*  ময়মনসিংহে বিএনপির স্বারকলিপি প্রদান           * গৌরীপুরে গৃহবধুকে মধ্যযুগী কায়দায় নির্যাতন, ৩ নারী আটক            * প্রেমের পর বিয়ে, সন্তান অস্বীকার করছেন বাবা           * ত্রিশালে বই মেলার শুভ উদ্বোধন           * দুই উপজেলার ১০ গ্রামের মানুষের ভরসা বাঁশের সাঁকো            * গলাচিপায় ককটেল ও পিস্তল সহ ২ ডাকাত আটক, আহত ৮           * রাবিতে ড. শামসুজ্জোহা দিবস পালন           * গাছে গাছে মুকুলের মৌ মৌ গন্ধে জানান দিচ্ছে বসন্তের আগমনী বার্তা           * গৌরীপুরে গৃহবধুকে মধ্যযুগী কায়দায় নির্যাতন হাসপাতালে ভর্তি !           * চট্টগ্রামের সেই ইউসুফ মারা গেছেন           * নড়াইলের মানচিত্র থেকে হারিয়ে যেতে বসেছে জমিদার বাবুদের চিত্রার নাম!           * চুয়াডাঙ্গায় তিন পুলিশ সদস্যকে কুপিয়ে জখম           *  দেশে ফিরেছেন প্রধানমন্ত্রী           *  জেলা প্রশাসকদের আজ স্মারকলিপি দেবে বিএনপি           *  মেক্সিকোতে হেলিকপ্টার বিধ্বস্ত হয়ে নিহত ১৩           * মিতুর ‘স্বপ্ন ভেঙে চুরমার’           * সিলেটে শেষ সম্মান রক্ষার লড়াই           * হালুয়াঘাটে চেয়ারম্যান কামরুলের ১৫৩ টি উন্নয়ন প্রকল্প            * রাজশাহীর বাজারে আগাম তরমুজ           * সাফারি পার্কে ব্ল্যাক সোয়ানের ৬ ছানা          
* গৌরীপুরে গৃহবধুকে মধ্যযুগী কায়দায় নির্যাতন, ৩ নারী আটক            * ঝিনাইগাতীতে কমিউনিটি ক্লিনিক বন্ধ : সেবা ব্যাহত           * ময়মনসিংহে ১১শ পিচ ইয়াবাসহ মাদক ব্যবসায়ী রনি ডিবি কর্তৃক আটক           

ময়মনসিংহ সদর সাব-রেজিস্ট্রার অফিস দুর্নীতির হাট মন্ত্রীর কথার পর আর কোন কথা থাকতে পারে কি?

স্টাফ রিপোটার | সোমবার, অক্টোবর ৯, ২০১৭

ময়মনসিংহ সদর সাব-রেজিস্ট্রার অফিস দুর্নীতির হাট
মন্ত্রীর কথার পর আর কোন কথা থাকতে পারে কি?

জননেতা  মাননীয় ধর্মমন্ত্রী বীর  মুক্তিযোদ্ধা অধ্যক্ষ মতিউর রহমান নিজেই বলেছেন,  ময়মনসিংহ সদরের সাব -রেজিস্ট্রার অফিসটি  দুর্নীতির হাট। এখানে পাঁচ টাকার কাজ করতে পাঁচ হাজার টাকা ঘুষ দিতে হয়। মন্ত্রী ময়মনসিংহ জেলা আইন শৃঙ্খলা কমিটির সভায় ছঢ়চিত্তে এই অভিযোগ তুলে ধরে বলেন, এরপরও যদি সদর সাব-রেজিস্ট্রি অফিসে ঘুষ বাণিজ্য আর দুর্নীতি চলে তাহলে তিনি আর জেলা আইন শৃঙ্খলা কমিটির মিটিং এ আসবেন না।

ময়মনসিংহ জেলা সাব-রেজিস্ট্রি অফিসের দুর্নীতি ঘুষ নিয়ে  জনমনে বিরক্ত ভাব অনেকদিনের। কিন্তু প্রজাতন্ত্রের একজন মন্ত্রী যখন এই  বিরক্তিকর সত্য কথাটি অকপটে বলেন তখন অবশ্যই তিনি যথেষ্ঠ গুরুত্বের সাথে এই অভিযোগের  তীর ছুঁড়েছেন। তখন ময়মনসিংহের আমজনতা মন্ত্রীর এই কথাটি তাৎপযপূর্ণ বলেই মনে করছেন।

মন্ত্রীর কথার পরবর্তী আর কী বলার আছে সাব-রেজিস্ট্রি অফিসের বড় কর্তাদের? দেখা গেছে, দিনকে দিন সাব-রেজিস্ট্রি অফিসের লাগাতার ঘুষ বাণিজ্যের কারণে ময়মনসিংহবাসী অতিষ্ঠ হয়ে উঠেছেন কিন্তু তাদের প্রতিবাদ করার কোন যোগ্য সৎ সাহস ছিল না আর সাহস থাকলেও তারা প্রতিবাদ করতো কিন্তু দুর্নীতিবাজদের সংখ্যা বেশি থাকার কারণে কিছুতেই কিছু হতোনা। বার বার পত্রিকায় রিপোটিং হয়েছে, বার বার খবরে এসছে,  মাঠ পর্যায়েও সেই খবর ছড়িয়ে গেছে কোন কিছুই হয়নি।

