* বঙ্গবন্ধু প্রজন্মলীগ রাবি শাখার আনুষ্ঠানিক যাত্রা শুরু           * গাজীপুর কাপাসিয়া যানজট নিরসনে ট্রাফিক ব্যবস্থা চালু           * গাজীপুরে প্রশাসনের আপত্তিতে জেলা ইজতেমা প্রথম দিনেই সম্পন্ন           * কাঁদতে কাঁদতে পরীক্ষা দিলো তৈশী           * নেত্রকোনা-৩ অবশেষে মানিকের ভাগ্যেই জুটবে নৌকা এ আশাই তৃণমূলের           * সাত বছরের সাজার বিরুদ্ধে খালেদার আপিল           *  খুলনা-২ শেখ জুয়েলের জন্য মাঠ ছাড়লেন এমপি মিজান           *  ইয়াবাসহ বহিষ্কৃত এএসআই গ্রেপ্তার           *  ভোটেও নেই ফালু           *  কুড়িগ্রামে পারিবারিক কলহের জেরে বৃদ্ধের আত্মহত্যা           *  নেত্রকোণায় তরুণীর লাশ উদ্ধার           *  সংসদে আটটি আসন দাবি হিজড়াদের           * প্রাথমিক সমাপনী পরীক্ষা শুরু           *  দীপিকার জন্য সুখবর           *  নিষেধাজ্ঞা মোকাবেলায় বহুমুখী পরিকল্পনা রয়েছে: ইরান           *  সবার আগে সেমিতে পর্তুগাল           * পালিয়ে বিয়ের পর লাশ হলেন মল্লিকা            * ভোট বর্জন ভুল ছিল: ড. কামাল           * বেনাপোল সীমান্ত থেকে বিপুল পরিমান ফেন্সিডিল উদ্ধার           * জামাল খাসোগি হত্যা: ১৭ সৌদি নাগরিকের ওপর নিষেধাজ্ঞা যুক্তরাষ্ট্রের          
*  খুলনা-২ শেখ জুয়েলের জন্য মাঠ ছাড়লেন এমপি মিজান           *  কুড়িগ্রামে পারিবারিক কলহের জেরে বৃদ্ধের আত্মহত্যা           *  নেত্রকোণায় তরুণীর লাশ উদ্ধার          

মহেশখালীতে মিষ্টি পানের বাম্পার ফলন

চট্রগ্রাম প্রতিনিধি | রবিবার, জানুয়ারী ১৪, ২০১৮
মহেশখালীতে মিষ্টি পানের বাম্পার ফলন
‘যদি নতুন একখান মুখ পাইতাম, মইশাইল্যা পানের খিলি তারে বানাই খাওইতাম’ (যদি সুন্দর একটা মুখ পাইতাম, মহেশখালীর পানের খিলি তাকে বানিয়ে খাওয়াতাম)। চট্টগ্রামের আঞ্চলিক গানের সম্রাজ্ঞী শেফালী ঘোষের এই গানের মতই মিষ্টি পানের স্বর্গরাজ্য কক্সবাজারের দ্বীপ উপজেলা মহেশখালী। মহেশখালীর মিষ্টি পান শুধু কক্সবাজার জেলা নয়, দেশের গন্ডি পেরিয়ে এই পানের চাহিদা রয়েছে মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন দেশেও। আশার কথা হচ্ছে, চলতি বছর এই মহেশখালীতেই মিষ্টি পানের বাম্পার ফলন হয়েছে। এবার মহেশখালী থেকে প্রায় ৩শ’ কোটি টাকার মিষ্টি পান উৎপাদন হবে বলে জানিয়েছেন পানচাষি ও ব্যবসায়ীরা।

বড় মহেশখালী ইউনিয়নের আমতলী গ্রামের পান চাষি মোহাম্মদ হোসেন জানান, চলতি মৌসুমে যেমন ফলন হয়েছে। তেমন পানের দরও রয়েছে ভালো। সুতরাং পান চাষ নিয়ে এ বছর চাষিদের মুখে হাসি ফুটেছে।

পান চাষি আবদুল গফুর  বলেন, ‘আগামি কয়েক সপ্তাহে পানের মূল্য আরো বাড়ার সম্ভাবনা রয়েছে। কারণ মহেশখালীর মিষ্টি পানের চাহিদা এবং পুরো দেশে রয়েছে। আমরা বর্তমানে মৌসুমের শুরুইে প্রতি (বিড়া) পান পাইকারি বাজারে বিক্রি করছি ২০০ টাকা থেকে শুরু করে সাড়ে আড়াই শ’ টাকা পর্যন্ত।’

খোঁজ খবর নিয়ে জানা যায়, জেলার সবচেয়ে বেশি মিষ্টি পান উৎপাদন হয় মহেশখালী উপজেলায়। পাশাপাশি কুতুবদিয়া উপজেলা ছাড়া জেলার অন্য ৭ উপজেলায় উৎপাদন হয় মিষ্টি পান।

