* ডাক্তার নামের প্রতারক: ক্ষতিগ্রস্ত সাধারণ মানুষ           * ত্রিশালে আ.লীগ নেতার মোটরসাইকেল চুরি, উদ্ধার নেই           * গান শোনাতে ভারতে কেটি পেরি           * ভারতকে দুইবার অলআউট করতে চান মিঠুন           * ‘বেপরোয়া আচরণ রাজনীতিতেও দুর্ঘটনার কারণ হতে পারে’           *  মদ্যপ ছেলেকে পুড়িয়ে মারলেন বাবা-মা            *  চালকরা ছিলেন ঘুমে, পরপর তিনটি সিগন্যাল ভাঙে তূর্ণা-নিশীথা            * ২৫ জনকে আসামি করে আবরার হত্যা মামলার চার্জশিট           * ভাগিয়ে নয়, পান্নার পরিবারের সম্মতিতেই বিয়ে করেন মেয়র নজরুল            * আগামী বছরের মধ্যে শতভাগ মানুষ বিদ্যুৎ সুবিধায় আসবে           * মেঘনার চরে ১০০০ যাত্রী নিয়ে আটকা পড়েছে লঞ্চ           * জাপার মহাসচিব পদ হারানোসহ কঠিন খড়্গ নামছে রাঙ্গার ওপর           * বাবা মা হাসপাতালে, দাফন সম্পন্ন ছোট্ট আদীবার            *  কুমিল্লায় তারেক মনোয়ারসহ ৩ বক্তার ওয়াজ নিষিদ্ধ            * আজান ও ইক্বামতের উত্তরে রয়েছে যেসব ফায়দা           * এবার ভিন্ন লুকে নতুন খবর দিলেন তাহসান           * ছেলের সঙ্গে মালাইকার ‘সেক্সি’ সেলফি, শুরু তুমুল সমালোচনা           * প্লাস্টিকের বোতল জমিয়ে বানালেন নান্দনিক বাড়ি           * খালাস বন্ধ, পেঁয়াজের দাম কেজিতে ৩০ টাকা বৃদ্ধি!            * স্বামীকে দাফন করে ফেরার পথে মারা গেল স্ত্রী          
* ডাক্তার নামের প্রতারক: ক্ষতিগ্রস্ত সাধারণ মানুষ           * ভারতকে দুইবার অলআউট করতে চান মিঠুন           * ‘বেপরোয়া আচরণ রাজনীতিতেও দুর্ঘটনার কারণ হতে পারে’          

কুমিল্লায় সফলতায় এসপি সৈয়দ নুরুল ইসলাম

মোঃ খায়রুল আলম রফিক | সোমবার, ফেব্রুয়ারী ৪, ২০১৯
কুমিল্লায় সফলতায় এসপি সৈয়দ নুরুল ইসলাম

দেশের ঐতিহ্যবাহী কুমিল্লা অনেকাংশেই এখন মাদকমুক্ত । এখানে কমেছে যানজট, ডাকাতি, ছিনতাইসহ অপরাধমূলক কার্যক্রমও । এই সফলতায় সর্বাগ্রে যার নাম তিনি পুলিশ সুপার (এসপি) সৈয়দ নুরুল ইসলাম । ২০১৮ সালের ১৫ আগস্ট তিনি ময়মনসিংহ থেকে কুমল্লায় যোগদান করেন ।
 কুমিল্লায় যোগদানের পর এই এসপি মাদক, জঙ্গি ও জনহয়রানী এই তিনটি বিষয়কে সামনে রেখে আনুষ্ঠানিক ভাবে কাজে নামেন। ইতিমধ্যে তিনি মাদক, জঙ্গি এবং জনহয়রানীর বিষয়ে জিরোটলারেন্স দেখিয়েছেন। যে কোন পর্যায়ের দর্শনার্থীই তার কাছে সহজে আসতে পারেন ।৩ বার বিপিএম বার ছাড়াও পেয়েছেন পিপিএম পদক ।
ইতিপূর্বে ময়মনসিংহে এসপি হিসাবে দায়িত্বপালনকালে ভালুকার বোমা বানানোর কারখানায় উদ্ধার অভিযান সফলভাবে সম্পন্ন করায় সন্তুষ্ট হয়ে সৈয়দ নুরুল ইসলামকে আর্থিকভাবে পুরুস্কৃত করেন বাংলাদেশ পুলিশের সাবেক মহাপুলিশ পরিদর্শক (আইজিপি) এ কে এম শহীদুল হক। জঙ্গী আস্তানায় সফল অভিযান এবং জঙ্গীবাদ নিরসনে কাজ করায় ও ময়মনসিংহবাসীর জানমালের নিরাপত্তা প্রদান করায় জেলার নাগরিকবৃন্দ ময়মনসিংহ জেলা পুলিশ সুপার সৈয়দ নুরুল ইসলামকে অভিনন্দন জানান ।

