* ঘূর্ণিঝড় ‘দেয়ি’ : ৩ নম্বর সঙ্কেত বহাল            * নূপুর আছে মরিয়ম নেই, রাজহাঁসের বুকের ২ টুকরা মাংস নেই           * বাকৃবিতে কর্মকর্তা কর্মচারীদের বিক্ষোভ           * বিসিএস উত্তীর্ণ মেয়েকে উদ্ধারে থানার সামনে অবস্থান বাবা-মায়ের           * ক্লান্ত মাশরাফিদের সামনে সতেজ ভারত           * নিউইয়র্কের উদ্দেশে সকালে ঢাকা ছাড়ছেন প্রধানমন্ত্রী           *  প্রতারক কামাল-মাসুদ এর বিরুদ্ধে চার মামলা            * হালুয়াঘাটে পুলিশের হাতে ফের আটক-৬           *  ঝিনাইগাতীতে বাবা শ্রেষ্ঠ শিক্ষক মেয়ে সেরা শিক্ষার্থী           * ভারত থেকে প্রশিক্ষন প্রাপ্ত ২০ টি ঘোড়া আমদানী           *  ফুলপুরে ৭৭ জন ভিক্ষুকের মাঝে সেলাই মেশিন বিতরণ            * কেন্দুয়ায় নারী বিসিএস ক্যাডারকে অপহরণের অভিযোগ           * মাদ্রাসায় জোড়া খুন: পরিচালকের বিরুদ্ধে মামলা           * তরুণীরা আবেদনময়ী সেলফি তোলেন কেন?            * মাথাপিছু আয় বেড়েছে ১৬,৩৮৮ টাকা           * সৌন্দর্যের গোপন রহস্য জানালেন শ্রীদেবীর মেয়ে            * নবনিযুক্ত দুই রাষ্ট্রদূতের রাষ্ট্রপতির কাছে পরিচয়পত্র পেশ           * শ্রীলঙ্কার দুর্দিন দেখে অবসর ভেঙে ফেরার ইঙ্গিত দিলশানের            * স্মার্টফোনের আসক্তি কাটানোর নয়া অস্ত্র           * আলোচনায় বসতে মোদিকে ইমরানের চিঠি          
* ঘূর্ণিঝড় ‘দেয়ি’ : ৩ নম্বর সঙ্কেত বহাল            * বাকৃবিতে কর্মকর্তা কর্মচারীদের বিক্ষোভ           * বিসিএস উত্তীর্ণ মেয়েকে উদ্ধারে থানার সামনে অবস্থান বাবা-মায়ের          

ভুলে যাওয়া এক সভ্যতার কাহিনী

প্রতিনিধি বদলগাছী (নওগাঁ) | রবিবার, জুন ৩, ২০১৮
 ভুলে যাওয়া এক সভ্যতার কাহিনী

সোমপুর বিহার, খুঁজে পাওয়া শিলালিপি থেকে প্রাপ্ত তথ্য অনুসারে পুরোনাম শ্রী সোমপুর-শ্রী ধার্মপালদেব-মহাবিহার-ভিক্ষু সঙ্গ। অনেক পন্ডিতেরা মনে করেন এটিই পৃথিবীর বৃহত্তম বৌদ্ধবিহার। বাংলাদেশে অবস্থিত তিনটি ইউনেস্কো ওয়ার্ল্ড হেরিটেজ সাইটের মধ্যে এই বিহারটিই অন্যতম।
 পাহাড়পুরের ইতিহাস, সোমপুর বিহারের অবস্থান বাংলাদেশের উত্তরে অবস্থিত নওগাঁ জেলার, বদলগাছী উপজেলার, পাহাড়পুর ইউনিয়নে। তাই অনেকের কাছেই পাহাড়পুর বৌদ্ধবিহার নামে বেশি পরিচিত এই সোমপুর বিহারটি।

