* প্লাস্টিকের বোতল জমিয়ে বানালেন নান্দনিক বাড়ি           * খালাস বন্ধ, পেঁয়াজের দাম কেজিতে ৩০ টাকা বৃদ্ধি!            * স্বামীকে দাফন করে ফেরার পথে মারা গেল স্ত্রী           * ৭ দিনে কোটিপতি হওয়ার ৭ উপায়           * কাশ্মীরে ভারতীয় সেনারা যৌন নির্যাতন চালাচ্ছে, ইমরানকে চিঠি গিলালির           *  সৌদি আরব থেকে দেশে ফিরছেন সেই সুমি            *  বাবরি মসজিদের রায় দিল যৌন কেলেঙ্কারিতে অভিযুক্ত বিচারপতি!            * যে আশঙ্কায় কাঁপছেন সারা আলি!           * রাইফেল হাতে বিয়ের মঞ্চে নবদম্পতি            * রোগী রেখে পালানোর সময় ডাক্তারকে গণধোলাই            * আ.লীগের ডিএনএ টেস্ট করা দরকার: আলাল           * প্রধান শিক্ষকের বেতন ১১ গ্রেডে, সহকারি শিক্ষকের ১৩ গ্রেডে           * চট্টগ্রামে যুবলীগের দুই পক্ষের সংঘর্ষ : আহত ১২           * নূর হোসেনকে কটাক্ষকারীদের ক্ষমা নেই: কাদের           *  কোলে চড়ে আদালতে সাত্তার : অভিযোগ গরু চুরি           * জাবি দাবা ক্লাবের নতুন কমিটি গঠন            *  বিটিএফ স্কুলের ৫ম শ্রেণির সমাপনী শিক্ষার্থীদের বিদায়ী সংবর্ধনা            * শিক্ষকদের অশোভনীয় আচরণে শিক্ষার্থীর মৃত্যু হয়েছে বলে অভিযোগ পরিবারের            * নোয়াখালীর বেগমগঞ্জ থেকে গৃহবধূর ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার           * গাজীপুরে আন্তর্জাতিক কন্যা শিশু দিবস পালিত          
* চালকের ভুলেই ভয়াবহ ট্রেন            * আইসিসি র‍্যাঙ্কিংয়ে নেই সাকিব, ঢুকলেন নাঈম           * বিএনপি ছেড়ে যাবেন এমন নেতাদের তালিকায় বহুজন :তথ্যমন্ত্রী           

ঐতিহৃবাহী নদীর অস্তিত্ব হারাতে বসেছে রৌমারীর মানচিত্র থেকে

রৌমারী (কুড়িগ্রাম) প্রতিনিধিঃ | শুক্রবার, ফেব্রুয়ারী ১৫, ২০১৯
ঐতিহৃবাহী নদীর অস্তিত্ব হারাতে বসেছে
রৌমারীর মানচিত্র থেকে
জিঞ্জিরাম, কালো, ধরণী, জালচিরা, হললিয়া ও সোনাভরি নদীর আঁকাবাঁকা তীর নিয়েই মূলত: রৌমারী উপজেলা। যে জিঞ্জিরাম নদীটি ভারতীয় সীমান্ত ঘেষে আঁকাবাকাঁ হয়ে আসাম পাদদেশ পার হয়ে মেঘালয় ঘেষে বাংলাদেশের দেওয়ানগঞ্জ উপজেলার পাথরেরচর ব্রীজের নিচ দিয়ে ব্রম্মপুত্রে এসে নেমেছে।কয়েক বছর থেকে রৌমারীর উত্তরে ভারতের কুকুর মারায় জিঞ্জিরাম নদীর উপর বাঁধ দিয়ে বন্ধ করে  দেয়ার কারণে এ নদীগুলো হারাতে বসেছে তার স্বকীয়তা। ফলে পৌষের শুস্কতা আসতে না আসতেই নদীগুলো শুকিয়ে যায়। এরই মধ্যে প্রায় নিচিহ্ন হয়ে গেছে জিঞ্জিরাম, কালো, ধরনী, ও সোনাভরি নদী। বাকিগুলো নিচিহ্ন হওয়ার অপেক্ষায় রয়েছে।
এদিকে এখানকার কৃষক নদীগুলো থেকে প্রতিবছর ইরি-বোরো ফসলের সেচ কার্যক্রম চালালেও এবার তা সম্ভব হচ্ছে না বলে জানালেন স্থানীয় অনেকে। তারা নদীর জমে থাকা শেষ পানিটুকুতে শ্যালো বসিয়ে সেচ কার্য চলাতো। এতে ভু-গর্ভ থেকে পানি তোলার চেয়ে খরচ কম হতো।





আরও পড়ুন



২. সম্পাদক ও প্রকাশক ঃ মোঃ খায়রুল আলম রফিক
৩. নির্বাহী সম্পাদক ঃ প্রদীপ কুমার বিশ্বাস
৪. প্রধান প্রতিবেদক ঃ হাসান আল মামুন
প্রধান কার্যালয় ঃ ২৩৬/ এ, রুমা ভবন ,(৭ম তলা ), মতিঝিল ঢাকা , বাংলাদেশ । ফোন ঃ ০১৭৭৯০৯১২৫০
ফোন- +৮৮০৯৬৬৬৮৪, +৮৮০১৭৭৯০৯১২৫০, +৮৮০১৯৫৩২৫২০৩৭
ইমেইল- aporadhshongbad@gmail.com
(নিউজ) এডিটর-ইন-চিফ,
ইমেইল- khirulalam250@gmail.com
close