অপরাধ সংবাদ
*  ঈদুল আজহার জন্য প্রস্তুত শোলাকিয়া : পরিদর্শনে প্রশাসন           * রাতে মৌসুম শুরু করবে মেসির বার্সেলোনা           *  প্রধানমন্ত্রীর শপথ নিলেন ইমরান           * ঢাকা-টাঙ্গাইল ও ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়কে ধীরে চলছে গাড়ি           * কর্মক্ষেত্রে নারীরা কেন পরকীয়ায় জড়ান?            * সৎ কন্যাকে ধর্ষণ চেষ্টার অভিযোগে পিতা গ্রেপ্তার           * চট্টগ্রামে ৩০ হাজার ইয়াবাসহ আটক           *  সন্তানদের স্বাভাবিক জীবন চান কাজল           *  ৬ জিবি র‌্যামে নতুন ফোন আনলো স্যামসাং           * হাসপাতালে সেবা না পেয়ে ভ্যানে সন্তান প্রসব           *  শ্রীপুরে দুই ট্রাকের সংঘর্ষে গরু ব্যবসায়ী নিহত           *  ঘরমুখো মানুষের স্রোত কমলাপুরে           * বিশ্ব অর্থনীতির নেতৃত্ব হারাচ্ছে মার্কিন ডলার?           *  প্রীতি ম্যাচের জন্য ব্রাজিল স্কোয়াড           * ময়মনসিংহে জমে উঠেছে কোরবানির পশুর হাট           * যশোরের বেনাপোল সীমান্ত থেকে ৭১৫ বোতল ফেন্সিডিল উদ্ধার           * সাংবাদিক মহলে নিন্দা, প্রতিবাদ কর্মসূচীর ঘোষনা ময়মনসিংহ প্রতিদিন সম্পাদককে জড়িয়ে মিথ্যা অভিযোগে মামলা           * বকেয়া বেতনের দাবিতে পুলিশ-শ্রমিক সংঘর্ষে আহত ১০           * বেতন-বোনাসের দাবিতে ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়ক অবরোধ           * কেন্দুয়ায় প্রেমের বিয়ের ৫ মাসের মধ্যেই স্বামীর নির্যাতনে স্ত্রী হাসপাতালে          
* সাংবাদিক মহলে নিন্দা, প্রতিবাদ কর্মসূচীর ঘোষনা ময়মনসিংহ প্রতিদিন সম্পাদককে জড়িয়ে মিথ্যা অভিযোগে মামলা           * ছিদ্র ফেরিতে যানবাহন পারাপার, ডুবির আশঙ্কা           * আমিন খানকে বিয়ে করলেন পপি?          

মাদক ও সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স পুলিশ পরিদর্শক রুহুল কদ্দুছ

স্টাফ রিপোর্টার | সোমবার, ফেব্রুয়ারী ১২, ২০১৮
মাদক ও সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স পুলিশ পরিদর্শক রুহুল কদ্দুছ

ময়মনসিংহ ১নং শহর ফাঁড়ি পুলিশের ইন্সপেক্টর ( পুলিশ পরিদর্শক) রুহুল কদ্দুস দৃঢ় প্রতিজ্ঞ, মাদক, সন্ত্রাসমুক্ত সমাজ গড়তে। জেলা পুলিশ সুপার (এসপি) সৈয়দ নুরুল ইসলামের বিপিএম(বার), পিপিএম নির্দেশে তিনি মাদক এবং সন্ত্রাসবাদের বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স নীতির উপর ভিত্তি করে অভিযান অব্যাহত রেখেছেন । এজন্য তিনি ময়মনসিংহ শহরের ১নংফাঁড়ি এলাকাবাসী সার্বিক সহযোগিতা চেয়েছেন। ময়মনসিংহ প্রতিদিনকে দেয়া এক সাক্ষাতকারে পরিদর্শক রুহুল কদ্দুছ বলেন, মাদক ব্যবসায়ী, সন্ত্রাসীদের বিরুদ্ধে সবাইকে একযোগে কাজ করতে হবে।

মাদকের বিরুদ্ধে সদা সোচ্চার এই কর্মকর্তা।তার বর্ণাঢ্য চাকরী জীবনে মাদকের বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষনার পাশাপাশি মাদকের কুফল সম্পর্কে যুব সমাজসহ সকলকেই সচেতন করতে নানা প্রচেষ্টা করেছেন তিনি। এক নং ফাঁড়ি পুলিশের ইন্সপেক্টর হিসাবে যোগদান করার পর থেকেই শহরের এই এলাকাটিকে মাদকমুক্ত করতে বলিষ্ঠ ভুমিকা পালন করে আসছেন। ময়মনসিংহ প্রতিদিনকে অত্যন্ত আক্ষেপ প্রকাশ করে রুহুল কদ্দুছ ময়মনসিংহ প্রতিদিনকে আরও বলেন, মাদকদ্রব্য সমাজের একটি মারাত্মক ব্যাধি।

