* গণভবনে প্রধানমন্ত্রীর অনুষ্ঠান থেকে এসে মুক্তিযোদ্ধা মানিক শেখ হাসিনার যোগ্য নেতৃত্বেই সারাদেশে হবে নৌকার বিজয়            * নির্বাচন থেকে সরে গেলেন নিজামীপুত্র           *  বাইসাইকেলের ফ্রেমে ফেনসিডিল পাচার           *  কম খরচে সিসিটিভি ক্যামেরা কিনতে চান?           *  স্বল্পদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্রে তাহসান-মেহজাবিন           * আইয়ুব বাচ্চু একজনই ছিল, একজনই থাকবে           * নির্বাচন এক ঘণ্টাও পেছাবেন না           * টেলরের ব্যাটে প্রতিরোধ জিম্বাবুয়ের            * দক্ষিণ কোরিয়ার রাজধানী সিউল ৮ ঘণ্টার জন্য থেমে যাবে           * নয়াপল্টনের ঘটনায় তিন মামলা, গ্রেপ্তার ৫০           * ময়মনসিংহে নৈরাজ্য দাখিল মাদ্রাসায়            * ঢাবির ১০ শিক্ষার্থীকে এনবিআরের পুরস্কার           *  চুয়াডাঙ্গা সীমান্তে ২০ লাখ টাকা জব্দ           *  ১৮ হাজার টাকায় ধান কাটা মেশিন           * ত্রিশাল আসনে মনোনয়ন ফরম তুলেছেন ইসলামী আন্দোলনের প্রার্থী           *  সুন্দরবনে মাছ ধরতে যেয়ে আটক ১৫ জেলেকে ফেরত দিয়েছে ভারত           * বদলগাছীতে আনসার ও গ্রাম প্রতিরক্ষা বাহিনীর উপজেলা সমাবেশ অনুষ্ঠিত           * গাজীপুরে আয়কর মেলার উদ্বোধন           * বেনাপোল সীমান্তে ৫০০ পিস ইয়াবাসহ নারী আটক           * অভিযুক্তদের ৭১৫ কোটি টাকা বাজেয়াপ্ত করেছে দুদক          
* গণভবনে প্রধানমন্ত্রীর অনুষ্ঠান থেকে এসে মুক্তিযোদ্ধা মানিক শেখ হাসিনার যোগ্য নেতৃত্বেই সারাদেশে হবে নৌকার বিজয়            * আইয়ুব বাচ্চু একজনই ছিল, একজনই থাকবে           * নির্বাচন এক ঘণ্টাও পেছাবেন না          

অন্ধত্বঃ ‘মার্কিন সামাজ্র্যবাদ’ বুলি--মাহমুদুল বাসার

মাহমুদুল বাসার | বৃহস্পতিবার, অক্টোবর ১৯, ২০১৭


অন্ধত্বঃ ‘মার্কিন সামাজ্র্যবাদ’ বুলি--মাহমুদুল বাসার
আমাদের দেশের বাম রাজনীতির বদৌলতে ‘মার্কিন সামাজ্র্যবাদ’ বুলিটি দেশের তৃণমূল পর্যন্ত পৌঁছে গেছে। দেশের এবং বিদেশের যে কোনো ঘটনার জন্য মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র বা আমেরিকাকে দায়ী করে থাকে আমাদের দেশের রিক্সাওয়ালা এমনকি ভিক্ষুকরা পর্যন্ত। আর উচ্চ শিক্ষিত, উঁচুবিত্ত, ওজনদার তাত্ত্বিক, বাঘা বামদের তো কথাই নেই। মার্কিন সামাজ্র্যবাদকে গালি দিতে দিতে মুখে ফ্যানা উঠে গেছে।
    এই যে অন্ধত্ব, একপেশে,  মনোপলি, ভালো কে মন্দ থেকে আলাদা না করার প্রবণতা, যার যা প্রাপ্য তা থেকে না দেবার প্রবণতা, এটা মানব কল্যাণের বৈরি দৃষ্টি। আমেরিকাকে গালি দেয়া তো আমাদের দেশে আজকাল প্রাণহীন ফ্যাশানে পরিণত হয়েছে। ‘মার্কিন সামাজ্র্যবাদ’ বলে গালি দিয়ে গোটা একটা সভ্যতাকে, একটি দেশ ও মহাদেশকে একচেটিয়া ভাবে নিন্দীয় করে তোলা হচ্ছে। এই গালিটা কি মার্কিন মহামানব প্রেসিডেন্ট আব্রাম লিংকন, মার্টিন লুথার কিং জুনিয়র, জন এফ কেনেডিকে পর্যন্ত আক্রান্ত করে না?’ ১৯৭১ সালে মার্কিন জনসাধারণ বাংলাদেশের পক্ষে ছিলো। মার্কিন কবি এ্যালেন গিন্স বার্গ ও কেনেডি বাংলাদেশের পক্ষে ছিলেন। মার্কিন সামাজ্র্যবাদ বললে মার্কিন জনগণ ও মহামানব দেরও গালি দেয়া হয় না?
