* ময়মনসিংহে গৃহবধূকে গলাকেটে হত্যার চেষ্টা           *  ডেল্টা গ্রুপের লুটপাট: ২২৫০ কোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগ, তদন্তে নামছে দুদক            *  ময়মনসিংহে মাদক নির্মূলে দিন- রাত কাজ করছেন ডিবি ওসি           * কল্লাকাটা’র গুজব পাগলও রক্ষা পেল না জনতার রোষানল থেকে           * যশোরে দুই জঙ্গি আটক           * ব্রিটেনের হুমকি উপেক্ষা: ট্যাংক মুক্তি দেবে না ইরান           * এবার কুমিল্লায় ছেলেধরা সন্দেহে ভিক্ষুককে গণপিটুনি           * গুজব ছড়িয়ে আইন হাতে তুলে নেবেন না: পুলিশ           * মুক্তাগাছার কুমারগাতায় দালালদের দৌরাত্ম্য বাড়ছে অপরাধ           * রাষ্ট্রপতির ক্ষমার ১০ বছর পর মুক্তি মিলল স্কুলশিক্ষকের!           * আজ লন্ডন যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী           * প্রেমের টানে লক্ষ্মীপুরে আমেরিকান নারী           * মৃত্যুর ১৪ দিন পর কবর থেকে তাসলিমার লাশ উত্তোলন           *  বরগুনার এসপি এবার বললেন, ‘স্বীকারোক্তি তো পুলিশের কাছে হয় না, হয় জজের কাছে’            * দুর্নীতির অভিযোগে পাকিস্তানের সাবেক প্রধানমন্ত্রী আব্বাসি গ্রেফতার           * পূর্বধলায় ছেলে ধরা সন্দেহে ১ জন আটক            * শিশুর কাটা মাথা নিয়ে মদ খেতে গিয়েছিলেন ওই যুবক           * ‘দুর্নীতিগ্রস্ত’ ওয়াসার ‘লুকোচুরি’           * ১০৩ টাকায় পুলিশে চাকরি, গফরগাঁও থানায় সংবর্ধনা           *  কেউ পাস করেনি ১ বেসরকারি কলেজে ময়মনসিংহের ৩ সরকারি কলেজে এইচএসসি’র ফল বিপর্যয়          
* কল্লাকাটা’র গুজব পাগলও রক্ষা পেল না জনতার রোষানল থেকে           * দিয়াবাড়ির অস্ত্র রহস্য তিন বছর পরও অজানা           * ত্রিশালে বাধাগ্রস্থ উন্নয়ন রাজনৈতিক বিরোধের সুযোগে সরকারি কর্মকর্তাদের দুর্নীতি          

ময়মনসিংহে মাদক নির্মূলে কাজ করছে রেঞ্জ পুলিশ ------- এডিশনাল ডিআইজি ড. মোঃ আক্কাছ উদ্দিন ভূইয়া

মোঃ খায়রুল আলম রফিক | বুধবার, জুন ২৬, ২০১৯
 
ময়মনসিংহে মাদক নির্মূলে কাজ করছে রেঞ্জ পুলিশ
------- এডিশনাল ডিআইজি ড. মোঃ আক্কাছ উদ্দিন ভূইয়া

  ময়মনসিংহ রেঞ্জ পুলিশের এডিশনাল ডিআইজি ড. মোঃ আক্কাছ উদ্দিন ভূইয়া বলেছেন, মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নির্দেশে,আইজিপি ড. মোহাম্মাদ জাবেদ পাটোয়ারী স্যার এবং রেঞ্জ ডিআইজি  নিবাস চন্দ্র মাঝির নির্দেশনায় ময়মনসিংহ রেঞ্জ পুলিশ মাদক, সন্ত্রাস ও জঙ্গিবাদ নির্মূলে ব্যাপকভাবে কাজ করে যাচ্ছে।

