* বাসর রাতে সবাইকে অবচেতন করে গয়নাগাটি নিয়ে পালাল বউ           * গণতান্ত্রিক অধিকারগুলো হরণ করা হয়েছে: ফখরুল           * রাজাকারদের উত্তরসূরিদের সঙ্গে কোনো আপস নেই           * শ্রদ্ধার ফুলে জাতির শ্রেষ্ঠ সন্তানদের স্মরণ           * জুতো নেই, ব্যান্ডেজ লাগিয়ে দৌড়ে তিন স্বর্ণ কিশোরীর           * ৫০ বছর পরে কেনো রাজাকারদের তালিকা, প্রশ্ন ড. কামালের           * সাংবাদিক মুন্নাকে তুলে নেয়ার ও চাঁদাবাজীর অভিযোগে আলাউদ্দিন মেম্বারের বিরুদ্ধে কোর্টে মামলা তদন্ত করবে পিবিআই           * মা-মেয়ে দুইজনের সঙ্গেই ‘ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক’ ছিল সৌরভের           * আমরা এখন গরিব দেশ নই : তথ্যমন্ত্রী           * বিজয় দিবসের অনুষ্ঠানে হামলা ও ভাঙচুর           * কঙ্গোতে বিদ্রোহীদের হামলায় নিহত ২২            * বিপিএলের মাঝে এমন দু:সংবাদ দিলেন তামিম!           * পশ্চিমবঙ্গের পর জ্বলছে দিল্লি           * বিয়ের জন্য ভার্জিন বর চান অপু!           *  বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে প্রধানমন্ত্রীর শ্রদ্ধা            * জাতীয় স্মৃতিসৌধে জনতার ঢল           *  আ’লীগের জাতীয় সম্মেলনের আলোচনায় রেহানা, পুতুল ও জয়            * বীর শহীদদের প্রতি রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রীর শ্রদ্ধা            * আজ মহান বিজয় দিবস           * আবারও ভাইরাল প্রভার ভিডিও           
* কঙ্গোতে বিদ্রোহীদের হামলায় নিহত ২২            * বীর শহীদদের প্রতি রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রীর শ্রদ্ধা            * নিউজিল্যান্ডের দ্বীপে অগ্ন্যুৎপাতে নিহত বেড়ে ১৬          

যে আয়াত পড়লে রাতে ভয় ও অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটবে না

অপরাধ সংবাদ ডেস্ক | বৃহস্পতিবার, অক্টোবর ৩, ২০১৯
যে আয়াত পড়লে রাতে ভয় ও অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটবে না

কুরআনুল কারিম মানুষের জন্য পথ প্রদর্শক। কল্যাণ ও বরকত লাভের পাথেয়। মানুষের সুন্দর জীবন-যাপনের বিস্তারিত বর্ণনা রয়েছে এ পবিত্র কিতাবে। হাদিসে পাকে কুরআনুল কারিমের অনেক সুরা ও আয়াতের রয়েছে বিশেষ ফজিলত।

রাতের বেলায় ভয় ও অপ্রীতিকর ঘটনা থেকে বাঁচতেও রয়েছে কুরআনি আমল এবং দোয়া। হাদিসের বর্ণনা মতে কুরআনের নিয়মিত আমল মানুষকে দুনিয়ার যাবতীয় অনষ্টিতা থেকে মুক্তি দেয়। হাদিসে এসেছে-

হজরত আবু মাসউদ বদরি রাদিয়াল্লাহু আনহু বর্ণনা করেছেন রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, ‘যে ব্যক্তি রাতের বেলায় সুরা বাকারার শেষ আয়াত দুটি তেলাওয়াত করবে, তার জন্য এ দুটিই যথেষ্ট।’ (বুখারি)

অর্থাৎ সুরা বাকারা শেষ আয়াত দুটির তেলাওয়াত সে রাতের অপ্রীতিকর জিনিসের মোকাবেলায় যথেষ্ট হবে। আর তাহলো-

