* ঘূর্ণিঝড় ‘দেয়ি’ : ৩ নম্বর সঙ্কেত বহাল            * নূপুর আছে মরিয়ম নেই, রাজহাঁসের বুকের ২ টুকরা মাংস নেই           * বাকৃবিতে কর্মকর্তা কর্মচারীদের বিক্ষোভ           * বিসিএস উত্তীর্ণ মেয়েকে উদ্ধারে থানার সামনে অবস্থান বাবা-মায়ের           * ক্লান্ত মাশরাফিদের সামনে সতেজ ভারত           * নিউইয়র্কের উদ্দেশে সকালে ঢাকা ছাড়ছেন প্রধানমন্ত্রী           *  প্রতারক কামাল-মাসুদ এর বিরুদ্ধে চার মামলা            * হালুয়াঘাটে পুলিশের হাতে ফের আটক-৬           *  ঝিনাইগাতীতে বাবা শ্রেষ্ঠ শিক্ষক মেয়ে সেরা শিক্ষার্থী           * ভারত থেকে প্রশিক্ষন প্রাপ্ত ২০ টি ঘোড়া আমদানী           *  ফুলপুরে ৭৭ জন ভিক্ষুকের মাঝে সেলাই মেশিন বিতরণ            * কেন্দুয়ায় নারী বিসিএস ক্যাডারকে অপহরণের অভিযোগ           * মাদ্রাসায় জোড়া খুন: পরিচালকের বিরুদ্ধে মামলা           * তরুণীরা আবেদনময়ী সেলফি তোলেন কেন?            * মাথাপিছু আয় বেড়েছে ১৬,৩৮৮ টাকা           * সৌন্দর্যের গোপন রহস্য জানালেন শ্রীদেবীর মেয়ে            * নবনিযুক্ত দুই রাষ্ট্রদূতের রাষ্ট্রপতির কাছে পরিচয়পত্র পেশ           * শ্রীলঙ্কার দুর্দিন দেখে অবসর ভেঙে ফেরার ইঙ্গিত দিলশানের            * স্মার্টফোনের আসক্তি কাটানোর নয়া অস্ত্র           * আলোচনায় বসতে মোদিকে ইমরানের চিঠি          
* ঘূর্ণিঝড় ‘দেয়ি’ : ৩ নম্বর সঙ্কেত বহাল            * বাকৃবিতে কর্মকর্তা কর্মচারীদের বিক্ষোভ           * বিসিএস উত্তীর্ণ মেয়েকে উদ্ধারে থানার সামনে অবস্থান বাবা-মায়ের          

‘ফাউ’ ধান পেয়ে খুশি শেরপুরের হাজারও কৃষক

অপরাধ সংবাদ ডেস্ক | সোমবার, জুলাই ১৬, ২০১৮
‘ফাউ’ ধান পেয়ে খুশি শেরপুরের হাজারও কৃষক

বোরো ধান গাছের দেড়-দুই ফুট উঁচুতে ধান কাটার সাত থেকে আট দিনের মধ্যে মোথা বা গোড়ায় কুশি বের হয়। এর ১০ থেকে ১৫ দিনের মধ্যে আবার গোড়ার মধ্যে আসে শীষ। শীষ আসার ২০ থেকে ২৫ দিন পর পাকে ধান। কৃষকরা একে পরঙ্গা (পরে পাওয়া), বোনাস বা ফাউ ধান বলছে। কৃষি বিভাগের ভাষায় যা রোটেন ক্রপ বা মুড়ি ধান। বিনা খরচে একরপ্রতি ১৪-১৫ মণ মুড়ি ধান উৎপাদন করতে পেরে খুব খুশি শেরপুরের কৃষকেরা।

কোথাও কোথাও একরপ্রতি ১৮ থেকে ২০ মণও ধান হয়েছে। এই ধান বিক্রির মাধ্যমে বাড়তি আয় করতে পারছে কৃষকরা।

জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর সূত্র জানায়, চলতি বছর আবহাওয়া অনুকূলে থাকায় মুড়ি ধানের ফলন তুলনামূলকভাবে বেশি হয়েছে। এর মধ্যে নালিতাবাড়ী উপজেলায় সবচেয়ে বেশি মুড়ি ধান হয়েছে। উপজেলার পোড়াগাঁও, নন্নী, রামচন্দ্রকুড়া, কাকরকান্দি, নালিতাবাড়ী সদর, মরিচপুরান ও বাঘবেড় ইউনিয়নের কৃষকরা আশানুরূপ ফলন পেয়েছে।

