* রাজশাহীতেও রূপপুরের ঠিকাদারের জালিয়াতি            *  যে মসজিদের প্রশংসা করেছেন স্বয়ং আল্লাহ তাআলা           *  গাঁজাখুরি চাকরি! বেতন ২৫ লাখ            *  যে কারণে দেশে ফিরতে পারছেন না তারেক           *  আপনি নিজের অজান্তেই অসুস্থ নন তো !            * টানা ৩০ বছর ধূমপানের পর মৃত্যু, ফুসফুস দেখে চিকিৎসকদের চোখ কপালে           *  রাজধানী সুপার মার্কেটের আগুন নিয়ন্ত্রণে, ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতির আশঙ্কা            * ময়মনসিংহ উন্নয়ন প্রকল্পসমূহের বাস্তবায়ন পরামর্শ দেন : পরিকল্পনামন্ত্রী           * ‘সরকার ক্রিকেটের পাশাপাশি টেনিসকেও গুরুত্ব দিচ্ছে’           * সপ্তাহে যেদিন চরম উষ্ণতা অনুভব করে মেয়েরা           * পেঁয়াজ প্রসঙ্গ কোরআন-হাদিসের বর্ণনা            * রাসূল (সা.) এর বাণী           * অভিনেত্রী মম’র চার বছর আগে করা বিয়ের খবর ফাঁস           * ফরিদপুর মেডিকেলে রীতিমত ‘পুকুর চুরি’ হয়েছে           * ‘কোপ খেয়ে’ রক্ত ঝরছে, তবুও সন্ত্রাসীকে ছাড়েননি ওসি!            * জন্মেছেন যখন মৃত্যুবরণ করবেনই, স্বাভাবিক হতে পারে অ্যাক্সিডেন্টেও হতে পারেঃ রেলমন্ত্রী            * টেকনাফে লবণের মণ ১৮০ টাকা           * টাঙ্গাইলের চালকল মালিকের ধর্ষণের শিকার কিশোরী            * ত্রিশালের ধলা প্রবাসীর বাড়িতে সাত হাজার কেজি লবণ            *  প্লেনে পেঁয়াজের প্রথম চালান এলো পাকিস্তান থেকে           
* ফখরুল সাহেব শ্রমিকদের উসকানি দেবেন না            * দেশে ফিরলেন প্রধানমন্ত্রী           * মেসির পিছু ছাড়ছেন না ব্রাজিল কোচ          

রৌমারীতে ২০০৯ সালের পর ৬ হাজার তাঁতকল বন্ধ মালিক শ্রমিক চলছে অন্য পেশায়

রৌমারী (কুড়িগ্রাম) প্রতিনিধি | রবিবার, আগস্ট ২৫, ২০১৯
রৌমারীতে ২০০৯ সালের পর ৬ হাজার তাঁতকল বন্ধ  মালিক শ্রমিক চলছে অন্য পেশায়

কুড়িগ্রামের ব্রম্মপুত পূর্বপার চরাঞ্চল নদনদী বিধৌত, নি¤œাঞ্চল ও ভারতীয় আসাম সীমান্ত ঘেষা রৌমারী উপজেলার প্রত্যন্ত গ্রামাঞ্চলে তাঁত (কুঠির) শিল্প গুলো আজ নিরব নিস্তব্ধ। বর্তমানে ঐ অঞ্চল গুলোতে আর সারি সারি তাঁতঘরের খটখট শব্দ শোনা যায় না। তাঁতগুলোর খটখট শব্দের নিস্তব্ধতা ও রাতের সুনসুন নীরবতা যেন কয়েক হাজার তাঁতির দীর্ঘস্বাশ্ব।

স্ত্রী সন্তানের পেছনে পেটের আহার মেটাতে গিয়ে পুজি হারিয়ে আর ঋণের বোঝা ঘারে নিয়ে চলতে না পারায় গত ২০০৯ সালের পর থেকে রৌমারীতে প্রায় ৬ হাজার তাঁতকল (কুঠির) শিল্প বন্ধ হয়ে যাওয়ায় ভিবিন্ন কাজের সন্ধানে ছুটছে শহর গুলোতে।

