* বাল্যবিয়ে রোধ করতে পারলে নারীর ক্ষমতায়ন ও মর্যাদা বৃদ্ধি পাবে           * ধনবাড়ী উপজেলা চেয়ারম্যানের অফিস থেকে টাকা চুরি, ৩ চুর আটক           *  বৌ ছাড়াই বাড়ি ফিরলেন বর           * নির্বাচনকালীন মন্ত্রিসভা না করার ইঙ্গিত প্রধানমন্ত্রীর           * নিখোঁজ বিল্লাল হোসেনের সন্ধানে দিশেহারা পরিবার           *  গফরগাঁওয়ে কেঁচোসার উৎপাদনে ভাগ্যবদল           * ময়মনসিংহ বিভাগীয় প্রেসক্লাবের ত্রি-বার্ষিকী সম্মেলন-২০১৮           * সাউথ আফ্রিকায় আগুনে পুড়ে নিহত ইব্রাহিমের জামালপুর বাড়িতে শোক           * ময়মনসিংহে দুই মোটরসাইকেলের মুখোমুখি সংঘর্ষে নিহত দুই           * ফুলবাড়ীয়ায় জুয়ার আসর থেকে মাদ্রাসা সুপার গ্রেফতার           * গারো পাহাড়ে মাল্টা ও লেবু চাষ           * ময়মনসিংহে জাতীয় নিরাপদ সড়ক দিবস উদযাপিত           * সিবিএমসিএইচবি কর্মকর্তা কর্মচারী কল্যাণ সমিতির নির্বাচন           * সকল মহলের গ্রহণযোগ্য সম্ভাব্য প্রার্থী মুক্তিযোদ্ধা মানিক            * কলকাতার জি বাংলায় আইয়ুব বাচ্চুকে শ্রদ্ধা, নোবেল গাইলেন গান            * ইমরুলের অনুপ্রেরণা আবুধাবির সেই ইনিংস           * যুদ্ধজাহাজের ওপর ভেঙে পড়ল মার্কিন হেলিকপ্টার           * আদমজী ইপিজেডে শ্রমিক-পুলিশ সংঘর্ষ           * জেনেভার পথে রাষ্ট্রপতি           * এভাবে পানি পান করছেন? জেনে নিন শরীরের যে ক্ষতি হচ্ছে           
* নির্বাচনকালীন মন্ত্রিসভা না করার ইঙ্গিত প্রধানমন্ত্রীর           * নিখোঁজ বিল্লাল হোসেনের সন্ধানে দিশেহারা পরিবার           * ময়মনসিংহে দুই মোটরসাইকেলের মুখোমুখি সংঘর্ষে নিহত দুই          

রাবি সাংবাদিকের ওপর হামলার এক বছরেও মামলার অগ্রগতি নেই

রাবি প্রতিনিধি: | মঙ্গলবার, জুলাই ১০, ২০১৮
রাবি সাংবাদিকের ওপর হামলার এক বছরেও মামলার অগ্রগতি নেই

 রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে (রাবি) সাংবাদিক আরাফাত রাহমানের উপর বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রলীগের হামলার ঘটনায় দায়ের করা মামলার অগ্রগতি না হওয়ায় ও আসামীদের শাস্তির দাবিতে মানববন্ধন করেছে সাংবাদিকরা। মঙ্গলবার দুপুর ২টায় কেন্দ্রীয় গ্রন্থাগারের সামনে বিশ্ববিদ্যালয়ের কর্মরত সাংবাদিকরা এই মানবন্ধনের আয়োজন করে।

মানববন্ধনে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় রিপোর্টার্স ইউনিটির (রুরু) সভাপতি শিহাবুল ইসলাম বলেন, আরাফাতের ওপর ছাত্রলীগের হামলার ঘটনার এক বছর পূর্ণ হলেও এখনও কোন বিচার পাইনি। সে সময় আরাফাতের ওপর যেসব ছাত্রলীগ নেতারা হামলা চালিয়েছিল তাদের কাউকে গ্রেপ্তার করেনি। এমনকি এক বছর হয়ে গেলেও তদন্ত প্রতিবেদন পর্যন্ত আদালতে দাখিল হয়নি।

