* কমেনি, বেড়েছে ভারতের খিদে, তাই বলছে সূচক            * মসজিদে কোরআন তিলাওয়াত শুনলেন প্রিন্স উইলিয়াম ও তার স্ত্রী           * মাইকেল জ্যাকসনের ৪৫ ডিগ্রি বাঁকা নাচের রহস্য জেনে চমকে গেলেন গবেষকরাই            * আয়নার সামনে বসে খাওয়া অভ্যাস করুন, ফল পাবেন অবিশ্বাস্য            * আ’লীগ নেতাদের তোপের মুখে প্রতিমন্ত্রী পলক           * মেসির আরেক মাইলফলক, বড় জয়ে শীর্ষে বার্সেলোনা            * কার্ড দেয়ার নামে বিধবাকে ধর্ষণ, বিচার না পেয়ে আত্মহত্যা           * কাশ্মীরে কোনো প্রতিবাদ চলবে না: পুলিশ প্রধান            * অবশেষে পরিচয় মিলল শপিংমলে হাত ধরে থাকা মেহজাবিনের প্রেমিকের           * ঢাকা উত্তর সিটির কাউন্সিলর রাজীব গ্রেফতার           * সৌদিতে সেই বাস অগ্নি দুর্ঘটনায় ১১ জন বাংলাদেশির মৃত্যু           * ঢাকায় বসে কলেজে পরীক্ষা, বহিষ্কার এমপি বুবলী           * ‘গাল্লি বয়’ রানা পাচ্ছে প্রধানমন্ত্রীর উপহার           * আল্লাহ যে তিন ব্যক্তির ইবাদত কবুল করেন না            * স্বামী ও দুই ছেলেকে রেখে আপন বড় ভাইকে বিয়ে করল বোন            * বসুন্ধরা আবাসিক এলাকায় একটি বাড়ি ঘিরে রেখেছে র‌্যাব           * কেন্দ্রীয় তাবলীগী ইজতেমা ২০১৯ উপলক্ষে ময়মনসিংহে লিফটলেট বিতরণ            *  যুবলীগের চেয়ারম্যান ওমর ফারুক চৌধুরীর পা ধরে সালামের ছবি ফেসবুকে ভাইরাল           * প্রেমিকাকে ব্ল্যাকমেইল করার অভিযোগে প্রেমিক আটক            * উপজেলা চেয়ারম্যানকে জুতা নিক্ষেপ          
* প্রেমিকাকে ব্ল্যাকমেইল করার অভিযোগে প্রেমিক আটক            * কোহলিদের জন্য নারী থেরাপিস্ট           * ‘শুদ্ধি অভিযানে টার্গেটে থাকা সবাইকে আইনের আওতায় আনা হবে’          

কাঠের সাঁকোর বরাদ্দের টাকা মেরে দিলেন চেয়ারম্যান

রনজিৎ সরকার (রাজ) বীরগঞ্জ প্রতিনিধি | বৃহস্পতিবার, সেপ্টেম্বর ১৯, ২০১৯
কাঠের সাঁকোর বরাদ্দের টাকা মেরে দিলেন চেয়ারম্যান

দিনাজপুরের বীরগঞ্জ উপজেলার শতগ্রাম ইউনিয়নের বলদিয়াপাড়া আশ্রয়ণ প্রকল্পের রাস্তায় খালের ওপর প্রায় দু’শ মিটার কাঠের সাঁকো নির্মাণ করেছেন এলাকাবাসী। অভিযোগ উঠেছে ওই প্রকল্প বাস্তবায়ন দেখিয়ে টাকা উত্তোলন করে তা নিয়ে গেছেন শতগ্রাম ইউনিয়ন পরিষদের জামায়াত সমর্থিত চেয়ারম্যান কে এম কুতুব উদ্দিন।

জানা যায়, উপজেলার শতগ্রাম ইউনিয়নে ২০১৭ সালের ভয়াবহ বন্যায় ঝাড়বাড়ি থেকে গড়ফতু যাওয়ার রাস্তায় খালের ওপরের একমাত্র ব্রিজটি ভেঙে যায়। সে সময় এলাকাবাসী বিভিন্নজনের কাছে চাঁদা তুলে স্বেচ্ছাশ্রমে ব্রিজের পাশেই একটি কাঠের সাঁকো নির্মাণ করে। তবে ২০১৭-২০১৮ অর্থ বছরে উপজেলা পরিষদের উন্নয়ন তহবিল প্রকল্প থেকে শতগ্রাম আশ্রয়ণ প্রকল্পের সেই রাস্তায় খালের ওপর কাঠের সাঁকো নির্মাণের জন্য ১ লাখ ৩৮ হাজার টাকা বরাদ্দ ছিল। প্রকল্প বাস্তবায়ন দেখিয়ে ঐ টাকা তুলে নেন ইউপি চেয়ারম্যান। ক্ষোভ প্রকাশ করে শতগ্রাম ইউনিয়নের বাসিন্দা শুকুর আলী (৬০) বলেন, 'মসজিদে ঘোষনা দিল' চেয়ারম্যান টাকাটা তুলছে এই টাকাটা দেয় না কেন।