ঐসময়ে ময়মনসিংহ জেলার থানাগুলোর আইনশৃঙ্খলা ব্যবস্থাকে একটা ভাল অবস্থানে নিয়ে যাওয়ার পিছনে তার অবদানের কথা ময়মনসিংহের সাধারণ মানুষের জানা। তার কাজে জনসাধারন যেমন খুশি তেমনি তার অধিনস্থরাও সন্তুষ্ঠ ছিল।
ময়মনসিংহে তার চৌকস অফিসারদের নিয়ে রাত দিন পরিশ্রম করেন। ময়মনসিংহের বিভিন্ন এলাকার মাদক ব্যবসায়ীকে অন্ধকারের পথ থেকে আলোর পথে ফিরিয়ে এনেছেন তিনি। তাদেরকে বিভিন্ন কর্মসংস্থানের সুযোগ করে দিয়েছেন। তাদের সৎ পথে ফিরানোর জন্য হাতে রিস্কা ও সেলাই মেশিন তুলে দিয়েছেন।

বিশেষ করে ময়মনসিংহ সন্ধার পর থেকে ছিনতাই প্রতিরোধ করতে সক্ষম হয়েছেন। তার বাহিনী দিয়ে তিনি সন্ধার পর থেকে মোটরসাইকেল দিয়ে ৭টি টিম তৈরি করে দিয়েছে যা শহরের বিভিন্ন স্পটে অভিযান পরিচালনা করেন। পাটগুদাম এলাকায় আগে প্রায় অটো বাইক থেকে ছিনতাই ঘটনা ঘটতো। এটি তার নজরে পরার পর সেখানে ভোর ৬টা থেকে রাত ১২ টা পযন্ত সাদা পোষাকে পুলিশ ডিউটি করে।

জেলা পুলিশ জঙ্গী দমন, মাদকের বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স, বাল্য বিবাহ রোধে সচেতনতা মূলক সভা, মাদক সেবীদের পূর্নবাসন, আইন শৃঙ্খলা নিয়ন্ত্রণে দ্রুত পদক্ষেপ গ্রহণ ও ওয়ারেন্ট তামিলে বিশাল সাফল্য দেখিয়েছে। জঙ্গী ও মাদক বিরোধী প্রায় তিন হাজার জনসচেতনামূলক কমিউনিটি পুলিশিং সভা করেন।
তৎকালিন সময়ে ময়মনসিংহ সহ জেলার সকল থানার ফেসবুক আইডি খুলে জনগণের সাথে তথ্য আদান প্রদানের মাধ্যমে সমস্যার সমাধান করে পুলিশী কার্যক্রম জোরদার করেছে সৈয়দ নুরুল ইসলাম পিপিএম,বিপিএম।

ময়মনসিংহ যোগদান করে তার নেতৃত্বে জেলা পুলিশ এ সাফল্য দেখিয়েছে। বিশেষ করে ত্রিশাল থেকে গ্রেফতারকৃত জঙ্গী সালাউদ্দিন কামরানের দেয়া জবানবন্ধী অনুযায়ী জেলা ডিবি, ডিএমপি’র সোয়াট ও অপারেশন স্ট্রমহিট-২৬ পরিচালনা করে হলি আর্টিজামের হামলার মূল পরিকল্পনাকারী মোষ্ট ওয়ান্টেড জঙ্গী তামিমের নারায়নগঞ্জ ডেরায় সফল অভিযান পরিচালনা করে।