এ সময় তিনি আরো বলেন, হামলার ঘটনায় জড়িতদের শাস্তির দাবিতে  বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের কাছে লিখিত অভিযোগ করা হয়েছিল। কিন্তু প্রশাসন তাদের ব্যাপারে নিরব ভূমিকা পালন করছে।

রাবি সংবাদিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক জহিরুল ইসলাম জাহিদ বলেন, শুধু আরাফাতের ওপর নয় সাম্প্রতিক সময়ে জগন্নাথ এবং চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়েও সাংবাদিকদের ওপর ছাত্রলীগ হামলা চালিয়েছে। সারাদেশে ধারাবাহিকভাবে সাংবাদিকদের ওপর হামলার ঘটনা বেড়েই চলেছে। কিন্তু কোনো ঘটনারই বিচার হচ্ছেনা।

রাবি প্রেসক্লাবের সভাপতি রবিউল ইসলাম তুষার বলেন, এক বছর আগে আরাফাতের উপর যে ছাত্রলীগ নেতারা হামলা করেছিল তাদের শাস্তি না হওয়ায় সাংস্কৃতিক কর্মীসহ সাধারণ শিক্ষার্থীদের উপর ওই ছাত্রলীগ নেতারা আবার হামলা করেছে। এভাবে বার বার হামলার ঘটনা ঘটালেও তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ না করা দুঃখজনক।

রিপোর্টার্স ইউনিটির সাধারণ সম্পাদক আলী ইউনুস হৃদয়ের সঞ্চালনায় মানববন্ধনে বক্তব্য দেন রিপোর্টার্স ইউনিটির সাবেক সাধারণ সম্পাদক হুসাইন মিঠু, প্রচার সম্পাদক আহমেদ ফরিদ, রাবি সাংবাদিক সমিতির সহ-সভাপতি রাশেদ রিন্টু, রাবি প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক মানিক রায়হান বাপ্পি ও সাবেক সাধারণ সম্পাদক ইমদাদুল হক সোহাগ। এ সময় রাবি গণযোগাযোগ ও সাংবাদিতকা বিভাগের শিক্ষার্থী ও রাবিতে কর্মরত প্রায় শতাধিক সাংবাদিক উপস্থিত ছিলেন।   

তদন্তের বিষয়ে জানতে চাইলে মামলার তদন্ত কর্মকর্তা এসআই রায়হান বলেন, ভ্ক্তুভোগীর চিকিৎসা প্রতিবেদন হাতে পেয়েছি। মামলার তদন্ত কার্যক্রম প্রায় শেষের দিকে। আশা করছি এ মাসের মধ্যে তদন্ত প্রতিবেদন জমা দিতে পারব।

বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অধ্যাপক লুৎফর রহমান বলেন, দায়িত্ব নেয়ার পরে আরাফাত রাহমানের পক্ষ থেকে কোন লিখিত অভিযোগ আসেনি। আমার জানা মতে এটা গত প্রক্টরের সময়ের ঘটনা। এ বিষয়ে আমি কিছু জানি না।

দায়িত্ব হস্তান্তর হলে নতুন করে আবেদন দিতে হয় কিনা এমন প্রশ্নে প্রক্টর বলেন, পূর্বের অভিযোগের কাগজ কে কোথায় রাখছে আমি জানি না।

গত বছরের ১০ জুলাই বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান ফটকের সামনে দেশ ট্রাভেলসের বাস ভাঙচুরের ছবি তোলার সময় আরাফাতের ওপর হামলা করে বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা। ওই দিনই বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন বরাবর লিখিত অভিযোগ দেয়া হয়। এছাড়া হামলায় অংশ নেয়া ছাত্রলীগ নেতাদের বিরুদ্ধে নগরীর মতিহার থানায় হত্যাচেষ্টা মামলা দায়ের করা হয়।

