* কমেনি, বেড়েছে ভারতের খিদে, তাই বলছে সূচক            * মসজিদে কোরআন তিলাওয়াত শুনলেন প্রিন্স উইলিয়াম ও তার স্ত্রী           * মাইকেল জ্যাকসনের ৪৫ ডিগ্রি বাঁকা নাচের রহস্য জেনে চমকে গেলেন গবেষকরাই            * আয়নার সামনে বসে খাওয়া অভ্যাস করুন, ফল পাবেন অবিশ্বাস্য            * আ’লীগ নেতাদের তোপের মুখে প্রতিমন্ত্রী পলক           * মেসির আরেক মাইলফলক, বড় জয়ে শীর্ষে বার্সেলোনা            * কার্ড দেয়ার নামে বিধবাকে ধর্ষণ, বিচার না পেয়ে আত্মহত্যা           * কাশ্মীরে কোনো প্রতিবাদ চলবে না: পুলিশ প্রধান            * অবশেষে পরিচয় মিলল শপিংমলে হাত ধরে থাকা মেহজাবিনের প্রেমিকের           * ঢাকা উত্তর সিটির কাউন্সিলর রাজীব গ্রেফতার           * সৌদিতে সেই বাস অগ্নি দুর্ঘটনায় ১১ জন বাংলাদেশির মৃত্যু           * ঢাকায় বসে কলেজে পরীক্ষা, বহিষ্কার এমপি বুবলী           * ‘গাল্লি বয়’ রানা পাচ্ছে প্রধানমন্ত্রীর উপহার           * আল্লাহ যে তিন ব্যক্তির ইবাদত কবুল করেন না            * স্বামী ও দুই ছেলেকে রেখে আপন বড় ভাইকে বিয়ে করল বোন            * বসুন্ধরা আবাসিক এলাকায় একটি বাড়ি ঘিরে রেখেছে র‌্যাব           * কেন্দ্রীয় তাবলীগী ইজতেমা ২০১৯ উপলক্ষে ময়মনসিংহে লিফটলেট বিতরণ            *  যুবলীগের চেয়ারম্যান ওমর ফারুক চৌধুরীর পা ধরে সালামের ছবি ফেসবুকে ভাইরাল           * প্রেমিকাকে ব্ল্যাকমেইল করার অভিযোগে প্রেমিক আটক            * উপজেলা চেয়ারম্যানকে জুতা নিক্ষেপ          
* প্রেমিকাকে ব্ল্যাকমেইল করার অভিযোগে প্রেমিক আটক            * কোহলিদের জন্য নারী থেরাপিস্ট           * ‘শুদ্ধি অভিযানে টার্গেটে থাকা সবাইকে আইনের আওতায় আনা হবে’          

খাদ্যের ঠিকাদারি যুবলীগ-যুবদল নেতাদের হাতে

শাহীনুর রহমান,স্টাফ রিপোর্টার | রবিবার, সেপ্টেম্বর ২২, ২০১৯
খাদ্যের ঠিকাদারি যুবলীগ-যুবদল নেতাদের হাতে

ঢাকা, ময়মনসিংহ, রাজশাহী, চট্রগ্রাম, সিলেট, রংপুর, খুলনা ও বরিশাল এই আটটি বিভাগীয় শহরে প্রতিষ্ঠিত  সরকারি মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের খাদ্য সরবরাহের ঠিকাদারীর নিয়ন্ত্রণ যুবলীগ ও সাবেক যুবদল নেতাদের হাতে ।

তারা সংঘবদ্ধভাবে হাসপাতালের খাদ্য সরবরাহ করে দীর্ঘ সময় ধরে । সরকারি হাসপাতালে রোগীদের জন্য গুরুত্বপূর্ণ প্রধান উপাদান খাদ্য ।
 এই খাদ্য সরবরাহের ঠিকাদারি প্রভাবশালী যৃবলীগ ও তাদেরই আশির্বাদপুষ্ট সাবেক যুবদল নেতাদের দখলে থাকায় সাধারণ ঠিকাদাররা এই প্রতিষ্ঠানের খাদ্য সরবরাহ কার্যক্রমে অংশগ্রহণ করতে সাহস পান না।

