* বিদ্যুৎ বিভাগের অবহেলায় প্রাণ গেল কলেজ ছাত্রের           * সিলেট সিটিতে জামায়াতের ধাক্কা, জাতীয় নির্বাচন নিয়ে শঙ্কায় বিএনপি           * বেশি বয়সে বিয়ে করেছিলেন যে অভিনেত্রীরা           * নিরাপত্তার অভাবে নওয়াজ ও মরিয়মকে সিহালা রেস্ট হাউসে নেওয়া হচ্ছে না           * ১২ঘণ্টার ব্যবধানে ডাকাতি মামলার আসামি গ্রেফতার           * দুই নৈশপ্রহরীকে খুন করে তিন দোকানে ডাকাতি           * অফিসে ঘুম পেলে কী করবেন?            * সন্তানসম্ভবা মায়েরা ভৌতিক স্বপ্ন দেখেন যে কারণে            * প্রবাসীর স্ত্রীর সঙ্গে দেখা করতে গিয়ে যুবক ধরা           * ‘সংবর্ধনা প্রয়োজন নেই, আমি জনগণের সেবক’           * ১২ লাখ রুপির গয়না আত্মসাতের অভিযোগ           * ঝকঝকে সাদা দাঁতের জন্য অবশ্যই মেনে চলুন ৯টি নিয়ম           * ধাড়াক’ ছবিতে শ্রীদেবী-কন্যা জাহ্নবীর পারিশ্রমিক কত জানেন?           * হালুয়াঘাটের বিএনপি নেতা সালমান ওমরের সম্মাননা গ্রহণ            *  আওয়ামী লীগে যোগ দিচ্ছেন হাওয়া ভবনের আলী আসগার লবি            *  আজই প্রধানমন্ত্রীর মুখে ঘোষণাটা চান মওদুদ           *  নওগাঁয় একসাথে ছয় সন্তান প্রসব           *  গুপ্তধনের খোঁজে মিরপুরে এলাহী কারবার           * মিরপুরে বাড়ির নিচে ‘গুপ্তধনের’ সন্ধানে পুলিশের অভিযান           * ধার করা বই পড়ে উপজেলার সেরা দিনমজুরের মেয়ে কাকলী          
* বিশ্বের সবচেয়ে দামী গোলরক্ষক ব্রাজিলের অ্যালিসন            * থানায় গিয়ে বান্ধবীর বিয়ে ভাঙল তিন কিশোরী            * ফল বিপর্যয়ে ইংরেজি ও আইসিটি           

১৪ ঘন্টার মধ্যে আদালতে সোপর্দ হালুয়াঘাটে ঝর্ণা বেগম নির্যাতিত হলেন কখন

স্টাফ রিপোর্টার | শনিবার, ডিসেম্বর ৩০, ২০১৭
১৪ ঘন্টার মধ্যে আদালতে সোপর্দ    
হালুয়াঘাটে ঝর্ণা বেগম নির্যাতিত হলেন কখন

ময়মনসিংহ জেলার হালুয়াঘাট থানার ঝর্ণা বেগমকে লাঞ্চিত করার ঘটনাকে কেন্দ্র করে যে তুলকালাম কান্ডের সৃস্টি হয়েছে তা মূলতঃ হালুয়াঘাটের দুই চেয়ারম্যানের সৃষ্ট কোন্দল এবং একে-অপরের কথিত আধিপত্যবাদের ফসল বলে চিহ্নিত করেছে হালুয়াঘাট উপজেলাবাসী এবং মাঝকানে হালুয়াঘাট থানার ওসি কামরুল ইসলাম মিয়াকে সুযোগ বুঝে ফাঁসিয়ে দেবার একটি মিথ্যাশ্রয়ী পায়তাড়া বলে অনুসন্ধান করে জানা গেছে। সেই সাথে কেঁচো খুড়তে সাপ বেরুনোর ঘটনা বলে অভিহিত করেছেন হালুয়াঘাটবাসী।

গত ২৭ ডিসেম্বর ঝর্ণা বেগমের একটি মামলাকে অনুসরণ করে ময়মনসিংহ প্রতিদিনের একটি টিম প্রকৃত ঘটনাটি আসলে কী ঘটেছিল সেটা নিয়ে অনুসন্ধানে নামে। ঝর্ণা বেগম তার মামলার আর্জিতে উল্লেখ করেছেন হালুয়াঘাট থানার ওসি কামরুল ইসলাম মিয়া এবং উপজেলার  দুরাইল ইউপি চেয়ারম্যান সুমন যুগপৎ ঝর্ণা বেগমকে লাঞ্চিত করে। ঘটনাটি সে সময় হালুয়াঘাটে আলোড়ন তুললেও কিছুক্ষণ পরই সেটা অনিবার্যভাবে ¯ি’মিত হয়ে পড়ে কিন্তু ঘটনার ডালপালা বিস্তার করতে থাকে যা হালুয়াঘাটবাসীকে বিস্মিত করেছে।

