* তোমার দেহের প্রতি ইঞ্চি মেপে দেখতে চাই           * ক্ষমতাবান নারীর তালিকায় আনুশকা           * ইন্দোনেশিয়ায় বিক্ষোভ-সরকারি ভবনে আগুনে নিহত ১৬            * ফের মধুর ক্যান্টিনে ছাত্রদল           * ফিফার বর্ষসেরা মেসি           * ভ্যাকসিন হিরো’ পুরস্কার গ্রহণ করলেন প্রধানমন্ত্রী           * টাকার কুমির গণপূর্তের রফিকুল কোথায়           * দুদকের তদন্তে ফেঁসে যাচ্ছেন সাবেক ওসি গোলাম সারোয়ার            * ঘুমের ঘোরে শারীরিক সম্পর্ক হলে যা করবেন           * ক্লাবে নিয়মিত জুয়ার আসর বসতো           * নুসরাতকে মাদ্রাসার ছাদে ডেকে নিতে কেউ দেখেনি, প্রত্যক্ষ স্বাক্ষী নেই’           * মুরগির ডিমের জন্য রক্তাক্ত হলেন গৃহবধূ            *  পুরুষের বিছানা গরম করাই পেশা তার            *  প্রেমিকের সঙ্গে পালালেন প্রবাসীর স্ত্রী           * শামীমের হুমকি— ‘হাইকোর্টে এলে তোকে গুলি করে মারব’           * মসজিদে সৌদির বিমান হামলা, নিহত ৭            * বরিশালে ভুয়া সেনা কর্মকর্তা আটক           * সব অপরাধীর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা -স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী           *  দনিয়া কলেজে ৪১ কোটি ৪০ লাখ ৯৪ হাজার টাকার অনিয়ম           *  অবৈধ লেনদেন ও মানি লন্ডারিংয়ের বিষয় অনুসন্ধান করতে সম্রাটের ব্যাংক হিসাব তলব          
* ইন্দোনেশিয়ায় বিক্ষোভ-সরকারি ভবনে আগুনে নিহত ১৬            * ফের মধুর ক্যান্টিনে ছাত্রদল           * ফিফার বর্ষসেরা মেসি          

বন্দুকযুদ্ধে নিহত সাইফুল ৩৩ ‘হুন্ডি-ইয়াবা ব্যবসায়ীর’ তথ্য দিয়ে গেছে

নিজস্ব প্রতিবেদক | সোমবার, জুন ১০, ২০১৯
 বন্দুকযুদ্ধে নিহত সাইফুল  ৩৩ ‘হুন্ডি-ইয়াবা ব্যবসায়ীর’ তথ্য দিয়ে গেছে

বন্দুকযুদ্ধে’ নিহতের আগে টেকনাফের ‘ইয়াবা ডন’ সাইফুল করিম ৩৩ জন ইয়াবা ও হুন্ডি ব্যবসায়ীর তথ্য পুলিশের কাছে ফাঁস করেছেন। তাদের মধ্যে কক্সবাজারের সাবেক সংসদ সদস্য আবদুর রহমান বদির দুই ভাই রয়েছেন। রয়েছেন উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যানও। পুলিশ সূত্রে এসব তথ্য জানা গেছে।

পুলিশ বলেছে, সাইফুল নিহতের পরদিন ৩১ মে টেকনাফ মডেল থানার এসআই রাসেল আহমদ বাদী হয়ে ৩৩ জন ইয়াবা ও হুন্ডি ব্যবসায়ীর বিরুদ্ধে পৃথক তিনটি মামলা দায়ের করেন। এর মধ্যে ১৮ আসামির পূর্ণাঙ্গ ঠিকানা উল্লেখ করা হয়। মামলার এজাহারে বাকিদের নাম উল্লেখ করা হয় নিহত সাইফুলের বরাত দিয়ে।

