* জোড়া মাথার রাবেয়া-রুকাইয়ার চিকিৎসা শুরু           * সশস্ত্র বাহিনীর সঙ্গে আমার পারিবারিক সম্পর্ক : প্রধানমন্ত্রী           * তৃপ্তির ঘুমের জন্যে কিছু করণীয়           * আইএসের পতন ঘোষণা করলেন হাসান রুহানি           * পেঁয়াজের দাম আবার বাড়ল           * দেশের স্বার্থ রক্ষা করেই শ্রম আইন সংশোধন: বাণিজ্যমন্ত্রী           * ত্রিশালে তিন সাংবাদিক আটক           * শিখা অনির্বাণে রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রীর শ্রদ্ধা           * কম্বলের ভেতর মিলল সাত কেজি স্বর্ণ           *  সালমান বিবাহিত, আছে সন্তানও           * পিরোজপুরে গাড়িচাপায় প্রাণ গেল শিশু ও যুবকের           * লক্ষ্মীপুরে নিখোঁজের চার দিন পর বৃদ্ধের লাশ উদ্ধার           * দীপন হত্যা মামলায় তদন্ত প্রতিবেদন দাখিল হয়নি           * নারী দেখলেই আমার কামনা জেগে উঠে           * টস হেরে ব্যাটিংয়ে রাজশাহী           * পারিবারিক কলহের নির্মম শিকার আট মাসের শিশু           * কিশোরগঞ্জ-৬: আ.লীগে পাপন বিএনপিতে শরীফ           *  এসএসসির ফরম পূরণে বাড়তি টাকা আদায়ে এবারও ‘জবরদস্তি           * শিগগিরই আসছে স্যামসাংয়ের বাঁকানো ডিসপ্লের ফোন           * নতুন করে নির্বাচনের পক্ষে মের্কেল          
* পরানগঞ্জে আপদ হয়ে গেল ভাগ্নের কাছে           *  ত্রিশাল নিউজের তিন সাংবাদিক আটক           *  ভালুকায় অস্ত্রসহ সন্দেহভাজন জঙ্গি আটক          

পাগলায় নদীতে অবৈধ ড্রেজিং সরকারের কোটি টাকার রাজস্ব ক্ষতি

স্টাফ রিপোর্টার | মঙ্গলবার, নভেম্বর ১৪, ২০১৭

পাগলায় নদীতে অবৈধ ড্রেজিং সরকারের কোটি টাকার রাজস্ব ক্ষতি

ময়মনসিংহ জেলার গফরগাঁও উপজেলার পাগলা থানার দুটো উল্লেখযোগ্য উপনদী যথাক্রমে বানার নদী ও টাঙ্গাবর নদীর সর্বনাশ সাধনে জায়গায় জায়গায় চলছে ড্রেজার দিয়ে পরিকল্পনাহীন বালু উত্তোলন। ফলে সরকার হারাচ্ছে কোটি কোটি টাকার রাজস্ব অন্যদিকে নদী দুটি হারাচ্ছে স্বাভাবিক গতিপথ। জানাগেছে, টাঙ্গাবর ও বানার নদীর যে প্রকৃত অনুমোদিত লীজ গ্রহনকারীকে  প্রাণনাশের হুমকী দিয়ে আসছে।

অভিযোগে রয়েছে, ড্রেজার দিয়ে যত্রতত্র বালু উত্তোলনের নেতৃত্ব দিচ্ছে হারুর মোল্লা এবং তার সহযোগী হিসেবে রয়েছে আলাল ডাকাত,সোহরাব উদ্দিন ও শামসুল আলম সহ একাধিক ব্যক্তি যারা স্থানীয় ডাকাত বলে চিহ্নিত।  এদের বিরুদ্ধে কাপাসিয়ায় দস্যুতার একাধিক মামলা রয়েছে। মামলা নং-২৬ ইং ২১/৭/১৭ এমনকি পাগলা থানায় গ্রেফতারী পরোয়ানাও রয়েছে। কিন্তু পাগলা থানার ওসি  চানমিয়া এদের গ্রেফতার করেনা। 

স্থানীয়বাসীরা এই প্রতিনিধিকে জানান, স্থানীয় পুলিশ প্রশাসনের  সাথে তাদের কমিশন ভিত্তিক অর্থনৈতিক যোগসাজস আছে তাই ওয়ারেন্ট থাকা সত্ত্বেও পুলিশ এদের ধরে না। এছাড়া স্থানীয় প্রভাবশালী মহল হারুন মোল্লাগংকে শেল্টার দেবার ফলে গফরগাঁও এবং আশ পাশের নদ নদী গুলোর দৈনদশার চিত্র ফুটে উঠছে সে সাথে ধ্বংস হচ্ছে দেশের অর্থনৈতিক মেরুদন্ড। জানাগেছে,

