* সোনালী শীষের আড়ালে সুবিনয়ের অপসাংবাদিকতা           * ডাক্তারদের সেবার মনোভাব কম: স্বাস্থ্যমন্ত্রী           * ফুলপুরে জঙ্গীবাদ বিরোধী মা সমাবেশ অনুষ্টিত           * দুই মণ গাঁজাসহ ৩ মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফতার            * নামাযে অজু নিয়ে সন্দেহ হলে কি করবেন?           * ৭-২৮ অক্টোবর ইলিশ ধরা নিষিদ্ধ           * মদ না খেয়েও মাতাল যারা!           * মোদির দলের হয়ে লড়বেন অক্ষয়-কঙ্গনা-সুনিল           * পাকিস্তানকে সবক শেখাতে চান ভারতের সেনাপ্রধান           * পৃথিবীকে বাংলাদেশ থেকে শিখতে বলল বিশ্বব্যাংক           * নগ্ন হয়ে ঘর পরিষ্কার করে তার মাসিক আয় ৪ লাখ টাকা            * প্রতিপক্ষকে ফাঁসাতে সন্তানকে হত্যা করলো মা            * মোস্তাফিজ একজন ম্যাজিসিয়ান : মাশরাফি            * ত্রিশালে দাখিল মাদ্রাসায় অভিভাবক সমাবেশ            * সিরাজদিখানে মুন্সীগঞ্জ-১ আসনে আওয়ামীলীগ মনোনয়ন প্রত্যাশী গিয়াস উদ্দিনের গণসংযোগ ও উঠান বৈঠক            * পূর্বধলায় গ্রাম পুলিশদের মাঝে বাই সাইকেল বিতরণ           * বেনাপোলে পিস্তল-গুলি ও গাঁজাসহ আটক-১           * পূর্বধলায় কবর থেকে শিশুর গলিত লাশ তুলে মর্গে প্রেরণ            * হালুয়াঘাটে জাল দলিলে পাহাড়ী কাষ্ঠল উদ্ভিদের বাগান দখল           * ২ আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়নের অভিযানে জুয়ার আসর হইতে ০৫ জনকে আটক          
* সোনালী শীষের আড়ালে সুবিনয়ের অপসাংবাদিকতা           * ডাক্তারদের সেবার মনোভাব কম: স্বাস্থ্যমন্ত্রী           * মোদির দলের হয়ে লড়বেন অক্ষয়-কঙ্গনা-সুনিল          

রোজায় কদর বেড়েছে মধুপুরের রসালো আনারসের

স্টাফ রিপোর্টার | সোমবার, জুন ১১, ২০১৮
রোজায় কদর বেড়েছে মধুপুরের রসালো আনারসের


রোজায় কদর বেড়েছে মধুপুরের রসালো আনারসের। পুরো মধুপুর জুড়েই আনারসের প্রচুর চাষ হয়। মধুপুরের অরণখোলা, শোলাকুঁড়ি, আউশনাড়া ইউনিয়নে আনারসের সবচেয়ে বেশি চাষ হয়। এসব এলাকায় চাষ হওয়া আনারসের মধ্যে সবচেয়ে জনপ্রিয় আনারস হল জলডুগি। এছাড়া বর্তমান সময়ে জায়ান্টকিউ আনারস চাষেও ঝুঁকেছেন এ এলাকার চাষীরা। চলতি বছর মধুপুরে সাড়ে সাত হাজার হেক্টর জমিতে আনারস চাষ হয়েছে। আনারসের বাগান দেখার আগে দেখতে হবে আনারসের হাট ।

এ এলাকার সবচেয়ে বড় হাটের নাম জলছত্র। ভরা মৌসুমে এ হাট ২৫ মাইলের মোড় থেকে অন্যদিকে পুলিশ ফাঁড়ি পর্যন্ত গিয়ে পৌঁছে। সাত সকালেই সরগরম হয়ে যায় মধুপুরের আনারসের হাট যা জলছত্র হাট নামে পরিচিত। প্রত্যুষে হাটুরের দল হাজির হয়ে যায় জলছত্র বাজারে। কেউ বাইসাইকেলে ঝুলিয়ে, কেউ ঘোড়ার গাড়িতে, কেউ পিকআপ ভ্যানে করে ঠেলে-ঠুলে নিয়ে আসছে আনারস।

