* বাংলাদেশে ভেঞ্চার ক্যাপিটাল বিনিয়োগবান্ধব পরিবেশ তৈরিতে সহায়তা করবে আইএফসি           * লিচুর অসাধারণ গুণাগুণ           * ইফতারে মাল্টার শরবত            * অ্যালার্জি ও সর্দি হয় যে কারণে            * ব্যাখ্যা ছাড়া সর্বসাধারণের পক্ষে কোরআন বোঝা সম্ভব নয়           * মরণোত্তর দেহদান করলেন তসলিমা নাসরিন           * ঈদে ঘরমুখো যাত্রীদের সেবা দেবে সরকারি ৬ জাহাজ           * নদী মজে খাল তারপর ময়লার ভাগাড়           * ঈদে নবীনগর-চন্দ্রা মহাসড়কে যানজটের শঙ্কা           * চ্যাম্পিয়ন্স লিগে হ্যাটট্রিক চ্যাম্পিয়ন রিয়াল মাদ্রিদ           * রিকশাচালক সাইফুলের আর্জেন্টিনার সমর্থক হওয়ার গল্প           * জেনেভা ক্যাম্পের আটক ৩৪৭ জনকে ছেড়ে দিয়েছে র‌্যাব           * মাদকবিরোধী ‘রাশ ড্রাইভে’ ৫২ জন আটক           * বৈঠকে হাসিনা-মমতা : জট খুলছে তিস্তার?            * প্রাথমিকে প্রধান শিক্ষক পদায়নে স্থবিরতা           * তিন জেলায় ‘বন্দুকযুদ্ধে’ পৌর কাউন্সিলরসহ নিহত ৩           * ময়মনসিংহে বন্দুকযুদ্ধে মাদক ব্যবসায়ী নিহত            * সড়ক বিভাজকে নবজাতক ফেলে গেল কে?           * পাওনা টাকা চাইতে গিয়ে প্রাণ গেল আশরাফের           * ওপার বাংলায় দুদিন কাটিয়ে দেশে প্রধানমন্ত্রী          
*  অনেকেই জড়িত মাদকে ঈশ্বরগঞ্জ ভালুকায় পুলিশ কর্মকর্তাও           * বাইক চালিয়ে তলোয়ার হাতে চাঁদাবাজি করেন তিনি            * নজরুল শুধু বাংলার জাতীয় কবিই নন, তিনি জাগরনের কবি-সাম্যের কবি ---রাষ্ট্রপতি          

যৌনপল্লীতে এক নিয়ন্ত্রক !

নিজস্ব প্রতিবেদক | শুক্রবার, ফেব্রুয়ারী ২, ২০১৮
যৌনপল্লীতে এক নিয়ন্ত্রক !

ময়মনসিংহ শহরের যৌনপল্লীতে দীর্ঘদিন ধরে এক নিয়ন্ত্রকের হাতে জিম্মী পতিতারা । এই নিয়ন্ত্রকের চড়া সুদ, নিজস্ব বাহিনী, মাদক দ্রব্যের কারবার পরিচালনায় করছে বলে অভিযোগ উঠেছে। নিয়ন্ত্রক নিজেকে সাংবাদিক হিসাবে পরিচয় দেন । এই পরিচয়ে পুলিশ বাহিনীকেও ধু¤্রজালে বন্দি করে রাখেন । এই যৌন পল্লীর পতিতারা নিরাপত্তাহীনতার ভূগে থাকেন নিয়ন্ত্রকের অদৃশ্য কালো থাবায়।

পতিতাদের অভিযোগ ঐ নিয়ন্ত্রকের বাহিনীর কাছে নিরাপত্তা নিয়ে আমরা সব সময় শঙ্কায় থাকি। তার অদৃশ্য কৌশলের কারণে এক অজানা কারনে এখন কেও নিরাপত্তার দায়িত্ব পালন করছে না। যৌনপল্লীতে নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক যৌনকর্মীদের অভিযোগ, আমরা বার বার ঐ নিয়ন্ত্রকের বিরুদ্ধে অভিযোগ এনে স্থানীয় থানায় এ নিয়ে অভিযোগ করেও কোনো সাড়া পাইনি। কোন ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি। ঐ নিয়ন্ত্রকের চেম্বার যৌনপল্লীর পাশেই । ক্রমশ তিনি হয়ে উঠেন এই যৌনপল্লীর দ-মু-ের কর্তা। এখানকার নিরাপত্তা ব্যবস্থাও চলে আসে তার কব্জায়। পতিতারা তার হতে জিম্মী ।

এই যৌনপল্লীতে আসা খদ্দেরদের কাছ থেকে হাজার হাজার টাকা তোলে এই নিয়ন্ত্রকের কর্মীরা।  সরকারি নিয়ম নীতি না মেনে শ্রেফ চাঁদাবাজি করছে এই নিয়ন্ত্রক। এবং যৌনপল্লীতে যেকোন ঘটনার বিচারও তার হাতে। সবকিছুই তার ইচ্ছামতো চলে। যৌনপল্লীর বাড়ীওয়ালী ও সাধারন যৌনকর্মীরা নিয়ন্ত্রকের কাছে জিম্মি এবং অসহায় হয়ে আছেন। এই নিয়ন্ত্রকের বিরুদ্ধে অভিযোগের পাহাড় রয়েছে। কোন খদ্দের যদি এর কথা না মানে তাহলে তাকে নির্যাতন করা হয়। তাই ভয়ে বাধ্য হয়ে এই নিয়ন্ত্রকের কথামত চলতে হয় সবাইকে। এই যৌন পল্লীতে যা আয় তার সব কিছুর হিসাব তাকে দিতে হয়।

