* গাজীপুরে নিরপেক্ষ নির্বাচন করবে ইসি : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী           * পুলিশের বিশেষ অভিযানে গ্রেফতার-২১           * এখন শুধু ভোটের অপেক্ষা: কেন্দ্রে যাচ্ছে সরঞ্জাম           * দেখা হলো কথা হলো না           * ভেজাল ওষুধ ও তৈরির উপকরণসহ মা-ছেলে আটক           * দেশের ১৩টি রেলওয়ে স্টেশনে ওয়াই-ফাই সেবা চালু           * ভাগ্য খুলছে নন-এমপিও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের           * বাবা-মা প্রেমিককে পছন্দ না করলে যা করবেন           * হোটেলের বিছানার চাদর-বালিশ সাদা হয় কেন?            * আর্জেন্টিনা দলে অন্তর্কলহের খবরে ক্ষিপ্ত মাচেরানো            * নাশকতার মামলায় খালেদা জিয়ার জামিনের রায় মঙ্গলবার           * ‘চুম্বন’ থাকায় সরে দাঁড়ালেন জয়া           * সড়ক দুর্ঘটনা রোধে ব্যবস্থা নেয়ার নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর            * ছোট ভাই ও বড় ভাইয়ের মাঝে বউ বদল           * আবারও তুরস্কের প্রেসিডেন্ট হলেন এরদোয়ান           * আষাঢ়ের দাবাদহে তপ্ত বরেন্দ্রঞ্চল           * ময়মনসিংহ রেঞ্জে শ্রেষ্ঠ পুলিশ অফিসারদের পুরষ্কার বিতরন           * জীবন দিয়ে হলেও ভোট কারচুপি ঠেকাবো: হাসান সরকার           * ঐতিহ্যপূর্ন মৃৎ শিল্পের যৌবন হারানোর পথে           * চাঁদার দাবিতে প্রবাসীর পরিবারকে বোমা মেরে হত্যার হুমকি          
* এখন শুধু ভোটের অপেক্ষা: কেন্দ্রে যাচ্ছে সরঞ্জাম           * সড়ক দুর্ঘটনা রোধে ব্যবস্থা নেয়ার নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর            * আবারও তুরস্কের প্রেসিডেন্ট হলেন এরদোয়ান          

মোবাইল আমাদের শরীরের জন্য কতটা ক্ষতির কারণ?

লাইফস্টাইল ডেস্ক | শুক্রবার, মার্চ ৯, ২০১৮
মোবাইল আমাদের শরীরের জন্য কতটা ক্ষতির কারণ?
মোবাইল থেকে যে তেজস্ক্রিয় পদার্থ থাকে বা তা থেকে যে বিকিরণ আসে, তা শরীরের জন্য কতটা ক্ষতিকর? ফোনের লেডের কারণে কি টিউমার হতে পারে? এসব থেকে বাঁচার কি কোন উপায় আছে?

গত কয়েক বছর ধরেই এসব প্রশ্নের উত্তর পেতে চেষ্টা করছেন বিজ্ঞানীরা। যদিও এখনো সব প্রশ্নের পুরোপুরি উত্তর পাওয়া যায়নি। সুত্র বিবিসি—-

যতটুকু আমরা জানি, মোবাইল ফোন রেডিও ফ্রিকোয়েন্সি ওয়েভের ভিত্তিতে কাজ করে যা স্বল্প ক্ষমতার বিকিরণ ব্যবহার করে। এক্সরে, আলট্রা ভায়োলেট বা গামা বিকিরণে যা ব্যবহৃত হয়, এটি তারচেয়ে অনেক কম ক্ষমতার। তবে এটিও মানব শরীরে কতটা প্রভাব ফেলে, তা এখনো পুরোপুরি পরিষ্কার নয়।

আমাদের চারপাশে এরকম অসংখ্য বিকিরণ ঘুরে বেড়াচ্ছে। যেমন এফএম বেতারের তরঙ্গ, মাইক্রোওয়েভ আর বাতির বিকিরণ।

তবে আমেরিকান ক্যান্সার সোসাইটির ওয়েবসাইটে বলা হচ্ছে, মোবাইল ফোন হয়তো ব্রেন টিউমার বা মাথা বা গলার টিউমারের ঝুঁকি অনেকটা বাড়িয়ে দিতে পারে।

বিশেষ করে একটি মাইক্রোওয়েভ যেভাবে কাজ করে, সেভাবে এরকম বেতার তরঙ্গ মানুষের শরীরের কোষের উষ্ণতা বাড়িয়ে দিতে পারে।

যদিও মোবাইল ফোনের বিকিরণের মাত্রা খুবই কম এবং এটা শরীরের কোষকে কতটা উষ্ণ করতে পারে, তা পরিষ্কার নয়, কিন্তু বিজ্ঞানীরা বলছেন, আগাম সতর্কতা হিসাবে ফোনের কাছাকাছি কম আসাই ভালো।

বিজ্ঞানীরা জানার চেষ্টা করেছেন, কোন ফোন থেকে কি মাত্রায় বিকিরণ ঘটছে? তারা একটি মাত্রাও নির্ধারণ করেছেন যে, একজন মানুষ তার শরীরে কতটা বিকিরণ গ্রহণ করতে পারে।