    আমাদের দেশের মার্কসবাদীরা ভুলেও কখনো স্ট্যালিনের ফ্যাসিবাদ সম্পর্কে কিছুই বলেন না। এটা এক ধরনের আত্ম প্রবঞ্চনা। এটা তাদের সৎ সাহসের ঘাটতি। একটি তথ্য থেকে  জানা গেছে স্ট্যালিন ৬০ লক্ষ লোক হত্যা করেছেন। ট্রটস্কিকে হত্যা করেছেন স্ট্যালিন। নিষ্ঠুরতার বিচারে হিটলার এবং স্ট্যালিন কাছাকাছি। মাওবাদীরা ভারত ও নেপালে কত মানুষ হত্যা করেছে, তার উপর গবেষণা হওয়া উচিত। শ্রেণি শত্র“ খতমের নামে মানুষ হত্যা করে মানুষের ভাত-কাপড়ের ব্যবস্থা করা?
    চোখের উপর দেখছি চীনা ১৯৭১ সালে বাংলাদেশের বিরুদ্ধে যে নিষ্ঠুরতম ভূমিকা অবলম্বন করেছিলো, সেই নিষ্ঠুরতম ভূমিকাই পালন করছে রোহিঙ্গাদের বিরুদ্ধে, মিয়ানমার সামরিক জান্তার পক্ষে। পাকিস্তান হচ্ছে মোল্লা রাষ্ট্র আর মিয়ানমার হচ্ছে বর্বর রাষ্ট্র। এখনো এই দুই রাষ্ট্রকে সমর্থন করে যাচ্ছে চীন। বাহ্! মাকর্সবাদের কী ভয়ঙ্কর মহিমা। বর্তমান পৃথিবীতে যত বিবেকবান মানুষ আছে তারা আর্তনাদ করে উঠেছে রোহিঙ্গাদের ওপর বর্বর নির্যাতন এবং পৈশাচিক হত্যা, ধর্ষণ, নির্যাতন দেখে। আর চীন? বাণিজ্যিক স্বার্থে, সম্প্রসারণবাদী দৃষ্টিতে, উগ্র আগ্রাসী মূর্তিতে মিয়ানমারের নরহত্যার পক্ষ নিয়েছে। মানবতা, উদারতার চর্চাকে যারা লঘু করে দেখে তাদের দ্বারা যে কোনো নিষ্ঠুর কাজ হতে পারে। এক সময় ইংরেজের ঔদ্বত্য দেখেছি, এক সময় আমেরিকার প্রেসিডেন্ট বুশের ঔদ্ধত্য, নিক্সন, কিসিঞ্জারের ঔদ্ধত্য দেখেছি, হিটলার মুসোলিনি, আইয়ুব, ইয়াহিয়া, ভূট্টোর ঔদ্ধত্য দেখেছি। এখন দেখছি চীনের ঔদ্ধত্য। ভারতকে সরাসরি চীনের হুমকি, ‘আমরা ইচ্ছে করলে কাশ্মীরে ঢুকে যেতে পারি।’ এটাতো কুৎসিত অহংকার।
    ১৯৮৯ সালে গণতন্ত্রের দাবীতে তিয়েনআন স্কোয়ারে লক্ষাধিক ছাত্র-ছাত্রী জড়ো হয়েছিলো, তারা ছিলো নিরস্ত্র। সেই তিয়েনআন স্কোয়ারে ছাত্র হত্যার মতো নিষ্ঠুরতম ঘটনা ঘটলো। চীনের ছাত্ররা তিয়েনআনমেন স্কোয়ারে জড়ো হয়ে গণতন্ত্রের দাবীতে বিক্ষোভ জানিয়েছিলো, তাতে সমর্থন দিয়েছিলো বহু শ্রমিক, সাধারণ লোক, পার্টি সদস্য। সাধারণ সম্পাদক ঝাও ঝিয়াং ছাত্রদের প্রতি সহানুভূতিশীল ছিলেন। ঝু ইয়া ঝাংক ছিলেন পুরোপুরি সমর্থক। দেখা গেলো চীনা গনমুক্তি ফৌজ ছাত্রদের ওপর ট্যাংক আর মেশিন গান নিয়ে ঝাঁপিয়ে পড়েছে। হত্যার সাফাই গেয়ে প্রধানমন্ত্রী লিপেং বললেন, ছাত্ররা প্রতিবিপ্লবী, সমাজতন্ত্রের শত্র“।
