* মসিকের ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে ২০০০০ টাকা জরিমানা           *  ঘুম যার কম, ভুল তার বেশী!           *  চাঞ্চল্যকর মামলা বিচার পর্যন্ত তদারকির নির্দেশ আইজিপির           * আ.লীগের ১২৮ জন কর্মী-সমর্থকের বিএনপিতে যোগদান           * স্কুলে ২২ মৌমাছির চাক, আতঙ্কে শিক্ষক শিক্ষার্থীরা           * বিয়ের পর পরই প্রেগন্যান্ট মিথিলা?           * ময়মনসিংহে অসহায়দের মাঝে শীতবস্ত্র বিতরণ করলো সঞ্জীবন           * সুবিধাবাদীরা আ.লীগের অর্জন খেয়ে ফেলবে: কাদের           *  মানসম্মত চলচ্চিত্র নির্মাণে মেধা ব্যবহার করুন : প্রধানমন্ত্রী            * ময়মনসিংহ ডিএফএ চ্যালেঞ্জ কাপ ফুটবল টুর্নামেন্ট চট্টগ্রাম আবাহনী লি. চ্যাম্পিয়ন           * যুক্তরাষ্ট্রে শিশুদের জনপ্রিয় নামের তালিকায় ‘মুহাম্মদ’!            * প্রেমিকের সঙ্গে সঙ্গম চলাকালে স্কুলছাত্রীর মৃত্যু            * ছাত্রী অন্তঃসত্ত্বা, জানা গেল প্রধান শিক্ষিকার স্বামীর অপকর্ম           * পুরুষের হার্ট অ্যাটাকের ঝুঁকি বাড়ায় সুন্দরী নারী: গবেষণা            * তেলাপোকাও পাখি, শাজাহান খানও মানুষ: নিক্সন চৌধুরী            * মরুভূমিতে আজো দাঁড়িয়ে আছে নবীজীকে (সা.) ছায়াদানকারী সেই গাছ           * বিয়ের আসর থেকে পালানো মেয়েটিই জিতলো স্বর্ণপদক           * শীতকালীন ছুটি পাচ্ছেন না শিক্ষকরা!            * চলন্ত বাসে ছাত্রীকে যৌন হয়রানি, যাত্রীর কারাদণ্ড            * নাচলেন আর দর্শকদের নাচালেন ক্যাটরিনা          
*  সফরে গেলে বিমানে বসে আমি বাংলা সিনেমা দেখি: প্রধানমন্ত্রী           * রুম্পার ‘প্রেমিক’ চারদিনের রিমান্ডে           *  নয়া দিল্লির অগ্নিকাণ্ডে নিহত বেড়ে ৪৩           

‘দুর্নীতিগ্রস্ত’ ওয়াসার ‘লুকোচুরি’

নিজস্ব প্রতিবেদক, | বৃহস্পতিবার, জুলাই ১৮, ২০১৯
‘দুর্নীতিগ্রস্ত’ ওয়াসার ‘লুকোচুরি’
ওয়াসা নিয়ে অভিযোগের অন্ত নেই। তবে জবাবদিহিতার মুখোমুখি হতে নারাজ সংস্থাটি। সাধারণ মানুষ দূরের কথা, গণমাধ্যমকর্মীদেরও তথ্য দিতে চান না কর্মকর্তারা। ফোনই ধরেন না। ধরলেও এক কর্মকর্তা ঠেলেন আরেকজনের কাছে। তিনি আবার বলেন আরেক জনের নাম।

বৃহস্পতিবার ঢাকা ওয়াসায় দুর্নীতি নিয়ে ১১ টি খাত চিহ্নিত করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। কিন্তু এ নিয়ে সংস্থাটির বক্তব্য পেতে গলদঘর্ম গণমাধ্যমকর্মীরা। জনসংযোগ কর্মকর্তা বন্ধ রেখেছেন ফোন। ব্যবস্থাপনা পরিচালক থেকে শুরু করে বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তাদের ফোন ক্রমাগত বেজে চললেও তারা কেউ ধরেননি।