এই  অবৈধ মাল উত্তোলনকারী হারুন মোল্লাগং এর নদী সন্ত্রাসের কারণে গফরগাঁওয়ের সাবেক সংসদ সদস্য মহরম আলতাফ হোসেন গোলন্দাজের নামে একটি আশ্রায়ণ প্রকল্পও আজ বিলীন হবার পথে। প্রত্যক্ষদর্শী জানান, গত ছয় মাসে এই  নদীর দুর্বৃত্তায়নের সরকারের দেড় কোটি টাকার মত রাজস্ব হারিয়েছে। 

স্থানীয়বাসী  অভিযোগ করেন, সরকার দলীয়  একটি প্রভাবশালী মহল হারুন মোল্লাগংকে আস্কারা দিয়ে  গফরগাঁওয়ের নদী সম্পদকে ধ্বংসের মুখে ঠেলে দিয়েছে। বানারে ও টাঙ্গাবর নদীর তীরবর্তী মানুষ এই দুটির বর্তমান করুণ চিত্র বর্ণনা করে এই প্রতিবেককে জানান, ময়মনসিংহ জেলা প্রশাসনই পারেন বালু খেকোদের হাত থেকে বানার ও টাঙ্গাবোরকে বাচাঁতে। 

এদিকে প্রকৃত ইজারাদেরকে বলপূর্বক হটিয়ে অবৈধ বালু দস্যুদের পরিকল্পনাহীন বালু উত্তোলনের ফলে দুই নদীর যে অচলা অবস্থা সৃষ্টি হয়েছে সে ব্যাপারে ময়মনসিংহ  অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব) এর  দৃষ্টি আকর্ষন করলে তিনি জানান,  ঘটনা সম্পর্কে তিনি সম্পূর্ণ অবগত। অবৈধভাবে বালু উত্তোলনের বিষয়টি জরুরীভিত্তিতে প্রশাসন ব্যবস্থা গ্রহণ করবে। 

এদিকে গফরগাঁও উপজেলার নিবার্হী অফিসারের কাছে  ফোনে যোগাযোগ করার চেষ্টা করলে তিনি ফোন রিসিভ করেন নি। তার কাছে লিখিত  অভিযোগ প্রদান করা হলেও  তিনি অদ্যাবধি কোন ব্যবস্থা গ্রহণ করেন নি বলে জানাগেছে। অন্যদিকে ভালুকা উপজেলার ক্ষীরু নদীর উপরেও চলছে  বালুদস্যুদের যথেচ্ছার তান্ডব। ফলে ক্ষীরু নদী সংলগ্ন ব্রীজটি হুমকীর মধ্যে রয়েছে। 

প্রজাতন্ত্রের সরকারের কাছে স্থানীয় বাসীর একটাই প্রশ্ন নদ-নদ, খাল- বিল, কাল-ভার্ট, বীজ ইত্যাদি সংরক্ষনের  প্রধান দায়িত্ব সরকারের সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় এবং প্রশাসনের কিন্তু গুটিকয়েক নদী দস্যুদের (যাদের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানাও আছে) কারণে দেশের সম্পদ বিলীন এবং স্থানীয় বাসীদের দুর্ভোগ সৃষ্টি হয় তাহলে এর দায়-দায়িত্ব কে নেবে ? যেখানে সরকার স্বয়ং বাদী হয়ে মামলা করেছেন, এর পরও যদি কিছু না হয় তাহলে দায়িত্বশীলরা কোথায় যাবেন ?





আরও পড়ুন



প্রধান সম্পাদকঃ
ড. মো: ইদ্রিস খান

সম্পাদক ও প্রকাশকঃ
মোঃ খায়রুল আলম রফিক

সিয়াম এন্ড সিফাত লিমিটেড
বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয়ঃ ৬৫/১ চরপাড়া মোড়, সদর, ময়মনসিংহ।
ফোন- +৮৮০৯৬৬৬৮৪, +৮৮০১৭৭৯০৯১২৫০, +৮৮০১৯৫৩২৫২০৩৭
ইমেইল- aporadhshongbad@gmail.com
(নিউজ) এডিটর-ইন-চিফ,
ইমেইল- khirulalam250@gmail.com
close