* হলে হলে রেইড দেয়া হবে: জাবি উপাচার্য           * রোববার গণভবনে যুবলীগের বৈঠক, ফারুক-শাওনকে না রাখার নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর           * কুড়িয়ে পাওয়া ককটেল বিস্ফোরণে ২ শিশু আহত            * ১০০ বলের খেলায় সাকিব-তামিমের পারিশ্রমিক কত?           * সম্রাটকে র‍্যাবে হস্তান্তর রিমান্ডের প্রথম দিনেই           * ৫ হাজার ৫০০ আদিবাসীর ইসলাম গ্রহণ            * প্রেমিকার সাহায্যে স্ত্রীকে খুন, রান্নাঘরেই 'কবর' দিলেন স্বামী!            * বিএনপি সরকারের রেল বন্ধের সিদ্ধান্ত ছিল           *  দিন দুপুরে তরুণকে অর্ধনগ্ন করে পেটাল ২ তরুণী           * মৌসুমী লাঞ্ছিতের ঘটনায় লজ্জিত মিশা ও তার পরিষদ           *  বিয়ের রাতে লাল শাড়ি পরতে বলা হয় যে কারণে           * বিয়ের অনুমতি পেতে হাইকোর্টে ৮৮ বছরের বৃদ্ধ           * বানার সেতুর শুভ উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা            * বেহুঁশ বধূর নগ্ন ছবি তুলে ৪ বছর ধরে ধর্ষণ            * পুলিশ ও সাংবাদিক পরিচয়ে মাদক ব্যবসা, অবশেষে ধরা           * কুলিয়ারচরে বিশ্ব হাত ধোয়া দিবস-২০১৯ পালিত           * জামিনে মুক্তি পেয়ে গলাচিপায় উপজেলা চেয়ারম্যান শাহীন শাহ           * কলেজ ছাত্রীকে ইভটিজিং করায় বখাটের দু‘মাসের কারাদন্ড           * স্কুল শিক্ষক ও প্রবাসীর স্ত্রী অন্তরঙ্গ মূহুর্তে আটক অতঃপর স্ত্রী কর্তৃক জুতাপেটা ॥ এলাকায় তোলপাড়           * নেত্রকোনায় নবীন লীগের সভাপতিকে কুপিয়ে হত্যা : আটক ৫          
* দুর্নীতিবাজদের সিন্ডিকেট ধ্বংস করতে হবে: ইনু           * দুর্ঘটনা এড়াতে সতর্ক হয়ে সড়কে চলার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর           *  টাইব্রেকারে হেরে কিশোরীদেরও স্বপ্নভঙ্গ          

মুক্তাগাছার কুমারগাতায় দালালদের দৌরাত্ম্য বাড়ছে অপরাধ

ময়মনসিংহ অফিস: | শুক্রবার, জুলাই ১৯, ২০১৯
মুক্তাগাছার কুমারগাতায় দালালদের দৌরাত্ম্য বাড়ছে অপরাধ