ওয়াসার দুর্নীতি, অদক্ষতা আর উপেক্ষা নিয়ে অভিযোগ নতুন নয়। একইভাবে নতুন নয় কর্মীদের এড়িয়ে চলার মনোভাব। গতকালের ঘটনাটি কেবল নতুন করে হয়েছে।

জনসম্পৃক্ত সরকারি সংস্থাগুলোর মধ্যে ওয়াসার মতো এই ধরনের আচরণ অন্যরা করে না বললেই চলে। তাদের এই এড়িয়ে চলার মনোভাব নিয়ে জানতে চাইলে দুর্নীতিবিরোধী আন্তর্জাতিক সংস্থা ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনালের বাংলাদেশ শাখা টিআইবির নির্বাহী পরিচালক ইফতেখারুজ্জামান বলেন, ‘ওয়াসা একটা কর্তৃত্ববাদী প্রতিষ্ঠান। এটা এক ব্যক্তির ক্ষমতার ওপর নির্ভর করছে, যে কারণে ওদের জবাবদিহিতা বলতে কিছু নাই। যার কারণে তারা একটা অস্বচ্ছতার মধ্যে আছে। এটা কোনো অবস্থায় গ্রহণযোগ্য নয়।’

‘দুদক যে প্রতিবেদন করেছে আমরা আশা করব এটা অবশ্যই গুরত্বপূর্ণ। যেহেতু তারা একটি সরকারি প্রতিষ্ঠান, তাদের আইনগত ক্ষমতা রয়েছে। এ বিষয়ে তারা যেন আইনগত পদক্ষেপ নেয়।  ওয়াসার বিরুদ্ধে কার্যক্রর ব্যবস্থা নেয় সেটাই আমরা চাইব। বিশেষ করে যারা এই দুর্নীতির সঙ্গে জড়িত তাদের কঠোর শাস্তির আওতায় আনতে হবে।’

স্থানীয় সরকার বিশেষঅজ্ঞ তোফায়েল আহমেদ এ বিষয়ে বলেন, ‘দুর্নীতি দমন কমিশনের প্রতিবেদন স্থানীয় সরকার মন্ত্রীর কাছে জমা দেওয়ার কী আছে? তারা অ্যাকশনে যাবে। তাদের এটা মন্ত্রীর কাছে দেওয়ার মানে আমি বুঝতে পারছি না। দেখা যাক তারা এটা নিয়ে কী ব্যবস্থা নেয়।’

দুদক যেসব দুর্নীতি খুঁজে পেয়েছে

গতকাল ওয়াসায় দুর্নীতির বিষয়ে প্রতিবেদনটি স্থানীয় সরকার মন্ত্রী তাজুল ইসলামের কাছে তুলে দেন দুদক কমিশনার মোজাম্মেল হক খান। এরপরই বিভিন্ন গণমাধ্যমে সংবাদটি প্রকাশিত হতে থাকে।

দুদক বলছে, ওয়াসার প্রকল্পগুলো নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে শেষ না করে বিভিন্ন অজুহাতে প্রকল্প বাস্তবায়নের সময়সীমা ও প্রকল্প ব্যয় বাড়ানো হয়। এ ছাড়া ঠিকাদার নির্বাচনের ক্ষেত্রে সিন্ডিকেট পদ্ধতি ও রাজনৈতিক পরিচয় এবং কাজ পাওয়ার বিনিময়ে ঘুষ লেনদেন প্রচলিত প্রথা হয়ে দাঁড়িয়েছে। এ ক্ষেত্রে প্রকল্প পরিচালকসহ প্রকল্প বাস্তবায়নের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট প্রকৌশলী এবং ওয়াসার ব্যবস্থাপনা কর্তৃপক্ষ যুক্ত থাকেন।

দুদকের ওয়াসায় দুর্নীতির ১১টি উৎস চিহ্নিত করা হয়েছে। এর মধ্যে প্রকল্প কাজে দুর্নীতির তথ্য তুলে ধরা হয়েছে আটটি। নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে শেষ না করে বিভিন্ন অজুহাতে প্রকল্প বাস্তবায়নের সময়সীমা ও প্রকল্প ব্যয় বাড়ানো হয়। এ ক্ষেত্রে প্রকল্প পরিচালকসহ প্রকল্প বাস্তবায়নের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট প্রকৌশলী এবং ওয়াসার ব্যবস্থাপনা কর্তৃপক্ষ সংশ্লিষ্ট থাকেন। অনেক ক্ষেত্রে প্রকল্পের নকশা ও স্পেসিফিকেশন অনুযায়ী কাজ করা হয় না।