‘আমরা বিভিন্নভাবে চাঁদা তুলে নির্মাণ করেছি। পরে আমরা জানতে পারলাম সাঁকোর জন্য বরাদ্দ আসছে, আর এই টাকা টা চেয়ারম্যান উঠাইছে। তিনি আরো বলেন কিছু টাকা ঋণ পরিশোধ করলেও বেশিরভাগ টাকা চেয়ারম্যানের কাছেই আছে।’আমরা টাকাগুলো মসজিদেও দিতে বলেছিলাম। কিন্তু চেয়ারম্যান দেয়নি। উপজেলার শতগ্রাম ইউনিয়নের বলদিয়াপাড়া আশ্রয়ণ প্রকল্পের রাস্তায় খালের ওপর কাঠের সাকোঁ নির্মাণের জন্য ইউনিয়ন পরিষদ থেকে ৬ সদস্যের একটি প্রকল্প বাস্তবায়ন কমিটি করা হয়েছিল।

ওই কমিটি দ্বারা কাঠের সাঁকো নির্মাণের কথা থাকলেও সেই কমিটির সদস্যদের মধ্যে অনেকে টাকা উত্তোলনের বিষয়ে কিছুই জানেন না বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। প্রথম পর্যায়ে প্রকল্প বাস্তবায়ন কমিটিতে ছয়জন ইউপি সদস্যকে নিয়ে কমিটি গঠন করা হলেও রেজুলেশন বইতে স্বাক্ষরের পর সেই কমিটি ভেঙে দিয়ে নতুন কমিটির গঠন করেন চেয়ারম্যান। প্রথম পর্যায়ের প্রকল্প কমিটির সভাপতি শতগ্রাম ইউনিয়নের ৩নং ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য মো. আবুল হোসেন বলেন, ‘আমি প্রথমে কাঠের সাঁকো প্রকল্প বাস্তবায়ন কমিটির সভাপতি ছিলাম। পরে খাতায় রেজ্যুলেশন করার কিছুদিন পর আমাদের কমিটি ভেঙে দেওয়া হয়।

কমিটি ভেঙে দেওয়ার বিষয়ে চেয়ারম্যানকে জিজ্ঞাস করলে তিনি বলেছিলেন, আপনারা যদি সাঁকো নির্মাণের টাকা উত্তোলন করে খেয়ে ফেলেন এ জন্য আপনাদের কমিটি ভেঙে দেওয়া হয়েছে’। ইউপি সদস্য আরো বলেন, আমরা জানিই না কবে টাকা এসেছে, কবে উত্তোলন হয়েছে। বরং আমরা টাকা উত্তোলন করে মেরে খাবো বিধায় আমাদের কমিটি ভেঙে দিয়েছিল চেয়ারম্যান। শতগ্রাম ইউনিয়নের গড়ফুতু এলাকার বাসিন্দা আব্দুল সালাম বলেন, গ্রামবাসীর কাছে চাঁদা তুলে ও আমাদের এলাকার সমিতি গাছ কেটে সেসময় আমরা কাটে সাঁকোটি নির্মান করি। সাঁকোটি নির্মানে পর শুনছিলাম যে সরকারি ১ লাখ ৩৮ হাজার টাকা বরাদ্দ আসছে, যা আমাদের চেয়ারম্যান টাকা গুলে তুলে নেন। ব্রিজ নির্মাণ শেষে আমাদের ৩৯ হাজার টাকা ঋণ ছিল। সেই ৩৯ হাজার টাকা ব্রিজ নির্মাণের ৫ থেকে ৬ মাস পর চেয়ারম্যান আমাদের দিয়েছিলেন’ এবং ‘বাকি টাকা চেয়ারম্যানের কাছেই দুই বছর ধরে আছে'।

তবে টাকা মেরে খাওয়ার অস্বীকার করে শতগ্রাম ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান কে এম কুতুব উদ্দিন বলেন, ‘এলাকাবাসী স্বেচ্ছাশ্রমে অর্ধেক ব্রিজ নির্মাণ করেছিল। বাকি অর্ধেক ব্রিজ বরাদ্দের টাকায় করা হয়।

ব্রিজ নির্মাণের কতদিন পর বরাদ্দ দেওয়া হয় জানতে চাইলে চেয়ারম্যান বলেন, ‘ব্রিজ নির্মাণের বেশ কয়েক মাস পরে বরাদ্দ দেওয়া হয়। তবে বিভিন্ন জায়গা থেকে বাকিতে গাছ, কাঠ, পেরেক, শ্রমিক নেওয়া হয়। বরাদ্দ আসার পর সেই বাকি টাকা পরিশোধ করা হয়। এ বিষয়ে বীরগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. ইয়ামিন হোসেন বলেন, ‘বিষয়টি আমি খতিয়ে দেখব। সাঁকো নির্মাণের টাকা কেউ মেরে খেয়েছে প্রমাণিত হলে যথাযথ ব্যবস্থা নেব।





আরও পড়ুন



২. সম্পাদক ও প্রকাশক ঃ মোঃ খায়রুল আলম রফিক
৩. নির্বাহী সম্পাদক ঃ প্রদীপ কুমার বিশ্বাস
৪. প্রধান প্রতিবেদক ঃ হাসান আল মামুন
প্রধান কার্যালয় ঃ ২৩৬/ এ, রুমা ভবন ,(৭ম তলা ), মতিঝিল ঢাকা , বাংলাদেশ । ফোন ঃ ০১৭৭৯০৯১২৫০
ফোন- +৮৮০৯৬৬৬৮৪, +৮৮০১৭৭৯০৯১২৫০, +৮৮০১৯৫৩২৫২০৩৭
ইমেইল- aporadhshongbad@gmail.com
(নিউজ) এডিটর-ইন-চিফ,
ইমেইল- khirulalam250@gmail.com
close