বৌদ্ধধর্মাবলম্বী প্রাচীন বঙ্গ জনপদে সুদীর্ঘ চার শতক রাজত্ব করেছিল পাল বংশ। মূলত বাংলা ও বিহার কেন্দ্রিক পাল রাজ্য, সাফল্যের চূড়ান্ত পর্যায়ে উত্তর পশ্চিমে পাকিস্তানের খায়বার-পাখতুনখওয়া পর্যন্ত বিস্তৃত ছিল। পাল বংশের রাজারা ছিলেন নিষ্টাবান বৌদ্ধ। ধারণা করা হয় পাল বংশের দ্বিতীয় রাজা ধর্মপালের সময়ই নির্মিত হয়েছিল এই সোমপুর বৌদ্ধবিহার। তবে আবার অনেকেই ধারণা করেন ধর্মপাল নন তার পুত্র রাজা দেবপাল ছিলেন এই বিহারের নির্মাতা কারণ, বিখ্যাত তিব্বতীয় ইতিহাস গ্রন্থ “পাগ সাম জোন ঝাং” এর লেখক অত্যন্ত সুস্পষ্টভাবে ধর্মপালের পুত্র দেবপাল (৮১০-৮৫০) কর্তৃক সোমপুরে নির্মিত বিশাল বিহার ও সুউচ্চ মন্দিরের উল্লেখ করেছেন। তবে যার সময়ই নির্মাণ হোক না কেন সোমপুর বিহার স্থাপত্য শিল্পে অনন্য এবং আকারে সর্ববৃহৎ। পাহাড়পুর বিহারকে দূর থেকে দেখে ঠিক যেন মনে হয় পাহাড়ের মতই।

মাটির ঢিবির নিচে দীর্ঘকাল চাপা পড়ে থাকা এই প্রকান্ড স্থাপনা দূর থেকে দেখলে পাহাড়ের মতই মনে হতো। পাহাড়পুর ইউনিয়নের নামকরণ কিন্তু সেই থেকেই। ভারতীয় উপমহাদেশের বিভিন্ন স্থান ছাড়াও সুদূর চীন, তিব্বত, মায়ানমার, মালোশিয়া, ইন্দোনেশিয়া প্রভৃতি দেশের বৌদ্ধরা এখানে ধর্মচর্চা ও ধর্মজ্ঞান অর্জন করতে বৌদ্ধরা আসতেন এখানে। খ্রিঃ দশম শতকে বিহারের আচার্য ছিলে অতীশ দীপঙ্কর শ্রীজ্ঞান। মহাপন্ডিত অতীশের জ্ঞানের সুখ্যাতি বাংলার গন্ডি পেরিয়ে পৌঁছে গিয়েছিল সুদূর তিব্বতে। প্রচলিত আছে তিব্বতে গিয়ে তিনি সেখানকার পানির সমস্যা সমাধান করে এসেছিলেন। এই মহান পন্ডিতের বাড়ি ছিল ঢাকার অদূরে বিক্রমপুরের বজ্রযোগিনী গ্রামে।
এক সময়ে তান্ত্রিক বৌদ্ধধর্ম সাধকদের জ্ঞানতীর্থ, এই বিহার মাটির নিচে চাপা পড়েছিল সুদীর্ঘকাল। মোটামুটি ছয়’শ বছর স্মৃতির অতলে হারিয়ে থাকার পর পুনরায় এর হদিস মেলে ইংরেজ আমলে ভূমি জরিপের সময় ১৮০৭-১৮১২ সালের মাঝামাঝি কোনো এক সময়ে । তারপর স্যার আলেকজান্ডার ক্যানিমহাম ১৮৭৯ দিকে এবং ব্রিটিশ ভারতে প্রতœতত্ত্ব অধিদপ্তর ১৯২০ এর দশকে আংশিক খনন কাজ চালায়। অবশেষ বাংলাদেশ স্বাধীন হওয়ার পর ১৯৮০ র দশকে এর খনন কাজ পুরোদমে শুরুহয় এবং ১৯৮৫ সালে ইউনেস্কো একে ওয়ার্ল্ড হেরিটেজ সাইট হিসাবে ঘোষণা করে। পাহাড়পুর বৌদ্ধবিহার ।