ময়মনসিংহের মুক্তাগাছা উপজেলার কুমারগাতা ইউনিয়নের কান্দুলিয়া গ্রামে দালালদের দৌরাত্ম্যর কারনে অপরাধ প্রবণতা বেড়েছে । দালালরা এবং তাদের ছত্রছাঁয়ায় চিহ্নিত অপরাধীরা দাপিয়ে বেড়াচ্ছে ।
চুরি, ডাকাতি, ছিনতাই, দস্যুতা, মাদক ব্যবসা থেকে শুরু করে হেন অপরাধ নেই যা তারা সংঘটিত করছে না । দালালদের দৌরাতেœর কথা স্বীকার করেছেন ক্ষোদ ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আকবর আলী । তিনি বলেন, কিছু দালাল এলাকার পরিবেশ নষ্ট করছে । তারা এখন ইউনিয়নের শান্তি ভঙ্গ করছে । নিরীহ মানুষকে হয়রানি । তাদেরকে মারধর করছে । তারাই আবার দেন- দরবার করে সমাধান দিচ্ছে । খেসারত হিসাবে নিরীহরা বঁচতে তাদেরকে দিতে হচ্ছে মোটা অংকের টাকা ।
খোঁজ খবর নিয়ে জানা গেছে, থানা পুলিশের চিহ্নিত দালাল হাছেন, সুরুজ বাঙ্গালীর নেতৃত্বে রেজ্জাক, সোবহান ও তাদের সাঙ্গপাঙ্গদের দৌরাত্ম্যর অতিষ্ঠ হয়ে উঠেছে জনজীবন । মুক্তাগাছা থানার নাম ভাঙানো এইসব দালাল এলাকার চিহ্নিত চাঁদাবাজ, মাদক সেবনকারী প্রতারক ও মামলাবাজ ।
অভিযোগে রয়েছে, থানার চিহ্নিত দালালরা নিরীহ মানুষের কাছ থেকে মামলা ও গ্রেফতারের ভয় দেখিয়ে টাকা আদায় করছে । থানায় এদের হরহামেশা দেখা যায় ।
মাদক কারবারি, মাদকসেবীদের সাথে এই দালালদের দহরম মহরম সম্পর্ক রয়েছে। এ ছাড়াও এরা নিজেদের থানা পুলিশের সোর্স দাবি করে মানুষকে জিম্মি করে ফায়দা লুটে থাকা। স্থানীয় নিরীহ সাধারণ মানুষদের নানাভাবে হুমকি-ধমকি দিয়ে জিম্মি করে ফাঁদে বসিয়ে আটক বাণিজ্য করে।
থানার কার্যক্রম নিয়ন্ত্রণে নিয়েছে সংঘবদ্ধ এই দালাল চক্র। প্রতিনিয়ত দালালের খপ্পরে পড়ে আর্থিক ও শারীরিকভাবে চরম ক্ষতির সম্মুখীন হচ্ছেন বিচারপ্রার্থী লোকজন। পাশাপাশি বিভিন্ন এলাকায় পুলিশের অসাধু কর্মকর্তাদের ছত্রছায়ায় চলছে নানা অপকর্মসহ চাঁদাবাজি ও গ্রেফতার বাণিজ্য। অভিযোগ ওঠেছে ওয়ারেন্টভুক্ত আসামি, নানা বিরোধপূর্ণ জমিসংক্রান্ত বিষয়ে আটক ও মাদক ব্যবসায়ীর অপবাদ দিয়ে গ্রেফতার করে তা মোটা অংকে ছাড়ানোসহ নানা অপকর্ম চালিয়ে যাচ্ছে এই দালাল চক্র।
এই দালালা ছাড়াও অন্যান্য স্থানেও থানার কার্যক্রম বর্তমানে দালালনির্ভর হয়ে পড়েছে। দালাল কিংবা সোর্স পরিচয়ে অসাধু পুলিশ কর্মকর্তাদের হয়ে কাজ করছে তারা। পুলিশও তাদের কথামতো ধরছে আর মোটা অংক নিয়ে মামলা কিংবা ৩৪ ধারায় অথবা ছাড়ছে। অতীতের কোন অপরাধ কিংবা নিরাপরাধ মানুষকে যেমন গালি বা অপকর্মকারি হিসেবে জামায়াত-শিবির বানানা হতো ঠিক তেমনি বর্তমানে ব্যবহার হচ্ছে মাদক ব্যবসায়ী হিসেবে ওজুহাত। মূলত দালালরা যেভাবে পরিচালনা করছে ঠিক সেভাবেই পরিচালিত হচ্ছে মুক্তাগাছা থানার কয়েক পুলিশ অফিসার। যাদের মধ্যে মানবতা কিংবা মানবিকতা বলতেই কিছুই নেই।