 প্রভাবশালী এরাই খাদ্য সরবরাহের পাশাপাশি অপরাপর সব কাজ বাগিয়ে নিচ্ছেন। দরপত্রে তাদের প্রতিষ্ঠানের সরবরাহের সক্ষমতা না থাকলে ওইসব কাজ যেসব প্রতিষ্ঠান পায়, তাদের কাছ থেকে ১০ থেকে ২০ শতাংশ কমিশন আদায় করছেন।

 যুবলীগ - যুবদল নেতাদের বিতর্কিত টেন্ডারবাজিতে অতিষ্ঠ ক্ষোদ হাসপাতালের কর্মকর্তা- কর্মচারিরাও। যদিও সম্প্রতি সরকারের কঠোর অবস্থানের কারণে আতঙ্কে রয়েছেন যুবলীগের চাঁদাবাজ ও টেন্ডারবাজ নেতারা।

 দেশের ৮টি বিভাগীয় সরকারি বিভাগীয় হাসপাতালে রোগীদের জন্য বরাদ্দ খাবার বিতরণে অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে। সরকারি বরাদ্দে যে খাবার সরবরাহ করার তালিকা রয়েছে তা কখনো পুরণ করা হয় না।

রোগীদের সরবরাকৃত খাদ্যের মান এবং খাদ্য তালিকায় সরেজমিনে দেখা যায়, সরকার নির্ধারিত বরাদ্দে প্রতিটি রোগীর জন্য সকালে ও দুপুরে যে পরিমাণ খাবার সরবরাহ করার কথা রোগীরা সে পরিমাণ খাবার পাচ্ছেন না।
হাসপাতালে চিকিৎসা নিতে আসা ভর্তি রোগীরা অপরাধ সংবাদকে জানান, তাদের জন্য প্রতিদিন দুধ ও চিনি বরাদ্দ থাকলেও কখনোই তা সরবরাহ করা হয় না।
 যে পরিমাণ মাছ-গোশত দেয়া হয় তা বরাদ্দের তুলনায় সামান্য। হাসপাতালের কুকরা জানান, প্রতিদিন বরাদ্দ করা চাল থেকে এক কেজি, গোশত থেকে ১০০ গ্রাম এবং সবজি থেকে এক কেজির কম সরবরাহ করা হয়।

সরেজমিনে দেখা যায়, খাদ্য তালিকায় খাশির গোশত দেয়ার কথা থাকলেও হাসাপাতালের রান্নাঘরে কোনো গোশত আসেনা।
 রোগীর জন্য পেঁপে ও আলু সরবরাহ করা হয়। খাদ্য তালিকা অনুযায়ী চালকুমড়া দেয়ার কথা থাকলেও তা দেয়া হয়না।হাসপাতালে শতাধিক রোগী ভর্তি থাকলে সেখানে খাবার দেয়া হয় অর্ধেকেরও কম জনকে। রোগীরা যা খাবার পান তার মানও ভালো নয়।

হাসপাতালগুলিতে গোশতের পরিবর্তে পিলাই, ফ্যাকসা ও চামড়া সরবরাহ করা হয়। রুই মাছ দেয়ার কথা থাকলেও সরবরাহ করা হয় পোনা মাছ।
হাসপাতালে খাদ্য তালিকানুযায়ী, প্রতিদিন পেইয়িং বেডের রোগীদের দুধ, চিনি, কলা ও ডিম এবং সাধারণ বেডের রোগীদের পাউরুটি, ডিম, কলা, ভাত, ডাল ও বিভিন্ন সবজি দেয়ার কথা।