কক্সবাজার জেলা কৃষি অফিস সূত্রমতে, জেলায় অন্তত ৩ হাজার হেক্টর জমিতে পান চাষ হচ্ছে। তৎমধ্যে মহেশখালীতে ১৬০০ হেক্টর ও চকরিয়া, পেকুয়া, রামু, সদর, উখিয়া ও টেকনাফ উপজেলায় ১৪০০ হেক্টর জমিতে চাষ হয়। পাহাড়ি জমিতে যে পান চাষ হয় তা হিসাবে কৃষি বিভাগে নেই।

তবে একটি সুত্রে জানা যায়, পাহাড়ে অন্তত ২ হাজার হেক্টরেরও অধিক জমিতে পান চাষ হয়।

মহেশখালী উপজেলার উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তা কাইছারুল ইসলাম বলেন, চলতি বছরে মহেশখালীতে ১৬শ’ হেক্টর জমিতে মিষ্টি পানের ভাল ফলন হয়েছে। যা অন্যান্য বছরের তুলনায় খুবই প্রশংসনীয়। তবে এর মধ্যে অর্ধেক মৌসুমী পানের চাষ।

পানের বাম্পার ফল হয়েছে জানিয়ে তিনি কৃষি কর্মকর্তা বলেন,‘কৃষি বিভাগ পান চাষিদের প্রয়োজনীয় সহযোগিতা করেছে। কোন মড়ক দেখা দিলে তাৎক্ষণিক সহযোগিতা পরার্মশে এগিয়ে যাচ্ছে। এছাড়া প্রতিনিয়ত মড়কের ব্যাপারে চাষিদের মাঝে সচেতনতা সৃষ্টি করা হয়েছে।’

মিষ্টি পানের সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠানের পরিচালক মোহাম্মদ মিয়া জানান, যেভাবে পানের ফলন হয়েছে সেভাবে যদি দাম স্থিতিশীল থাকে তাহলে কক্সবাজারেই ৩০০ কোটি টাকার পান উৎপাদন হবে সম্ভব হবে।  এদিকে বর্তমানে যে সমস্ত জেলায় পান সরবরাহ হচ্ছে তৎমধ্যে যার কক্সবাজার জেলা ছাড়াও চট্টগ্রাম, ফেনী, নোয়াখালী ও কুমিল্লাহ ও ঢাকায়। এসব এলাকায় মিষ্টি পানের ব্যাপক চাহিদা রয়েছে। এদিকে দেশের বাইরে মিষ্টি পানের চাহিদা রয়েছে সৌদি আরব ছাড়াও মধ্য প্রাচ্যের বিভিন্ন দেশ। তাই রপ্তানি বাড়লে পানের চাষ বাড়বে, আর পানের চাষ বাড়লে উৎপাদনও বাড়বে বলে জানান একাধিক পানচাষি।

রামু উপজেলার পান চাষি আবুল কালাম জানান, শুধু পান চাষ করতেই গত ১০ বছর আগে মহেশখালী থেকে সপরিবারে ঈদগড়ে বসবাস করছি। পান চাষই আমার পেশা। আমার কাছ থেকে অনেকেই পান চাষ কিভাবে করবে তা শিখে এখন পান চাষ করেই সংসার চালাচ্ছেন এবং ভাল টাকার মালিক হয়েছেন।

চকরিয়া উপজেলার ডুলাহাজারা ইউনিয়নের ফজল করিম বলেন, ‘ডুলাহাজারায় পানের চাষ যেমন বেড়েছে একই সাথে ফলনও বেড়েছে। এখন স্থানীয় লোকজন পান চাষের প্রতি চরমভাবে ঝুকে পড়েছে।

কক্সবাজার কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক আ.ক.ম শাহরিয়ার বলেন, কৃষি বিভাগ থেকে পান চাষিদের শুধুমাত্র কারিগরি সহযোগিতাই দিয়ে থাকে।

এতে কৃষি বিভাগের উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তারা সার্বক্ষণিক কাজ করছেন।’

পান চাষ বাড়তে আগামীতে সার্বিক সহযোগিতার আশ্বাস দেন এই কৃষি কর্মকর্তা।




আরও পড়ুন



সম্পাদক ও প্রকাশকঃ
মোঃ খায়রুল আলম রফিক

বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয়ঃ ৬৫/১ চরপাড়া মোড়, সদর, ময়মনসিংহ।
ফোন- +৮৮০৯৬৬৬৮৪, +৮৮০১৭৭৯০৯১২৫০, +৮৮০১৯৫৩২৫২০৩৭
ইমেইল- aporadhshongbad@gmail.com
(নিউজ) এডিটর-ইন-চিফ,
ইমেইল- khirulalam250@gmail.com
close