সেই অভিযানে তামিম সহ ৩ জঙ্গী নিহত হয়। ময়মনসিংহ শহরের কালীবাড়ী এলাকায় ভোগপণ্য সরবরাহের আড়ালে জঙ্গীরা নীরব নেটওয়ার্ক স্থাপন করলে বিষয়টি পুলিশ সুপারের নজরে আসে।
তিনি কোতোয়ালী থানাকে গোপনে জঙ্গীদের তথ্য সংগ্রহে নিয়োজিত করে। অবশেষে তিনি নিজেই নেতৃত্ব দিয়ে ৭ জঙ্গীকে গ্রেফতার করে। এ সময় বিপুল পরিমান জিহাদী বই ও সিডি উদ্ধার করে। তারপর ভালুকা থানা এলাকার হবির বাড়ী ইউপিতে একটি বাড়িতে জঙ্গি আস্তানায় ২৭ আগস্ট শক্তিশালী বোমা বিস্ফোরিত হয়। এতে এক জঙ্গি ঘটনাস্থলেই নিহত হন।

ময়মনসিংহ জেলা পুলিশ সুপার সৈয়দ নুরুল ইসলাম ঐ সংবাদ পাওয়ার পর তাৎক্ষণিক বোম ডিস্পোজাল ইউনিট এর সহযোগিতায় একটানা ২২ঘণ্টা জীবনের ঝুঁকি নিয়ে শক্তিশালী বোমা, বোমা তৈরির সরঞ্জামাদি নিরাপদে নিস্ক্রীয় করে অভিযান সম্পন্ন করেন।ঢাকা ময়মনসিংহ মহাসড়ের হাইওয়ের ৬৫ কিলোমিটার সড়ক সব সময় ঝুকিপূর্ণ।
সড়ক ডাকাতি, দূর্ঘটনা ও হাইওয়েতে অবৈধ যান বন্ধের জন্য ৬৫ কিলোমিটার হাইওয়ে ১২ কোরের ফাইবার অপটিক দ্বারা সিসি ক্যামেরার আওতায় আনা হয়। তিনি সুশীল সমাজের সহযোগিতায় বিভিন্ন শিক্ষা-প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থী, সাংস্কৃতিক কর্মীদের নিয়ে জেলার জনবহুল এলাকা, হাট বাজারগুলোতে মাদকবিরোধী প্রচারণা অব্যাহত রেখেছেন।পাশাপশি তিনি ‘মাদক বিক্রেতা ও মাদক সেবনকারীদের এ পথ থেকে সরে না আসলে কঠোর সাঁজার আওতায় আনা হবে’ বলে হুশিয়ার করে দিয়েছেন।
এছাড়াও পুলিশ সুপারের কঠোর অবস্থানের ফলে ময়মনসিংহ জেলার সার্বিক আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি অন্যান্য জেলার চেয়ে স্বাভাবিক রয়েছে বলে জেলাবাসী বিশ্বাস করে।
চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলার শিবগঞ্জ উপজেলার কৃতি সন্তান সর্বজন শ্রদ্ধেয় ও বরেণ্য সৈয়দ নুরুল ইসলাম।  সম্ভ্রাট শের শাহের নামানুসারে শিবগঞ্জের পূর্বনাম ছিল শেরগঞ্জ। শিবগঞ্জের সম্ভ্রান্ত এক মুসলিম পরিবারে জন্ম সৈয়দ নুরুল ইসলামের। মা ও বাবার অনুপ্রেরণা ও আত্মত্যাগের কারণেই আজ তিনি ‘মানবতার ফেরিওয়ালা। ময়মনসিংহ তার নিজ জেলা এমনকি যেখানে তিনি কর্মরত থেকেছেন, সেখানেই ফরজ মনে করে তার জন্য দোয়া করা হয়। সেখানেই পাথেয় হয়েছেন তিনি সবার জন্য। স্বাস্থ্য সেবাই হচ্ছে মানবতার পরম ধর্ম। সৈয়দ নুরুল ইসলাম ৪০ জন পঙ্গু ও অসুস্থ মুক্তিযোদ্ধাকে চিকিৎসার্থে ব্যয়ভার গ্রহন করেছেন। তিনি ১৮০জন অসহায় মানুষকে নিজ খরচে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসা করিয়ে সুস্থ করে তোলেছেন এসপি সৈয়দ নুরুল ইসলাম।
সারাদেশে জঙ্গী বিরোধ অভিযানকালে শীর্ষ জঙ্গি ময়মনসিংহ শহরের কালিবাড়ি ও ভালুকা থেকে যথাক্রমে ৭ জন ও ৩জনসহ মোট ১০ জনকে গ্রেপ্তার করে পুলিশসহ সারাদেশে সাহসীকতার নিদর্শন স্থাপন করেন।
এছাড়াও ঈদে দুস্থ ও অসহায়দের মাঝে ১১ হাজার শাড়ি, ৫ হাজার লুঙ্গি এবং শিশুদের জন্য ৪ হাজার জামা-কাপড় বিতরণ, ময়মনসিংহে শতাধিক এতিম শিশুর পড়াশোনার ব্যবস্থা করা, আর্থিক সহরযাগীতা, প্রতিবন্ধী ও এতিম শিশুদের সাথে শুক্রবার সময় কাটানো তাদের সাথে খাওয়া-দাওয়া। শতাধিক এতিম শিশুর পড়শোনার ব্যবস্থা কথা দায়িত্ব নেয়া, জেলার ঈশ্বরগঞ্জের অসহায় সাবজান বিবির বেদখল হয়ে যাওয়া জমি উদ্ধার করে ঘর নির্মাণ, ত্রিশালে নিরীহ মুক্তিযোদ্ধার জমি উদ্ধার, শহরের কৃষ্টপুরে ৩জন প্রতিবন্ধীর ২ বছর ধরে চিকিৎসা সুবিধা দিয়েছেন। যারা আজ অনেকটাই সুস্থ। জনকল্যাণে এরকম অনেক কর্মকান্ড- সৈয়দ নুরুল ইসলামকে দিয়েছে ‘মানবতার ফেরিওয়ালা’ উপাধি। তার সময়ে কমিউনিটি পুলিশিংয়ের বিশেষ সাফল্য ছিল চোখে পড়ার মতো।

