* পালিয়ে বিয়ের পর লাশ হলেন মল্লিকা            * ভোট বর্জন ভুল ছিল: ড. কামাল           * বেনাপোল সীমান্ত থেকে বিপুল পরিমান ফেন্সিডিল উদ্ধার           * জামাল খাসোগি হত্যা: ১৭ সৌদি নাগরিকের ওপর নিষেধাজ্ঞা যুক্তরাষ্ট্রের           * মানুষের অধিকার প্রতিষ্ঠায় আজীবন কাজ করেছেন মওলানা ভাসানী           * আমার স্ত্রী সত্যিই দারুণ: জাস্টিন বিবার           * চট্টগ্রাম টেস্টে নেই তামিম           * টাঙ্গাইলের দুই আসনে মনোনয়নপত্র কিনলেন কাদের সিদ্দিকী           *  নতুন আইপ্যাড আনল অ্যাপল           *  সুনামগঞ্জ পৌর মেয়রের সঙ্গে ভারতের সহকারী হাইকমিশনারের সাক্ষাৎ           * রাজশাহীতে বাস উল্টে নিহত ১, আহত ১০           * বিশ্ব ইজতেমা স্থগিত           * নবদম্পতির বিয়ের ছবি নিলামে উঠছে           * খাসোগি হত্যা ১৭ সৌদি নাগরিকের বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রের নিষেধাজ্ঞা           * স্পেনকে হারিয়ে প্রতিশোধ ক্রোয়েশিয়ার           * গণভবনে প্রধানমন্ত্রীর অনুষ্ঠান থেকে এসে মুক্তিযোদ্ধা মানিক শেখ হাসিনার যোগ্য নেতৃত্বেই সারাদেশে হবে নৌকার বিজয়            * নির্বাচন থেকে সরে গেলেন নিজামীপুত্র           *  বাইসাইকেলের ফ্রেমে ফেনসিডিল পাচার           *  কম খরচে সিসিটিভি ক্যামেরা কিনতে চান?           *  স্বল্পদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্রে তাহসান-মেহজাবিন          
* জামাল খাসোগি হত্যা: ১৭ সৌদি নাগরিকের ওপর নিষেধাজ্ঞা যুক্তরাষ্ট্রের           * মানুষের অধিকার প্রতিষ্ঠায় আজীবন কাজ করেছেন মওলানা ভাসানী           * আমার স্ত্রী সত্যিই দারুণ: জাস্টিন বিবার          

আধুনিকতার ছোঁয়ায় হারিয়ে যেতে বসেছে নড়াইলের গাঁও গ্রামের মানুষের মাটির এসি ঘর

উজ্জ্বল রায় নড়াইল জেলা প্রতিনিধি■ | মঙ্গলবার, জুন ২৬, ২০১৮
আধুনিকতার ছোঁয়ায় হারিয়ে যেতে বসেছে নড়াইলের গাঁও গ্রামের মানুষের মাটির এসি ঘর

আধুনিকতার ছোঁয়ায় হারিয়ে যেতে বসেছে নড়াইলের গাঁও গ্রামের মানুষের এসি ঘর হিসাবে খ্যাত মাটির তৈরি ঘর। ঝড়-বৃষ্টি থেকে বাঁচার পাশাপাশি প্রচুর গরম ও তীব্র শীতে আদর্শ বাস-উপযোগী মাটির তৈরি এসব ঘর নড়াইলের এলাকায় আগের মতো এখন আর তেমন একটা নজরে পড়ে না। আমাদের নড়াইল জেলা প্রতিনিধি উজ্জ্বল রায়ের রিপোটে, আধুনিকতার ছোঁয়া আর কালের আবর্তে নড়াইলের পাশ্ববর্তী প্রত্যন্ত অঞ্চলের বিভিন্ন গ্রামের ঐতিহ্যবাহী মাটির ঘর এখন হারিয়ে যেতে বসেছে।