উদাহরণ হিসেবে বৃহত্তর মিরপুর এলাকার পানির চাহিদা পূরণে মিরপুরের ভূ-গর্ভস্থ পানির ওপর নির্ভরতা হ্রাস করে প্রকল্পের কথা তুলে ধরা হয়। প্রকল্পটি ২০১২ সালের ২২ নভেম্বর অনুমোদন হয়। উন্নয়ন প্রকল্প প্রস্তাবনা (ডিপিপি) অনুযায়ী সরকারের ১৪২ কোটি, ওয়াসার ১০ কোটি, প্রকল্প সাহায্য ৩৬৯ কোটি টাকাসহ মোট ৫২১ কোটি টাকার প্রকল্প ২০১৭ সালের জুনের মধ্যে শেষ হওয়ার কথা ছিল।

কিন্তু ২০১৬ সালের ২৯ মার্চের সংশোধিত ডিপিপি অনুযায়ী প্রকল্পের ব্যয় ৫৭৩ কোটি টাকায় উন্নীত করা হয়, এর মধ্যে সরকারের ২০০ কোটি ৫ লাখ, ওয়াসার ১০ কোটি, প্রকল্প সাহায্য ৩৬২ কোটি ৯৫ লাখ।

দুদক বলছে, নির্ধারিত সময়ের মধ্যে প্রকল্পের কাজ শেষ না করে অযৌক্তিকভাবে প্রকল্পের ব্যয় ৫২ কোটি টাকা বাড়ানো হয়েছে। ২০১৬ সালের ডিসেম্বর পর্যন্ত বাস্তব কাজের অগ্রগতি মাত্র ৪৬ দশমিক ৭২ ভাগ হলেও ঠিকাদার পরিশোধ করা হয়েছে ৩১৩ কোটি ৭১ লাখ, যা সংশোধিত ডিপিপি মূল্যের ৫৪ দশমিক ৭৫ ভাগ। এ ক্ষেত্রে কাজের অগ্রগতির সঙ্গে ঠিকাদারের পরিশোধিত বিলের অনেক পার্থক্য রয়েছে।

ঢাকা ও নারায়ণগঞ্জ মহানগরীতে পানি সরবরাহ ব্যবস্থা ধরে রাখতে নেওয়া অন্তর্বর্তীকালীন প্রকল্পগুলোতে দুর্নীতি পেয়েছে দুদক। এ ক্ষেত্রেও অযৌক্তিকভাবে প্রকল্পের ব্যয় ও মেয়াদ বাড়ানো হয়েছে। যে কাজ হয়েছে সেই কাজের অগ্রগতির সঙ্গে ঠিকাদারের পরিশোধিত বিলের অনেক পার্থক্য রয়েছে।

দুদক বলছে, ঢাকা ওয়াসায় পর্যাপ্ত জনবল না থাকায় ওয়াসার বিভিন্ন শ্রেণির কর্মচারীদের নির্ধারিত কার্য সময়ের বাইরে অতিরিক্ত কাজ করতে হয়। এ ক্ষেত্রে তাদের ওভারটাইম বিল দেওয়া হয় যা তাদের মূল বেতনের চেয়েও প্রায় দ্বিগুণ। অনেক ক্ষেত্রে কিছু প্রভাবশালী কর্মচারী ওভারটাইম না করেও ওয়াসার কর্মকর্তাদের সহযোগিতায় বিল তুলে নেন।

