*  সালিসের পর ধর্ষিতাকেই মারধর           * প্রেম বা ব্যবসায় ব্যর্থ হয়ে কেউ কেউ গুম হয়ে যান            * উন্নত রাষ্ট্রের পথে আরেক ধাপঃ রুপপুর পারমানবিক বিদ্যু কেন্দ্র           * টাকার বিনিময়ে সে আমাকে পতিতাপল্লীতে বিক্রি করে দিয়েছে’           * মেয়র খোকন বিদেশে, ঢাকা দক্ষিণের ‘দায়িত্বে’ বাবুল           * যৌন সম্পর্ক বন্ধ করে দিলে যেসব ‘ক্ষতি’ হয়           * বিয়ের আগে ভেবে দেখুন আরেকবার!           * ভারতে নিষিদ্ধ, অন্য দেশে পুরস্কৃত যেসব ছবি            * টাঙ্গাইলে মাইক্রোবাসে বিস্ফোরণ, নিহত ৩           * বাসায় ঢুকে কলেজছাত্রীকে ধর্ষণ, ৫ আসামির রিমান্ড           * ঘোষণা দিয়ে নববধূকে তুলে নিয়ে গণধর্ষণ           * ৬ মাসে গর্ভবতী ৮৫ বার!           *  আয়ের পুরোটাই দান করছেন এমবাপ্পে           * ‘ইজ্জতের মূল্য’ ৪৫ আর মাতব্বরদের ৫৫ হাজার!           * সংকটে চীনা মুসলিমরা!           *  চলন্ত ট্রেনে পাথর নিক্ষেপ প্রতিরোধে ইসলামপুরে জনসচেতনামূলক প্রচার           * ঢাবিতে হামলার প্রতিবাদে রাবিতে মানববন্ধন            *  হালুয়াঘাট পৌরসভার বাজেট ঘোষনা           * বলিউডে নিরাপদ বোধ করছেন না ক্যাটরিনা কাইফ           * পেটে নিয়ে ইয়াবা পাচারের অভিযোগে গ্রেফতার ৩          
* মেয়র খোকন বিদেশে, ঢাকা দক্ষিণের ‘দায়িত্বে’ বাবুল           *  আয়ের পুরোটাই দান করছেন এমবাপ্পে           * সংকটে চীনা মুসলিমরা!          

ঘুমের প্রয়োজনীয়তা

জান্নাতুল : | শুক্রবার, মার্চ ১৬, ২০১৮
ঘুমের প্রয়োজনীয়তা
ঘুম জীবনের অবিচ্ছেদ্য অংশ। ঘুম মানুষের মনোযোগ, পারফরম্যান্স, কর্মক্ষমতা বাড়িয়ে দেয়। এক গবেষণায় দেখা গেছে, অল্প ঘুম মস্তিষ্কের ক্রিয়াকর্মের যে ক্ষতিসাধন করে, তা অ্যালকোহলের ক্ষতিসাধনের সমান। কোনো সমস্যার সমাধানেও আপনি অনেক বেশি সফল হবেন যদি আপনার ঘুম ভালো হয়ে থাকে। যারা খেলাধুলা করেন, তাদের জন্য ভালো ঘুম অনেক বেশি প্রয়োজনীয় কেননা ঘুম তাদের সর্বোচ্চ পারফরম্যান্স নিশ্চিত করে, মানসিক সুস্থতা, শুদ্ধতা, প্রতিক্রিয়া, দ্রুততা- খেলোয়াড়দের ক্ষেত্রে এসব গুণাবলীর উন্নতি হয়।

ঘুমের কোয়ালিটি এবং স্থায়িত্বকাল বিভিন্ন রিস্ক ফ্যাক্টরের ওপর প্রভাব ফেলে যেগুলো হৃদরোগসহ অন্যান্য ক্রনিক রোগের প্রভাবক। যারা কম ঘুমান, তাদের হৃদরোগ ও স্ট্রোকের সম্ভাবনা বেশি থাকে। কম ঘুম ব্লাড সুগারের ওপর প্রভাব ফেলে ও ইনসুলিন সেন্সিটিভিটি হ্রাস করে।

একজন তরুণ যদি সপ্তাহের ৬ রাত ৪ ঘণ্টা করে ঘুমান, তার মধ্যে প্রি-ডায়াবেটিসের লক্ষণ প্রকাশ পেতে শুরু করে। পরবর্তী ১ সপ্তাহ তিনি যদি তার ঘুমের সময়কাল বাড়িয়ে দেন, তবে তিনি আবার আগের অবস্থায় ফিরে যাবেন। আপনি যদি নিয়মিত ৬ ঘণ্টার কম ঘুমিয়ে থাকেন, তবে আপনার টাইপ-২ ডায়াবেটিস হবার সম্ভাবনা অনেক বেশি।

যারা কম ঘুমান, তাদের ৯০% মানুষ বিষণ্ণতায় ভোগেন। যাদের ইনসমনিয়া, স্লিপ এপনিয়া এ ধরনের স্লিপিং ডিসঅর্ডার আছে, তাদের অধিকাংশই বিষণ্ণতার রোগী। দেখা গেছে, যারা কম ঘুমায় তাদের সুইসাইড করার প্রবণতা বেশি থাকে।