মোবাইল ফোনের কোম্পানি বা উৎপাদক ভেদে একেকটি ফোনের বিকিরণের মাত্রা কম বেশি হয়। ফোনের বক্সের কাগজপত্রে বা অনলাইনে এসব তথ্য থাকলেও, খুব কম গ্রাহকই সেগুলো পড়ে দেখেন।

নতুন আর পুরনো ফোন মিলিয়ে বিকিরণ ছড়ানোর মাত্রার একটি তালিকা করেছে জার্মানির ফেডারেল অফিস অপর রেডিয়েশন প্রোটেকশন।

এই তালিকা অনুযায়ী, সবচেয়ে বেশি বিকিরণ ছড়ানো ফোনের তালিকায় রয়েছে ওয়ান প্লাস আর হুয়াওয়ে। এরপরেই রয়েছে নকিয়ার ৬৩০ ফোন।

আইফোন ৭ রয়েছে তালিকার ১০ নম্বরে, আইফোন ৮ রয়েছে তালিকার ১২ নম্বরে আর আইফোন ৭ প্লাস রয়েছে ১৫ নম্বরে। সনি এক্সপেরিয়া জেডএক্সওয়ান কমপ্যাক্ট রয়েছে তালিকার ১১ নম্বরে, জেডটিই অ্যাক্সন ৭ মিনি রয়েছে ১৩ নম্বরে আর ব্লাকবেরি ডিটিইকে৬০ রয়েছে ১৪ নম্বরে।

যদিও বৈশ্বিক ভাবে ফোনের বিকিরণের নির্দিষ্ট কোন মানদণ্ড নেই, তবে জার্মানিতে এজন্য মানদণ্ড হচ্ছে প্রতি কেজিতে ০.৬০ ওয়াট। তালিকায় থাকা সব ফোনেই বিকিরণের মাত্রা এর দ্বিগুণ। ওয়ান প্লাস ৫টিতে এই মাত্রা ১.৬৮ ওয়াট।

সবচেয়ে কম বিকিরণ ছড়ায় সনি এক্স পেরিয়া এম৫। এরপরেই রয়েছে স্যামসাং গ্যালাক্সি নোট৮, এস৬ এজ, গুগল পিক্সেল এক্সএল, স্যামসাং এস৮ আর এস৭এজ।

আপনার মোবাইল ফোনের বিকিরণ মাত্রা জানার জন্য সঙ্গের ম্যানুয়াল পড়তে পারেন, কোম্পানির ওয়েবসাইটে যেতে পারেন বা যুক্তরাষ্ট্রের ফেডারেল কমিউনিকেশন কমিশনের ওয়েবসাইটে ঢু মারতে পারেন।

কিভাবে বিকিরণ থেকে বাঁচা যায়

ফোনে অ্যান্টেনার কাছে সবচেয়ে বেশি বিকিরণ ছড়ায়। আধুনিক ফোনগুলোয় ফোনের ভেতরে পেছনে এই অ্যান্টেনা বসানো থাকে।

বেশিরভাগ মানুষ ফোন ব্যবহার করার সময় অ্যান্টেনা মাথার উল্টো দিকে থাকে। কিন্তু মাথার যতো কাছে এরই অ্যান্টেনা থাকে, ততই ঝুঁকিও বাড়তে থাকে।

ধারণা করা হয়, মোবাইল ফোনের কাছাকাছি শরীরের যেসব কোষ থাকে, সেগুলো বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়, আর দূরের কোষ কম ক্ষতিগ্রস্ত হয়।

কিভাবে ঝুঁকি কমানো যায়? বিজ্ঞানীরা কিছু পরামর্শ দিয়েছেন।

•মোবাইল ফোন ব্যবহারের সময় কমানো

•স্পিকার মুড বা হ্যান্ডস ফ্রি মুড দিয়ে ফোন ব্যবহার করা, ফলে মাথা থেকে ফোন দূরে থাকবে

•মোবাইল ফোনের টাওয়ারের কাছাকাছি থাকা। কারণ ফোন যত দূরে থাকবে, সেটি ভালো সিগন্যাল পাওয়ার জন্য তত বেশি শক্তি ছড়াবে

•কম বিকিরণ শক্তি ছড়ায়, এমন মোবাইল ফোন বেছে নেবে।




আরও পড়ুন



প্রধান সম্পাদকঃ
ড. মো: ইদ্রিস খান

সম্পাদক ও প্রকাশকঃ
মোঃ খায়রুল আলম রফিক

সিয়াম এন্ড সিফাত লিমিটেড
বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয়ঃ ৬৫/১ চরপাড়া মোড়, সদর, ময়মনসিংহ।
ফোন- +৮৮০৯৬৬৬৮৪, +৮৮০১৭৭৯০৯১২৫০, +৮৮০১৯৫৩২৫২০৩৭
ইমেইল- aporadhshongbad@gmail.com
(নিউজ) এডিটর-ইন-চিফ,
ইমেইল- khirulalam250@gmail.com
close