 আমরা আশা রাখছি অচিরেই জঙ্গিবাদের মতো করে মাদককেও নির্মূল করা হবে। তিনি আরও বলেন, শুধু সাধারণ জনগণই নয়, মাদকের সঙ্গে পুলিশ জড়িত থাকলেও তাকে ছাড় দেয়া হবে না। দৈনিক আমাদের কণ্ঠের সাথে এক সাক্ষাতকারে এডিশনাল ডিআইজি ড.মোঃ আক্কাছ উদ্দিন ভূইয়া উপরোক্ত কথা বলেন ।

এডিশনাল ডিআইজি ড. আক্কাছ উদ্দিন ভূইয়া আরো বলেন, শুধু অভিযান চালিয়ে, মামলা দিয়ে ও গ্রেপ্তার করে ময়মনসিংহ রেঞ্জ এলাকা  থেকে মাদক, জঙ্গি ও সন্ত্রাসী নির্মূল করা সম্ভব নয়। এর জন্য প্রয়োজন সর্বস্তরের জনসাধারণের সম্মিলিত উদ্যোগ। তিনি বলেন, জনতার সহযোগিতা ছাড়া উন্নয়নের পথের এ তিনটি বাধা দূর করা সম্ভব নয়।

ড. আক্কাছ উদ্দিন ভূইয়া বলেন, ‘উন্নয়নের ক্ষেত্রে বাংলাদেশ পৃথিবীর এক অবাক বিস্ময়। এ উন্নয়নের ম্যাজিশিয়ান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। কিন্তু পরিতাপের বিষয় হলো, কিছু কিছু অমানুষ এ উন্নয়নের পথে বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে। তারা আমাদের মাদক দিয়ে, সন্ত্রাস দিয়ে, জঙ্গি দিয়ে ফাঁসিয়ে দিতে চাইছে। তারা চায় না এ দেশের উন্নয়ন হোক।

এডিশনাল ডিআইজি বলেন, ‘জনগণের সহায়তায় পুলিশ ইতিমধ্যে জঙ্গিবাদ নিয়ন্ত্রণ করতে পেরেছে, বর্তমানে আমাদের টার্গেট মাদক নির্মূল করা। আমরা মাদকের বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণা করেছি।

এ যুদ্ধে আমরা জয়ী হতে চাই। এ জন্য সমাজের সর্বস্তরের মানুষের সাহায্য চাই। কেননা জনগণের সম্পৃয়তা ছাড়া পৃথিবীতে কোনো দেশের পুলিশ সাফল্য অর্জন করতে পারেনি। তিনি বলেন, ‘আমরা যেসব তথ্য পাই তার ৯৯ ভাগ তথ্য দেয় জনগণ। এ জন্য জনগণকে সঙ্গে নিয়ে আমরা কাজ করতে চাই।

এডিশনাল ডিআইজি বলেন, টেকসই উন্নয়নের জন্য প্রয়োজন টেকসই শান্তি। আর টেকসই শান্তি আসে টেকসই নিরাপত্তা থেকে। পুলিশ জনগণকে টেকসই নিরাপত্তা দিতে কাজ করে যাচ্ছে।

‘জনগণের সম্পৃয়তা ছাড়া সমাজ থেকে মাদক, জঙ্গি সন্ত্রাস নির্মূল করা সম্ভব নয়। পাশের ঘরে আগুন লাগলে আমাদেরও নিরাপত্তা বিঘ্নিত হবে। আমরা যদি একজন ব্যক্তিকে মাদক, সন্ত্রাস ও জঙ্গিবাদ থেকে সরিয়ে আনতে পারি, তবে সেটা হবে সত্যিকারের দেশপ্রেমের কাজ।’

‘পুলিশের কোনো সদস্য মাদক ব্যবসার সঙ্গে যুক্ত হলে তাকে ছাড় দেওয়া হবে না। আমার বিরুদ্ধে যদি এ অভিযোগ থাকে, তাহলে তা আমাকে জানান।
এডিশনাল ডিআইজি ড. আক্কাছ উদ্দীন ভূইয়া পুলিশ কর্মকর্তাদের উদ্দেশ্যে বলেছেন, ময়মনসিংহ বিভাগের প্রতিটি থানা হবে মানুষের সেবার কেন্দ্র । একজন মানুষ নিরুপায় হয়েই থানায় যায়।