এ ছাড়া শনি, সোম, বুধবার রোগী প্রতি দুপুরে ও রাতে ১১০ গ্রাম রুইমাছ, বৃহস্পতি, মঙ্গল, রোববার দুপুর রাতে ৫৫ গ্রাম খাশির গোশত ও শুক্রবার দুই বেলা ১১২ গ্রাম করে মুরগির গোশত বরাদ্দ রয়েছে বলে জানা গেছে।

স্থানীয়দের অভিযোগ করেন, খাতা-কলমে রোগীদের জন্য সব কিছু বরাদ্দ থাকলেও বাস্তবে তার চার ভাগের এক ভাগও সরবরাহ করা হয় না। সবই চুরি হয়ে যায়। অনেক হাসপাতালে যার নামে লাইসেন্স নেয়া হয় তিনি খাদ্য সরবরাহ করেন না ।

স্থানীয় প্রভাবশালীরা সাব-ঠিকাদার হিসেবে খাবার সরবরাহ করেন। খাবার যেহেতু তারা সরবরাহ করেন না তাই অনিয়ম হলেও তাদের কিছু বলার নেই। কোন কোন হাসপাতালে ভর্তিকৃত রোগীদের জন্য শুক্র ও সোমবার মাংস, ৫ দিন মাছ সরবরাহের কথা।

 তালিকানুযায়ী সকালের নাস্তায় ১শ গ্রাম চিঁড়া, ২০ গ্রাম চিনি, ১টি সাগর কলা ও ১টি ডিম দেয়ার কথা থাকলেও তা রোগীদের মধ্যে নিয়মিত সরবরাহ করা হয় না। সপ্তাহের ৫ দিনের খাদ্য তালিকায় রুই, কাতলা, পাঙ্গাশ ও গ্রাসকার্প মাছ সরবরাহের কথা থাকলেও রোগীদের নিয়মিত তেলাপিয়া ও সিলভার কার্প মাছ সরবরাহ করা হয়।

সপ্তাহে ২ দিন মাংসের তালিকায় মুরগি জনপ্রতি ১০৫ গ্রাম ও খাসির মাংস ৮০ গ্রাম দেয়ার কথা থাকলেও ঠিকাদার রোগীদের মধ্যে নিয়মিত পোল্ট্রি মুরগির মাংস সরবরাহ করেন। মিনিকেট চালের ব্যবহারের কথা থাকলেও ঠিকাদার হাসপাতালে মোটা চাল সরবরাহ করে থাকেন।

 এ ছাড়া রন্ধনশালায় অপরিচ্ছন্ন অবস্থায় রান্না করা হয়। অনেক হাসপাতালে ভর্তিকৃত রোগীরা জানান, তাদের দুপুরে ছোট সাইজের পোল্ট্রি মুরগির মাংস ও মসুরের ডাল সরবরাহ করা হয়।
সকালের নাস্তায় চিঁড়া, চিনি ও ডিম সরবরাহ করা হয়। বিস্কুট বা কলা সরবরাহ করা হয় না। এ ব্যাপারে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ বলেন, বিষয়টি ঠিকাদারের ব্যাপার।
 এ ব্যাপারে কেউ কখনো অভিযোগ করেনি। ভর্তিকৃত রোগীদের জন্য যে পরিমাণ খাবার সরবরাহ করার কথা, তা না করে ঠিকাদারের ইচ্ছেমত অনিয়মন্ত্রাণিক ভাবে খাবার দেয়া হচ্ছে বলেও অভিযোগ উঠেছে।