যাকে যাকে ম্যানেজ করার দরকার সে করে । নিয়ন্ত্রক তার নিজস্ব পদ্ধতিতে যৌনপল্লীতে অবৈধভাবে অর্ধলক্ষাধিক টাকা আয় করে। পুলিশ প্রশাসনের নাকের ডগায় বসেই নিয়ন্ত্রক মাদক নিয়ন্ত্রণ, সুদের ব্যবসা ও চাঁদাবাজী করছে। এদিকে তার কোনো দায়িত্ব নিতেও রাজি নয় পুলিশ। এই নিয়ন্ত্রকের বিষয়ে আইনপ্রয়োগকারী সংস্থা থেকে বলা হয়,

‘ নিয়ন্ত্রককে আমরা চিনিনা ।’তবে অনেকেরই অভিযোগ, পুলিশের সঙ্গেই সারাক্ষণ দেখা যায় তাকে।  এদিকে ঐ নিয়ন্ত্রকের যোগসাজশে যৌনপল্লীর প্রভাবশালী বাড়িওয়ালীদের ছত্রছায়ায় গড়ে ওঠা দালাল চক্র প্রতিদিন দেশের বিভিন্ন স্থান থেকে কৌশলে মেয়েদের এনে যৌনপল্লীতে বিক্রি করছে। এরপর তাদের অমানবিক নির্যাতন করে যৌন পেশায় লিপ্ত হতে বাধ্য করা হয়।


এদের অধিকাংশই অপ্রাপ্ত বয়সী শিশু-কিশোরী। শিশু যৌনকর্মীর সংখ্যা দিন দিন আশঙ্কাজনক হারে বাড়ছে। ইতিপূর্বে  পুলিশ অভিযান চালিয়ে যৌনপল্লীর অন্ধকার জীবনে থাকা অসংখ্য কিশোরীকে উদ্ধার করে। জানা গেছে. পাচারকারী চক্র দেশের বিভিন্ন স্থান থেকে কিশোরী ও গার্মেন্টকর্মীদের ভালো বেতনে কাজ এবং প্রেমের সম্পর্ক গড়ে বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে যৌনপল্লীতে বিক্রি করে দেয়।

এ ছাড়া বিভিন্ন বাসাবাড়িতে কাজ করার সময় নির্যাতনের শিকার হয়ে বাসা থেকে বের হলে ওত পেতে থাকা নারী পাচারকারীদের খপ্পরে পড়ছে তারা। এক্ষেত্রে তাদের অসহায়ত্বের সুযোগ কাজে লাগিয়ে প্রভাবশালী বাড়িওয়ালীদের কাছে বিক্রি করে দেওয়া হয়।  ময়মনসিংহ যৌনপল্লীকে ঘিরে এই নিয়ন্ত্রকের যোগসাজশে শতাধিক পাচারকারী দেশের বিভিন্ন স্থানে অবস্থান করে এ কাজ করছে।

বর্তমানে অধিকাংশ যৌনকর্মী অপ্রাপ্ত বয়সী। প্রায় প্রতিদিন নতুন শিশু-কিশোরীকে ময়মনসিংহ যৌনপল্লীতে এনে যৌন পেশায় বাধ্য করা হচ্ছে। আইনের চোখ ফাঁকি দিয়ে শিশু-কিশোরীদের যৌন পেশায় লিপ্ত করে নিয়ন্ত্রক পল্লীর অধিকাংশ বাড়িওয়ালী মোটা অঙ্কের টাকা হাতিয়ে নিচ্ছে। যৌনপল্লীতে খদ্দেরকে খুশি করতে না পারলে শুরু হয় অন্য বাড়িওয়ালীদের কাছে বিক্রির প্রক্রিয়া।

কারও পছন্দ হলে নিয়ন্ত্রকের মাধ্যমে দর-দামের মাধ্যমে তার কাছে বিক্রি করা হয়। নিয়ন্ত্রকের ইশারায় আবার সেই বাড়িওয়ালীর কথামতো চলতে হয়। এভাবে একটি মেয়ে একাধিকবার এখানে বিক্রি হয়ে থাকে। আর পালানোর পথ বন্ধ করতে সঙ্গে থাকে ঐ নিয়ন্ত্রক। এভাবে নির্যাতনের শিকার হয়ে যৌনবৃত্তি করছে অনেক কিশোরী-তরুণী। নিয়ন্ত্রক নিজের মত করে ফাঁদ পেতে বসে আছে যেনৈপল্লীতে । তার অপরাধের বিষয়ে কেও প্রতিবাদ করলে প্রতিবাদকারীর বিরুদ্ধে মামলা বা নামে-বেনামে বিভিন্ন দপ্তরে একাদিক অভিযোগ দিয়ে হররানী করে ।






আরও পড়ুন



প্রধান সম্পাদকঃ
ড. মো: ইদ্রিস খান

সম্পাদক ও প্রকাশকঃ
মোঃ খায়রুল আলম রফিক

সিয়াম এন্ড সিফাত লিমিটেড
বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয়ঃ ৬৫/১ চরপাড়া মোড়, সদর, ময়মনসিংহ।
ফোন- +৮৮০৯৬৬৬৮৪, +৮৮০১৭৭৯০৯১২৫০, +৮৮০১৯৫৩২৫২০৩৭
ইমেইল- aporadhshongbad@gmail.com
(নিউজ) এডিটর-ইন-চিফ,
ইমেইল- khirulalam250@gmail.com
close