* বিদ্যুৎ বিভাগের অবহেলায় প্রাণ গেল কলেজ ছাত্রের           * সিলেট সিটিতে জামায়াতের ধাক্কা, জাতীয় নির্বাচন নিয়ে শঙ্কায় বিএনপি           * বেশি বয়সে বিয়ে করেছিলেন যে অভিনেত্রীরা           * নিরাপত্তার অভাবে নওয়াজ ও মরিয়মকে সিহালা রেস্ট হাউসে নেওয়া হচ্ছে না           * ১২ঘণ্টার ব্যবধানে ডাকাতি মামলার আসামি গ্রেফতার           * দুই নৈশপ্রহরীকে খুন করে তিন দোকানে ডাকাতি           * অফিসে ঘুম পেলে কী করবেন?            * সন্তানসম্ভবা মায়েরা ভৌতিক স্বপ্ন দেখেন যে কারণে            * প্রবাসীর স্ত্রীর সঙ্গে দেখা করতে গিয়ে যুবক ধরা           * ‘সংবর্ধনা প্রয়োজন নেই, আমি জনগণের সেবক’           * ১২ লাখ রুপির গয়না আত্মসাতের অভিযোগ           * ঝকঝকে সাদা দাঁতের জন্য অবশ্যই মেনে চলুন ৯টি নিয়ম           * ধাড়াক’ ছবিতে শ্রীদেবী-কন্যা জাহ্নবীর পারিশ্রমিক কত জানেন?           * হালুয়াঘাটের বিএনপি নেতা সালমান ওমরের সম্মাননা গ্রহণ            *  আওয়ামী লীগে যোগ দিচ্ছেন হাওয়া ভবনের আলী আসগার লবি            *  আজই প্রধানমন্ত্রীর মুখে ঘোষণাটা চান মওদুদ           *  নওগাঁয় একসাথে ছয় সন্তান প্রসব           *  গুপ্তধনের খোঁজে মিরপুরে এলাহী কারবার           * মিরপুরে বাড়ির নিচে ‘গুপ্তধনের’ সন্ধানে পুলিশের অভিযান           * ধার করা বই পড়ে উপজেলার সেরা দিনমজুরের মেয়ে কাকলী          
* বিশ্বের সবচেয়ে দামী গোলরক্ষক ব্রাজিলের অ্যালিসন            * থানায় গিয়ে বান্ধবীর বিয়ে ভাঙল তিন কিশোরী            * ফল বিপর্যয়ে ইংরেজি ও আইসিটি           

কচু শাকের স্বাস্থ্যগুণ

স্বাস্থ্য ডেস্ক: | শুক্রবার, ডিসেম্বর ১৫, ২০১৭
কচু শাকের স্বাস্থ্যগুণ

যদিও একটা সময় ছিল যখন কচু শাককে জংলা হিসেবেই ধরা হত। ছাড়াও প্রাচীনকাল থেকে কচুকে বিভিন্ন রোগের ওষুধ হিসেবে ব্যবহারের প্রচলন রয়েছে। তবে বর্তমানে বাংলাদেশে শাক হিসেবে কচু শাক বেশ জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে। কচুশাক অনেক পুষ্টিগুণ সমৃদ্ধ খাবার। যাদের কোষ্ঠকাঠিন্যের সমস্যা আছে, তারা প্রচুর কচু শাক খেতে পারেন। কারণ কচুতে আছে অনেক আঁশ। যা খাবার সহজে হজম করতে সাহায্য করে। এছাড়াও কঁচু শাক রয়েছে অনেক মূল্যবান উপাদান। আসুন জেনে নেই কচু শাকে কি কি স্বাস্থ্যকর উপাদান রয়েছে।


ভিটামিন -এ
ভিটামিন -সি
লৌহ
ক্যালসিয়াম

চোখের জ্যোতির জন্য কচু শাকের উপকারিতা অনন্য।

কচু একটি গুরুত্বপূর্ণ পুষ্টিকর সবজি। এ দেশে কচু তেমন সমাদৃত নয় এবং অনেকটা অবহেলার দৃষ্টিতে দেখা হয়। অথচ কচু শাকে প্রচুর পরিমাণ ভিটামিন ‘এ’, ‘বি’ ও ‘সি’, ক্যালসিয়াম, লৌহ ও অন্যান্য পুষ্টি উপাদান রয়েছে।

কচু শাক দুই ধরণের হয়ে থাকে:

সবুজ কচু শাক ও কালো কচু শাক।

খাদ্য উপযোগী প্রতি ১০০ গ্রাম সবুজ ও কালো কচু শাকে যথাক্রমে ১০২৭৮ ও ১২০০০ মাইক্রোগ্রাম ক্যারোটিন রয়েছে। এ ক্যারোটিন থেকেই আমরা ভিটামিন ‘এ’ পেয়ে থাকি। এ ছাড়া প্রতি ১০০ গ্রাম সবুজ কচু শাক থেকে ৩.৯ গ্রাম প্রোটিন, ৬.৮ গ্রাম শর্করা, ১.৫ গ্রাম স্নেহ বা চর্বি, ২২৭ মিলিগ্রাম ক্যালসিয়াম, ১০ মিলিগ্রাম লৌহ, ০.২২ মিলিগ্রাম ভিটামিন বি-১ (থায়ামিন), ০.২৬ মিলিগ্রাম ভিটামিন বি-২ (রাইবোফেবিন), ১২ মিলিগ্রাম ভিটামিন ‘সি’ ও ৫৬ কিলো ক্যালোরি খাদ্যশক্তি পাওয়া যায়।