অতীতে মাটির ঘর গরীবের শীতাতাপ নিয়ন্ত্রিত ঘর বলে পরিচিতি থাকলেও এখন আর তা থাকছে না। শুধু গরীব মানুষ কেন ৬০’র দশকের গ্রামের মোড়ল বা মাতব্বরের বাড়িতে মাটির তৈরি দ্বিতল ঘরও ছিল। সেখানে বহিরাগতদের বসবার জন্যও আলাদা ঘর থাকতো সেটাও ছিল মাটির তৈরি। মধ্যবিত্তদের বাড়ি মাটির তৈরি হলেও বিভিন্ন কারুকার্যে ভরপুর থাকতো। এসব মাটির ঘর গরমের মওসুমে আরামদায়ক ছিল তাই আরামের জন্য গ্রামের দারিদ্র মানুষের পাশাপাশি অনেক বিত্তবানরাও মাটির ঘর তৈরি করেছেন।

আমাদের নড়াইল জেলা প্রতিনিধি উজ্জ্বল রায়ের রিপোটে, জানা যায়, এসব ঘর তৈরির জন্য এঁটেল বা আঠালো মাটি কাঁদায় পরিণত করে দুই-তিন ফুট চওড়া করে দেয়াল তৈরি করা হত। ১০-১৫ফুুট উঁচু দেয়াল কাঠ বা বাঁশের সিলিং তৈরি করে তার উপর গোলপাতা, ধানের খড়-কুটো, তালপাতা, মাটির তৈরি টালি অথবা ঢেউটিনের ছাওনি দেয়া হত। আর এই মাটির ঘর অনেক সময় দোতলা-তিনতলা পর্যন্ত করা হতো। আর বাড়ির গৃহিনীরা মাটির দেয়ালে বিভিন্ন রকমের আল্পনা বা নকসা একে ঘরের সৌন্দর্য বৃদ্ধি করতেন। আমাদের নড়াইল জেলা প্রতিনিধি উজ্জ্বল রায়ের রিপোটে,তথ্য অনুসন্ধানে জানা যায়, প্রাকৃতিক দুর্যোগ ও বর্ষা মওসুমে মাটির ঘরের ক্ষতি হয় বলে বর্তমানে ইট-বালু ও সিমেন্টের ঘর নির্মানে উৎসাহী হচ্ছে মানুষ।

এক সময় এলাকার প্রত্যন্ত অঞ্চলে বিভিন্ন গ্রামের মানুষরা মাটির ঘরে বাস করতে স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করলেও প্রবল বর্ষণে মাটির ঘরের ব্যাপক ক্ষতি সাধিত হয় বলে আজ গ্রাম বাংলার মানুষের চিন্তা চেতনায় পরিবর্তন এসেছে। যদিও ভূমিকম্প বা বন্যা না হলে একটি মাটির ঘর শত বছরেরও বেশি স্থায়ী হয়। আধুনিকতার ছোঁয়া এবং কালের বিবর্তনে দলান-কোঠা বা অট্রালিকার কাছে হার মানছে মাটির ঘর। ৭০’র দশকের পর থেকে একে একে গ্রামবাংলায় তৈরি হয়েছে ইট-বালু-সিমেন্টের তৈরি বিশাল বিশাল প্রাসাদ সম অট্রালিকা।

মাটির ঘর বসবাসের জন্য আরামদায়ক হলেও যুগের পরিবর্তনে আধুনিকতার ছোঁয়ায় অধিকাংশ মানুষই মাটির ঘর ভেঙ্গে অধিক নিরাপত্তা ও স্বল্প জায়গায় অনেক লোকের বসবাসের লক্ষ্যে পাকা ইমারত নির্মান করছেন। তাই আজ আর সারা গ্রাম ঘুরেও কোথাও মাটির তৈরি ঘর খুজে পাওয়া যাবে না। যা দু’একটি আছে তাও বিদায় নিতে তৈরি হয়ে আছের্।





আরও পড়ুন



সম্পাদক ও প্রকাশকঃ
মোঃ খায়রুল আলম রফিক

বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয়ঃ ৬৫/১ চরপাড়া মোড়, সদর, ময়মনসিংহ।
ফোন- +৮৮০৯৬৬৬৮৪, +৮৮০১৭৭৯০৯১২৫০, +৮৮০১৯৫৩২৫২০৩৭
ইমেইল- aporadhshongbad@gmail.com
(নিউজ) এডিটর-ইন-চিফ,
ইমেইল- khirulalam250@gmail.com
close