হাজার বছর আগের মূল মন্দিরটি ঘাসে ঢেকে গেছে কিন্তু এখনও চোখে পড়ে স্থাপত্য কীর্তি। সর্ব শেষ ২০১৪ সালে বৌদ্ধ বিহারের সৌন্দর্য বৃদ্ধি ও দর্শনশীল করতে  প্রতœতত্ত্ব অধিদপ্তরের আওতাাধীন এডিপির অর্থায়নে প্রায় ১৮ কোটি টাকা ব্যয়ে এ সংস্কার কাজ শুরু হয়। ৩ বছর ধরে চলে এ সংস্কার কাজ। আর এসব নতুন উম্মুক্ত কাজের মধ্যে রয়েছে সৌন্দর্য বর্ধনশীল ও আকর্ষনীয় মূল প্রবেশদ্বার। প্রবেশ দ্বারের দক্ষিন পার্শ্বের কক্ষে রয়েছে প্রতœ সামগ্রী ও বই। উত্তর পার্শ্বে কক্ষে রয়েছে টিকিট কাউন্টার।  তাঁর পার্শ্বে রয়েছে মহিলা টয়লেট ও পুরুষ টয়লেট। নির্মান করা হয়েছে ১টি মসজিদ। তৈরি করা হয়েছে অফিসারদের জন্য কোয়ার্টার ব্যাটিলিয়ানদের জন্য রয়েছে আনসার কোয়ার্টার, স্টাফ কোয়ার্টার। দর্শনার্থীদের বিশ্রামের জন্য তৈরি করা হয়েছে ১০টি  ছাউনী। আর এই ছাউনী গুলিতে ক্লান্ত দর্শনার্থীরা বসে বিশ্রাম নিচ্ছে। আর দর্শনার্থীর ছাউনিগুলোর পার্শ্বেই রয়েছে পুরাতন আদলে নির্মিত ১টি পুকুর। এছাড়া পাথওয়ের মাঝে রয়েছে একটি বসার স্থান। আর এ পাথওয়ে নির্মান করা হয়েছে মনোরোম পরিবেশে । রয়েছে গাড়ী পার্কিং এর জায়গা। এর মধ্যে পিকনিক কর্নার থেকে সরাসরি বৌদ্ধ মন্দির প্রব্রেশ পথে নির্মান করা হয়েছে ১টি ব্রিজ। বৌদ্ধ মন্দিরের প্রধান ফটক সহ ভিতরে নির্মাণ করা হয়েছে মোট ৩টি ব্রিজ। আর বৌদ্ধ মন্দিরের চুড়ায় উঠার জন্য তৈরি করা হয়েছে কাঠের সিঁড়ি। আর এসব দৃশ্যদেখে যেন মন ভরেযাবে যেকোন কারো।

 পাহাড়পুরের স্থাপত্য শিল্পের হিসাব নিকাশ, প্রায় ২৭ একর জায়গা জুড়ে বিহারটি বিস্তৃত। এতে রয়েছে ১৭৭ টি কক্ষ। মাঝখানের মন্দিরটিকেই মূলত দূর থেকে পাহাড়ের মত দেখায়। এ মন্দিরের বেইসমেন্ট ক্রুশাকার। প্রতিটি ক্রুশবাহুর দৈর্ঘ্য-প্রস্থ ১০৮.৩ মিঃ ও ৯৫.৪৫মিঃ। মধ্যবর্তী স্থানে আরও কয়েকটি অতিরিক্ত দেয়াল কৌণিকভাবে যুক্ত এবং কেন্দ্রে দরজা-জানালা বিহীন একটি শূন্যগর্ভ চতুষ্কোণাকার প্রকোষ্ঠ আছে।

এই প্রকোষ্ঠটি মন্দিরের তলদেশ থেকে চূড়া পর্যন্ত বিস্তৃত। মূলতঃ এ শূন্যগর্ভ প্রকোষ্ঠটিকে কেন্দ্র করেই সুবিশাল এ মন্দিরের কাঠামো নির্মিত। মন্দিরের বর্তমান উচ্চতা ২১ মিটারের মত। তবে ধারণা করা হয় একসময় হয়ত ৩০ মিটারের বেশি ছিল এই মন্দিরের উচ্চতা। অবশ্য নওগাঁ এলাকার স্থানীয়দের মতে দিন দিন ডেবে যাচ্ছে মূল মন্দিরটা, আশির দশকে খনন কাজ শুরু সময়কার উচ্চতা নাকি এখনকার চেয়েও বেশি ছিল। মূল মন্দিরের দেয়ালে টেরাকোটার কাজ দেখতে পাওয়া যায়। বিভিন্ন রকমের মূর্তির আদলে টেরাকোটাগুলো তৈরি করা হয়েছে।