গত ৩০ মে রাতে নাফ নদীর পাড়ে পুলিশের সঙ্গে বন্দুকযুদ্ধে সাইফুল নিহত হয়। সে টেকনাফের শীলবুনিয়াপাড়ার ডা. মোহাম্মদ হানিফের ছেলে। বন্দুকযুদ্ধের পর ঘটনাস্থল থেকে ৯টি এলজি, ৪২ রাউন্ড শর্টগানের তাজা কার্তুজ, ৩৩ রাউন্ড কার্তুজের খোসা ও এক লাখ পিস ইয়াবা ট্যাবলেট উদ্ধার করা হয়।

মামলার এজাহার থেকে জানা গেছে, মৃত্যুর আগে সাইফুল পুলিশের পৃথক জিজ্ঞাসাবাদে টেকনাফ সীমান্তের ইয়াবা ও হুন্ডি চক্রের ৩৩ জনের তথ্য ফাঁস করে গেছেন। তাদের মধ্যে অন্যতম— আবদুর রহমান বদির ভাই মৌলভী মুজিবুর রহমান, আবদুল শুক্কুর ও ফুফাতো ভাই রাসেল। এছাড়া রয়েছেন টেকনাফ উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান জাফর আহমদ, তার ছেলে টেকনাফ সদর ইউপি চেয়ারম্যান শাহজাহান মিয়া, হুন্ডি ডন জাফর আলম ওরফে টিটি জাফর, তার ছোট ভাই আবদুল গফুর, নাজিরপাড়ার ইয়াবা ডন নুরুল হক ভুট্টু ও এনামুল হক মেম্বারসহ অনেকে।

এজাহারে মাদক সিন্ডিকেট পরিচালনার বিষয়ে সাইফুলের স্বীকারোক্তি তুলে ধরা হয়েছে। এজাহারে বলা হয়, সাইফুল করিম পুলিশের কাছে স্বীকার করেছে, মিয়ানমার থেকে আমদানি পণ্যের ভেতরে লুকিয়ে বাংলাদেশে প্রথম ইয়াবা ট্যাবলেট নিয়ে আসে সে। তখন থেকে সে টেকনাফসহ সারাদেশে ইয়াবার একটি শক্তিশালী সিন্ডিকেট নিয়ন্ত্রণ করতো। তার অন্যতম সহযোগী ছিল টেকনাফের হুন্ডির ডন টিটি জাফর। টিটি জাফরের মাধ্যমে হুন্ডির টাকায় বাংলাদেশে ইয়াবার চালান আনা হতো। সিন্ডিকেট সদস্যদের মাধ্যমে সেই ইয়াবা সারাদেশে পাচার করা হতো।

এজাহারে যে ১৮ জনের পূর্ণাঙ্গ ঠিকানা রয়েছে, তারা হলো— টেকনাফ পৌরসভার জালিয়াপাড়ার মৃত মো. হোসেনের ছেলে জাফর আহমদ ওরফে টিটি জাফর (৩৮), অলিয়াবাদ গ্রামের আবু ছিদ্দিকের ছেলে ছৈয়দ আলম প্রকাশ সোনা মিয়া (৩৫), পুরান পল্লনপাড়ার হাফেজ আবু বক্করের ছেলে (বদির বোনের জামাই) মোহাম্মদ ফারুক (৩০), ডেইলপাড়ার কালা মোহাম্মদ আলীর ছেলে মো. আমিন (৩৭), শীলবুনিয়াপাড়ার মৃত লাল মোহাম্মদের ছেলে নুর হাছন (২৮), দক্ষিণ জালিয়াপাড়ার মৃত খুইল্যা মিয়ার ছেলে আমির আলী প্রকাশ বর্মাইয়া আলী (৪৮), টেকনাফ সদর ইউনিয়নের বড়

হাবিরপাড়ার মৃত আমির হামজার ছেলে মো. আলী আহম্মদ (৪৫), শীলবুনিয়াপাড়ার মো. রশিদের ছেলে মো. আয়াছ ওরফে বর্মাইয়া আয়াছ (৩৮), তার ছোট ভাই মো. ইয়াছের প্রকাশ বার্মাইয়া ইয়াছের (২৮), শীলবুনিয়াপাড়ার জুবায়েরের ছেলে মো. দেলোয়ার (৩০), কেরুণতলী এলাকার রশিদ আহমদের ছেলে মো. মিজান (২৮),

