* বদলে যাচ্ছে রাজশাহীর পদ্মাপাড়ের চিত্র           * বাসের চাপায় পা হারানো রোজিনার অবস্থা সঙ্কটাপন্ন           * আগুন নেভাতে দারুণ কার্যকর বলটি           * একটি স্বভাব আপনাকে সকলের থেকে দুরে ঢেলে দেবে!           * রাঙ্গাবালীতে কমিউনিটি পুলিশিং সভা           * রাঙামাটিতে পাহাড় ধসের ক্ষয়ক্ষতি ঠেকাতে আগাম উদ্যোগ নিলেন জেলা প্রশাসক           * ভুলবশত প্রশ্ন প্রকাশ: এইচএসসির এক বিষয়ের পরীক্ষা স্থগিত           * পনের বছর পর জুটি বাঁধলেন আলেকজান্ডার-মুনমুন            * দৃষ্টিভঙ্গি বদলালেই কেবল মার্কিন বন্দিদের মুক্তি : ইরান            * কাবুলে আত্মঘাতী বিস্ফোরণে নিহত ৩১           * ফ্রান্সে চামড়াজাত পণ্যের প্রদর্শনীতে যাচ্ছে বাংলাদেশ           * নতুন চুক্তিভুক্ত তিন ক্রিকেটারের একজন লিটন দাস!            * শাকিবকে নিয়ে ‘ভিলেন’ মানসীর আফসোস           * খালেদার পুরো দায়িত্ব সরকারকে নিতে হবে : নজরুল            * ১৭ পদাতিক ডিভিশনের পাঁচ নতুন ইউনিটের পতাকা উত্তোলন           * ফুলবাড়ীতে ঐতিহ্যবাহী চরক মেলা অনুষ্ঠিত            * ঝিনাইগাতীতে সড়ক পাকাকরণের অভাবে ৩০ হাজার মানুষের দুর্ভোগ চরমে           * নড়াইলে ভিক্ষে করে নয়,বাদাম বিক্রির টাকায় পড়াশুনা করে সপ্তম শ্রেণির এই অদম্য শিক্ষার্থী সাকিবের!           * প্রেস বিজ্ঞপ্তি আজ ২২ এপ্রিল ২০১৮ মানববন্ধন ও জেলা প্রশাসক এর মাধ্যমে প্রধানমন্ত্রী বরাবর স্মারকলিপি           *  প্রাইভেটকার-কাভার্ডভ্যানের মুখোমুখি সংঘর্ষে নিহত -৩           
*  প্রাইভেটকার-কাভার্ডভ্যানের মুখোমুখি সংঘর্ষে নিহত -৩            * বাস-ট্রাক সংঘর্ষে নিহত ৪           *  বাসদ নেতাসহ ৬৬ জনের বিরুদ্ধে মামলা          

নড়াইলের পাল সম্প্রদায়ের হাতের তৈরি মাটির বাসন-কোসনের কদর কালের বিবর্তনে আজ সে গৌরব ইতিহাস থেকে হারিয়ে যাচ্ছে

উজ্জ্বল রায় নড়াইল জেলা প্রতিনিধি■ | বৃহস্পতিবার, জানুয়ারী ১১, ২০১৮
নড়াইলের পাল সম্প্রদায়ের হাতের তৈরি মাটির বাসন-কোসনের কদর কালের বিবর্তনে আজ সে গৌরব ইতিহাস থেকে হারিয়ে যাচ্ছে

নড়াইল চার পুরুষের পেশা ছাড়তে না পেরে কষ্টে জীবন পার করছেন লালমনিরহাটের পাল সম্প্রদায়ের হাজারো পরিবার। তবে অনেকে এই পৈতৃক পেশা বদল করে অন্য পেশায় ঝুঁকছেন। এক সময় পাল সম্প্রদায়ের হাতের তৈরি মাটির বাসন-কোসনের কদর ছিল প্রচুর। কালের বিবর্তনে হারিয়ে যেতে বসেছে পাল সম্প্রদায়ের তৈরি জিনিসপত্রের।