দালালরা যেসমস্ত লোকজন ধরায় এসমস্ত লোকদের বিরুদ্ধে মামলা দেওয়া কিংবা ছেড়ে দেওয়ার সময় যে টাকা আদায় করা হয় ঐ টাকা থেকেও ভাগ পায় এইসব দালাল। এছাড়া বর্তমানে প্রভাবশালী ও জনপ্রতিনিধি পরিচয়ে রয়েছে দালাল। আসামি কিংবা সন্ত্রাসিকে ধরতে হলে দালালদের অনুমতি নিতে হয়। আবার কোনো আসামি ধরে থানা হাজতে নিয়ে আসা হলে ভালো-খারাপের সার্টিফিকেট দেওয়ার জন্য দালালদের ডাক পড়ে ।
শুক্রবার বিকাল ৩টার দিকে দালাল সুরুজ বাঙ্গলির বাড়িতে তার নেতৃত্বে দরবার শালিস বসানো হয়েছে দেখা গেছে । ঐদরবারে তার সমর্থিত দালালদের ভিড় দেখা গেছে । দরবারের হট্রগোল থেকে শোনা যায়, স্থানীয রুস্তম নামের এক দোকানদারকে কিভাবে নাজেহাল করা যায় এবিষয়ে । দরবার থেকে বলা হয়, তারা রুস্তমের বাড়ি- ঘর পুড়িয়ে দেবে । তারপর সেই দোকান পুড়ানোর মামলায় তাকেই আসামি করা হবে ।
তাকে যেখানে পাবে সেখান থেকে ধরে এনে মারধর করা হবে । উল্টো রুস্তমের নামেই মামলা দেয়া হবে । এলাকাবাসী জানান, এর আগেও রুস্তমকে দালাল সুরুজ বাঙ্গালী ও হাসেন থানার এসআই মো. হামিদকে দিয়ে আটক করে থানায় নিয়ে এসে ৫০ হাজার টাকা আদায় করায় । এব্যাপারে রুস্তম প্রতিকার চেয়ে ময়মনসিংহ রেঞ্জ পুলিশের ডিআইজি , জেলা প্রশাসক বরাবর লিখিত অভিযোগ করেন । অভিযোগটি তদন্তাধীন আছে বলে জানাগেছে ।
এদিকে দালালদের বিরুদ্ধে অভিযোগ করায় দালালরা রুস্তমকে যেকোনভাবে ফাঁসাতে মড়িয়া উঠে উঠেছে । এতে রুস্তম ও তার পরিবার নিরাপত্তাহীনতায় ভূগছে । প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, থানায় গেলে ওসি অথবা পুলিশ কর্মকর্তাদের অফিসকক্ষে দালালদের দেখা যায় । এতে করে ভূক্তভোগীদের মাঝে ভীতি আর শঙ্কা বিরাজ করছে ।
মুক্তাগাছায় থানায় দালালের বেপরোয়া উৎপাত ও তাদের নানা অপকর্মের ব্যাপারে মুক্তাগাছা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা জানান, আগে হয়তো দালাল ছিল। তবে, এখন আর নেই । তারপরও কেও এর সাথে যুক্ত থাকলে তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া হবে ।
মুক্তাগাছা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) সূবর্ণা সরকার জানান, জেলা প্রশাসক মহোদয়ের মাধ্যমে অভিযোগকারীর দরখাস্ত পেয়েছি । তদন্ত করে ব্যবস্থা নেয়া প্রক্রিয়াধীন ।





আরও পড়ুন



২. সম্পাদক ও প্রকাশক ঃ মোঃ খায়রুল আলম রফিক
৩. নির্বাহী সম্পাদক ঃ প্রদীপ কুমার বিশ্বাস
৪. প্রধান প্রতিবেদক ঃ হাসান আল মামুন
প্রধান কার্যালয় ঃ ২৩৬/ এ, রুমা ভবন ,(৭ম তলা ), মতিঝিল ঢাকা , বাংলাদেশ । ফোন ঃ ০১৭৭৯০৯১২৫০
ফোন- +৮৮০৯৬৬৬৮৪, +৮৮০১৭৭৯০৯১২৫০, +৮৮০১৯৫৩২৫২০৩৭
ইমেইল- aporadhshongbad@gmail.com
(নিউজ) এডিটর-ইন-চিফ,
ইমেইল- khirulalam250@gmail.com
close