* বঙ্গবন্ধু প্রজন্মলীগ রাবি শাখার আনুষ্ঠানিক যাত্রা শুরু           * গাজীপুর কাপাসিয়া যানজট নিরসনে ট্রাফিক ব্যবস্থা চালু           * গাজীপুরে প্রশাসনের আপত্তিতে জেলা ইজতেমা প্রথম দিনেই সম্পন্ন           * কাঁদতে কাঁদতে পরীক্ষা দিলো তৈশী           * নেত্রকোনা-৩ অবশেষে মানিকের ভাগ্যেই জুটবে নৌকা এ আশাই তৃণমূলের           * সাত বছরের সাজার বিরুদ্ধে খালেদার আপিল           *  খুলনা-২ শেখ জুয়েলের জন্য মাঠ ছাড়লেন এমপি মিজান           *  ইয়াবাসহ বহিষ্কৃত এএসআই গ্রেপ্তার           *  ভোটেও নেই ফালু           *  কুড়িগ্রামে পারিবারিক কলহের জেরে বৃদ্ধের আত্মহত্যা           *  নেত্রকোণায় তরুণীর লাশ উদ্ধার           *  সংসদে আটটি আসন দাবি হিজড়াদের           * প্রাথমিক সমাপনী পরীক্ষা শুরু           *  দীপিকার জন্য সুখবর           *  নিষেধাজ্ঞা মোকাবেলায় বহুমুখী পরিকল্পনা রয়েছে: ইরান           *  সবার আগে সেমিতে পর্তুগাল           * পালিয়ে বিয়ের পর লাশ হলেন মল্লিকা            * ভোট বর্জন ভুল ছিল: ড. কামাল           * বেনাপোল সীমান্ত থেকে বিপুল পরিমান ফেন্সিডিল উদ্ধার           * জামাল খাসোগি হত্যা: ১৭ সৌদি নাগরিকের ওপর নিষেধাজ্ঞা যুক্তরাষ্ট্রের          
*  খুলনা-২ শেখ জুয়েলের জন্য মাঠ ছাড়লেন এমপি মিজান           *  কুড়িগ্রামে পারিবারিক কলহের জেরে বৃদ্ধের আত্মহত্যা           *  নেত্রকোণায় তরুণীর লাশ উদ্ধার          

ময়মনসিংহ প্রতিদিন সম্পাদকের বিরুদ্ধে মামলা প্রশ্নবিদ্ধ

অপরাধ সংবাদ ডেস্ক | বৃহস্পতিবার, আগস্ট ৩০, ২০১৮
ময়মনসিংহ প্রতিদিন সম্পাদকের বিরুদ্ধে মামলা প্রশ্নবিদ্ধ
মচিমহা উপ-পরিচালক ঘটনা জানেন না, ভাংচুরের আলামত নেই ॥ বাদীও আলমত সংগ্রহ করে দিতে পারেনি ॥ তবুও পিবিআই এর প্রতিবেদন ॥
ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের রান্নাঘরে ভাংচুরে ও খাদ্য ঠিকাদার হাসেম আলী জিন্সের পকেট থেকে ৩০ হাজার টাকা ছিনিয়ে নেয়ার ঘটনা ঘটায় মাত্র একজন লোক! এ ব্যাপারে ঠিকাদার হাসেম আলী বাদী হয়ে কোর্টে মামলা দেন।

মামলার বিবাদী ময়মনসিংহের বহুল প্রচারিত দৈনিক ময়মনসিংহ প্রতিদিনের ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক, অনলাইন নিউজ পেপার অপরাধ সংবাদের সম্পাদক ও চ্যানেল ৫২ টিভি এর চেয়ারম্যান মোঃ খায়রুল আলম রফিক।


