* ঘূর্ণিঝড় ‘দেয়ি’ : ৩ নম্বর সঙ্কেত বহাল            * নূপুর আছে মরিয়ম নেই, রাজহাঁসের বুকের ২ টুকরা মাংস নেই           * বাকৃবিতে কর্মকর্তা কর্মচারীদের বিক্ষোভ           * বিসিএস উত্তীর্ণ মেয়েকে উদ্ধারে থানার সামনে অবস্থান বাবা-মায়ের           * ক্লান্ত মাশরাফিদের সামনে সতেজ ভারত           * নিউইয়র্কের উদ্দেশে সকালে ঢাকা ছাড়ছেন প্রধানমন্ত্রী           *  প্রতারক কামাল-মাসুদ এর বিরুদ্ধে চার মামলা            * হালুয়াঘাটে পুলিশের হাতে ফের আটক-৬           *  ঝিনাইগাতীতে বাবা শ্রেষ্ঠ শিক্ষক মেয়ে সেরা শিক্ষার্থী           * ভারত থেকে প্রশিক্ষন প্রাপ্ত ২০ টি ঘোড়া আমদানী           *  ফুলপুরে ৭৭ জন ভিক্ষুকের মাঝে সেলাই মেশিন বিতরণ            * কেন্দুয়ায় নারী বিসিএস ক্যাডারকে অপহরণের অভিযোগ           * মাদ্রাসায় জোড়া খুন: পরিচালকের বিরুদ্ধে মামলা           * তরুণীরা আবেদনময়ী সেলফি তোলেন কেন?            * মাথাপিছু আয় বেড়েছে ১৬,৩৮৮ টাকা           * সৌন্দর্যের গোপন রহস্য জানালেন শ্রীদেবীর মেয়ে            * নবনিযুক্ত দুই রাষ্ট্রদূতের রাষ্ট্রপতির কাছে পরিচয়পত্র পেশ           * শ্রীলঙ্কার দুর্দিন দেখে অবসর ভেঙে ফেরার ইঙ্গিত দিলশানের            * স্মার্টফোনের আসক্তি কাটানোর নয়া অস্ত্র           * আলোচনায় বসতে মোদিকে ইমরানের চিঠি          
* ঘূর্ণিঝড় ‘দেয়ি’ : ৩ নম্বর সঙ্কেত বহাল            * বাকৃবিতে কর্মকর্তা কর্মচারীদের বিক্ষোভ           * বিসিএস উত্তীর্ণ মেয়েকে উদ্ধারে থানার সামনে অবস্থান বাবা-মায়ের          

এডিস মশা: এত অসচেতন রাজধানীবাসী!

অপরাধ সংবাদ ডেস্ক | শুক্রবার, মে ১১, ২০১৮
এডিস মশা: এত অসচেতন রাজধানীবাসী!

ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের (ডিএসসিসি) আওতাভুক্ত চারটি এলাকার ১৮টি বাড়িতে অনুসন্ধান চালিয়ে ১১টিতেই চিকুনগুনিয়া ও ডেঙ্গুর বাহক এডিস মশার লার্ভা পেয়েছে নগর কর্তৃপক্ষ। আর বাড়ির মালিকদের অসচেতনতার জন্য জরিমানাও করা হয়েছে বেশ কয়েকজনকে। সেই সঙ্গে ভবিষ্যদের জন্য সতর্কও করে দেয়া হয়েছে।

করপোরেশনের মশক নিধন কার্যক্রম পরিচালনা সংক্রান্ত সংশ্লিষ্ট কমিটি ধানমন্ডি, কলাবাগান, পরিবাগ ও অ্যালিফ্যান্ট রোডে পরিদর্শন কার্যক্রম পালিয়ে এই চিত্র পেয়েছে।  

এখন পর্যন্ত নগরীতে ডেঙ্গু বা চিকুনগুনিয়ার প্রাদুর্ভাব দেখা না দিলেও অনুসন্ধানের এই চিত্র ভাবিয়ে তুলেছে নগর কর্তৃপক্ষকে। বারবার সচেতন করার পরও এডিস মশা নিয়ে নগরবাসী যে আসলে সেভাবে সচেতন হয়ে উঠেনি, এটিই তার প্রমাণ বলে মনে করছেন কর্মকর্তারা।