মাথাপিছু রোগীর জন্য প্রতিদিন পাউরুটি ২৪৪ গ্রাম, চাল ৪০০ গ্রাম, তেল ৪০ গ্রাম, মাংস (খাসি) ২৫৪ গ্রাম, মুরগী (দেশী) ২৮২ গ্রাম, মাছ (রুই, কাতল, মৃগেল) ২৮২ গ্রাম, মাছ (গ্রাসকার্প, সিলভার কার্প, আমেরিকান রুই) ৩৩৮ গ্রাম, পাংগাস ৪২৩ গ্রাম, সবজি ৩৫০ গ্রাম, পিয়াজ ৫০ গ্রাম, রসুন ২০ গ্রাম, জিরা পাঁচ গ্রাম, আদা পাঁচ গ্রাম, তেজপাতা পাঁচ গ্রাম, এলাচ ১০ গ্রাম, দারুচিনি ১০ গ্রাম ও লবঙ্গ পাঁচ গ্রাম সরবরাহ করার নিয়ম রয়েছে।

অভিযোগ রয়েছে, চট্রগ্রাম, রাজশাহী, খুলনা, সিলেট, বরিশাল,ময়মনসিংহ, রংপুরসহ বিভাগীয় হাসপাতালগুলিতে কোটি কোটি টাকার কেনাকাটা ঘিরে শক্তিশালী সিন্ডেকেট দীর্ঘদিন ধরেই সক্রিয়। তারা স্থানীয়ভাবে বেশ আলোচিত ।

 সিন্ডিকেট চক্রের প্রতিষ্ঠানগুলি নির্ধারিত মূল্যের চেয়ে ৪-৫ গুণ বেশি মূল্যে কোটি কোটি টাকার মালামাল হাসপাতালে সরবরাহ করে ।তারা নির্ধারিত মূল্যের ৫ গুণ বেশি দর দিয়ে টেন্ডার দাখিল করে।

ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ঠিকাদারের ইচ্ছায় রোগীদের খাদ্য সরবরাহে ব্যাপক অনিয়ম ও দূর্নীতির অভিযোগ উঠেছে। নিম্নমানের খাবার সরবরাহ, প্রয়োজনের তুলনায় কম মাছ, মাংস ও সরবরাহ করা হচ্ছে বলে জানাযায়।

ভর্তিকৃত রোগীদের জন্য যে পরিমাণ খাবার সরবরাহ করার কথা, তা না করে ঠিকাদারের ইচ্ছেমত খাবার দেয়া হচ্ছে বলেও অভিযোগ উঠেছে।
এক্ষেত্রে সহকারি পরিচালক এবং স্টোর কিপার তদারকি না করেই মোটা অংকের টাকা উৎকোচ নিয়ে সব ঠিক আছে মর্মে যৌথ স্বাক্ষর করে দিয়ে ঠিকাদারকে বিল উত্তোলনের সুযোগ করে দিচ্ছেন বলে অভিযোগ।

এক্ষেত্রে প্রতিমাসে ৯০ লাখ টাকার বিল উত্তোলন করে ঠিকাদার বলে জানান নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক কর্মকর্তা। যার অধিকাংশই অনিয়মের মাধ্যমে আত্মসাৎ করা হচ্ছে ।

মচিমহা সূত্রে জানা গেছে, মাথাপিছু রোগীর জন্য প্রতিদিন পাউরুটি ২৪৪ গ্রাম, চাল ৪০০ গ্রাম, তেল ৪০ গ্রাম , মাংস (খাসি) ৬০ গ্রাম , মুরগী (দেশী) ৬০ গ্রাম, মাছ (রুই, কাতল, মৃগেল) ৭০ গ্রাম, মাছ (গ্রাসকার্প, সিলভার কার্প, আমেরিকান রুই) ৬০ গ্রাম, পাংগাস ৬০ গ্রাম , সবজি ৩৫০ গ্রাম,