দায়েরকৃত ওই মামলায় বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগের চার নেতার নাম উল্লেখসহ অজ্ঞাত ১০ জনের নামে হত্যাচেষ্টা মামলা দায়ের করা হয়। ছাত্রলীগ নেতারা হলেন, সহ-সভাপতি আহমেদ সজীব, আইনবিষয়ক সম্পাদক সাইফুল ইসলাম বিজয়, তথ্য ও গবেষণা বিষয়ক সম্পাদক মাহমুদুর রহমান কানন এবং সাংগঠনিক সম্পাদক হাসান লাবন।

এছাড়া হামলার ওই দিন রাতেই হামলার ঘটনায় সাইফুল ইসলাম বিজয় ও মাহমুদুর রহমান কাননকে শৃঙ্খলা ভঙ্গের দায়ে সংগঠন থেকে স্থায়ীভাবে বহিষ্কার করে কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগ। পরে ওই বছরের নভেম্বর মাসে ছাত্রলীগের তথ্য ও গবেষণা বিষয়ক সম্পাদক মাহমুদুর রহমান কাননের বহিষ্কারাদেশ প্রত্যাহার করা হয় এবং চলতি বছরের ৪ ফেব্রুয়ারি ছাত্রলীগের আইন বিষয়ক সম্পাদক সাইফুল ইসলাম বিজয়ের বহিষ্কারাদেশ প্রত্যাহার করে নেয় ছাত্রলীগ।


রাবি প্রতিনিধি: রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে (রাবি) সাংবাদিক আরাফাত রাহমানের উপর বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রলীগের হামলার ঘটনায় দায়ের করা মামলার অগ্রগতি না হওয়ায় ও আসামীদের শাস্তির দাবিতে মানববন্ধন করেছে সাংবাদিকরা। মঙ্গলবার দুপুর ২টায় কেন্দ্রীয় গ্রন্থাগারের সামনে বিশ্ববিদ্যালয়ের কর্মরত সাংবাদিকরা এই মানবন্ধনের আয়োজন করে।

মানববন্ধনে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় রিপোর্টার্স ইউনিটির (রুরু) সভাপতি শিহাবুল ইসলাম বলেন, আরাফাতের ওপর ছাত্রলীগের হামলার ঘটনার এক বছর পূর্ণ হলেও এখনও কোন বিচার পাইনি। সে সময় আরাফাতের ওপর যেসব ছাত্রলীগ নেতারা হামলা চালিয়েছিল তাদের কাউকে গ্রেপ্তার করেনি। এমনকি এক বছর হয়ে গেলেও তদন্ত প্রতিবেদন পর্যন্ত আদালতে দাখিল হয়নি।

এ সময় তিনি আরো বলেন, হামলার ঘটনায় জড়িতদের শাস্তির দাবিতে  বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের কাছে লিখিত অভিযোগ করা হয়েছিল। কিন্তু প্রশাসন তাদের ব্যাপারে নিরব ভূমিকা পালন করছে।

রাবি সংবাদিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক জহিরুল ইসলাম জাহিদ বলেন, শুধু আরাফাতের ওপর নয় সাম্প্রতিক সময়ে জগন্নাথ এবং চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়েও সাংবাদিকদের ওপর ছাত্রলীগ হামলা চালিয়েছে। সারাদেশে ধারাবাহিকভাবে সাংবাদিকদের ওপর হামলার ঘটনা বেড়েই চলেছে। কিন্তু কোনো ঘটনারই বিচার হচ্ছেনা।

রাবি প্রেসক্লাবের সভাপতি রবিউল ইসলাম তুষার বলেন, এক বছর আগে আরাফাতের উপর যে ছাত্রলীগ নেতারা হামলা করেছিল তাদের শাস্তি না হওয়ায় সাংস্কৃতিক কর্মীসহ সাধারণ শিক্ষার্থীদের উপর ওই ছাত্রলীগ নেতারা আবার হামলা করেছে। এভাবে বার বার হামলার ঘটনা ঘটালেও তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ না করা দুঃখজনক।