দুদক আরও বলছে, ঢাকা ওয়াসার আইন, বিধি, পরিচালন পদ্ধতি, সরকারি অর্থ অপচয়ের দিকসমূহ পর্যবেক্ষণ ও বিশ্লেষণ করে উক্ত প্রতিষ্ঠানের সীমাবদ্ধতা, প্রতিবন্ধকতা ও দুর্নীতি প্রতিরোধের নিমিত্ত সুপারিশমালা প্রণয়নের লক্ষ্যে কমিশনের একজন পরিচালকের নেতৃত্বে একজন উপপরিচালক এবং একজন সহকারী পরিচালকের সমন্বয়ে ওয়াসার দুর্নীতি সংক্রান্ত একটি প্রাতিষ্ঠানিক দল গঠন করা হয়।

প্রাতিষ্ঠানিক দল তাদের অনুসন্ধানে ওয়াসার অবসরপ্রাপ্ত কর্মকর্তা, বর্তমানে কর্মরত কর্মকর্তা এবং এ বিষয়ে সম্যক ধারণা যারা রাখেন তাদের সঙ্গে আলোচনার মাধ্যমে তথ্য সংগ্রহপূর্বক তা পর্যালোচনা করেন।

এ ছাড়া প্রাতিষ্ঠানিক টিম তাদের অনুসন্ধানকালে ওয়াসার বিভিন্ন অনিয়ম ও দুর্নীতি সম্পর্কিত বিভিন্ন দৈনিক পত্র-পত্রিকায় প্রকাশিত তথ্যসহ ভুক্তভোগী সেবা গ্রহীতাদের বক্তব্য, প্রতিষ্ঠানটির বার্ষিক বিবৃতি, নিরীক্ষা ও অডিট প্রতিবেদনও পর্যালোচনা করে। সার্বিক পর্যালোচনার ভিত্তিতে প্রাতিষ্ঠানিক দল ওয়াসার দুর্নীতির উৎস ও ক্ষেত্র চিহ্নিত করে তা প্রতিরোধে প্রণীত সুপারিশমালা প্রতিবেদন আকারে কমিশনে দাখিল করে।

দুদক কমিশনার বলেন, দওয়াসার সরবরাহ করা পানি এখনো পানযোগ্য নয়। এর বিভিন্ন প্রকল্পে কালক্ষেপণের কারণে প্রকল্পের ব্যয় বেড়ে গেছে। কাজের চেয়ে বেশি টাকা দেওয়া হয়েছে ঠিকাদারদের। এতে কাজ তুলে নেওয়া যাচ্ছে না।‘

‘কাজের মান ও পরিসর বিবেচনা করে ওয়াসা যদি টাকা ছাড় করত তাহলে ভালো ফল পাওয়া যেত। বলা যায়, স্পষ্টতই এখানে ওয়াসার সংশ্লিষ্টতা আছে।’

দুর্নীতি প্রতিরোধে সুপারিশ

চিহ্নিত করা দুর্নীতির প্রতিরোধে ১২ দফা সুপারিশ করেছে দুদক।

দুদক মনে করছে, চলমান প্রকল্পগুলোর বিভিন্ন অনিয়ম, দুর্নীতি, অর্থ অপচয় বন্ধে বিভিন্ন প্রকৌশল সংস্থার অভিজ্ঞ প্রকৌশলীর সমন্বয়ে যৌথ পরিমাপ টিম ও মনিটরিং টিম গঠন করা যেতে পারে। এর ফলে ওয়াসা কর্তৃপক্ষ ও ঠিকাদারেরা প্রকল্পের কাজ যথাসময়ে যথাযথভাবে করার বিষয়ে মনোযোগী হবেন। এতে সময়, অর্থ অপচয়, দুর্নীতি অনেকটাই কমে যাবে।

প্রকল্পের প্রাক্কলন তৈরির সময় কাজের যথার্থতা ও উপযোগিতা আছে কি-না তা ওয়াসা কর্তৃপক্ষকে আগেই নিশ্চিত হতে হবে। বাজেট বরাদ্দের ক্ষেত্রে প্রকল্প বাস্তবায়নের সময় যাতে অহেতুক না বাড়ানো হয় সেদিকে বিশেষ দৃষ্টি দিতে হবে।

দরপত্র মূল্যায়নের ক্ষেত্রে মূল্যায়ন কমিটিতে দাতা সংস্থার প্রতিনিধিসহ টেন্ডার ও কেনাকাটা যথাযথ হচ্ছে কি-না তা মনিটরিং করার জন্য মন্ত্রণালয় ভিত্তিক শক্তিশালী কমিটি গঠন করতে হবে।