এখন আনুধিকযুগে কাঁচ, সিলভার, এ্যালুমিনিয়াম, প্লাস্টিক অথবা মেলামাইনের তৈজসপত্র বাজারে ভরপুর থাকায় মাটির তৈরি জিনিসপত্র হারিয়ে যেতে বসেছে। হাঁড়ি-পাতিল, ডাবর-মটকি থেকে শুরু করে নিত্যপ্রয়োজনীয় সব কিছু যেমন মাটির ব্যাংক, শো-পিস, গহনা, কলস, ফুলের টব, ফুলদানি, ঢাকনা, পিঠা তৈরির ছাঁচসহ নানা রকম খেলনা তৈরি করেন মৃৎশিল্পীরা। এখনও অনেক সৌখিন পরিবারের বাসা-বাড়িতে মাটির তৈরি ফুলের টপ শোভা পাচ্ছে। প্রাচীনকাল থেকেই বিভিন্ন সভ্যতায় মৃৎশিল্প মর্যাদা লাভ করেছিল। আজ সে গৌরব ইতিহাস থেকে হারিয়ে যাচ্ছে। আধুনিকতার ভিড়ে মৃৎশিল্প আজ প্রায় বিলুপ্তির পথে। মাটির তৈরি জিনিসপত্র কিনে আনতে হাট-বাজারে ছুটে যেতে লোকজন। কিন্তু এখন আর মাটির তৈরি জিনিসপত্র কিনতে হাটে ছুটে যেতে কাউকে দেখা যায় না। জেলার কাকিনা কুমার পারায় বৃহস্পতিবার দুপুরে গিয়ে দেখাযায়, এ বাপ-দাদার পেশা ছাড়তে পারেনি তরনী পাল। বিভিন্ন প্রকার পাতিল, তাওয়া, কলস, ঝাঁঝড়, কান্দা, হাতা, সরাসহ নানা ধরনের হাঁড়ি-কুড়ি তৈরি করে তিনি গ্রামে গ্রামে ঘুরে বিক্রয় করেন।  তবে তুলনায় কম চলে বলে জানান তিনি।  বর্তমানে উপযুক্ত এঁটেল মাটি না পাওয়ার ফলে মাটির তৈরি পাত্র টেকসই হচ্ছে না।  এই কারণে চড়া মূল্য দিয়ে বিভিন্ন স্থান থেকে মাটি ক্রয় করতে হচ্ছে তাদের।

  এক ট্রাক মাটির মূল্য পড়ছে ৬ থেকে ৭ হাজার টাকা।  এক ট্রাক মাটি দিয়ে যে হাঁড়ি-পাতিল হয় তা বিক্রয় করে কোনো রকমে চালান উঠে আবার অনেক সময় লোকসানও গুণতে হয়।  তাতেও ভালোভাবে চলতে পারছেন না পালেরা।  দিন কাটছে তাদের নিদারুণ কষ্টে। এ শিল্পের সঙ্গে জড়িত অনেকেই বাপ-দাদার এ পেশা ছেড়ে অন্য পেশায় জড়িয়ে পড়ছেন।  বাসুদেব পাল জানান, অভাব অনটনের মধ্যেও হাতেগোনা কয়েকটি পরিবার বাপ-দাদার পেশা আঁঁকড়ে ধরে আছেন।  আবার বাধ্য হয়ে চার পুরুষের এই পেশা থেকে সরে আসতে হচ্ছে তাদের। এ পরির্বতনের সঙ্গে টিকতে না পেরে পাল সম্প্রদায়ের মৃৎ শিল্পীরা হারাতে বসেছেন তাদের পারিবারিক ঐতিহ্য। নানা প্রতিকূলতা আর সরকারি পৃষ্ঠপোষকতা না পাওয়ায় অনেকেই এ পেশা ছেড়ে দিয়েছেন। মৃৎ শিল্পী বেলী রানী পাল জানান, মাটির পাতিলে রান্না করলে সহজে খাবার নষ্ট হয় না। 

এছাড়া স্বাদও বেশি হয়। এখন তো আগের মতো মাটির হাঁড়ি-পাতিল আর চলে না।  তিনি বলেন, “আমরা জন্মের পর থেকে এ কাজ বাবা, দাদাদের করতে দেখছি।  তাই অন্য কোনো কাজ শিখি নাই যার কারণে এ কাজই করে খাই। শিল্পী মানিক পাল বলেন, “বর্তমানে এ শিল্পে যে অবস্থা চলছে এখন সব কিছুই কিনতে হয় চড়া দামে। একদিকে খরচ বেড়ে গেছে আবার অন্য দিকে এসবের চাহিদাও কমে গেছে। আগে হাঁড়ি-পাতিল পোড়ানোর জন্য সহজেই জ্বালানি পাইতাম। এখন তাও আর পাওয়া যায় না।”এ শিল্পকে বাঁচাতে সরকারের সহযোগিতা খুব দরকার।  তা না হলে এ শিল্প ধ্বংসের আশঙ্কা রয়েছে।





আরও পড়ুন



প্রধান সম্পাদকঃ
ড. মো: ইদ্রিস খান

সম্পাদক ও প্রকাশকঃ
মোঃ খায়রুল আলম রফিক

সিয়াম এন্ড সিফাত লিমিটেড
বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয়ঃ ৬৫/১ চরপাড়া মোড়, সদর, ময়মনসিংহ।
ফোন- +৮৮০৯৬৬৬৮৪, +৮৮০১৭৭৯০৯১২৫০, +৮৮০১৯৫৩২৫২০৩৭
ইমেইল- aporadhshongbad@gmail.com
(নিউজ) এডিটর-ইন-চিফ,
ইমেইল- khirulalam250@gmail.com
close