অন্যদিকে ঝিনাইগাতী উপজেলায় ৩০০ বিঘা জমিতে হয়েছে এই ধানের আবাদ। এই ধান উৎপাদন করতে কৃষকের সার, তেল, বীজ, কীটনাশক কোনোটিই লাগেনি। কেবল ধান কাটার পর মাড়াই করেছে তারা।

নালিতাবাড়ীর বিন্নিবাড়ী গ্রামের কৃষক নজরুল ঢাকাটাইমসকে বলেন, ‘আমার ১০ কাঠা জমিতে ইবার হিরা জাতের বোরো ধান লাগাইছিলাম। আগে পাইছি ২৫ মণ আর ফাউ ধান হিসাবে আরো পাইছি সাত মণ। এই ধান পাইয়া আমি খুব খুশি।’

কালাকুমা গ্রামের মোস্তফা ঢাকাটাইমসকে বলেন, ‘সাত কাডা (কাঠা) জমিতে পাইওনিয়ার জাতের বোরো ধান লাগাইয়া ২০ মণ ফলন পাইছিলাম। অহন কাটা ধানের মুছি (গোড়া) থাইক্কা কোনো যত্ন ছাড়াই ধান পাইছি আরও পাঁচ মণ। এই ধান বেচার টাকা দিয়া আমন ধানের বীজতলা তৈয়ারি করছি। চাষাবাদের জন্য খরচের চিন্তা করতে অইতাছে না। আমার মতো আরো হাজারো কৃষক এমন সুবিধা পাইছে।’

ঝিনাইগাতীর হাতীবান্ধা গ্রামের আবুল হাশেম ঢাকাটাইমসকে বলেন, ‘বোরো ধানের চারার গুছি থাইক্কা যে চারা গজায় তা রাইখা দিছিলাম। মাত্র দেড় মাসেই  কোনো পরিচর্যা ছাড়া মুড়ি ধানের ফলন কাটা হইছে।’

একই গ্রামের কৃষক মোশারফ হোসেন বলেন, তার ২২ কাঠা জমিতে মুড়ি ধান হয়েছে ১৫ মণ। শুধু ধান কাটানোর ব্যয় ছাড়া পুরোটাই লাভ হয়েছে বলে জানান তিনি। 

মূল ধান কাটার পর ৪৫ থেকে ৫০ দিনের মধ্যেই মুড়ি ধান কাটতে পারে কৃষকরা এমনটা জানিয়ে নালিতাবাড়ী উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা শরীফ ইকবাল ঢাকাটাইমসকে বলেন, ‘যেসব জমিতে ধান গাছ দেড়-দুই ফুট উঁচুতে কাটা হয়েছে সেসব জমিতে মুড়ি ধান পাওয়া যায়। উপজেলায় এ বছর  বোরো ধান কাটা হয় মে মাসের শুরুতে। আর মুড়ি ধান কাটা শুরু হয় জুন মাসের শেষ সপ্তাহে। চলতি মৌসুমে মুড়ি ধান আবাদে কৃষকদের উৎসাহিত করতে লিফলেট বিতরণ করা হয়েছে। ফলনও হয়েছে আশাজাগানিয়া। মুড়ি ধানকে আউশের বিকল্প লাভজনক ফসল হিসেবেও ভাবা হচ্ছে।’

এ সম্পর্কে জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক কৃষিবিদ আশরাফ উদ্দিন ঢাকাটাইমসকে বলেন, ‘ফাউ ধান পেয়ে কৃষকরা দ্বিগুণ উৎসাহিত হয়েছে। এই ধানের পরিমাণ বাড়াতে বোরো ধান কেটে ফেলার পর সেই জমিতে বিঘাপ্রতি পাঁচ কেজি ইউরিয়া ও পাঁচ কেজি পটাশ সার দেওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে তাদের। তাছাড়া গরু-ছাগল যাতে ক্ষেত নষ্ট না করতে পারে সে জন্য ক্ষেতের চারদিকে ঘের দিয়ে ধানগাছ রক্ষার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।’





আরও পড়ুন



প্রধান সম্পাদকঃ
ড. মো: ইদ্রিস খান

সম্পাদক ও প্রকাশকঃ
মোঃ খায়রুল আলম রফিক

সিয়াম এন্ড সিফাত লিমিটেড
বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয়ঃ ৬৫/১ চরপাড়া মোড়, সদর, ময়মনসিংহ।
ফোন- +৮৮০৯৬৬৬৮৪, +৮৮০১৭৭৯০৯১২৫০, +৮৮০১৯৫৩২৫২০৩৭
ইমেইল- aporadhshongbad@gmail.com
(নিউজ) এডিটর-ইন-চিফ,
ইমেইল- khirulalam250@gmail.com
close