অনুসন্ধানে জানা গেছে, ১২ ডিসেম্বর ঝর্ণা বেগমের ঘর থেকে পাঁচটি গরু উদ্ধার করা হয়। পুলিশ রিপোর্ট বলছে, পাঁচটি গরু চোরাইকৃত বলে অনুমেয় হলে ওসি কামরুল ইসলাম মিয়ার নির্দেশে ঝর্ণা বেগমকে হালুয়াঘাট থানায় নিয়ে আসে এবং পরদিন অর্থাৎ ১৩ ডিসেম্বর ময়মনসিংহের বিজ্ঞ আদালতের কাছে সোপর্দ করা হয়। জামিনে মুক্তি পেয়ে ২৭ ডিসেম্বর ঝর্ণা বেগম বাদী হয়ে ময়মনসিংহ বিজ্ঞ আদালতে একটি মামলা দায়ের করে সেখানে দেখানো হয়েছে তাকে (ঝর্ণা বেগম) নির্যাতনের মতো ঘটনা ঘটেছে এবং তাকে চরম ভাবে লাঞ্চিত করা হয়েছে।

হালুয়াঘাটবাসী এতে বিস্মিত এবং কিংকর্তব্যবিমূঢ়। প্রশ্নবিদ্ধ হচ্ছে, ১২ ডিসেম্বর থানায় এনে তাকে লাঞ্চিত বা নির্যাতন করা হলো কখন? এ নিয়ে হালুয়াঘাটবাসী এখন তুলপার। জানা গেছে ওসি কামরুল ইসলাম মিয়া হালুয়াঘাট থানায় যোগদান করার পর থেকেই গরু চুরি, মাদক, ছিনতাই, ডাকাতি ইত্যাদি ঘটনা বন্ধ এবং সমূলে উৎখাত করার জন্য তার ফোর্স নিয়ে সবসময়ই তৎপর ছিলেন। যে কারণে হালুয়াঘাটে একটি মহল শুরুতেই ওসি কামরুল ইসলাম মিয়ার বিরুাচরণ করে আসছিল যার সর্বশেষ ঘটনা ঝর্ণা বেগমের এই কথিত মামলা যা মিথ্যাশ্রয়ী অনভিপ্রেত এবং উদ্দেশ্যমূলক বলে হালুয়াঘাটবাসীর দৃঢ় অভিমত।

অন্যদিকে স্থানীয় আওয়ামীলীগ নেতা (নাম প্রকাশে  একজন ) ময়মনসিংহ প্রতিদিনকে জানান, দীর্ঘদিন ধরে উক্ত ইউনিয়নের মধ্যে চেয়ারম্যানদের দ্বন্ধের কারণেই ঘটনার পরীক্ষামূলক সূত্রপাত ঘটে এবং জানাগেছে যে, চেয়ারম্যান বাদশার কারণেই এতসব ঘটনার সূত্রপাত। এই ষড়যন্ত্রমূলক ঘটনার সাথে বাদশার নাম উঠে এসেছে। জানাগেছে, ঘটনার সত্যতা ফাঁস হয়ে যাওয়ার পর হালুয়াঘাটবাসী ক্ষোভে ফেটে পড়ে এবং সৎ ও কর্তব্যপরায়ন একজন ওসিকে হালুয়াঘাট থেকে বিতারণের অপচেষ্টাকে প্রতিহত করার জন্য বর্তমানে আন্দোলনে নেমেছে। সেই সাথে চালিয়ে যাচ্ছে মানববন্ধনের কর্মসূচী।

পরবর্তীতে ঘটনার আরও গভীরে যাবার জন্য ময়মনসিংহ প্রতিদিন প্রতিবেদক ঝর্ণা বেগমের সাথে যোগাযোগের চেষ্টা চালিয়েও বিফল হন। ঝর্ণার মোবাইল বন্ধ পাওয়া যায়। এতে ঝর্ণা বেগমের একজন নিকট আত্মীয়ের সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি জানান, ঝর্ণা বেগমের কেলেংকারীর ঘটনা সম্পর্কে হালুয়াঘাটবাসী সম্পুর্ণ ওয়াকিবহাল আছে। পূর্বেও ঝর্ণা বেগম এরকম একাধিক ঘটনার জন্ম দিয়েছিল।

ওসি কামরুল ইসলাম মিয়ার সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি জানান, তার ওপর সরকারী দায়িত্বই তিনি পুংখানুপুংখভাবে পালন করেছেন। অন্যদিকে একজন জনপ্রতিনিধি বা ইউনিয়ন চেয়ারম্যান থানায় এসে ঝর্ণা বেগমকে নির্যাতন বা লাঞ্চিত করেছেন এর কোন সত্যতা মেলেনি। এদিকে ঝর্ণা বেগম তার আর্জিতে উল্লেখ করেছেন যে, তাকে তিন দিন থানায় আটকে রেখে নির্যাতন চালানো হয়েছে। এই ঘটনাও জনমনে প্রশ্নের উদ্রেক করেছে।


 




আরও পড়ুন



প্রধান সম্পাদকঃ
ড. মো: ইদ্রিস খান

সম্পাদক ও প্রকাশকঃ
মোঃ খায়রুল আলম রফিক

সিয়াম এন্ড সিফাত লিমিটেড
বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয়ঃ ৬৫/১ চরপাড়া মোড়, সদর, ময়মনসিংহ।
ফোন- +৮৮০৯৬৬৬৮৪, +৮৮০১৭৭৯০৯১২৫০, +৮৮০১৯৫৩২৫২০৩৭
ইমেইল- aporadhshongbad@gmail.com
(নিউজ) এডিটর-ইন-চিফ,
ইমেইল- khirulalam250@gmail.com
close