হয়তো তার সব সমস্যার সমাধান নাও দিতে পারেন, কিন্তু তার কথাগুলো মনোযোগ দিয়ে শুনুন, কী করতে হবে বুঝিয়ে বলুন, তাদের সঙ্গে ভালো ব্যবহার করুন। থানায় এসে হাসিমুখে মানুষ যেন কাঙ্ক্ষিত সেবা পায়, এই প্রয়াস যেন অব্যাহত থাকে। ড. আক্কাছ উদ্দীন ভূইয়া বলেন, থানায় এসে মানুষ যদি ভালো ব্যবহার পায়, পুলিশের প্রতি মানুষ সন্তুষ্ট থাকবে।

এতে পুলিশের ওপর মানুষের বিশ্বাস ও আস্থায় জায়গা আরও বাড়বে। মানুষকে সেবা দেওয়া পুলিশের একার পক্ষে সম্ভব হয় মন্তব্য করে ড. আক্কাছ উদ্দীন ভূইয়া বলেন, পুলিশের পাশাপাশি জনগণকেও এগিয়ে আসতে হবে। অপরাধীদের বিষয়ে জনগণ যদি পুলিশকে তথ্য দিয়ে সহায়তা করে, তবে সেবার মান আরও উন্নত হবে।

ড. আক্কাছ উদ্দীন ভূইয়া বলেন, ‘আইনের শাসন প্রতিষ্ঠায় আমরা জনবান্ধব পুলিশ গঠন করতে পেরেছি। যার ফলে ময়মনসিংহ বিভাগে অপরাধের মাত্রা এখন অনেক কম। জঙ্গিবাদ ও মাদকের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ করার মাধ্যমে ময়মনসিংহ বিভাগবাসীকে নিরাপদে রেখেছি। নারীবান্ধব ও শিশুবান্ধব পুলিশ গঠন সুন্দর ব্যবহার করার মাধ্যমে আমরা মানুষের মন জয় করতে সক্ষম হচ্ছি ।

জানা যায়, পুলিশ নিয়ে অনেকের বিরূপ ধারণা থাকলেও নেত্রকোনা জেলার কেন্দুয়ার সন্তান ময়মনসিংহ রেঞ্জ পুলিশের এডিশনাল ডিআইজি ড. আক্কাছ উদ্দীন ভূইয়া সে ধারণা সম্পূর্ণ বদলে দিয়েছেন। ড. আক্কাছ উদ্দীন ভূইয়া একজন ব্যতিক্রমধর্মী পুলিশ অফিসার।

প্রতিনিয়ত তিনি সহকর্মী ও সাধারণ জনগণের আদর্শগত ভিন্নতা মেনে নিয়ে পরস্পরের সঙ্গে কাজ করে যাচ্ছেন। পুলিশ জনগণের বন্ধু ।  তিনি এই বাক্যটির উৎকৃষ্ট নিদর্শন। তিনি অন্যতম একজন আদর্শ পুলিশ অফিসার যিনি তার দায়িত্ব গ্রহণের পর থেকে আধুনিকতা, প্রযুক্তি ও সততা দিয়ে অপরাধ দমন করার চেষ্টা করেন।

পুলিশ জনতার, জনতা পুলিশের এই শ্লোগানকে বাস্তবে রূপ দিয়েছেন ড. আক্কাছ উদ্দীন ভূইয়া । ময়মনসিংহ বিভাগবাসীর সকল শ্রেণির মানুষের চোখে একজন সৎ, আদর্শবান, ন্যায়নিষ্ঠ ও গরিবের বন্ধুসুলভ পুলিশ অফিসার। অধিকাংশ মানুষই তাকে গরিবের বন্ধু হিসাবে জানেন।