‘পুলিশই জনতা, জনতাই পুলিশ’ শ্লোগানের অনুকরণীয় দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন সৈয়দ নুরুল ইসলাম। পুলিশী কর্মজীবনের শত ব্যস্ততা আর নানা সীমাবদ্ধতার মাঝেও কত যে কী করার আছে, তা চোখে আঙুল দিয়ে দেখিয়ে দিয়েছেন তিনি। একজন সৈয়দ নুরুল ইসলামের নেতৃত্বে ভিন্নতায় অনন্য হয়ে উঠে ময়মনসিংহ জেলা পুলিশ।

ইভটিজিং, জঙ্গিবাদ ও মাদক বাণিজ্যসহ সকল প্রকার অপরাধ নির্মূলে তার সাহসী ভূমিকা নজর কাড়ে বাংলাদেশ পুলিশেরও। অসংখ্য ইতিবাচক উদ্যোগের মধ্য দিয়ে তিনি হয়েছেন ময়মনসিংহের আইকন।

দেড় শতাধিক অসুস্থ অসহায় মানুষকে নিজের বেতনের টাকায় চিকিৎসা ও আর্থিক সহযোগীতা, দেড় শতাধিক এতিম অসহায়কে আর্থিক সহযোগীতা ছাড়াও পড়ালেখার সুযোগ সুবিধা সৃষ্টি করে গেছেন তিনি।

