*  কক্সবাজারে ‘বন্দুকযুদ্ধে’ দুই মাদক বিক্রেতা নিহত           *  মনোহরদীতে গৃহবধূর গলাকাটা লাশ উদ্ধার           * ইসলামপুরে ট্রাক চাপায় চা ব্যবসায়ীর মৃত্যু           * বেনাপোল সীমান্ত থেকে নাইজেরিয়ান নাগরিক ও হুন্ডি ব্যাবসায়ী আটক           *  কেন্দুয়ায় গ্রাম পুলিশ সদস্যদের ওসি যেখানেই বিশৃঙ্খলা সেখানেই পুলিশ থাকবে            * ঝিনাইগাতীতে এসএসসি পরীক্ষার ফরম পূরণের দাবিতে শিক্ষার্থীদের বিক্ষোভ            * গফরগাঁও ২২০ বিএনপি নেতাকর্মীর আগাম জামিন           * প্রধানমন্ত্রীকন্যা পুতুলকে মন্ত্রিসভার অভিনন্দন           * মানুষ বলবে, শামীম ওসমান পাগল ছিল            * নতুন খবর দিলেন অপু বিশ্বাস            * যুক্তরাষ্ট্রে হাসপাতালে বন্দুকধারীর হামলা: নিহত ৪           * বাংলাদেশ-ওয়েস্ট ইন্ডিজের মধ্যকার পরিসংখ্যান           * আবুধাবিতে নিউজিল্যান্ডের রুদ্ধশ্বাস জয়           *  চার হাজারে ফোরজি ফোন দিচ্ছে রবি           *  দাদি হলেন মমতাজ           *  ছয় মাস পর্ন সাইট বন্ধের নির্দেশ হাইকোর্টের           * সাত খুন মামলার রায়ের পূর্ণাঙ্গ অনুলিপি প্রকাশ           * হারানো সন্তানকে খুঁজে ফিরছেন বাবা-মা           *  ময়মনসিংহের নান্দাইলে দিনমজুরকে পিটিয়ে হত্যা           * নেত্রকোনায় পিএসসিতে অনুপস্থিত ৪ হাজার শিক্ষার্থী          
*  কক্সবাজারে ‘বন্দুকযুদ্ধে’ দুই মাদক বিক্রেতা নিহত           *  মনোহরদীতে গৃহবধূর গলাকাটা লাশ উদ্ধার           * ইসলামপুরে ট্রাক চাপায় চা ব্যবসায়ীর মৃত্যু          

শাখা খোলায় নির্দেশনা মানছে না ব্যাংকগুলো

রহমান আজিজ | বুধবার, নভেম্বর ৭, ২০১৮
শাখা খোলায় নির্দেশনা মানছে না ব্যাংকগুলো
বাংলাদেশ ব্যাংকের নিয়মে বলা আছে শহরে একটি শাখা খুললে গ্রামেও একটি শাখা খুলতে হবে। কিন্তু বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলো শাখা খোলার ক্ষেত্রে এ নির্দেশনা মানছে না। ফলে শহর ও গ্রামে শাখা খোলার বৈষম্য বাড়ছে। রাষ্ট্রায়ত্ত মালিকানাধীন ব্যাংকগুলো এটি পরিপালন করলেও পিছিয়ে আছে বেসরকারি খাতের ব্যাংকগুলো। তবে গ্রামাঞ্চলে একটি শাখাও নেই বিদেশি ব্যাংকগুলোর।

বাংলাদেশ ব্যাংকের সর্বশেষ প্রতিবেদনে দেখা গেছে, চলতি বছরের আগস্ট শেষে ব্যাংকগুলোর মোট শাখা দাঁড়িয়েছে ১০ হাজার ১৪৩টি। এর মধ্যে শহরে ৫ হাজার ২৩৪টি এবং গ্রামে ৪ হাজার ৯০৯টি শাখা রয়েছে। গত জুলাই শেষে ছিল ১০ হাজার ১৩১টি। এর মধ্যে শহরে ৫ হাজার ২২৮টি এবং গ্রামে ৪ হাজার ৯০৩টি।