তিনি তাঁর সততা, ন্যায়নিষ্ঠা ও তার বিচক্ষণ বুদ্ধিমত্তা দিয়ে তার দায়িত্বরত এলাকা মাদক, সন্ত্রাস, চাঁদাবাজ ও দখল বাজদের হাত থেকে মুক্ত করেছেন। তার চোখে ধনী-গরিব, রিক্সাচালক হতে সব শ্রেণিপেশার মানুষ সমান। তিনি শুধু একজন পুলিশ কর্মকর্তাই নন পাশাপাশি অনেক সামাজিক কর্মকান্ডে তিনি অবদান রেখেছেন।

জানা গেছে, ২০১৬ সালে সিলেট বিভাগ পুলিশ থেকে ময়মনসিংহের প্রথম রেঞ্জ পুলিশের এডিশনাল ডিআইজি হিসাবে যোগদানকারী ড. আক্কাছ উদ্দীন ভূইয়া তার দীর্ঘ কর্মজীবনে নরসিংদী,হবিগনজ,শেরপুর জেলা পুলিশ সুপার , ময়মনসিংহ ,জামালপুর জেলা পুলিশের এডিশনাল এসপি (প্রশাসন) হিসাবেও দায়িত্ব পালন করেছেন ।

পুলিশে যোগদানের পর থেকেই তিনি একে একে অপরাধ দমনে সক্রিয় ভূমিকা পালন করে যাচ্ছেন । তার সুনিপুণ দক্ষতার মাধ্যমে সুষ্ঠ তদন্তের ফলে দোষীরা খুব দ্রুতই আইনের আওতায় চলে এসেছে এবং তাদের শাস্তিও হয়েছে।

এই পুলিশ কর্মকর্তার দায়িত্বরত এলাকার মানুষ জন তিনি একজন সৎ ও অন্যায়ের কাছে আপোষহীন পুলিশ অফিসার হিসাবে পরিচিত। এলাকাবাসী বলেন, তিনি আমাদের বন্ধু তার অক্লান্ত পরিশ্রমে আজ আমাদের এলাকা মাদক, চাদাঁবাজ, দখলবাজ, ইভটিজার, জঙ্গি, অস্ত্রধারী সন্ত্রাসী মুক্ত। আ,লীগের নেতা আলহাজ শাহজালাল বলেন, তাঁর মতো একজন সৎ, ন্যায়নিষ্ঠা এবং অন্যায়ের বিরুদ্ধে বজ্রকন্ঠী আওয়াজ তোলা পুলিশ অফিসার পেয়ে আমরা সত্যিই ধন্য।

এডিশনাল ডিআইজি ড. আক্কাছ উদ্দীন ভূইয়া আমাদের কন্ঠকে বলেন, বর্তমান সরকার গণমানুষের বন্ধু, সরকার আমাদের পাঠিয়েছেন  মানুষের মুখেহাসি ফোটাতে, মানুষের সাথে মিলেমিশে তাদের সুখ দুঃখভাগাভাগি করে নিতে। আমরা মানুষের অতন্ত্র প্রহরী আমাদের কাজ হচ্ছে দেশকে মাদক, সন্ত্রাস, জঙ্গিবাদ, চাদাঁবাজ, ইভটিজার মুক্ত করেমানুষের মাঝে শান্তি ফিরিয়ে আনা।

আমার কাছে ধনী-গরিব, রিক্সাচালকসহ সব শ্রেণিপেশার মানুষ সমান। একজন নির্যাতিত মানুষের শেষ আশ্রয়স্থল হলো পুলিশ। আর আমরা যদি তাদের আশ্রয় এবং তাদের সমস্যা নিরসন না করি তাহলে কে করবে। “পুলিশ জনতার এবং জনতা পুলিশের” আমি এই ¯োগানকে সামনে রেখে এবং সাধারণ মানুষের দোয়া ও ভালবাসা নিয়ে বঙ্গবন্ধুর স্বপ্নের সোনার বাংলাদেশকে মাদক, জঙ্গি, সন্ত্রাস মুক্ত করতে এগিয়ে যাব।