২৫ মাইল থেকে সাইকেলে করে বের হয়ে আসছে ভ্যানবোঝাই আনারস, অরণখোলার দিক থেকে ঘোড়ার গাড়ি করে আসছে আনারস। শোলাকুঁড়ি থেকে সাইকেলের দুই পাশে আনারস ঝুলিয়ে সাইকেল হাতে টেনে নিয়ে আসছে। দূর-দূরান্ত থেকে জড়ো হওয়া পাইকাররা দুই পা চালিয়ে রাস্তার মুখে ঘিরে ধরছে বিক্রেতাদের। যদি কম দামে সবার আগেই কিনে ফেলা যায়, সে আশায়। শালবনঘেঁষে দূর-দূরান্তের গ্রামের বাগান থেকে হাটুরের দল ঘোড়ারগাড়ি ও রিকশা-ভ্যানে ‘রসে টইটম্বুর গাছপাকা’ আনারস নিয়ে ঝড়ো হয় জলছত্রের হাটে। দেশের বিভিন্ন এলাকা থেকে ক্রেতা আসে আনারস কিনতে। সকাল ৮টা নাগাদ কানায় কানায় পূর্ণ হাট।

এখানে-ওখানে স্তুপ করে রাখা আনারস। দূরের পাইকাররা কিনছে আর পিকআপে বোঝাই করে নিয়ে চলে যাচ্ছে। প্রাকৃতিকভাবে আষাঢ়ের দ্বিতীয় সপ্তাহ থেকে শ্রাবণের শেষান্তে আনারস পাকার মৌসুমি। তবে সারা বছরই অল্প-স্বল্প আনারস বাজারে পাওয়া যায়। গারোবাজার, মধুপুর বাজার ও ২৫ মাইল বাজারে আনারসের বেচাকেনা হলেও জলছত্র বাজারের পাশঘেঁষে ঢাকা মহাসড়কের দুই পাশে বসে আনারসের সবচেয়ে বড় হাট। বাজার দেখা শেষ করে যেতে পারেন আনারসের বাগানের দিকে। এখানে মধুপুরের শালবন লাগোয়া গ্রামগুলোতে শুধুই আনারসের বাগান। এ সময়ে বাগানগুলোতে পাকা আনারসের আধিক্য। চোখ জুড়ানো সৌন্দর্য্যরে এসব আনারসের বাগানে বেড়াতে ভালো লাগবে।

প্রাকৃতিকভাবে আষাঢ়ের দ্বিতীয় সপ্তাহ থেকে শ্রাবণের শেষ অবধি আনারসের ভরা মৌসুম। প্রতি সপ্তাহের শুক্র ও মঙ্গলবার হাট বসে মধুপুরের জলছত্রে। ঢাকা থেকে মধুপুর যাওয়ার একমাত্র মাধ্যম সড়কপথ। ঢাকার মহাখালি বাস স্টেশন থেকে বিনিময় ও শুভেচ্ছা পরিবহনের বাস যায় মধুপুর। এছাড়া মহাখালী থেকে যেকোনো বাসে চড়ে টাঙ্গাইল সদরে এসে সেখান থেকেও সহজেই মধুপুর আসতে পারেন। মধুপুর সদর থেকে অটো রিকশা ভাড়া করে আসতে হবে জলছত্র বাজার। দিনে দিনেই ঘুরে আসা যায় মধুপুরের আনারসের হাট থেকে।

তবে আপনি যদি মধুপুরে রাত্রিযাপন করতে চান সেক্ষেত্রে মধুপুর উপজেলা সদরে আবাসিক হোটেল হল-হোটেল আদিত্য, হোটেল সৈকত, হোটেল ড্রিম টাচ ইত্যাদিতে অবস্থান করতে পারেন। এসব হোটেলে ২শ’ থেকে ৮শ’ টাকায় কক্ষ আছে। এছাড়া মধুপুরের কাছাকাছি থাকার ভালো জায়গা ধনবাড়ি নবাব প্যালেস বাংলো। এছাড়া পূর্বানুমতি নিয়ে বনবিভাগের কোনো বিশ্রামাগারে থাকতে পারলে আপনার ভ্রমণ পরিপূর্ণ হবে। জাতীয় এ উদ্যানের ভেতরে জলই, মহুয়া, বকুল, চুনিয়া কটেজ ছাড়াও দোখলা বন বিশ্রামাগারে রাত যাপন করতে সহকারী বন সংরক্ষক অথবা টাঙ্গাইল বিভাগীয় বন কার্যালয় থেকে অনুমতি নিয়ে বুকিং নিশ্চিত করতে হবে।





আরও পড়ুন



প্রধান সম্পাদকঃ
ড. মো: ইদ্রিস খান

সম্পাদক ও প্রকাশকঃ
মোঃ খায়রুল আলম রফিক

সিয়াম এন্ড সিফাত লিমিটেড
বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয়ঃ ৬৫/১ চরপাড়া মোড়, সদর, ময়মনসিংহ।
ফোন- +৮৮০৯৬৬৬৮৪, +৮৮০১৭৭৯০৯১২৫০, +৮৮০১৯৫৩২৫২০৩৭
ইমেইল- aporadhshongbad@gmail.com
(নিউজ) এডিটর-ইন-চিফ,
ইমেইল- khirulalam250@gmail.com
close