টেরাকোটার মাঝে আজও জীবন্ত হাজার বছর আগে করা শিল্পীর কল্পনা মন্দিরটিকে ঘিরে চারিদিকে ছিল কক্ষগুলো। ধারণা করা হতো দূর দূরান্ত থেকে আগত তান্ত্রিক সাধক ও শিক্ষার্থী ভিক্ষুকরা অবস্থান করতেন এই ঘরগুলোতে। কক্ষগুলোর দৈর্ঘ্য মোটামুটি ৪.২৬ মিটার এবং প্রস্থ ৪.১১ মিটার। মূল মন্দিরকে বর্গ ক্ষেত্রের মতো বেষ্টন করে আছে কক্ষগুলো। উত্তরদিকে এক সারিতে ৪৫টি এবং বাকি তিনদিকে রয়েছে ৪৪টি করে। শুধু সোমপুর বিহার নয় পাল আমলে বাংলা ও বিহারে অনেকগুলো বৌদ্ধবিহার গড়ে উঠেছিল। তিব্বতীয় বর্ণনা অনুসারে সে আমলে পাঁচটি বড় বড় বিহার যাদের মধ্যে সোমপুর একটি বাকি চারটি হল বিক্রমশীলা, নালন্দা, ওদান্তপুত্র এবং রাজশাহীর জগদ্দলবিহার। এই বিহারগুলোর পরস্পরের সাথে নিয়মিত যোগাযোগ ছিল এবং অনেকটা এখানাকার দিনের মতো আন্তঃ বিশ্ববিদ্যালয় কো-লেবোরেশনের মতো।

ভগ্নপ্রায় দেওয়ালগুলো আজও দাড়িয়ে আছে মহাকালের সাক্ষী হয়ে। বিহারটি আকস্মিক ধ্বংস হয়ে যাওয়ায় কোন হদিস পাওয়া যায়নি। তবে ধারণা করা হয় বাংলায় ক্ষীয়মাণ বৌদ্ধ শাসন, হিন্দুপ্রধান সেনবংশের উত্থান এবং সর্বোপরি তাদের হারিয়ে বাংলায় মুসলিম বিজয়ের পর নব্য রাজনৈতিক পটভুমিকায় আস্তে আস্তে বিহারটি লোকশুন্য হতে হতে একসময় পরিত্যক্ত হয়ে পড়ে। সেটা প্রায় আজ থেকে আটশ বছর আগের কথা।