তিনি আরো বলেন, আমরা অতন্ত্র প্রহরী হিসাবে রাত জেগে থাকি শুধু জনগণ শান্তিতে ঘুমাবে বলে, আমাদের ঈদের ছুটিও নেই শুধু জনগণ যাতে তাদের এই ঈদকে সুন্দর, সুশৃঙ্খল এবং শান্তিতে কাটাতে পারে। কত পুলিশ অফিসার প্রাণের ঝুঁকি নিয়ে কাজ করে যাচ্ছেন দেশকে জঙ্গি, সন্ত্রাস মুক্ত করতে।

আমি একটি কথা বলবো জনগণের উদ্দেশ্যে-আপনারা পুলিশ কে নিজের বন্ধু ভাবুন, পুলিশ জনগণের বন্ধু। পুলিশজনগণের শুধু বন্ধুই নয়, সেবকও। পুলিশ সব সময়ই জনগণের বন্ধুহিসেবে জনগণের পাশে ছিল এবং আগামীতেও থাকবে। জনগণের আন্তরিক সহযোগিতা ছাড়া পুলিশের পক্ষে ব্যাপক জনগোষ্ঠীর সেবা দেয়া সম্ভব নয়। এডিশনাল ডিআইজি ড. আক্কাছ উদ্দীন ভূইয়ার সততা ও ন্যায়নিষ্ঠায় সমগ্র ময়মনসিংহবাসী গর্ববোধ করেন।

এডিশনাল ডিআইজি ড. আক্কাছ উদ্দীন ভূইয়ার সততা ও ন্যায়নিষ্ঠায় মুগ্ধ হয়ে বলেন, জীবন সংগ্রামকে সঠিকভাবে উপলব্ধি করার জন্য প্রয়োজন সঠিক মানুষের। যে দিন বাংলাদেশের প্রতিটি বিভাগে এডিশনাল ডিআইজি ড. আক্কাছ উদ্দীন ভূইয়ার মতো সৎ পুলিশ অফিসার থাকবেন সেদিনই বাংলাদেশ হয়ে উঠবে নিরাপদ, সুন্দর এবং শান্তিময় দেশ।

ময়মনসিংহ, নেত্রকোনা, জামালপুর ও শেরপুর  জেলা পুলিশ সুপারগণ বলেন, ড. আক্কাছ উদ্দীন ভূইয়ার স্যারের মতো একজন পুলিশ অফিসার পাওয়া সত্যিই ভাগ্যের ব্যাপার। স্যারের মতো দক্ষ, সৎ ও কর্তব্যপরায়ন পুলিশ অফিসার বাংলাদেশ পুলিশ বাহিনীর জন্য গর্ব।

ময়মনসিংহ বিভাগে কর্মরত সাংবাদিরা জানান, পুলিশের কিছু সদস্য যারা নিজের-ডিপার্টমেন্টের সুনাম রক্ষায় দিন-রাত নিরলসভাবে কাজ করে পুলিশের ভাবমূর্তিকে জনতার মাঝে প্রশংসিত করে যাচ্ছেন, তাদেরই একজন ময়মনসিংহ রেঞ্জের এডিশনাল ডিআইজি পদে দায়িত্বে থাকা দক্ষ পুলিশ কর্মকতা এডিশনাল ডিআইজি ড. আক্কাছ উদ্দীন ভূইয়া।

পুলিশ জনতা, জনতাই পুলিশ তিনি তাঁর আচার-আচারণ, কথা-বার্তায় জনগনকে তা বুঝিয়ে দিচ্ছেন। তিনি পুলিশের একজন উচ্চ পদস্থ কর্মকর্তা তাঁর মাঝে সেরকম কোন ভাব নেই। যিনি ধনী-গরীব বুঝেন না।

তিনি শুধু বঝেন তিনি জনগণের একজন সেবক। জনগনকে সেবা দেওয়াই যার লক্ষ্য। তিনি সকলের সাথে মিলে মিশে চলার চেষ্টা করেন। সদা হাস্যোজ্জল থাকেন। সকলের খোজঁখবর নেওয়ার চেষ্টা করেন। ক্রাইমজোন ও মাদকের আখড়া হিসাবে পরিচিত এই ময়মনসিংহ রেঞ্জ এলাকায় মাদক, ছিনতাই, চুরি, ডাকাতি সহ বিভিন্ন অপরাধ নির্মূলে তার ভূমিকা প্রশংসনীয়।