পিয়াজ ৫০ গ্রাম, রসুন ২০ গ্রাম গ্রাম, জিরা পাঁচ গ্রাম, আদা পাঁচ গ্রাম গ্রাম, তেজপাতা পাঁচ গ্রাম গ্রাম, এলাচ ১০ গ্রাম, দারুচিনি ১০ গ্রাম ও লবন পাঁচ গ্রাম সরবরাহ করার নিয়ম রয়েছে। খোঁজ নিয়ে জানা যায়, রোগীদের সপ্তাহে তিনদিন মাংস ও চারদিন মাছ সরবরাহ করার কথা থাকলেও ১০ দিনে একদিন মাংস সরবরাহ করা হয়। তাও আবার ব্রয়লার মুরগীর মাংস। কালে ভদ্রে খাসির মাংসের ঝোল সরবরাহ করা হয়।

খাবার খেয়ে হাসপাতালে চিকিৎসা নিতে আসা দরিদ্র অসহায় রোগীরা আরো রোগী হয়ে বাড়ি ফিরছেন। রুই মাছের বদলে দেয়া হয় পাঙ্গাস। সকালের নাশতায় দেয়া পাউরুটি বিস্কিটের পরিমাণ কম।

অভিযোগ রয়েছে হাসপাতালে সরবরাহকৃত পাউরুটি ও বিস্কিট কোম্পানী বিএসটিআই অনুমতিবিহীন। চিকন চালের বদলে রোগীদের খাওয়ানো হয় মোটা ও নিন্মমানের চাল।

রোগীরা সাধারণত ওই নিন্মমানের খাবার খেতে চান না। মাছ ৬০ গ্রামের স্থলে সরবরাহ করা হয় মাত্র ২০ গ্রাম। শাক- সবজি টাটকা দেয়ার নিয়ম থাকলেও সরবরাহ করা হয় পচা, বাঁশি ও শুকিয়ে যাওয়া। হরলিক্সের সাথে আটা ময়দা মিশিয়ে সরবরাহ করা হয়।

সরকারী নিয়মে খাসি ও রুই মাছের বিল উত্তোলন করছেন ঠিকাদার। ঠিকাদাররা কোটিপতি হওয়ার নেপথ্যে এবং তাদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নিতে এলাকাবাসী দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) অভিযোগ করেছেন। এত কিছুর পরও এব্যাপারে হাসপাতাল পরিচালকের নিরবতা নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে।

গোয়েন্দা সংস্থার অন্য একটি সূত্র জানায়, হাসপাতালগুলির খাদ্য সরবরাহের নিয়ন্ত্রকরা প্রভাব খাটিয়ে ঠিকাদারি করে এখন কোটি কোটি টাকার মালিক।

তাদের ভয়ে হাসপাতালের স্টাফ এমনকি অন্যান্য ঠিকাদাররাও সময় আতঙ্কে থাকেন। বর্তমান সরকারের আমলে যুবলীগের প্রভাবশালী নেতাদের সাথে গভীর সখ্যতা রয়েছে হাসপাতালে খাদ্য সরবরাহকারী সাবেক যুবদল নেতাদের। ঘুরে ফিরে যুবলীগ ও যুবদলের নেতারাই হাসপাতালে খাদ্য সরবরাহকারী হিসাবে টেন্ডার কার্যক্রম নিয়ন্ত্রণ করছেন।





আরও পড়ুন



২. সম্পাদক ও প্রকাশক ঃ মোঃ খায়রুল আলম রফিক
৩. নির্বাহী সম্পাদক ঃ প্রদীপ কুমার বিশ্বাস
৪. প্রধান প্রতিবেদক ঃ হাসান আল মামুন
প্রধান কার্যালয় ঃ ২৩৬/ এ, রুমা ভবন ,(৭ম তলা ), মতিঝিল ঢাকা , বাংলাদেশ । ফোন ঃ ০১৭৭৯০৯১২৫০
ফোন- +৮৮০৯৬৬৬৮৪, +৮৮০১৭৭৯০৯১২৫০, +৮৮০১৯৫৩২৫২০৩৭
ইমেইল- aporadhshongbad@gmail.com
(নিউজ) এডিটর-ইন-চিফ,
ইমেইল- khirulalam250@gmail.com
close