মামলার প্রতিবেদন দিয়েছেন পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন পিবিআই। ময়মনসিংহ প্রতিদিন সম্পাদকের বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা ও পিআইবির তদন্ত প্রতিবেদনের সত্যতা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। সাংবাদিক সমাজ এতে বিস্ময় ও উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন। ময়মনসিংহসহ সারাদেশে তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদের ঝড় উঠেছে।

মানববন্ধন হচ্ছে জেলা, উপজেলায়। প্রধানমন্ত্রী বরাবরে জেলা প্রশাসক ও পুলিশ সুপারের মাধ্যমে স্মারক লিপি প্রদান করা হয়েছে।

পিআইবির তদন্ত প্রতিবেদন পুনরায় তদন্তের দাবি জানিয়ে সাংবাদিকরা বলেছেন প্রতিবেদনটি প্রভাবিত ও বিতর্কিত। আন্দোলনরত সাংবাদিকরা মিথ্যা মামলা প্রত্যাহারের দাবি জানিয়েছেন। মচিমহায় রান্না ঘরে ভাংচুর ও টাকা ছিনতাইয়ের দায়ে বাদী যে সম্পাদকের বিরুদ্ধে মামলা দেন, ওই সম্পাদকের পত্রিকায় মচিমহা ও হাসপাতালের খাদ্য বিভাগের ঠিকাদারের অনিয়ম দুর্নীতির খবর প্রকাশিত হয়।

এতেই বিক্ষুব্ধ হয়ে সম্পাদককে হয়রানী ও ভাবমূর্তি খর্ব করতে মিথ্যা ঘটনায় ভিত্তিহীন অভিযোগে মামলা দেয়া হয়। ঘটনার এখানেই শেষ নয়, বরং আশ্চর্যের বিষয় ভিত্তিহীন ঘটনায় তদন্ত প্রতিবেদন দেয়া হয়েছে।

এই প্রথম পিবিআই তদন্তের সত্যতা নিয়ে সন্দেহ সৃষ্টি হয়েছে। সাংবাদিকরা ওই প্রতিবেদনের সত্যতা প্রত্যাখ্যান করে প্রতিবাদ জানিয়েছেন।

জনপ্রিয় দৈনিকের সম্পাদক রফিকের বিরুদ্ধে মামলাটি কেন উদ্দেশ্যমূলক ও মিথ্যা ? গত ২ এপ্রিল ২০১৮ মামলায় ঘটনার সময় দেখানো হয় বেলা ১২টা। স্থান হাসপাতালের পরিচালক অফিস সংলগ্ন রান্না ঘরে।

স্থানটি হাসপাতালের পুলিশ ক্যাম্প ও আনসার ক্যাম্প সংলগ্ন। এলাকাটি সিসি ক্যামেরা নিয়ন্ত্রিত। রান্না ঘরে ১৫/২০ জন স্টাফ থাকেন। ঘটনার সময় হাসপাতালে কর্মকর্তা, কর্মচারীরা ছিলেন, পুলিশ ফাঁড়িতে টিএসআই, ১ জন, এটিএসআই ১ও ১৪ জন কনষ্টেবল, আনসার ক্যাম্পে কমান্ডার (পিসি) সহ ৫৬ জন স্টাফ থাকেন।

সেই জনারন্যে হাসপাতালের রান্না ঘরে একজন ‘সন্ত্রাসী’ ঢুকে ভাংচুর চালাবে, আর কেউ তাকে আটক করবে না? বা হাসপাতালের সিকিউরিটি তৎপর হবে না-সেটি কি হয় ? ঠিকাদার হাসেম আলীর মামলার বিবরনে সেটিই দেখা যায়। মামলার বিবরণ মতে সাংবাদিক রফিক একাই হাসপাতালের রান্না ঘরে ভাংচুর চালান!

ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের উপ-পরিচালক ডা: লক্ষী নারায়ন এর মতে, হাসাপাতালে এ ধরনের ঘটনা ঘটলে কর্তৃপক্ষই ব্যবস্থা নিবেন, এটাই স্বাভাবিক। হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ এ ঘটনায় সাংবাদিকের বিরুদ্ধে কোন মামলা দেয়নি।

তার জানামতে এ ধরনের ঘটনা ঘটেছে বলে তার জানা নেই বলে সাংবাদিকদের জানান যাহা রেকর্ড ও ভিডিও করা আছে। হাসপাতাল পুলিশ ক্যাম্পের ও আনসার ক্যাম্পের সংশ্লিষ্টরাও এ ধরনের কোন ঘটনা ঘটেনি বলে জানান। মামলার বাদী মাত্র ১ জন ছাড়া বাদ বাকী সাক্ষীর নাম দিয়েছেন যারা হাসপাতালের লোক নন, বহিরাগত।

বাদী হাসেম ৩৭ বছর ধরে মচিমহায় বাবুর্চি থেকে এখন কোটিপতি ঠিকাদার। তার উপর হামলা হলো আর কেউ এগিয়ে এলো না ! কারণ কি ? ঘটনাস্থলে কর্মরত হাসপাতালের কোন স্টাফকে সাক্ষী হিসাবে তিনি দাড় করাতে পারেননি। সরকারী প্রতিষ্ঠানে ভাংচুর হলে পাবলিক বাদী হয়ে মামলার সুযোগ নেই।

আর এ ঘটনার কোন সংবাদও কোন একটি পত্রিকায় প্রকাশ হয়নি। নীরব ভাংচুরের শব্দ মিথ্যা মামলা হিসেবে প্রকাশিত হয়েছে মাত্র। বাদী একজন দুর্নীতিবাজ ঠিকাদার। হাসপাতালে খাদ্যে ভেজাল, নি¤œমান, অনিয়ম ও দুর্নীতি করে কোটি কোটি টাকা হাতিয়ে নিচ্ছেন। যার ভাগ যার সংশ্লিষ্ট প্রশাসনের দুর্নীতিবাজ বিভিন্ন স্তরে।

যে দুর্নীতি ফাঁস করে দেয়াটাই ছিল ময়মনসিংহ প্রতিদিন সম্পাদক খায়রুল আলম রফিকের অপরাধ। জনস্বার্থে দুর্নীতি বিরোধী খবর প্রকাশ করার দায়ে সাংবাদিক রফিক আজ দুর্নীতিবাজদের টার্গেট, ষড়যন্ত্র ও মিথ্যা মামলার আসামি। সাংবাদিক খায়রুল আলম রফিক বাংলাদেশ অনলাইন সাংবাদিক কল্যাণ ইউনিয়ন-বসকো’র ২ বার নির্বাচিত সাধারণ সসম্পাদক।

সারাদেশে বসকোর সদস্য সংখ্যা ৪১০৫ জন সাংবাদিক। সারা দেশে ৬১ জেলায় বসকোর কমিটির রয়েছে। ১২৯ উপজেলা, ৪টি মহানগর ও ৩টি বিভাগের বসকোর কমিটি রয়েছে। যার নেতৃত্ব দিচ্ছেন খায়রুল আলম রফিক।

যিনি ময়মনসিংহ থেকে প্রকাশিত জনপ্রিয় পত্রিকা ময়মনসিংহ প্রতিদিনের সম্পাদক এবং সারা দেশের অনলাইন নিউজ পোটালগুলোর সম্পাদক পরিষদের সাধারণ সম্পাদক। ময়মনসিংহ বিভাগীয় প্রেসক্লাবের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক।

ময়মনসিংহ বিভাগের প্রথম অনলাইন নিউজ পোর্টাল অপরাধ সংবাদের সম্পাদক। যিনি মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় বিশ্বাসী এবং মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বাধীন সরকারের উন্নয়ন ধারা সংবাদ প্রচারে দায়িত্বশীলতার পরিচয় দিয়েও সবার কাছে নিজের ইমেজ প্রতিষ্ঠা করেছেন।