আজ যখন খবর প্রজাতন্ত্রের মন্ত্রী স্বয়ং প্রশ্ন তুলেছেন তখন ময়মনসিংহ বাসীও মন্ত্রী মহোদয়ের সাথে এক বাক্যে বলেছেন সাব-রেজিস্ট্রি অফিসের এই অনিয়ম দুর্নীতি  বন্ধ করার এখনই সময়ম হয়েছে।   জানাগেছে, ময়মনসিংহ সাব-রেজিস্ট্রি অফিসে ঘুষ দুর্নীতি লেগেই আছে।  একজনের জমি অন্য জনের নামে দলিল হচ্ছে। সি এস   আর ও আর এর নম্বরের কোন মিল থাকে না। 

দাগ নম্বরে হযবরল করে মানুষের মানুষকে মারামারি লাগিয়ে দেয়াই  অন্যতম উদ্দেশ্য। জানা গেছে , ময়মনসিংহ সদর উপজেলা লোকালয়ের জমি সংক্রান্ত যে কতগুলো খুনাখুনি হয়েছে অধিকাংশ খুনাখুনি মারামারির   দায়িত্বই সাব-রেজিস্ট্রি অফিসের।

ময়মনসিংহ পুলিশকে গলদঘর্ম  হতে হয়েছে এর তথ্যানুসন্ধান করতে গিয়ে বেরিয়ে এসেছে সাব-রেজিস্ট্রি অফিস থেকে যে দলিলগুলো বেরিয়েছে সেগুলোতে উল্টা পাল্টা নাম দাখিলা দাগ নম্বর ইত্যাদি থাকার কারণেই একজন বলেছে  এই জমি আমার- আরেকজন বলেছে এই জমি তার। ফলে মারামারি খুনাখুনি পর্যন্ত ঠেকেছে। ময়মনসিংহ জেলা পুলিশের বিভিন্ন সূত্র জানায়,

  খুনাখুনির পর  তারা যখন  তথ্যানুসন্ধানে নামেন  আর এই সংক্রান্ত মামলা কিংবা খুনাখুনির স্পষ্ট সত্যতা মেনে। জানা গেছে, সাব-রেজিস্ট্রি অফিসের  এই স্বেচ্ছাচারিতার এবং ইচ্ছাকৃত গাফিলতির কারণে পাশাপাশি সাব-রেজিস্ট্রি অফিসের  জমি রেজিস্ট্রির ভয়াবহ দুর্নীতির কারণেই ময়মনসিংহে খুনাখুনির সংখ্যা বেড়েই চলেছে। একটি নির্ভরযোগ্য সূত্র জানায়,

সাব-রেজিস্ট্রি অফিস থেকে যে দলিল গুলো রেজিস্ট্রারের স্বাক্ষর হয়ে বের হয় তার ভেতরে বিভ্রান্তি লেগেই থাকে। জনমনে প্রশ্ন এগুলো অনিচ্ছাকৃত নাকি ইচ্ছাকৃত।  একাধিক জমির মালিক অভিযোগ করে ময়মনসিংহ প্রতিদিনকে বলেন,  দলিল সম্পূর্ণ হবার পরও  পুনরায় সাব-রেজিস্ট্রি অফিসে ধর্না দিতে হয়। বিভ্রান্তি দূর করার জন্য ফলে জমির মালিকরা জমির দলিল হাতে পেয়েও 

নিশ্চিত হতে পারছেন না।  জমির মালিকদের মতে কম্পিউটার তো ভূল সংখ্যা দিতে পারে না। সেখানে সাব-রেজিস্ট্রি অফিসের সকল  সিস্টেমই কম্পিউটারাইজড সেখানে কেন এই বিভ্রান্তি ? এই ধরনের বহু অভিযোগ বহুদিন ধরে  সাব-রেজিস্ট্রি অফিসে চলে আসছে।  কিন্তু সাব-রেজিস্ট্রার কিংবা জেলা রেজিস্ট্রার আদৌ তা যথাযথভাবে মনেটরিং করেন কিনা তা

নিয়ে জমমনে বিরুপ প্রতিক্রিয়া  রয়েছে। সবশেষে  ময়মনসিংহ জেলা আইন শৃঙ্খলা কমিটির সভায় এই সত্যটি চিরন্তন সত্য হয়ে রইল মাননীয় ধর্মমন্ত্রী  দৃঢ় উচ্চারণে ময়মনসিংহবাসী ধর্মমন্ত্রীকে  ধন্যবাদ জানিয়ে অনেকেই ময়মনসিংহ প্রতিদিনকে বলেন, মন্ত্রী মহোদয়ের কথার পরও যদি অফিসে ঘুষ বাণিজ্যের কারণে ময়মনসিংহ সদর সাব-রেজিস্ট্রি অফিসে একই  কর্ম চলতে থাকে তাহলে সেটা হবে ময়মনসিংহবাসীর জন্য দুর্ভাগ্য। কারণ  মন্ত্রীর  কথার পর আর কোন কথা থাকতে পারে কি ?





আরও পড়ুন



প্রধান সম্পাদকঃ
ড. মো: ইদ্রিস খান

সম্পাদক ও প্রকাশকঃ
মোঃ খায়রুল আলম রফিক

সিয়াম এন্ড সিফাত লিমিটেড
বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয়ঃ ৬৫/১ চরপাড়া মোড়, সদর, ময়মনসিংহ।
ফোন- +৮৮০৯৬৬৬৮৪, +৮৮০১৭৭৯০৯১২৫০, +৮৮০১৯৫৩২৫২০৩৭
ইমেইল- aporadhshongbad@gmail.com
(নিউজ) এডিটর-ইন-চিফ,
ইমেইল- khirulalam250@gmail.com
close