কেন্দ্রীয় ব্যাংকের এ প্রতিবেদন পর্যালোচনা করে দেখা গেছে, রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাংকের মোট শাখা ৩ হাজার ৭৪১টি। এর মধ্যে গ্রামে ১ হাজার ৯৮১ এবং শহরে ১ হাজার ৭৬০টি। সোনালী ব্যাংকের মোট ১ হাজার ২১০টি শাখা এর মধ্যে শহরে ৬৯৯টি ও গ্রামে ৫১১টি। জনতা ব্যাংকের মোট ৯১২টি এর মধ্যে শহরে ৪৫৬টি এবং গ্রামে ৪৫৬টি। অগ্রণী ব্যাংকের মোট ৯৪৩টি এর মধ্যে শহরে ২৮৬ এবং গ্রামে ২৭৯। বেসিক ব্যাংকের মোট ৬৮টি এর মধ্যে শহরে ৪৬ এবং গ্রামে ২২টি এবং বাংলাদেশ ডেভেলপমেন্ট ব্যাংক (বিডিবিএল) মোট ৪৩টির মধ্যে শহরে ৩০ এবং গ্রামে ১৩টি।

বিশেষায়িত খাতের বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের মোট শাখা ১ হাজার ৩২টির মধ্যে শহরে ২৩৭ এবং গ্রামে ৭৯৫টি। রাজশাহী কৃষি উন্নয়ন ব্যাংকের মোট শাখা ৩৮০টি শাখার মধ্যে শহরে ৩১টি এবং গ্রামে ৩১৯টি।