এমনকি নিজ জেলা চাপাইনবাগঞ্জের ৪ শতাধিক দরিদ্র, অসহায় মানুষকে ময়মনসিংস্থ নিজের কর্মস্থলে এনে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসার ব্যবস্থা করিয়েছেন তিনি। এছাড়াও পুলিশের ও অসহায় পরিবারের রোগীদের জরুরি রক্তের প্রয়োজনে পুলিশ সুপার সৈয়দ নুরুল ইসলাম ব্যক্তি উদ্যোগে রক্ত দেয়ার ব্যবস্থা করেছেন।

রক্তদাতাকে প্রেরণা দিতে এই পুলিশ সুপারের ব্যক্তিগত খরচে দেওয়া হয়েছে নানা প্রণোদনা পুরস্কার। দরিদ্র ও হতদরিদ্র পরিবারের মুমূর্ষ রোগীদের জীবন বাঁচাতে ময়মনসিংহ জেলা পুলিশের এক অনকরণীয়, অনুসরনীয় দৃষ্টান্ত সৈয়দ নুরুল ইসলাম। দরিদ্র, অসহায় এবং নির্যাতিত নারীদের ভোগান্তি লাঘবেও কাজ করেছেন এই পুলিশ কর্মকর্তা।

সৈয়দ নুরুল ইসলামের অনুপ্রেরনায় নির্যাতনের শৃঙ্খল ছিঁড়ে স্বাভাবিক জীবন ফিরে পেয়েছেন ময়মনসিংহের বিভিন্ন গ্রামের অনেক দরিদ্র অসহায় নারী। দুর্বৃত্তের হামলায় নিহত পরিবারের পাশে দাড়িয়েছেন। ক্ষতিগ্রস্থ পরিবারকে অটোরিকশা কিনে দিয়েছেন সৈয়দ নুরুল ইসলাম। মাদকবিরোধী কর্মকান্ডে মানুষের প্রতি শ্রদ্ধাশীল হওয়ার পাশাপাশি মাদক থেকে দূরে থাকার আহ্বান নিয়ে ময়মনসিংহে অবিরাম কাজ করেছেন সৈয়দ নুরুল ইসলাম।

জেলার ১৪ টি থানা সদর এমনকি ইউনিয়নগুলির পাড়া-মহল্লায়, গ্রামেগঞ্জে, স্কুল-কলেজে কমিউনিটি পুলিশিং-এর মাধ্যমে প্রচারাভিযান চালিয়েছে সৈয়দ নুরুল ইসলামের নেতৃত্বে জেলা পুলিশ। ময়মনসিংহের প্রায় প্রতিটি বিভিন্ন স্কুল-কলেজ ও মাদ্রাসায় জঙ্গিবাদ, মাদক, ইভটিজিংসহ সকল প্রকার

অপরাধমূলক কর্মকান্ডের বিরুদ্ধে পুলিশ সুপার সৈয়দ নুরুল ইসলামের নেতৃত্বে নিরবচ্ছিন্নভাবে প্রচার ও প্রচারণা চালিয়ে গেছে ময়মনসিংহ জেলা পুলিশ। একই সঙ্গে তরুণ প্রজন্মের মাঝে দেশপ্রেম জাগিয়ে তুলতেও কাজ করেছেন এই কর্মকর্তা।

শুধু মানবিক গুণাবলির দিক দিয়েই নয়, পেশাগত দক্ষতায়ও তিনি এগিয়ে রয়েছেন অনেক দূর। কমিউনিটি পুলিশিং-এর মাধ্যমে জনগণের দোরগোড়ায় পুলিশি সেবা পৌঁছানো, হতদরিদ্র অসহায় নারীদের জন্য বিকল্প বিরোধ নিষ্পত্তি,

জেলার প্রত্যন্ত গ্রামাঞ্চলের স্কুলে স্কুলে মাদক ও জঙ্গিবাদবিরোধী প্রচারণা তথা জেলার আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় তিনি রেখেছেন বিশেষ ভূমিকা। নারায়াণগঞ্জ থেকে ময়মনসিংহ এসে যোগদানের পর থেকেই এ জেলার আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রেখেছেন তিনি শক্ত হাতে। ময়মনসিংহ জেলা পুলিশের উদ্যোগে কমিউনিটি পুলিশিংয়ের মাধ্যমে নানামুখী সৃজনশীল কার্যক্রম বাস্তবায়ন করে পুলিশি সেবাকে জনবান্ধব করে গড়ে তুলেছিলেন  ।