সিটি করপোরেশনের প্রধান স্বাস্থ্য কর্মকর্তা শেখ সালাউদ্দিন ঢাকাটাইমসকে বলেন, ‘এডিস মশার প্রজনন আগেও হতো, কিন্তু আমরা জানতাম না। গত বছর থেকে চিকুনগুনিয়া মহামারি আকার ধারণ করেছিল। এ বছর আমরা আগে থেকেই সচেতনতা কার্যক্রম চলিয়েছি। আন্ডার কনস্ট্রাকশন (নির্মাণাধীন) বিল্ডিং, বাড়ির ছাদে পরিদর্শন করে এডিস মশার লার্ভা ধ্বংস করছি।’

‘তারপরও নগররের প্রায় ৭০ শতাংশ বাড়িতেই এখন এডিস  মশার লার্ভা পাওয়া যাচ্ছে। এরকম চিত্র যদি সব জায়গায়ই হয় তাহলে নগরবাসীর মশার উপদ্রব থেকে মুক্তি পাওয়া অনেক কঠিন হবে এবং চিকুনগুনিয়াসহ মশাবাহিত অন্যান্য রোগ এবারও ছড়িয়ে পড়বে।’

গত বছর জুলাইয়ের দিকে নগরজড়ে চিকুনগুনিয়ার ছড়িয়ে পড়ার করার পর, নগরজুড়ে মশক নিধনের জন্য ক্রাশ প্রোগ্রাম গ্রহণের পাশাপাশি আক্রান্তদের বিনামূল্যে চিকিৎসা ও ওষুধ প্রদানসহ নানা উদ্যোগ নেয় দক্ষিণ সিটি করপোরেশন।

গত ১৯ মার্চ নগরভবনে এক সেমিনারে মেয়র সাঈদ খোকন কোনো বাসা বাড়িতে কারও অসচেতনতার কারণে এডিস মশার প্রজনন হলে ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযান চালিয়ে শাস্তি দেয়ার ঘোষণা দেন। জানান, ৮ এপ্রিল থেকে বাড়িতে এডিস মশার প্রজনন ক্ষেত্র খুঁজতে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করা হবে।

গত ৮ এপ্রিল থেকে নগররের বিভন্ন বাসায় এডিস মশার লার্ভা ও প্রজননস্থল ধ্বংসের কার্যক্রম পরিচালনার জন্য স্থানীয় কাউন্সিলরদের প্রতিটি অঞ্চলে একটি করে কমিটি গঠন করে ডিএসসিসি। অঞ্চল-১ এর কমিটির এ সংক্রান্ত একটি প্রতিবেদনে মশার লার্ভা পাওয়ার এ চিত্র উঠে আসে। গত ৭ মে ডিএসসিসির প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা বরাবর সংস্থাটির অঞ্চল-১ এর নির্বাহী কর্মকর্তা মোস্তফা কামাল মজুমদার (উপসচিব) সই করে প্রতিবেদনটি পাঠান।

প্রতিবেদনটিতে দেখা যায়, অঞ্চল-১ এর কমিটি অঞ্চলটির ১৮টি বাড়ি পরিদর্শন করেন। তারা ১১টি বাড়িতেই মশার লার্ভা পেয়েছে। এসব বাড়ির পানির ড্রাম, ফুলের টব, ঘরের আশেপাশে পড়ে থাকা মাটির ভাঙা হাঁড়ি-পাতিল, পরিত্যক্ত কলসি, বালতি, বোতল, কনটেইনার, টায়ার, পলিথিন ব্যাগ, ছোট-বড় গর্ত, নালা ও পুকুরে জমে থাকা পানিতে মশার লার্ভা রয়েছে।