সবুজ কচু শাকের চেয়ে কালো কচু শাক অনেক বেশি পুষ্টিকর। প্রতি ১০০ গ্রাম কালো কচু শাকে ৬.৮ গ্রাম প্রোটিন, ৮.১ গ্রাম শর্করা, ২.০ গ্রাম চর্বি, ৪৬০ মিলিগ্রাম ক্যালসিয়াম, ৩৮.৭ মিলিগ্রাম লৌহ, ০.০৬ মিলিগ্রাম ভিটামিনি বি-১ (থায়ামিন), ০.৪৫ মিলিগ্রাম ভিটামিন বি-২ (রাইবোফেবিন), ৬৩ মিলিগ্রাম ভিটামিন ‘সি’ ও ৭৭ কিলোক্যালোরি খাদ্যশক্তি রয়েছে। দেহের পুষ্টি সাধনে এসব পুষ্টি উপাদানের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে।

কচু শাকে প্রচুর ভিটামিন ‘সি’ থাকায় এ শাকের লৌহ দেহ কর্তৃক সহজে আত্তীকরণ হয়। প্রয়োজনীয় পুষ্টির জোগান দেয়া ছাড়াও প্রাচীনকাল থেকে কচুকে বিভিন্ন রোগের ওষুধ হিসেবে ব্যবহারের প্রচলন রয়েছে। মুখী ও পানিকচুর ডগা দেহের ত রোগের ওষুধ হিসেবে ব্যবহার করা হয়। তাছাড়া জ্বরের রোগীকে শরীরের তাপমাত্রা কমানোর জন্য দুধকচু খাওয়ানো হয়। ওলকচুর রস, উচ্চরক্তচাপের রোগীকে প্রতিষেধক হিসেবে খাওয়ানো হয়। আবার মান কচুর ডগা ও পাতা বাতের রোগীকে খাওয়ানোর প্রথা এ দেশের ঘরে ঘরে প্রচলিত রয়েছে। কচু শাকে পর্যাপ্ত আঁশ থাকায় এটি দেহের হজমের কাজে সহায়তা করে।

আয়রন সমৃদ্ধ বলে এর সমাদরও বেশি। রক্তে হিমোগ্লোবিনের মাত্রা কমে গেলে সব ডাক্তাররাই কচু শাক খাওয়ার পরামর্শ দেন।

কচু শাকে আছে প্রোটিন, চর্বি, ক্যালসিয়াম, শর্করা, আয়রন, খাদ্যশক্তি, ভিটামিন এ, বি৬ ও সি। সাধারণ কচুর ডগা এবং কালো রঙয়ের কচু শাকে আয়রন থাকে প্রচুর পরিমাণে। রক্তশূন্যতায় ভোগা রোগীদের জন্য কচু শাক খাওয়া একরকম আবশ্যক।

যাদের কোষ্ঠকাঠিন্যের সমস্যা আছে, তাঁরা প্রচুর কচু শাক খেতে পারেন। কারণ কচুতে আছে অনেক আঁশ। যা খাবার সহজে হজম করতে সাহায্য করে।

কচু শাক সারা দেহে অক্সিজেনের সরবরাহ বজায় রাখতে জুড়ি নেই। রক্তে হিমোগ্লোবিনের মাত্রা কমে গেলে এমনিতেই শরীরে অক্সিজেনের সরবরাহ কমে যায়। সেই সরবরাহ সচল রাখতে কচু শাক অনেক বেশি কার্যকর।

রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে কচু শাক দারূণ ভূমিকা রাখে। এককভাবে কোনো নির্দিষ্ট অঙ্গপ্রত্যঙ্গের রোগের জন্য এই শাক কাজ না করলেও অন্যভাবে পুরো শরীরেরই উপকার করে।

মাঝে মাঝে সামান্য গলা চুলকানো ছাড়া কচু শাকের কোনো পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া নেই বললেই চলে। শাকে যতোটুকু ক্ষতিকর অক্সালিক অ্যাসিড থাকে তা এক রাত পানিতে ভিজিয়ে রাখলেই চলে যায়।




আরও পড়ুন



প্রধান সম্পাদকঃ
ড. মো: ইদ্রিস খান

সম্পাদক ও প্রকাশকঃ
মোঃ খায়রুল আলম রফিক

সিয়াম এন্ড সিফাত লিমিটেড
বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয়ঃ ৬৫/১ চরপাড়া মোড়, সদর, ময়মনসিংহ।
ফোন- +৮৮০৯৬৬৬৮৪, +৮৮০১৭৭৯০৯১২৫০, +৮৮০১৯৫৩২৫২০৩৭
ইমেইল- aporadhshongbad@gmail.com
(নিউজ) এডিটর-ইন-চিফ,
ইমেইল- khirulalam250@gmail.com
close