দিন-রাত অবিরত ছুটে চলছেন মাদক ছিনতাই নির্মূলের অভিযানে। মাদক সনাক্ত করনে তাঁর রয়েছে আলাদা অভিজ্ঞতা। তার চিন্তা, চেতনায় তিনি আন্দাজ করতে পারেন কোথায় মাদকের অবস্থান। তার মেধা ও বুদ্ধিমত্তা দিয়ে তিনি রেঞ্জের শীর্ষ মাদক ব্যবসায়ীদের আইনের আওতায় নিয়ে আসতে সর্বক্ষণ বিভিন্ন থানার খোঁজ-খবর নিয়ে ওসিদের পরামর্শ দিয়ে থাকেন। রেকর্ড সংখ্যাক মাদক উদ্ধার, মাদক ব্যবসায়ী এবং সেবনকারীদের গ্রেফতার অভিযানে মেধা ও

বুদ্ধির কারনে তিনি স্থানীয় বসতি ও সাধারন জনতার মাঝে আলোচনার স্থান দখল করে নিয়েছেন। ময়মনসিংহ রেঞ্জ ডিআইজি কার্যালয়ে তাঁর যোগদানের পর থেকে সিংহভাগ মাদক ব্যবসায়ী ও সেবনকারীরা তার নেতৃত্বে গ্রেফতার হয়েছে। মাদকের সাথে তিনি ছিনতাই অস্ত্র, নারী পাচারকারী সদস্যদের নির্মুলে জিরোটলারেন্স নিয়ে কাজ করছেন।

ময়মনসিংহ রেঞ্জ হওয়ার পর ফের এডিশনাল ডিআইজি পদে তার যোগদানের পর থেকে তার এ্যাকশনমুখী অভিযানের আতঙ্কে স্থানীয় শীর্ষ মাদক ব্যবসায়ী এলাকা ছেড়ে পালিয়ে বেড়াচ্ছেন বলে জানান রেঞ্জ এলাকার সাধারণ জনতার অনেকেই। এ সফলতার রহস্য জানতে চাইলে তিনি নিজস্ব উদ্যোগ,সাহস,মেধাকেই সব চেয়ে বেশি গুরুত্বারোপ করেন। সরকারের নির্দেশ বাস্তবায়ন আর দেশ প্রেমই মাদক বিরোধী অভিযানে তাকে বেশি উদ্বুদ্ধ করে বলে জানান তিনি।

 মাদক, বাল্য বিবাহ, জঙ্গীবাদ এধরনের সকল সমাজ ও রাষ্ট্রবিরোধী কর্মকান্ড নির্মুলে ব্যক্তি পর্যায় থেকে সকলকে এগিয়ে আসার আহবান জানান পুলিশের চৌকস এই কর্মকর্তা ।

তাহলেই সকলে মিলে মিশে একটা সুন্দর, অপরাধমুক্ত,শান্তিময় বাংলাদেশ গড়া সম্ভব হবে বলে মনে করেন তিনি। এছাড়া তিনি অত্যন্ত সৎ, বিচক্ষন, অন্যায়-অপরাধের বিরুদ্ধে আপোষহীনএক ব্যক্তি। তার দিক- নির্দেশনায় সকল থানায় কমর্রর ওসিরা তাদের অভিযানে সফল হচ্ছেন। ময়মনসিংহ রেঞ্জ এলাকাকে অপরাধ ও মাদকমুক্ত করার লক্ষে তার এই অভিযান চলবে।