তিনি পুলিশি সেবা এক রকম জনগণের দোরগোড়ায় পৌঁছে দিতে সক্ষম হন। পাশাপাশি যানজট নিয়ন্ত্রণে তার অর্জিত সাফল্য পুরো পুলিশ বাহিনীর মুখ উজ্জ্বল করে। তার একক তৎপরতায় কমিউনিটি পুলিশিংয়ের জন্য ময়মনসিংহ জেলা একটি রোলমডেল হিসেবে পরিচিতি পেয়েছে।
সৈয়দ নুরুল ইসলাম একজন মানুষকে ভালোবাসেন এমন মানুষ। তিনি ২০তম বি.সি.এসের মাধ্যমে ২০০১ সালে বাংলাদেশ পুলিশের সহকারী পুলিশ সুপার হিসেবে কর্মজীবন শুরু করেন। পরবর্তীতে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের কোতয়ালী থানার সহকারী কমিশনার, রমনা বিভাগের অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার, নারায়নগঞ্জ জেলার এসপি, ঢাকার বিশেষ এস.বিসহ পুলিশ বিভাগের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালন করেন। তিনি জাতিসংঘের শান্তি রক্ষা মিশনেও বহু দিন কাজ করেছেন।

সাহসিকতার জন্য তিনি বাংলাদেশ পুলিশের সর্বচ্চো পুরস্কার বিপিএম(বার), এবং পিপিএম পদক অর্জন করেন।
সৈয়দ নুরুল ইসলাম বাংলাদেশ পুলিশের ইতিহাসে সর্বকনিষ্ট ব্যক্তি হিসেবে বাংলাদেশ পুলিশ এসোসিয়েশনের জেনারেল সেক্রেটারীরও দায়িত্ব পালন করেন। তিনি বর্তমানে ২০তম বিসিএস ফোরাম এর সাধারণ সম্পাদকও। তিনি ২আগস্ট ২০১৬ থেকে ১৪ আগস্ট ২০১৮ পর্যন্ত ময়মনসিংহের পুলিশ সুপার ছিলেন।

এক ছেলে ও এক কণ্যার সন্তানের জনক সৈয়দ নুরুল ইসলাম ১৯৭১ সালের ১ মার্চ চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলার শিবগঞ্জ উপজেলার জালমাছমারি গ্রামে জন্ম গ্রহন করেন। তাঁর পিতা সৈয়দ কসিমুদ্দীন মিয়া এবং মাতা সৈয়দা গুলনাহার বেগম। পিতা-মাতার ৫ সন্তানের মধ্যে তিনি চতুর্থ। সৈয়দ নুরুল ইসলাম মানুষকে মন থেকে ভালোবাসেন, ভালোবাসেন অবসরে কবিতা লিখতে ও ভালোবাসেন মনের সুখে বাঁশি বাজাতে।






আরও পড়ুন



২. সম্পাদক ও প্রকাশক ঃ মোঃ খায়রুল আলম রফিক
৩. নির্বাহী সম্পাদক ঃ প্রদীপ কুমার বিশ্বাস
৪. প্রধান প্রতিবেদক ঃ হাসান আল মামুন
প্রধান কার্যালয় ঃ ২৩৬/ এ, রুমা ভবন ,(৭ম তলা ), মতিঝিল ঢাকা , বাংলাদেশ । ফোন ঃ ০১৭৭৯০৯১২৫০
ফোন- +৮৮০৯৬৬৬৮৪, +৮৮০১৭৭৯০৯১২৫০, +৮৮০১৯৫৩২৫২০৩৭
ইমেইল- aporadhshongbad@gmail.com
(নিউজ) এডিটর-ইন-চিফ,
ইমেইল- khirulalam250@gmail.com
close