যুব সমাজ ধ্বংসের দিকে এগিয়ে যাচ্ছে এ ব্যাধির ছোবলে পড়ে। আজকের তরুণরাই আগামী দিনের ভবিষ্যৎ, দেশ ও জাতির কর্ণধার। এসব তরুণকে সত্য, সঠিক ও সুন্দরভাবে গড়ে তোলার মধ্যে দেশের কল্যাণ নিহিত। আর এ যুব বা তরুণ সমাজের বিপথগামীতার অর্থ দেশের অনিবার্য বিপদ। আমাদের সমাজ নানাভাবে ব্যধিগ্রস্ত। যুব সমাজ এ রোগের শিকার। যে তরুণের ঐতিহ্য রয়েছে সংগ্রামের, প্রতিবাদে, যুদ্ধজয়ের; সেই যুবশক্তিকে ধ্বংসের হাত থেকে রক্ষা করতে যেমন যে সব খাদ্য,

পানীয় বা বস্তু সুস্থ মস্তিষ্কে বিকৃতি ঘটায়, জ্ঞান-বৃদ্ধি লোপ পায় এবং নেশা সৃষ্টি করে, সেগুলোকে আমরা মাদক দ্রব্য বলে থাকি। এমন কোন দেশ সম্ভবত বিশ্বের কোথাও খুঁজে পাওয়া যাবে না যেখানে মাদকাসক্তির কালোছায়া দেশের যুব ও তরুণ সমাজকে স্পর্শ না করেছে। বর্তমান বিশ্বে বিভিন্ন ধরণের মাদক দ্রব্য চালু আছে। বিজ্ঞানের অগ্রগতির সাথে সাথে মাদকদ্রব্যেরও বৈচিত্র সৃষ্টি হয়েছে। বর্তমানকালের মাদকদ্রব্য হিসেবে ইয়াবা, হিরোইন, মারিজুয়ানা, প্যাথেডিন উল্লেখযোগ্য।

যুগে যুগে ন্যায় ও সত্যের জন্য সংগ্রাম করে যারা জীবন উৎসর্গ করে, নব জীবনের সঙ্গীত রচনার ভার যাদের উপর,তারাই যুবক। যারা বয়সে নবীন, মন যাদের বিশ্বাসে ভরপুর,যাদের চোখে ভবিষ্যতের রঙ্গিন স্বপ্ন যারা অন্যায়ের কাছে মাথা নত করে না। পুরাতনকে ভেঙ্গে চুরে নতুন কিছু গড়তে চায়,তারাই তরুণ। তারুণ্য স্থবির নয়, সে সদা চঞ্চল।

সে পরাজয় মানতে নারাজ। তারা দেশ ও জাতির গৌরব। কিন্তু এ তরুণ বা যুব সমাজই যখন অসৎ পথে পা বাড়ায়, আদর্শ থেকে বিচ্যুতি হয়, তখন তা জাতির জন্য ভয়ঙ্কর রূপ ধারণ করে। তাদের বিপথগামিতার কারণে জাতীয় জীবনে নেমে আসে চরম অন্ধকার। যুবসমাজের বিপথগামিতার অন্যতম প্রধান কারণ হচ্ছে বেকারত্ব।

দেশে কর্মক্ষেত্রের অভাব হেতু লক্ষ লক্ষ তরুণ-তরুণী লেখা পড়া শেষ করে বেকার জীবন যাপন করছে। এরা বাবা মায়ের উপরও নির্ভর করতে পারে না। চাকরির চেষ্টা করে ব্যর্থ হয়ে তারা অসৎ পন্থায় উপার্জনে নামে। তখন তারা চুরি, ডাকাতি, খুন, রাহাজানি, ছিনতাই, অপহরণ ইত্যাদি জঘণ্য অপরাধ করতেও দ্বিধাবোধ করে না।

এভাবে বেকার তরুণ-তরুণীরা জীবন সম্পর্কে হতাশাগ্রস্ত হয়ে নানা অপরাধে লিপ্ত হয়। উন্নত বিশ্বের দেশগুলোর ন্যায় আমাদের দেশেও মাদক দ্রব্যের অপব্যবহার আশঙ্কা জনক হারে বৃদ্ধি পেয়েছে। বিশেষ করে আমাদের তরুণ সমাজ ভয়াবহ মাদকাসক্তির শিকার। বাংলাদেশে কী পরিমাণ মাদকদ্রব্য ব্যবহার করা হয় এবং কত লোক মাদকাসক্ত তার সঠিক কোন পরিসংখ্যান নেই।