এডিশনাল ডিআইজি আক্কাস উদ্দীন ভূইয়া আরও বলেন, ‘মাদকের বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স নীতি’ বলবৎ আছে। যারা এ পথ পরিহার করে স্বাভাবিক জীবনে ফিরতে চায় তাদের সুযোগ দেওয়া হবে। যারা মাদক ব্যবসায় জড়িত, তারা যত শক্তিশালীই হোক, আইনের আওতায় তাদের আসতেই হবে। মাদক ব্যবসায়ীরা আইনের কাছে আত্মসমর্পন না করলে আগামীতে তাদের জন্য ভয়ানক দিন অপেক্ষা করছে।

মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার মাদকের বিরুদ্ধে ঘোষিত যুদ্ধে অবদান রাখতেই উর্দ্ধতন পুলিশের কর্মকতাদের নির্দেশে নিরলস ভাবে আইন শৃঙ্খলা রক্ষায় কাজ করে যাচ্ছে এডিশনাল ডিআইজি আক্কাস উদ্দীন ভূইয়া।
ময়মনসিংহ রেঞ্জের আওতাধীন জনতার দাবী-মাদক চোরাকারবারিদের জন্য এডিশনাল ডিআইজি এক আতঙ্কের নাম। তিনি যেভাবে মাদক, ছিনতাই ও অপরাধীদের বিরুদ্ধে লেগেছে তাতে আশা করা যায় ময়মনসিংহ রেঞ্জ এলাকা শীঘ্রই অপরাধীদের কবলমুক্ত হবে।

বাংলাদেশ পুলিশের ময়মনসিংহ রেঞ্জের এডিশনাল ডিআইজি আক্কাস উদ্দীন ভূইয়া বলেছেন, আমরা চাই এদেশের জনগনের পুলিশ হতে। কিন্তু, পুলিশের একার পক্ষে সব ধরনের অপরাধ নির্মূল করা সম্ভব না। অপরাধ সমূলে উৎপাটন করতে চাইলে পুলিশের পাশাপাশি রাজনৈতিক, সামাজিক, সাংস্কৃতিক, সাংবাদিক, ইমাম, পেশাজীবিসহ সকল শ্রেণি-পেশার মানুষের সচেতনতা ও একান্ত সহযোগিতা প্রয়োজন।


এডিশনাল ডিআইজি আক্কাস উদ্দীন ভূইয়া বলেন, জঙ্গিরা দেশকে গ্রাস করতে চেয়েছিল। সারা বিশ্বের কাছে একটি নেতিবাচক দেশ হিসেবে চিহ্নিত করতে চেয়েছিল। কিন্তু সাধারণ মানুষ ও মিডিয়ার সহযোগিতায় পুলিশ জঙ্গিবাদ ও মাদকের বিরুদ্ধে কার্যকরী ভূমিকা পালন করেছে। ইতোমধ্যেই জঙ্গি নির্মূলে পুলিশ সফল হয়েছে। দেশে একজন জঙ্গি থাকা পর্যন্ত দেশব্যাপী এ অভিযান অব্যাহত থাকবে। দেশের মানুষ শান্তিতে থাকুক, আমরা জেগে থাকব তাদের নিরাপত্তায়।







আরও পড়ুন



১. প্রধান উপদেষ্টা ঃ এড. সাদির হোসেন (হাইকোর্ট আইনজীবি)
২. সম্পাদক ও প্রকাশক ঃ মোঃ খায়রুল আলম রফিক
৩. নির্বাহী সম্পাদক ঃ প্রদীপ কুমার বিশ্বাস
৪. প্রধান প্রতিবেদক ঃ হাসান আল মামুন
প্রধান কার্যালয় ঃ ২৩৬/ এ, রুমা ভবন ,(৭ম তলা ), মতিঝিল ঢাকা , বাংলাদেশ । ফোন ঃ ০১৭৭৯০৯১২৫০
ফোন- +৮৮০৯৬৬৬৮৪, +৮৮০১৭৭৯০৯১২৫০, +৮৮০১৯৫৩২৫২০৩৭
ইমেইল- aporadhshongbad@gmail.com
(নিউজ) এডিটর-ইন-চিফ,
ইমেইল- khirulalam250@gmail.com
close