রাজারহাটে বন্যা হওয়ার প্রায় ২ মাস হলেও ৫শতাধিক ক্ষতিগ্রস্ত পরিবার আর্থিক দৈন্যতার কারণে এখনও গৃহ নির্মাণ করতে পারেনি। ফলে পরিবার পরিজন নিয়ে মানবেতর জীবনযাপন করছে ওইসব ক্ষতিগ্রস্থ পরিবারগুলো। গত আগষ্টের প্রথম সপ্তাহে আকস্মিকভাবে কুড়িগ্রামের রাজারহাট উপজেলার ছিনাই, ঘড়িয়ালডাঙ্গা, বিদ্যানন্দ ও নাজিমখান ইউনিয়নের ২৫টি গ্রামের নি¤œাঞ্চলসহ বেশ কিছু এলাকা বন্যায় তলিয়ে যায়। ওই সময় পানির প্রবল ¯্রােতে ছিনাই ইউনিয়নের কালুয়ার চর এলাকায় সহ¯্রাধিক ঘর-বাড়ী দুমড়ে-মুছড়ে নিশ্চিহৃ হয়ে পড়ে। ফলে ওই পরিবারগুলোর হাঁস- মুরগী, গরু-ছাগল, ধান-চাল, তৈজসপত্র, আসবাবপত্র, স্কুল কলেজ পড়-য়াদের বইপত্র নষ্ট হয়ে যায়। বন্যায় সাড়ে ৩হাজার হেক্টর জমির রোপা আমন বিনষ্ট হয়। এর মধ্যে বীজতলা ও সবজি জমি নষ্ট হয় ১’শ হেক্টর। এদিকে ৫হাজার হেক্টর জমির মৎস্য খামারের মাছ বানের পানিতে ভেসে যায়। বন্ধ হয়ে যায় শতাধিক শিক্ষা প্রতিষ্ঠান। রাস্তার অসংখ্য জায়গায় পানির প্রবল ¯্রােতে ভেঙ্গে বিশাল বিশাল গর্তের সৃষ্টি হয়ে যোগাযোগ ব্যবস্থা বিছিন্ন হয়ে পড়ে। বন্যার সময় ভেঙ্গে যায় ৮টি ব্রীজ ও ১২/১৪ কালভার্ট। পূর্ণ সংষ্কার না হওয়ায় বর্তমানে ওই এলাকার মানুষ চরম বিপাকে পড়েছে। সবমিলে কয়েক কুটি টাকার ক্ষতি সাধিত হয়। ২ অক্টোবর গতকাল সোমবার বন্যা কবলিত এলাকা ঘুরে দেখা যায়, বানভাসি মানুষের দুঃখ-দূর্দশার অন্ত নেই। অতি কষ্টে দিনাতিপাত করছে। তারা নতুন করে বাঁচতে চায়। কিন্তু বন্যার সময় তাদের সবকিছু খুইয়ে যাওয়ায় আর্থিক সংকটে পড়ে। তাদের এখন নুন আনতে পান্তা ফুরায় অবস্থা। বন্যাকবলিত এলাকার নাজমা (৩৮), বেগম(৪৫), ছালমা(৪৫), সুরতভানু(৬৫), শাহেদ আলী (৪৮), আঃ হামিদ(৬০), মোহাম্মদ আলী (৭৫), কছিমুদ্দিন(৬০) সহ অনেকে বলেন, এজিও থাকি এক বাইন টিন দিছে, বাঁশ ক্যানার ট্যাকা নাই, ঘর তুলবার পাং নাই। হামারগুলার সবারে এ্যাকে অবস্থা। কারো পকেটে ট্যাকা নাই। অনেকের সাথে কথা বলে একই অবস্থা বলে জানা যায়। এ ছাড়া ওই এলাকার বানভাসি মানুষ জানান, একবার রিলিফের ১০ কেজি চাল পাওয়া গেছে। যা দিয়ে একটি পরিবারের ক’দিসের ক’জনের খাদ্য নিবারণ করা যায়? এমনকি বর্তমানে এ এলাকায় কোন কাজকর্ম নেই। তাই তারা ছোট ছোট ছেলে-মেয়ে নিয়ে অতি কষ্টে মানবেতর জীবন যাপন করছে। ছিনাই ইউনিয়নের চেয়ারম্যান নুরুজ্জামান হক বুলু জানান, একে বারে অতিদরিদ্র ১৫৬টি পরিবারের ঘরবাড়ী বিধ্বস্ত হওয়ার তালিকা প্রনয়ন করা হয়েছে। কিন্তু ৪টি ইউনিয়নে এক হাজারেরও বেশী ঘর-বাড়ী বিধ্বস্ত হয়ে পড়েছে। ২ অক্টোবর গতকাল সোমবার উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা মোঃ মইনুল ইসলাম জানান, বন্যা পরবর্তী বন্যাকবলিত এলাকায় ক্ষতিগ্রস্থ পরিবারগুলোর মাঝে জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে পরিবার প্রতি ১বান্ডিল ঢেউটিন ও নগদ ৩হাজার টাকা বরাদ্দ এসেছে। তবে কবে নাগাদ এসব উত্তোলন করে বিতরন করা হবে তার সঠিক তথ্য দিতে তিনি পারেননি। উল্লেখ্য, গত ২০ আগস্ট ক্ষতিগ্রস্থ এলাকায় মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা আকস্মিক সফরে এসে তার ব্যক্তিগত তহবিল থেকে বন্যার্তদের বিভিন্ন সহযোগীতা করে ক্ষতিগ্রস্থদের ৩মাস পর্যন্ত ত্রান সরবরাহ এবং গৃহ নির্মাণ করে দেয়ার প্রতিশ্রুতি দেন। কিন্তু তা আজও বাস্তবায়ন করা হয়নি। এছাড়াও বিভিন্ন সামাজিক, সাংষ্কৃতিক সংগঠনের সহযোগীতায় ক্ষতিগ্রস্থ বানভাসিরা কোন রকমে জিবন নির্বাহ করলেও তাদের বিধ্বস্ত গৃহ নির্মাণ করতে পারেনি। বন্যায় তাদের সবকিছু হারিয়ে যাওয়ায় তারা বর্তমানে পরিবার-পরিজন নিয়ে আত্মীয়-স্বজনের বাড়ী, বাঁধের রাস্তাসহ বিভিন্ন স্থানে কোন রকমে রাত্রি যাপন করছে। এ ব্যাপারে ছিনাই ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান নুরুজ্জামান হক বুলু জানান, এখন পর্যন্ত গৃহ নিমার্ণের জন্য কোন বরাদ্দ আসেনি। সরকারীভাবে ত্রাণ দেয়াও বন্ধ রয়েছে।




আরও পড়ুন



প্রধান সম্পাদকঃ
ড. মো: ইদ্রিস খান

সম্পাদক ও প্রকাশকঃ
মোঃ খায়রুল আলম রফিক

সিয়াম এন্ড সিফাত লিমিটেড
বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয়ঃ ৬৫/১ চরপাড়া মোড়, সদর, ময়মনসিংহ।
ফোন- +৮৮০৯৬৬৬৮৪, +৮৮০১৭৭৯০৯১২৫০, +৮৮০১৯৫৩২৫২০৩৭
ইমেইল- aporadhshongbad@gmail.com
(নিউজ) এডিটর-ইন-চিফ,
ইমেইল- khirulalam250@gmail.com
close