তবে এদেশের মোট জনসংখ্যার ১৭ ভাগ মাদকদ্রব্য ব্যবহার করে বলে বিশেষজ্ঞদের ধারণা। বাংলাদেশে মাদকদ্রব্যের উৎপাদন ও রাজারজাতকরণ নিষিদ্ধ হলেও ঔষধ তৈরির কাঁচামাল হিসেবে কিছু কিছু মাদকদ্রব্য আমাদের দেশে আমদানি করার অনুমতি রয়েছে। এ সুযোগে চোরাকারবারি ও কালোবাজারিরা শুল্ক ফাঁকি দিয়ে বিপুল পরিমাণ মাদকদ্রব্য আমদানি করছে এবং উচ্চ মূল্যে তা তুলে দিচ্ছে তরুণ-তরুণীদের হাতে।

ফলে দেদারছে এদেশে মাদকদ্রব্যের অপব্যবহার হচ্ছে। দেশের মাদকাসক্তদের অধিকাংশই যুবক যুবতী, উঠতি বয়সের তরুণ-তরুণী। মাদকদ্রব্য চোরাচালানের যাত্রাপথে বাংলাদেশে মানচিত্র অন্তর্ভুক্ত হওয়ায় এ সমস্যা আমাদের সমাজ দিন দিন তীব্র থেকে তীব্রতর হচ্ছে। মাদকাসক্তির কুফল অতি মারাত্মক। যে কোন ধরণের নেশাজাতীয় পদার্থ বা মাদকদ্রব্য স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর।

যদি মাদকাসক্তির কারণে মানসিক ও শারীরিক শক্তি লোপ পায়, তাহলে ব্যক্তির আচরণে অসঙ্গতি দেখা দেয়, মানুষের কর্মশক্তি লোপ পায়। আয়ু কমে যায় তখন এর প্রভাব ব্যক্তিগত পারিবারিক এবং সামাজিক জীবনে প্রতিফলিত হয় এবং বিভিন্ন ধরণের সমস্যা সৃষ্টি করে। মাদকাসক্তির প্রভাবে যুবশ্রেণির নৈতিক অধঃপতন ঘটেছে। নেশাগ্রস্থদের মধ্যে অপরাধ প্রবণতা বৃদ্ধি পাচ্ছে।

তারা স্বাভাবিক সুখ স্বাচ্ছন্দ্য ও জীবনকে বিসর্জন দিচ্ছে নিজের অজান্তেই। অনেকে অকালে মৃত্যুবরণ করছে। গবেষণায় দেখা গেছে মাদকদ্রব্য গ্রহণ ও অসামাজিক কাজে লিপ্ত হওয়ার মধ্যে একটি সম্পর্ক রয়েছে। মাদকাশক্তি ব্যক্তি নেশার খরচ যোগানোর জন্যই নানা রকম সমাজবিরোধী কাজে লিপ্ত হয়ে থাকে। মাদকদ্রব্য মানুষকে নেশাগ্রস্থ করে তোলে, তার ব্যক্তিত্ব নষ্ট হয় স্বাভাবিক জীবন যাপনে অক্ষম হয়ে পড়ে ।

ফলে এদের দ্বারা পরিবার, সমাজ ও রাষ্ট্র ক্ষতিগ্রস্থ হয় বলে মন্তব্য করেন পুলিশ পরিদর্শক রুহুল কদ্দুছ । জানাযায়, ময়মনসিংহ পুলিশ বিভাগে রুহুল কদ্দুছ ফাঁড়ি পুলিশের ইন্সপেক্টর হিসাবে সুকাজ, দক্ষতা, দেশপ্রেম, মানবিকতা সবকিছুই দারুণ। এর মধ্যে অনেকেই জানান, তার  মতো মানবিক মানুষ আমরা দেখিনি। জেলা পুলিশে তিনি ময়মনসিংহের গর্ব। পাশাপাশি তিনি ময়মনসিংহ ১নং পুলিশ ফাঁড়ি এলাকার জনগনের সত্যিকারের বন্ধু।





আরও পড়ুন



প্রধান সম্পাদকঃ
ড. মো: ইদ্রিস খান

সম্পাদক ও প্রকাশকঃ
মোঃ খায়রুল আলম রফিক

সিয়াম এন্ড সিফাত লিমিটেড
বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয়ঃ ৬৫/১ চরপাড়া মোড়, সদর, ময়মনসিংহ।
ফোন- +৮৮০৯৬৬৬৮৪, +৮৮০১৭৭৯০৯১২৫০, +৮৮০১৯৫৩২৫২০৩৭
ইমেইল- aporadhshongbad@gmail.com
(নিউজ) এডিটর-ইন-চিফ,
ইমেইল- khirulalam250@gmail.com
close