বেসরকারি খাতের পূবালী ব্যাংকের শহরে ২৭২টি এবং গ্রামে ১৯৩টি, উত্তরা ব্যাংকের শহরে ১৮৯ এবং গ্রামে ৪৪টি, এবি ব্যাংকের শহরে ৮৩টি এবং গ্রামে ২১টি, আইএফআইসি ব্যাংকের শহরে ১০১টি এবং গ্রামে ৪৩টি, ইসলামী ব্যাংকের শহরে ২০৬টি এবং গ্রামে ১৩৩টি, ন্যাশনাল ব্যাংকের শহরে ১৪৮টি এবং গ্রামে ৫২টি, দ্য সিটি ব্যাংকের শহরে ১০৪টি এবং গ্রামে ২৬টি, ইউসিবি ব্যাংকের শহরে ১২৭টি এবং গ্রামে ৫২টি, আইসিবি ইসলামী ব্যাংকের ২৯টি শহরে এবং ৪টি গ্রামে, ইস্টার্ন ব্যাংকের শহরে ৬৫টি এবং ৫১টি গ্রামে, এনসিসি ব্যাংকের ৬৪টি শহরে এবং ৫১টি গ্রামে, প্রাইম ব্যাংকের ১০১টি শহরে এবং ৪৫টি গ্রামে, সাউথইস্ট ব্যাংকের ৭৩টি শহরে এবং ৬২টি গ্রামে, ঢাকা ব্যাংকের ৬৩টি শহরে এবং ৪০টি গ্রামে, আল-আরাফা ইসলামী ব্যাংকের ৯৫টি শহরে এবং ৬৫টি গ্রামে, সোস্যাল ইসলামীর ৭৬টি শহরে এবং ৭০ গ্রামে, ডাচ্ বাংলা ব্যাংকের ১২৩টি এবং ৫৭টি, স্টান্ডার্ড ব্যাংকের ৭৫ টি শহরে ৫০টি গ্রামে, ওয়ান ব্যাংকের ৫৫টি শহরে এবং ৪০টি গ্রামে, এক্সিম ব্যাংকের ৭৪টি শহরে এবং ৪৪টি গ্রামে, মার্কেন্টাইল ভ্যাংকের ৮৫টি শহরে এবং ৪৪টি গ্রামে, বাংলাদেশ কমার্স ব্যাংকের ৪৩টি শহরে এবং ১৪টি গ্রামে, মিউচুয়াল ট্রাস্ট ব্যাংকের ৮১টি শহরে এবং ৩৩টি গ্রামে, ফার্স্ট সিকিউরিটি ব্যাংকের ৯৮টি শহরে এবং ৭১টি গ্রামে, প্রিমিয়ার ব্যাংকের ৬০টি শহরে এবং ৪৪টি গ্রামে, ব্যাংক এশিয়ার ৭৮টি শহরে এবং ৫০টি গ্রামে, ট্রাস্ট ব্যাংকের ৬২টি শহরে এবং ৪৮টি গ্রামে, শহাজালাল ইসলামী ব্যাংকের ৬৮টি শহরে এবং যমুনা ব্যাংকের শহরে ৭৪টি এবং গ্রামে ৪৯টি, ব্র্যাক ব্যাংকের ১০৩টি শহরে এবং ৮৩টি গ্রামে, এসবিএসি ব্যাংকের শহরে ৩২ এবং গ্রামে ৩২টি, এনআরবি কমার্শিয়াল ব্যাংকের শহরে ৩১টি এবং গ্রামে ৩০টি, ইউনিয়ন ব্যাংকের ৩৬টি শহরে এবং ৩৫টি গ্রামে, মেঘনা ব্যাংকের ২৫টি শহরে এবং ২২টি গ্রামে, মিডল্যান্ড ব্যাংকের ১৩টি শহরে ও ১৩টি গ্রামে, ফার্মাস ব্যাংকের ৩০টি শহরে এবং ২৬টি গ্রামে, এনআরবি ব্যাংকের ১৮টি শহরে এবং ১৮টি গ্রামে, মধুমতি ব্যাংকের ১৫টি শহরে এবং ১৭টি গ্রামে, এনআরবি গ্লোবাল ব্যাংকের ২৬টি শহরে এবং ২৪টি গ্রামে, সীমান্ত ব্যাংকের ৭টি শহরে এবং ৪টি গ্রামে শাখা রয়েছে। এ ছাড়া বিদেশি মালিকানাধীন ৯ ব্যাংকের মোট শাখা ৬৮টি। শাখাগুলো সবই শহরকেন্দ্রিক।

সোনালী ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) ওবায়েদ উল্লাহ আল মাসুদ বলেন, সরকারি ব্যাংকের শাখা শহরের চেয়ে গ্রামে বেশি। কারণ একটি শাখা শহরে খুললে অপর শাখাটি গ্রামে খোলার যে বাধ্যবাধকতা দিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক, তা সরকারি ব্যাংকগুলো ভালোভাবে পরিপালন করে। এ ছাড়া সব শ্রেণি-পেশার মানুষকে ব্যাংকিংয়ের আওতায় আনার উদ্যোগের পাশাপাশি প্রান্তিক এলাকার নাগরিকদের বিভিন্ন সেবাও দিয়ে যাচ্ছে সরকারি ব্যাংক। তবে বেসরকারি ব্যাংক এ ক্ষেত্রে পিছিয়ে আছে। আবার অনেক ক্ষেত্রে দেখা যায়, জেলা পর্যায়ে শহরে শাখা খুলে দেখানো হচ্ছে গ্রামে।




আরও পড়ুন



সম্পাদক ও প্রকাশকঃ
মোঃ খায়রুল আলম রফিক

বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয়ঃ ৬৫/১ চরপাড়া মোড়, সদর, ময়মনসিংহ।
ফোন- +৮৮০৯৬৬৬৮৪, +৮৮০১৭৭৯০৯১২৫০, +৮৮০১৯৫৩২৫২০৩৭
ইমেইল- aporadhshongbad@gmail.com
(নিউজ) এডিটর-ইন-চিফ,
ইমেইল- khirulalam250@gmail.com
close