অথচ মচিমহার দুর্নীতিবাজচক্র তার সাহসী কলম স্তব্ধ করে দেবারি ষড়যন্ত্রে তার বিরুদ্ধে দ্রুত বিচার আইনে মামলা দিয়েছে। সবচেয়ে আশ্চর্য ও দুঃখের বিষয় হয়ে দাড়িয়েছে পিবিআই এর তথাকথিত প্রতিবেদন। ময়মনসিংহ বিজ্ঞ দ্রুত বিচার আদালতের মামলা নং ৪৭/১৮ এর তদন্ত ভার ন্যস্ত হয় পিবিআই এর উপর।

তদন্তকারী কর্মকর্তা এস আই আবু সালেক। গত ৩/৫/১৮ তারিখে তদন্ত প্রতিবেদন দেন।

যা ফরোয়ার্ড করেন এডিশনাল এসপি পিবিআই আবু বকর সিদ্দিক। প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয় ‘ঘটনার বিষয়ে আলামত জব্দের চেষ্টা করিলাম। কোন আলমত না পাওয়ায় জব্দ করা সম্ভব হইল না। এমন কি বাদী অত্র মামলা সক্রান্তে কোন আলামত উপস্থাপন করিতে পারেন নি। কিন্তু তদন্ত

প্রতিবেদনের মতামতে উল্লেখ করা হয়-“আইন-শৃঙ্খলা বিঘ¥কারী দ্রুত বিচার আইন ২০০২ সংশোধন ১৪ এর ৪ ধারায় প্রাথমিকভাবে অপরাধ প্রমাণিত হয়েছে। তদন্তকালে অন্য কাউকে সনাক্ত করতে না পারায় উক্ত আইনের ৫ ধারায় অপরাধ প্রমাণিত হয় নাই। তদন্তকারী পিবিআই কর্মকর্তা মামলার বাদীর মানিত ৮

সাক্ষীর মধ্যে দুয়েকজনের সাক্ষ্য নেন। তবে তিনি বহিরাগত বেশ ক’জনের সাক্ষী নেন যা রহস্যজনক। মামলা ও তদন্ত প্রতিবেদনে খায়রুল আলম রফিকের পেশা বা সাংবাদিক পরিচয় উদ্দেশ্যমূলক ভাবে গোপন করা হয়। ফলে মামলার তদন্ত প্রভাবিত হয়েছে বলেই প্রতীয়মান হয়। হাসপাতালের দুর্নীতির খবর প্রকাশ করায়

মচিমহায় পরিচালক ব্রি. জে. নাসির উদ্দিন আহমেদ নিজেও ক্ষুব্ধ হয়ে সাংবাদিকের বিরুদ্ধে হুমকি দেন এবং ধারণা করা হচ্ছে দুর্নীতিবাজ ঠিকাদার হাসেমের পক্ষে প্রভাবশালী মহল

ষড়যন্ত্র ও প্রভাব বিস্তার করায় সাংবাদিকের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্রমূলক মিথ্যা মামলা ও প্রভাবিত তদন্ত প্রতিবেদন হয়েছে। যাতে পেশাগত দায়িত্বপালনে সাংবাদিককে হয়রানী ও মিথ্যা মামলার শিকার হতে হয়েছে।




আরও পড়ুন



সম্পাদক ও প্রকাশকঃ
মোঃ খায়রুল আলম রফিক

বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয়ঃ ৬৫/১ চরপাড়া মোড়, সদর, ময়মনসিংহ।
ফোন- +৮৮০৯৬৬৬৮৪, +৮৮০১৭৭৯০৯১২৫০, +৮৮০১৯৫৩২৫২০৩৭
ইমেইল- aporadhshongbad@gmail.com
(নিউজ) এডিটর-ইন-চিফ,
ইমেইল- khirulalam250@gmail.com
close