* যমুনার পানি বিপদসীমা ছুঁই ছুঁই           * ‘পরকীয়া জানাজানি হওয়ায়’ গৃহবধূর আত্মহত্যা           * খাগড়াছড়িতে ৮০০ ইয়াবাসহ আটক ২           * মাদক কারবারিদের নতুন ‘হিটলিস্টে’ সাংসদসহ প্রভাবশালীরা           * সাশ্রয়ী দামের ল্যাপটপ আনলো লেনোভো           * ছিনতাইকারীকে তরুণীর পেটানো ভিডিও ভাইরাল           *  চাঁদপুরের পদ্মা ও মেঘনায় ইলিশের আকাল           *  তিন জেলায় ‘বন্দুকযুদ্ধে’ নিহত ৫           * ‘আড়াই লাখ বাংলাদেশি পাকিস্তানের নাগরিকত্ব পাবেন’           *  মানে মনোযোগী আরমান           * শ্রীলঙ্কাকে বিদায় করে সুপার ফোরে আফগানিস্তান           * ভুটানের প্রধানমন্ত্রী হচ্ছেন ময়মনসিংহ মেডিকেলের ছাত্র           * মেয়ের গায়ে হলুদের দিন মায়ের মৃত্যু            * নদীভাঙন : পূর্বপ্রস্তুতি না নেয়ায় প্রধানমন্ত্রীর ক্ষোভ            * দুর্বৃত্তদের অতর্কিত হামলা ও গুলিতে দুই হিজড়াসহ চারজন আহত            * আবারো শুদ্ধাচার পুরস্কার পেলেন গফরগাঁও ইউএনও           * ভারতে পাচারকালে চার শিশুসহ রোহিঙ্গা নারী আটক           * মুখের ত্বকে কখনোই ব্যবহার করবেন না এই ১০টি জিনিস           *  যেসব ফোনে ডিসপ্লেতেই ফিঙ্গারপ্রিন্ট সেন্সর           *  মেয়ের গায়ে হলুদে বিদ্যুৎস্পৃষ্টে মায়ের মৃত্যু          
* নদীভাঙন : পূর্বপ্রস্তুতি না নেয়ায় প্রধানমন্ত্রীর ক্ষোভ            * নিজের নয়, মানুষের ভাগ্য গড়তেই কাজ করি            * আইসিইউসহ ঢাকা-বরিশাল নৌ-রুটে আসছে মানামী ১          

নদী মজে খাল তারপর ময়লার ভাগাড়

কাজী রফিকুল ইসলাম, | রবিবার, মে ২৭, ২০১৮
নদী মজে খাল তারপর ময়লার ভাগাড়

কামরাঙ্গীচর জায়গাটি একসময় নদীর অংশ ছিল। সেখানে ছিল থই থই পানি। নদীতে চর পড়ল। তারপর নদী ভরাট করে তৈরি হলো বিশাল এক এলাকা। নদী পরিণত হলো খালে। আর সেই খাল এখন স্থানীয়দের বিরক্তির কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। সেটি যে রূপ নিয়েছে ময়লার ভাগাড়ে।