লেঙ্গুবিলের জাফর চেয়ারম্যানের বাড়ির পাশে মো. হোসেনের ছেলে মো. কাদের (২৮), অলিয়াবাদ গ্রামের সিদ্দিক আহমদের ছেলে রবিউল আলম (২৫), শীলবুনিয়াপাড়ার সোলাইমানের ছেলে মো. শফিক (৪৮), শীলবুনিয়াপাড়ার আবুল হোসেনের ছেলে মো. শামসু (২৮), উত্তর লম্বরীর মাহবুব শর্দারের ছেলে মো. শামসু (৩৫), মধ্য জালিয়াপাড়ার মো. হোসেনের ছেলে মো. মনিরুজ্জামান ওরফে আমির সাব ( ৪৮) ও নিহত সাইফুল করিমের ভাগ্নে মো. মিজান (২৭)।

এজাহারে আরও বলা হয়, সাইফুল উল্লিখিত আসামিদের মাধ্যমে ইয়াবা ব্যবসা পরিচালনা করতো। আসামিরা যৌথভাবে মূলধন বিনিয়োগ করে ইয়াবা পাচারের পাশাপাশি আগ্নেয়াস্ত্র ও গুলির ব্যবসাও নিয়ন্ত্রণ করতো।

আত্মগোপনে ইয়াবা ‘ডন’রা

সাইফুল করিম বন্দুকযুদ্ধে নিহত হওয়ার পর সিন্ডিকেটের প্রভাবশালী ও মামলার এজাহারভুক্ত আসামিরা আত্মগোপনে চলে গেছে। বদির ভাই মৌলভি মুজিব এতদিন টেকনাফে প্রকাশ্যে চলাফেরা করলেও কিছুদিন ধরে মিয়ানমারের মংডুতে অবস্থান করছে বলে স্থানীয়রা জানিয়েছেন। সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান জাফর আহমদ ও তার ছেলে শাহজাহান চেয়ারম্যান ঢাকায় আছে বলে জানা গেছে। সেখান থেকে তারা দুবাই পালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করছে। নুরুল হক ভুট্টু কক্সবাজারের একটি আস্তানায় অবস্থান করছে। তার বিরুদ্ধে টেকনাফ থানায় ১৮টি মামলা রয়েছে। সম্প্রতি আদালতের নির্দেশে টেকনাফ থানা পুলিশ নুরুল হক ভুট্টু, তার এক ভাই ও বাবার ৩১ কোটি টাকার সম্পদ জব্দ করেছে।

টেকনাফ মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) প্রদীপ কুমার দাশ বলেন, ‘মৃত্যুর আগে সাইফুল পুলিশের পৃথক জিজ্ঞাসাবাদে কয়েকটি সিন্ডিকেটের ৩৩ জন ইয়াবা ও হুন্ডি ডনের ব্যাপারে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য দিয়েছে। তাদের মধ্যে সাবেক এমপির দুই ভাইও রয়েছেন। সাইফুল  হত্যা মামলার এজাহারে ৩৩ জনের নাম রয়েছে। আসামিদের গ্রেফতার করতে পুলিশের অভিযান অব্যাহত রয়েছে।’





আরও পড়ুন



১. প্রধান উপদেষ্টা ঃ এড. সাদির হোসেন (হাইকোর্ট আইনজীবি)
২. সম্পাদক ও প্রকাশক ঃ মোঃ খায়রুল আলম রফিক
৩. নির্বাহী সম্পাদক ঃ প্রদীপ কুমার বিশ্বাস
৪. প্রধান প্রতিবেদক ঃ হাসান আল মামুন
প্রধান কার্যালয় ঃ ২৩৬/ এ, রুমা ভবন ,(৭ম তলা ), মতিঝিল ঢাকা , বাংলাদেশ । ফোন ঃ ০১৭৭৯০৯১২৫০
ফোন- +৮৮০৯৬৬৬৮৪, +৮৮০১৭৭৯০৯১২৫০, +৮৮০১৯৫৩২৫২০৩৭
ইমেইল- aporadhshongbad@gmail.com
(নিউজ) এডিটর-ইন-চিফ,
ইমেইল- khirulalam250@gmail.com
close