রিপোর্টার্স ইউনিটির সাধারণ সম্পাদক আলী ইউনুস হৃদয়ের সঞ্চালনায় মানববন্ধনে বক্তব্য দেন রিপোর্টার্স ইউনিটির সাবেক সাধারণ সম্পাদক হুসাইন মিঠু, প্রচার সম্পাদক আহমেদ ফরিদ, রাবি সাংবাদিক সমিতির সহ-সভাপতি রাশেদ রিন্টু, রাবি প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক মানিক রায়হান বাপ্পি ও সাবেক সাধারণ সম্পাদক ইমদাদুল হক সোহাগ। এ সময় রাবি গণযোগাযোগ ও সাংবাদিতকা বিভাগের শিক্ষার্থী ও রাবিতে কর্মরত প্রায় শতাধিক সাংবাদিক উপস্থিত ছিলেন।   

তদন্তের বিষয়ে জানতে চাইলে মামলার তদন্ত কর্মকর্তা এসআই রায়হান বলেন, ভ্ক্তুভোগীর চিকিৎসা প্রতিবেদন হাতে পেয়েছি। মামলার তদন্ত কার্যক্রম প্রায় শেষের দিকে। আশা করছি এ মাসের মধ্যে তদন্ত প্রতিবেদন জমা দিতে পারব।

বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অধ্যাপক লুৎফর রহমান বলেন, দায়িত্ব নেয়ার পরে আরাফাত রাহমানের পক্ষ থেকে কোন লিখিত অভিযোগ আসেনি। আমার জানা মতে এটা গত প্রক্টরের সময়ের ঘটনা। এ বিষয়ে আমি কিছু জানি না।

দায়িত্ব হস্তান্তর হলে নতুন করে আবেদন দিতে হয় কিনা এমন প্রশ্নে প্রক্টর বলেন, পূর্বের অভিযোগের কাগজ কে কোথায় রাখছে আমি জানি না।

গত বছরের ১০ জুলাই বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান ফটকের সামনে দেশ ট্রাভেলসের বাস ভাঙচুরের ছবি তোলার সময় আরাফাতের ওপর হামলা করে বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা। ওই দিনই বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন বরাবর লিখিত অভিযোগ দেয়া হয়। এছাড়া হামলায় অংশ নেয়া ছাত্রলীগ নেতাদের বিরুদ্ধে নগরীর মতিহার থানায় হত্যাচেষ্টা মামলা দায়ের করা হয়।

দায়েরকৃত ওই মামলায় বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগের চার নেতার নাম উল্লেখসহ অজ্ঞাত ১০ জনের নামে হত্যাচেষ্টা মামলা দায়ের করা হয়। ছাত্রলীগ নেতারা হলেন, সহ-সভাপতি আহমেদ সজীব, আইনবিষয়ক সম্পাদক সাইফুল ইসলাম বিজয়, তথ্য ও গবেষণা বিষয়ক সম্পাদক মাহমুদুর রহমান কানন এবং সাংগঠনিক সম্পাদক হাসান লাবন।

এছাড়া হামলার ওই দিন রাতেই হামলার ঘটনায় সাইফুল ইসলাম বিজয় ও মাহমুদুর রহমান কাননকে শৃঙ্খলা ভঙ্গের দায়ে সংগঠন থেকে স্থায়ীভাবে বহিষ্কার করে কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগ। পরে ওই বছরের নভেম্বর মাসে ছাত্রলীগের তথ্য ও গবেষণা বিষয়ক সম্পাদক মাহমুদুর রহমান কাননের বহিষ্কারাদেশ প্রত্যাহার করা হয় এবং চলতি বছরের ৪ ফেব্রুয়ারি ছাত্রলীগের আইন বিষয়ক সম্পাদক সাইফুল ইসলাম বিজয়ের বহিষ্কারাদেশ প্রত্যাহার করে নেয় ছাত্রলীগ।




আরও পড়ুন



সম্পাদক ও প্রকাশকঃ
মোঃ খায়রুল আলম রফিক

সিয়াম এন্ড সিফাত লিমিটেড
বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয়ঃ ৬৫/১ চরপাড়া মোড়, সদর, ময়মনসিংহ।
ফোন- +৮৮০৯৬৬৬৮৪, +৮৮০১৭৭৯০৯১২৫০, +৮৮০১৯৫৩২৫২০৩৭
ইমেইল- aporadhshongbad@gmail.com
(নিউজ) এডিটর-ইন-চিফ,
ইমেইল- khirulalam250@gmail.com
close