    ১৯৭১ সালের পাকিস্তানের মতো একটি মোল্লা মধ্যযুগীয় রাষ্ট্রকে সমর্থন দিয়ে ক্ষান্ত হয়নি, ওই মার্কিন সামাজ্র্যবাদের সঙ্গেই হাত মিলিয়ে অস্ত্র দিয়ে সহযোগিতা করেছিলো চীন।
    জনপ্রিয় কলাম লেখক আবদুল গাফ্ফার চৌধুরী ১৯৭১ সালে চীনের ভূমিকার নির্দয় চিত্র ফুটিয়ে তুলেছেন তার একটি বইতে। বইটির নাম ‘বাংলাদেশঃ বামপন্থী রাজনীতি ও সাম্প্রদায়িকতা’। বলেছেন, ‘১৯৭১ সালের মুক্তিযোদ্ধাদের নিধনের এই চীনা অস্ত্রটি দেখার দুর্ভাগ্য আমার হয়েছে। যশোর মুক্ত হওয়ার পর বিভিন্ন ধান ক্ষেত থেকে অত্যন্ত সতর্কতার সঙ্গে উদ্ধার করা এই অস্ত্র ভারতের মিলিটারী ল্যাবরেটরিতে পাঠানো হয়েছিলো তার ডেডলি পয়জন পরীক্ষা দ্বারা চিহ্নিত করার জন্য। অস্ত্রটি দেখতে অনেকটা তীর ধনুকের মতো। রঙ সবুজ চারা ধান গাছের। তীরের মাথায় তীব্র বিষ মাখানো, যা শরীরের লোমকূপে ঢুকলে সঙ্গে সঙ্গে ক্রিয়া শুরু করে এবং অসহ্য যন্ত্রণা ভুগে আক্রান্ত ব্যক্তি অল্প সময়ের মধ্যে মারা যায়। পাকিস্তানি হানাদারেরা যখন মুক্তিযুদ্ধের তরুণ বাঙালি গেরিলাদের সঙ্গে পেরে উঠছিলো না, তখন ‘বিপ্লবী পিকিং সরকার’ এই অস্ত্র মিত্র পাকিস্তানকে উপহার হিসেবে পাঠান। এক শ্রেণির পিকিং পন্থী এই অস্ত্রটি ব্যবহারে হানাদারদের সহযোগিতা যোগান। ধান গাছের গোড়ায় এই সবুজ রঙের ছোট তীর ধনুক গুলো এমন ভাবে সাজিয়ে রাখা হয় যে, বাইরে থেকে বা সাধারণ চোখে এটি সহজে দেখা যায় না। বাঙালি কিশোর গেরিলারা হয়তো হানাদারদের বিরুদ্ধে সাবোটাজ মিশনে গ্রামের এই ধান ক্ষেতের মধ্য দিয়ে গ্রামের নিরীহ তরুণ বা চাষী সেজে হাঁটছে, তখন সামান্য নাড়া পেয়েই ধান গাছ গুলোর গোড়ায় লুকানো তীর গুলো জ্যাযুক্ত হয়ে তাদের পায়ে অথবা গায়ে এসে লাগে। কিছুক্ষণের মধ্যে তার বিষক্রিয়া