প্রতিদিনের ঘুমের খুব সামান্য হেরফের আপনার শরীরের রোগপ্রতিরোধ ক্ষমতার ওপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলে। আপনার যদি প্রায়ই ঠাণ্ডা লেগে থাকে, খেয়াল রাখুন আপনার ঘুমের সময় কতটুকু। আপনি যদি রাতে ৮ ঘণ্টা ঘুম নিশ্চিত করতে পারেন তবে উপকার পাবেন। কম ঘুমের সাথে পেটের/বুকের জ্বালাপোড়ার গভীর ষড়যন্ত্র আছে।

শুধু খাবার আর ব্যায়াম নয়, আপনার প্রয়োজনীয় ঘুমও নিশ্চিত করুন। দিন শেষে খুব ভালো ঘুম পরবর্তী দিনের সকল কাজের জন্য আপনার শরীরকে প্রস্তুত রাখবে।

যুক্তরাষ্ট্রের ন্যাশনাল স্লিপ ফাউন্ডেশনের পরামর্শপত্র অনুযায়ী ৬ থেকে ৯ বছর বয়সী শিশুদের রাতে অন্তত ৯-১১ ঘণ্টা ঘুমানো প্রয়োজন, তবে নিয়মিত ৭-৮ ঘণ্টা ঠিকঠাক ঘুমাতে পারলেও ওরা নিজেকে চালিয়ে নিতে পারে। ১০ থেকে ১৭ বছর বয়সীদের ৮-১০ ঘণ্টা ঘুম প্রয়োজন। তবে কারও কারও নিয়মিত ৭ ঘণ্টা ঘুমালেও চলতে পারে। আর বয়ঃসন্ধির সময়টাতে অনেকেরই প্রায় ১১ ঘণ্টা ঘুমানো প্রয়োজন হতে পারে। কিন্তু ১১ ঘণ্টার চেয়ে বেশি ঘুমালে তা স্বাস্থ্যের জন্য অত্যন্ত ক্ষতিকর হতে পারে।

মার্কিন গবেষক দলটির অন্যতম সদস্য শিকাগোর লয়োলা ইউনিভার্সিটির লিডিয়া ডনকারলোস বলেছেন, সারকাডিয়ান ক্লক বা দেহঘড়ির প্রভাবে টিনেজারদের সাধারণত রাতে একটু দেরিতে ঘুম পায় এবং ওরা দেরি করে ঘুম থেকে উঠতে চায়। কিন্তু যখনই ঘুমাক আর যখনই উঠুক, নিয়মিত পর্যাপ্ত ঘুমানোটা খুবই জরুরি। তিনি আরও বলেন, ছুটির দিনে ঘুম পুষিয়ে নেওয়ার চিন্তা অনেকেই করে বটে কিন্তু আসলে ‘বকেয়া ঘুম কখনোই পুষিয়ে নেওয়া যায় না’।

১৮ থেকে ৬৪ বছর বয়সী মানুষের রাতে ৭-৯ ঘণ্টা ঘুমানো প্রয়োজন, তবে কারও কারও নিয়মিত ৬ ঘণ্টা ঘুমেও সব ঠিকঠাক থাকতে পারে। ৬৫ বছরের চেয়ে বেশি বয়সীদের জন্য ঘুমানো প্রয়োজন ৭-৮ ঘণ্টা। কিন্তু অনেকেই দিনের বেলায় ভাতঘুম দিয়ে রাতে নিয়মিত ৫ ঘণ্টাতেও দিব্যি ভালো থাকতে পারেন।

সারাদিন ঘুমুতে পারবেন না কিন্তু ঘুমের প্রয়োজনীয়তা নিয়ে সচেতনতো হওয়া যায়, এরকম লক্ষ্য নিয়ে ‘ওয়ার্ল্ড স্লিপ সোসাইটি’ এর নেতৃত্বে প্রতি বছর মার্চ মাসের দ্বিতীয় সপ্তাহের শুক্রবারে পালন করা হয় বিশ্ব নিদ্রা দিবস। সে হিসেবে শুক্রবার (১৬ মার্চ) ১১তম বিশ্ব ঘুম দিবস। এবছরের প্রতিপাদ্য বিষয় হলো, ঘুমের জগতে আসুন, আনন্দময় জীবনের ছন্দ ধরে রাখুন।

এই দিনটিকে মূলত ঘুমের প্রয়োজনীয়তাকে প্রচার করে সমাজ থেকে নানা ধরনের স্লিপ ডিসঅর্ডারকে নির্মূল করাই মূল উদ্দেশ্য।

দৈনন্দিন যাপিতজীবনে সুস্বাস্থ্যের জন্য ঘুম যে কতটা জরুরি, সে ব্যাপারে সচেতনতা গড়ে তুলতেই ২০০৮ সাল থেকে প্রতি বছর পালিত হয়ে আসছে।

২০১৯ সালে মার্চের ১৫ তারিখ ও ২০২০ সালে মার্চের ১৪ তারিখ বিশ্ব ঘুম দিবস পালিত হবে। সূত্র: যমুনা টিভি , প্রথম আলো




আরও পড়ুন



প্রধান সম্পাদকঃ
ড. মো: ইদ্রিস খান

সম্পাদক ও প্রকাশকঃ
মোঃ খায়রুল আলম রফিক

সিয়াম এন্ড সিফাত লিমিটেড
বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয়ঃ ৬৫/১ চরপাড়া মোড়, সদর, ময়মনসিংহ।
ফোন- +৮৮০৯৬৬৬৮৪, +৮৮০১৭৭৯০৯১২৫০, +৮৮০১৯৫৩২৫২০৩৭
ইমেইল- aporadhshongbad@gmail.com
(নিউজ) এডিটর-ইন-চিফ,
ইমেইল- khirulalam250@gmail.com
close