জানা গেছে, রৌমারী উপজেলায় তাঁতে উৎপাদিত বস্ত্র সামগ্রী লুঙ্গি, গামছা, চাদর এর কদর রয়েছে সারাদেশ জুড়ে। ৯ থেকে ১০ বছর আগেও রৌমারী উপজেলার তাঁত শিল্প ছিল অত্যন্ত সমৃদ্ধ। সে সময় উপজেলায় ১২ থেকে ১৫ হাজার তাঁত চালু ছিল। প্রায় ১৮ থেকে ২০ হাজার মালিক ও শ্রমিক তাঁতের কাজ করে বেশ সচ্ছলতার মধ্যে জীবিকা নির্বাহ করতেন। তবে বিভিন্ন সূত্রে জানাগেছে, বর্তমানে চালু তাঁতের সংখ্যা ১ হাজার থেকে ১৫ শত এবং তাঁত শ্রমিকের সংখ্যা সর্বোচ্চ ৮ থেকে ৯ শত হতে পারে। তাঁত শিল্পের অসুস্থ্যতার কারনে প্রায় ১০ হাজার শ্রমিক বেকার হয়ে পড়েছে।

এদের কেউকেউ পেটের খাবারের দায়ে বাধ্য হয়ে পেশা বদল করে দিন মজুরী, রি´া, ভ্যান চালানো, গার্মেন্স শ্রমিকসহ নানা নি¤œ মানের পেশায় নিয়োজিত হয়েছে।
তাঁতি সংগঠনের সভাপতি আবু তালেব, সম্পাদক ও পুরানা তাঁতিদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, তাঁত শিল্পের বিপর্যয়ের কারন সম্পর্কে। তাঁতশিল্পের বিপযয়ের প্রধান কারন হচ্ছে সূতা, তাঁত উপকরণ ও মজুরীর মূল্য বৃদ্ধি পুজির অভাব। এ কারনে চাদর, লুঙ্গি ও গামছা উৎপাদন খরচও বেড়েছে কয়েকগুণ। এতে তাঁতের কাজে পুজি লাগছে অনেক বেশী।

এই অতিরিক্ত পুজি যোগান দিতে না পেরে অনেক তাঁত বন্ধ হয়ে গেছে। অপর দিকে সূতাসহ অন্যান্য উপকরণের দাম যে হারে বেড়েছে সে হারে বাড়েনি কাপড়ের দাম। ফলে তাঁতিদের লাভের পরিমান গেছে একেবারেই কমে। কোন কোন ক্ষেত্রে কাপড় লোকশান দিয়েও বিক্রি করতে হয়। এভাবে লোকশান দিয়ে কাপড় বিক্রি করতে গিয়ে তাঁতিদের পুজি টান পড়েছে। এভাবে দীর্ঘদিন ধরে লোকশান দিয়ে চলায় অনেক তাঁতি বাধ্য হয়ে তাঁত বন্ধ করে

দিয়েছেন। তারা আরো বলেন, সরকারী ভাবে যদি আমাদেরকে সাহায্য সহযোগীতা করতো তাহলে তাঁত শিল্প সুন্দর ভাবে চালানো যেত এবং আমাদের বাপ দাদার পেশা বদলিয়ে দিন মজুরী বা অন্যান্য পেশায় শহরে যেতে হতো না। সরকারের কাছে দাবী যে ক’টি তাঁত আছে তাদেরকেও যদি সরকার সু-নজর দেয় এখনো সম্ভব সুন্দর ভাবে তাঁত শিল্প গুলি চালানো।





আরও পড়ুন



২. সম্পাদক ও প্রকাশক ঃ মোঃ খায়রুল আলম রফিক
৩. নির্বাহী সম্পাদক ঃ প্রদীপ কুমার বিশ্বাস
৪. প্রধান প্রতিবেদক ঃ হাসান আল মামুন
প্রধান কার্যালয় ঃ ২৩৬/ এ, রুমা ভবন ,(৭ম তলা ), মতিঝিল ঢাকা , বাংলাদেশ । ফোন ঃ ০১৭৭৯০৯১২৫০
ফোন- +৮৮০৯৬৬৬৮৪, +৮৮০১৭৭৯০৯১২৫০, +৮৮০১৯৫৩২৫২০৩৭
ইমেইল- aporadhshongbad@gmail.com
(নিউজ) এডিটর-ইন-চিফ,
ইমেইল- khirulalam250@gmail.com
close