শুরু হয়ে যায়। এই বিষক্রিয়ার যন্ত্রণা কী ভয়াবহ তা আক্রান্ত ব্যক্তি ছাড়া অন্যের পক্ষে বোঝা অসম্ভব। জানা যায় কুও মিঙটাং সরকারকে উচ্ছেদ করার জন্য যুদ্ধ করার সময় চীনের রেড আর্মি এই গ্রাম্য অস্ত্রটিকে কাজে লাগায় এবং তরুণ কমিউনিস্ট গেরিলারা ধানক্ষেতের যুদ্ধে এই অস্ত্রটি ব্যবহার করতো।’
    চীন এখনো এই ধরনের নিষ্ঠুর ভূমিকা থেকে নড়েনি। তাই পাকিস্তানকে সমর্থন দিতে, মিয়ানমারের জান্তা সরকারকে সমর্থন দিতে কুন্ঠাবোধ করে না। পত্রিকায় এসেছে ‘মিয়ানমারের বিরুদ্ধে কড়া প্রস্তাব উত্থাপনের ব্যাপারে যুক্ত রাষ্ট্র এবং ফ্রান্স একমত হলেও চীন ও রাশিয়ার অনাগ্রহের কারণে ফলপ্রসূ হয়নি তাদের প্রয়াস। চীনা এবং রুশ দূত বৈঠক নিয়ে কোনো মন্তব্য করেন নি। মিয়ানমারের পরিস্থিতি নিয়ে এর আগেও বেশ কয়েক দফা বৈঠকে বসেছে নিরাপত্তা পরিষদ। কিন্তু ভোট ক্ষমতাধর শক্তিগুলোর মতদ্বৈধতার কারণে ওই সব বৈঠকে কার্যকর কোনো সিদ্ধান্ত নেয়া সম্ভব হয়নি। গত মাসেও অনুরূপ এক বৈঠকে উত্তর রাখাইনে রোহিঙ্গাদের বিরুদ্ধে মিয়ানমারের ‘জাতিগত নিধন অভিযান’ অবিলম্বে স্থগিত দাবী উত্থাপন করে যুক্তরাষ্ট্র, ব্রিটেন এবং ফ্রান্স।  তবে বিষয়টি মিয়ানমারের ‘একান্ত অভ্যন্তরিণ’ বিষয় হিসেবে অভিহিত করে অন্যদের এ ব্যাপারে আরো সহিষ্ণুতা অবলম্বনের আহ্বান জানান চীনের রাষ্ট্রদূত। পাশাপাশি ‘বেশি চিপলে শেষমেষ লেবু তিতো’ হয়ে যেতে পারে, বলে সতর্ক করেন রুশ দূত।’ (ভোরের কাহজ-১৫/১০/২০১৭)।
    এ কথা বলার অপেক্ষা রাখে না যে রাশিয়া এখন সমাজতান্ত্রিক দেশ নয়, পুতিন শাসিত একনায়ক তান্ত্রিক দেশে রূপ নিয়েছে। ১৯৭১ সালে বাংলাদেশের বিরুদ্ধে চীন, মার্কিন সৌদি আরব এক হয়েছিলো, এখন রোহিঙ্গাদের বিরুদ্ধে চীন, রাশিয়া এমনকি ভারত এক হয়েছে। আমরা জানি এখন ভারতে কংগ্রেস ক্ষমতায় নেই, ক্ষমতায় আছে নরেন্দ্র মোদির উগ্র সম্প্রদায়িক পন্থী বিজেপি।