প্রায় বার’শ বছর আগের তৈরি করা সোমনাথ বিহারের এই ধ্বংসাবশেষ আপনাকে ক্ষণিকের জন্য নিয়ে যাবে সুদূর অতীত। শেষ বিকেলে প্রতিটি ইটের লালাভ উজ্জ্বলতা হয়ত আপনাকে মনে করিয়ে দিতে থাকবে মাটি চাপা পড়া এক সভ্যতার কথা। হয়ত মূল মন্দিরের গা ঘেঁষে উঠতে উঠতে আপনি কল্পনা করতে থাকবেন এককালের কর্মচঞ্চল এই প্রাঙ্গণের প্রতিচ্ছবি। আপনাকে ভাবতে বাধ্য করবে মহাকালের কাছে নশ্বর মানুষ কত ক্ষুদ্র।
কি ভাবে আসবেন এই পাহাড়পুরে, অসাধারণ এই ঐতিহাসিক পুরাকীর্তির কথা শুনে নিশ্চয়ই ভাবছেন কীভাবে যাওয়া যায় পাহাড়পুরে? সেটাই বলছি এবার, ঢাকা থেকে প্রথমেই আপনাকে যেতে হবে সোজা নওগাঁ শহরে। ঢাকা থেকে নওগাঁর দূরত্ব মাত্র ২৮০ কি:মি:। বাসে যেতে সময় লাগবে ৬ থেকে ৮ ঘণ্টা। ঢাকার আব্দুল্লাহপুর, শ্যামলী, কল্যাণপুর কিংবা গাবতলী বাস স্ট্যান্ড থেকে মোটামুটি যেকোন সময়ই নওগাঁ গামী বাস পাওয়া যায়। নন এসি বাসের ভাড়া ৪০০-৪৫০ টাকার মতো। এসি বাসের ভাড়া মোটামুটি ১২০০ টাকার কাছাকাছি। তবে সময় ও সার্ভিস অনুসারে ভাড়ার তারতম্য হতে পারে।
হানিফ, শ্যামলী, এসআর, ডিপজল, শাহফতে আলী, একতা সহ আরও অনেক সার্ভিস বাস চালু আছে এই রোডে। ঢাকা থেকে টাঙ্গাইল, যমুনা সেতু, সিরাজগঞ্জ, বগুড়া হয়ে বাস পৌঁছে যাবে নওগাঁ জেলা শহরে। যারা ট্রেনে যাতায়ত করতে ভালবাসেন তাদের জন্যও রয়েছে নওগাঁ যাওয়ার সুব্যবস্থা। নওগাঁ শহরের অদূরেই বাংলাদেশের অন্যতম প্রাচীন এবং বৃহত্তম রেলজংশন শান্তাহাওে অবস্থিত। চাইলে বাংলাদেশের মোটামুটি যেকোন প্রান্ত থেকেই শান্তহারগামী ট্রেনে চড়ে সোজা চলে আসতে পারেন নওগাঁ শহরে।
 শান্তাহার থেকে নওগাঁ যেতে সময় ২০ মিনিটের বেশি লাগেনা। ছোট যমুনার কোল ঘেঁষে গড়ে ওঠা নওগাঁ জেলা শহর  অত্যন্ত ছিমছাম ও নিরিবিলি। শহরে থেকে খুব সহজেই পাহাড়পুর বৌদ্ধ বিহারে যাওয়া যায়। দল বেঁধে গেলে মাইক্রবাস ভাড়া করে যেতে পারেন সময় লাগবে মোটামুটি ১ ঘণ্টার মত। ভাড়া নেবে ১০০০-১৫০০শতর মত। শহর থেকে পাহাড়পুরের দূরত্ব মোটামুটি ২৮ কিলোমিটারের মতো। আসে পাশের খাবার দাবারের ব্যবস্থা খুব একটা ভাল নেই। তাই নওগাঁ থেকেই খাবার নিয়ে গেলে ভাল হয়। দূর থেকে সোমপুর বিহার দেখতে অনেকটা টিলার মত। সাইটে ঢোকার সময় প্রথম দর্শনে এটাকে আপনার ঠিক টিলাই মনে হবে।
 যদি কেউ খুব অল্প সময়েরর জন্য যেতে চান এবং সেখানেই রাত কাটাতে চান তাদের জন্য আদর্শ হতে পারে পাহাড়পুর প্রতœতত্ত্ব রেষ্ট হাউস। মূল সংরক্ষিত এলাকার মধ্যেই ছোট্ট পরিসরে প্রতœত্তত্ব অধিদপ্তরের এই রেস্ট হাউস বুকিং করে রাখতে হবে কিন্তু আগে থেকেই। চাইলে নওগাঁয় এক রাত না থেকেই দিন গিয়ে দিনেই পাহাড়পুর দেখে ঢাকায় ফিরে আসা যায়।
পাহাড়পুর বৌদ্ধ বিহারের পাশেই গড়ে উঠেছে প্রতœতত্ত্ব জাদুঘর। পাহাড়পুর এবং আসে পাশের আর্কিওলজিকাল সাইটগুলো থেকে সংগ্রহ করা পুরাকীর্তি দেখতে চাইলে মিউজিয়ামটিতে ঢু মেরে আসতে ভুলবেন না যেন।
শনি ও রবিবার মিউজিয়ামের সাপ্তাহিক ছুটির দিন। এছাড়া সরকার ঘোষিত যেকোন ছুটির দিনে বন্ধ থাকবে মিউজিয়াম।

তাহলে আর দেরি নয়, সামনের কোন এক ছুটিতে সপরিবারে কিংবা বন্ধুরা মিলে ঘুরে আসুন সহ¯্র বছর আগের স্মৃতিবিজড়িত সোমপুর নামক পাহাড়পুর বৌদ্ধ বিহারে।





আরও পড়ুন



প্রধান সম্পাদকঃ
ড. মো: ইদ্রিস খান

সম্পাদক ও প্রকাশকঃ
মোঃ খায়রুল আলম রফিক

সিয়াম এন্ড সিফাত লিমিটেড
বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয়ঃ ৬৫/১ চরপাড়া মোড়, সদর, ময়মনসিংহ।
ফোন- +৮৮০৯৬৬৬৮৪, +৮৮০১৭৭৯০৯১২৫০, +৮৮০১৯৫৩২৫২০৩৭
ইমেইল- aporadhshongbad@gmail.com
(নিউজ) এডিটর-ইন-চিফ,
ইমেইল- khirulalam250@gmail.com
close