বুড়িগঙ্গা নদীর সঙ্গে সরাসরি যুক্ত কামরাঙ্গীচর খাল। তবে, বেশ কয়েক বছর ধরেই মড়ার মতো পড়ে আছে খালটি। স্থানীয় সব বাসাবাড়ি, ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান ও কারখানার ময়লা, আবর্জনা ফেলা হয় এই খালে। ময়লার কারণে চোখে পড়ে না খালের পানির ধারা।স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগ, খালটি সংরক্ষণ বা রক্ষার কোনো চেষ্টা নেই জনপ্রতিনিধি ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের। বছরের পর বছর একই অবস্থায় অরক্ষিত পড়ে আছে খালটি। চলছে খাল দখল করে ব্যবসা প্রতিষ্ঠান ও বাড়িঘর নির্মাণ।স্থানীয় বাসিন্দা আবুল কালাম  অভিযোগ করে বলেন, ‘যে যার মতো খালডারে নষ্ট করতাছে। ময়লা ফালাইয়া কী করছে দেখেন। গন্ধে যাওয়া যায় না। পানির ওপর ময়লা পইড়া এমন অবস্থা, পানি আর দেহাই যায় না।‘স্থানীয় জনপ্রতিনিধি ও কর্তৃপক্ষের প্রতি বিরক্তি প্রকাশ করে আবুল কালাম আরো বলেন, ‘মানুষ তো সান্ত্বনা দিয়া হইলেও কয়, খাল পরিষ্কার করব। এরা তাও কয় না। যেমন আছে, থাকুক। তাগো তো কোনো ক্ষতি নাই। তারা কি এহানে থাকে।’কামরাঙ্গীচর সিকসন ব্রিজের নিচে ময়লার স্তূপ ছয় থেকে সাত ফুটের পুরো। এ থেকে অনুমান করা যায় এর নিচ দিয়ে পানি যাওয়ার ব্যবস্থা নেই। খালের বিভিন্ন স্থানে যে গাছ গজিয়ে উঠেছে তারও উচ্চতা চার থেকে পাঁচ ফুট। রনি মার্কেটের সব ময়লা, ফলের ঝুড়ি, তুলা ও গার্মেন্টসের অপ্রয়োজনীয় টুকরা কাপড় সবই স্তূপ হয়ে আছে ব্রিজের নিচে।কাউসার হক নামের স্থানীয় এক বাসিন্দা দেখালেন পানি প্রবাহের পথ। খালের ঠিক মাঝ বরাবর এখনো খুব ক্ষীণ একটি পানির ধারা দেখা যায়। আর পানির মূল প্রবাহ ময়লার নিচ দিয়ে। খালে জমা ময়লার ওপর বৃষ্টির পানি জমে বেড়েছে মশার উপদ্রব।কাউসার বলেন, “খালে প্রচুর মশা হয়। মশার ওষুধ কবে দিছে, তাও আমগো মনে নাই। এত ময়লা ফালাইছে, পরিষ্কারের সাহসও কেউ করে না। এখনো আরো সবাই জায়গা চিনছে। যার যা ময়লা সব এইখানেই ফালায়।’শুধু ময়লা দিয়ে নয়, সরাসরি মাটি ফেলে খাল দখল করা হয়েছে। এখনো চলছে দখলের কাজ। সিকসন বেড়িবাঁধ সংলগ্ন স্থানে খালে মাটি ভরাট করে বসানো হয়েছে লেগুনা স্ট্যান্ড। এ ছাড়া বসানো হয়েছে ইজিবাইক-টেম্পু স্ট্যান্ড, দোকান, সেলুনসহ নানা ব্যবসা প্রতিষ্ঠান।প্রয়োজনবোধে ইচ্ছেমতো জায়গা বাড়ানো হচ্ছে। ব্যবসার জায়গা যতই বাড়ছে, তত কমছে খালের জায়গা। সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, পূর্ব রসুলপুর এলাকার ভেতর থেকে মাটি এনে ফেলা হচ্ছে খালে। তৈরি হচ্ছে রিকশা-ভ্যানের গ্যারেজ।চোখের সামনে খালের এমন দশা হচ্ছে। কিন্ত কিছুই করতে পারছেন না স্থানীয় জনপ্রতিনিধিরা। এর বিরুদ্ধে কী ব্যবস্থা নিচ্ছেন জানতে চাইলে ৫৬ নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর মোহাম্মদ হোসেন জানান তার অসহায়তার কথা। সাংবাদিকদের তিনি বলেন, “খাল জায়গায় জায়গায় দখল হয়ে গেছে। আমি নিজে থেকে কয়েকবার অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ করেছি। কিন্তু কোনো লাভ হয়নি।’একটি মহল সুপরিকল্পিতভাবে খালটি ভোগদখলের চেষ্টা করছে বলে অভিযোগ করে কাউন্সিলর বলেন, ‘আমি মেয়র সাহেবের সাথে কথা বলেছি। শিগগির আমরা খাল দখলমুক্ত করব।’খালের কোল ঘেঁষে বসবাসকারীরা এ ধরনের আশ্বাসের বাণী নাকি শুনছেন অনেক বছর ধরে। গণমাধ্যমেও এই খালের করুণ পরিণতির খবর কম আসেনি। কিন্তু খাল দখলমুক্ত কিংবা ময়লা পরিষ্কার কোনোটিই হয়নি। এবার কতটুকু হবে প্রতিকার, সেটাই দেখার অপেক্ষা।





আরও পড়ুন



প্রধান সম্পাদকঃ
ড. মো: ইদ্রিস খান

সম্পাদক ও প্রকাশকঃ
মোঃ খায়রুল আলম রফিক

সিয়াম এন্ড সিফাত লিমিটেড
বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয়ঃ ৬৫/১ চরপাড়া মোড়, সদর, ময়মনসিংহ।
ফোন- +৮৮০৯৬৬৬৮৪, +৮৮০১৭৭৯০৯১২৫০, +৮৮০১৯৫৩২৫২০৩৭
ইমেইল- aporadhshongbad@gmail.com
(নিউজ) এডিটর-ইন-চিফ,
ইমেইল- khirulalam250@gmail.com
close