প্রকল্প বাস্তবায়নের সময় ওয়াসার ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে একাধিকবার প্রকল্প পরিদর্শনসহ রাজনৈতিক প্রভাবমুক্ত হয়ে প্রকল্পের কাজ বাস্তবায়নে মনোযোগী হতে হবে।

ঠিকাদারদের বিল পরিশোধের আগে কাজের সঠিকতা সম্পর্কে নিশ্চিত হতে হবে। ঠিকাদার যতটুকু কাজ করছে তার গুণগত মান যাচাইয়ের ওপরই তার বিল পরিশোধ করা উচিত।

ব্যক্তি মালিকানাধীন গভীর নলকূপ স্থাপন, মিটার রিডিং ও রাজস্ব আদায়ের ক্ষেত্রে ওয়াসা কর্তৃক ম্যানুয়াল পদ্ধতির পরিবর্তে ডিজিটাল পদ্ধতিতে যেতে হবে। অবৈধ ওভারটাইম বিল রোধে ওয়াসার কর্মচারীদের জনবল কাঠামো সুনির্দিষ্ট করা প্রয়োজন। বেতনের সঙ্গে ওভারটাইম বিলের সমন্বয় সাধনসহ সুনির্দিষ্ট বিধিমালা প্রণয়ন করা জরুরি।

প্রকল্পকাজ বাস্তবায়নের জন্য ঢাকা ওয়াসার কাজের সঙ্গে সম্পর্কিত অন্যান্য প্রতিষ্ঠান, যেমন: ঢাকা সিটি করপোরেশন, সওজ, বিদ্যুৎ বিভাগ ইত্যাদির সঙ্গে সুষ্ঠু সমন্বয় প্রয়োজন।

ওয়াসার স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি আনার লক্ষ্যে গণমাধ্যম, দুদক, অডিট বিভাগসহ নজরদারি প্রতিষ্ঠানগুলোর নজরদারি আরও বাড়াতে হবে। সেবা গ্রহীতাদের নিয়ে মাঝে মাঝে গণশুনানির আয়োজন করা উচিত।

ওয়াসার বিভিন্ন মেগা প্রকল্পের কাজ বাস্তবায়নাধীন অবস্থায় বিভিন্ন প্রকৌশলী সংস্থার বিশেষজ্ঞের সমন্বয়ে গঠিত সার্ভিল্যান্স টিম কর্তৃক আকস্মিক অভিযান পরিচালনা করা যেতে পারে। বিভিন্ন ধরনের কেনাকাটায় প্রতিযোগিতামূলক প্রকাশ্য/ই-টেন্ডারিং, দরপত্র আহ্বান থেকে শুরু করে কার্যাদেশ প্রদান ও প্রকল্প বাস্তবায়ন প্রক্রিয়ায় অভিজ্ঞ সিনিয়র কারিগরি জ্ঞানসম্পন্ন কর্মকর্তা-কর্মচারীদের দায়িত্ব দিতে হবে। টেন্ডার প্রক্রিয়ায় বুয়েটসহ অন্যান্য পেশাদার সংস্থাকে সম্পৃক্ত করা যেতে পারে।




আরও পড়ুন



২. সম্পাদক ও প্রকাশক ঃ মোঃ খায়রুল আলম রফিক
৩. নির্বাহী সম্পাদক ঃ প্রদীপ কুমার বিশ্বাস
৪. প্রধান প্রতিবেদক ঃ হাসান আল মামুন
প্রধান কার্যালয় ঃ ২৩৬/ এ, রুমা ভবন ,(৭ম তলা ), মতিঝিল ঢাকা , বাংলাদেশ । ফোন ঃ ০১৭৭৯০৯১২৫০
ফোন- +৮৮০৯৬৬৬৮৪, +৮৮০১৭৭৯০৯১২৫০, +৮৮০১৯৫৩২৫২০৩৭
ইমেইল- aporadhshongbad@gmail.com
(নিউজ) এডিটর-ইন-চিফ,
ইমেইল- khirulalam250@gmail.com
close