বাড়ির মালিকদের জরিমানা

মশা নিধন কার্যক্রম পরিচালনাসংক্রান্ত কমিটি গত ৮ এপ্রিল সংস্থাটির অঞ্চল-১ এর ১৫ নং ওয়ার্ডের সাতটি বাড়ি পরিদর্শন করেছে। এর মধ্যে যে সব বাড়িতে লার্ভা পাওয়া গেছে, সঙ্গে সঙ্গে সেসব ধ্বংস করে দেওয়া হয়েছে। একইসঙ্গে বাড়ির মালিকদের তাদের আঙিনা পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন রাখার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। এর মধ্যে একজন বাড়ি মালিককে ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে জরিমানাও করা হয়।

একই অবস্থা দেখা গেছে কলাবাগান এলাকাতেও। গত ২২ এপ্রিল এ এলাকার ছয়টি বাড়ি পরিদর্শন করে চারটিতে মশার লার্ভা পাওয়া যায়। লার্ভা ধ্বংস করে বাড়ির মালিকদের প্রতিনিয়ত পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন রাখার পরামর্শ দেওয়া হয়। এছাড়া ৪৫ নম্বর বাড়ির নির্মাণ সামগ্রী রাস্তা ও ড্রেনে ফেলে রাখায় ও উত্তর ধানমন্ডির ১১৮ নম্বর বাড়িতে অবৈধ ওষুধ কারখানা পাওয়া যাওয়ায় বাড়ির মালিকদের ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে জরিমানা করা হয়।

২১নং ওয়ার্ডে শাহবাগের পরিবাগ, এলিফ্যান্ট রোড ও নিউমার্কেট এলাকায়ও একই অবস্থা দেখা গেছে। গত ৬ মে কমিটির সদস্যরা এলাকাগুলোর চারটি বাড়ি পরিদর্শন করে প্রতিটি বাড়িতেই মশার লার্ভা পেয়েছেন।

সিটি করপোরেশনের প্রধান স্বাস্থ্য কর্মকর্তা শেখ সালাউদ্দিন ঢাকাটাইমসকে বলেন, ‘যে সব বাড়িত লার্ভা পাওয়া যাচ্ছে সেগুলো ধ্বংস করছি, বাড়িওয়ালাদের সতর্ক করে দিচ্ছি ভবিষ্যতে যেন আর না হয়। আমরা সবাইকে সচেতন করার চেষ্টা করে যাচ্ছি। ভবিষ্যতে মশার লার্ভা যাতে না জন্মে সে বিষয়েও তাদের সতর্ক করে দেয়া হচ্ছে।’

সিটি করপোরেশনের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা খান মো. বিলাল  বলেন, ‘গত বছর চিকুনগুনিয়া মহামারি আকারে ছড়িয়ে পরার পর আমারা ব্যাপক সর্তকতা অবলম্বন করেছি। এ বছর যাতে চিকুনগুনিয়া এবং ডেঙ্গু ছড়িয়ে পড়তে না পারে সে জন্য প্রতিটি অঞ্চলে এডিশ মশার লার্ভা ও প্রজননস্থল ধ্বংসের কার্যক্রম পরিচালনার জন্য একটি করে কমিটি দিয়েছি। কমিটি প্রতিনিয়ত আমাদের রিপোর্ট করছে। আমরা সে অনুযায়ী ব্যবস্থা নিচ্ছি।




আরও পড়ুন



প্রধান সম্পাদকঃ
ড. মো: ইদ্রিস খান

সম্পাদক ও প্রকাশকঃ
মোঃ খায়রুল আলম রফিক

সিয়াম এন্ড সিফাত লিমিটেড
বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয়ঃ ৬৫/১ চরপাড়া মোড়, সদর, ময়মনসিংহ।
ফোন- +৮৮০৯৬৬৬৮৪, +৮৮০১৭৭৯০৯১২৫০, +৮৮০১৯৫৩২৫২০৩৭
ইমেইল- aporadhshongbad@gmail.com
(নিউজ) এডিটর-ইন-চিফ,
ইমেইল- khirulalam250@gmail.com
close