    সাবেক বাংলাদেশী চীন পন্থীদের স্বরূপটাও উম্মোচন করেছেন আবদুল গাফ্ফার চৌধুরী। বলেছেন, ‘শ’ বলেছিলেন, গড ক্রিয়েটেড ইংলিশ ম্যান, গড ক্রিয়েডে ইন্ডিয়ান, বাট ডেভিল ক্রিয়েটেড এ্যাংলো ইন্ডিয়ান।’ ‘শ’ এর মন্তব্য একটু পাল্টে দিয়ে আমার বলতে ইচ্ছে করে, ‘খোদা ডান পন্থীদের সৃষ্টি করেছেন, বাম পন্থীদেরও সৃষ্টি করেছেন কিন্তু শয়তান সৃষ্টি করেছে এই তথাকথিত বাম পন্থীদের। এরা না ডান না বাম। বহুকাল থেকে এরা বাংলাদেশের রাজনীতির ত্রিশঙ্কু মাহরাজ।’ (বাংলাদেশঃ বামপন্থী  রাজনীতি ও সাম্প্রদায়িকতা-পৃঃ৯)।
    চরম ডানেরা যা বলে এরাও তাই বলে। ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধকে দুই কুকুরের লড়াই বলেছে এরা। সোভিয়েট-রাশিয়াকে বলেছে সংশোধন বাদ, আমাদের স্বাধীনতাকে বলেছে ভারতের সম্প্রণারণ বাদ। ১৯৭১ সালের বাংলাদেশের বিরুদ্ধে চীনের ন্যাক্কারজনক ভূমিকাকে এরা মাকর্সবাদের আতর গোলাপ মাখিয়ে সমর্থন করেছে। বলেছে, চীনের চেয়ারম্যান আমাদের চেয়ারম্যান।’ আর এখন রোহিঙ্গাদের বিরুদ্ধে চীনের ভূমিকা দেখেও চৈনিক ত্রিশঙ্কু মহারাজরা একেবারে চুপ। স্পিকটি নট। এই ত্রিশঙ্কু মহারাজরা কংগ্রেসের নাম শুনতে পারে না, খুব কৌশল করে বিজেপিকে সমর্থন করে, মহাত্মা গান্ধী-নেহেরুর নাম শুনতে পারে না। কিন্তু জিন্নাহর ভক্ত, জিন্নাহ নাকি উচিত বাদী। এরা কখনো সাম্প্রদায়িকতার বিরোধিতা করে না কিন্তু শেখ মুজিবকে বলে ‘সাম্প্রদায়িক’।এরা জিয়াউর রহমানের বাংলাদেশী জাতীয়তা বাদেও বিশ্বাস করে। তাই এদের মুখে ‘মার্কিন সামাজ্র্যবাদ’ কথাটা শুনলে বিরক্তি বোধ করি। ঘৃণা হয়। এদেরই লক্ষ্য করে আমার এক সহকর্মী বলেছিলেন- কলেজে তিনি রাষ্ট্র বিজ্ঞানের সহকারী অধ্যাপক ছিলেনÑ আমি ডানপন্থী কারণ আমি ডান হাত দিয়ে ভাত খাই, আমিই বামপন্থী কারণ আমি টয়লেটে বামহাত ব্যবহার করি।


মাহমুদুল বাসার
কলাম লেখক ও গবেষক।




আরও পড়ুন



সম্পাদক ও প্রকাশকঃ
মোঃ খায়রুল আলম রফিক

বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয়ঃ ৬৫/১ চরপাড়া মোড়, সদর, ময়মনসিংহ।
ফোন- +৮৮০৯৬৬৬৮৪, +৮৮০১৭৭৯০৯১২৫০, +৮৮০১৯৫৩২৫২০৩৭
ইমেইল- aporadhshongbad@gmail.com
(নিউজ) এডিটর-ইন-চিফ,
ইমেইল- khirulalam250@gmail.com
close