آمَنَ الرَّسُولُ بِمَا أُنزِلَ إِلَيْهِ مِن رَّبِّهِ وَالْمُؤْمِنُونَ - كُلٌّ آمَنَ بِاللَّهِ وَمَلَائِكَتِهِ وَكُتُبِهِ وَرُسُلِهِ لَا نُفَرِّقُ بَيْنَ أَحَدٍ مِّن رُّسُلِهِ - وَقَالُوا سَمِعْنَا وَأَطَعْنَا غُفْرَانَكَ رَبَّنَا وَإِلَيْكَ الْمَصِيرُ - لَا يُكَلِّفُ اللَّهُ نَفْسًا إِلَّا وُسْعَهَا - لَهَا مَا كَسَبَتْ وَعَلَيْهَا مَا اكْتَسَبَتْ - رَبَّنَا لَا تُؤَاخِذْنَا إِن نَّسِينَا أَوْ أَخْطَأْنَا - رَبَّنَا وَلَا تَحْمِلْ عَلَيْنَا إِصْرًا كَمَا حَمَلْتَهُ عَلَى الَّذِينَ مِن قَبْلِنَا - رَبَّنَا وَلَا تُحَمِّلْنَا مَا لَا طَاقَةَ لَنَا بِهِ - وَاعْفُ عَنَّا وَاغْفِرْ لَنَا وَارْحَمْنَا - أَنتَ مَوْلَانَا فَانصُرْنَا عَلَى الْقَوْمِ الْكَافِرِينَ

উচ্চারণ : আমানার রাসুলু বিমা উংযিলা ইলাইহি মিররাব্বিহি ওয়াল মুমিনুন। কুল্লুন আমানা বিল্লাহি ওয়া মালায়িকাতিহি ওয়া কুতুবিহি ওয়া রুসুলিহি লা নুফাররিকু বাইনা আহাদিমমির রুসুলিহি। ওয়া কালু সামিনা ওয়া আত্বানা গুফরানাকা রাব্বানা ওয়া ইলাইকাল মাসির।

লা ইকাল্লিফুল্লাহু নাফসান ইল্লা উসআহা – লাহা মা কাসাবাত ওয়া আলাইহা মাকতাসাবাত – রাব্বানা লা তুআখিজনা ইন-নাসিনা আও আখত্বানা – রাব্বানা ওয়া লা তাহমিল আলাইনা ইসরান কামা হামালতাহু আলাল্লাজিনা মিং ক্বাবলিনা – রাব্বানা ওয়া লা তুহাম্মিলনা মা লা ত্বাকাতা লানা বিহি – ওয়াফু আন্না ওয়াগফিরলানা ওয়ারহামনা – আংতা মাওলানা ফাংচুরনা আলাল ক্বাওমিল কাফিরিন।’ (সুরা বাকারা : আয়াত ২৮৫-২৮৬)

সুরা বাকারার শেষ আয়াত দুটি নিয়ে হাদিসে আরও অনেক ফজিলত বর্ণনা করা হয়েছে। আর তাহলো-

> হজরত আব্দুল্লাহ ইবনে আব্বাস রাদিয়াল্লাহু আনহু বর্ণনা করেন, একদিন জিবরিল আলাইহিস সালাম নবি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের কাছে বসা ছিলেন। এমন সময় উপরের দিকে একটি শব্দ হলো।

তিনি (জিবরিল) বললেন, এটি আসমানের একটি দরজা খোলার শব্দ। যা আজ খোলা হলো। এ দরজাটি আগে কখনও খোলা হয়নি।
এ দরজা দিয়ে একজন ফেরেশতা দুনিয়াতে আগমন করেছেন। যিনি এর আগে কখনও দুনিয়াতে আসেনি। সে ফেরেশতা এসে প্রিয় নবি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামকে সালাম দিলেন এবং বললেন-

‘আপনি দুটি জ্যোতির সুসংবাদ নিন। যা আপনার আগে কোনো নবিকে দেয়া হয়নি। (জ্যোতি দুটি হচ্ছে)- ‘সুরা ফাতেহা ও সুরা বাকারার শেষ আয়াতসমূহ। এর মধ্য থেকে যে বর্ণটিই পাঠ করবেন, তাই আপনাকে দেয়া হবে।’ (মুসলিম)

> হজরত আবু হুরায়রা রাদিয়াল্লাহু আনহু বর্ণনা করেন রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, ‘তোমরা নিজেদের ঘর-বাড়িগুলো কবরে পরিণত করো না। কেননা যে বাড়িতে সুরা বাকারা পাঠ করা হয়, সে বাড়ি থেকে শয়তান পলায়ন করে।’ (মুসলিম)

সুতরাং মুমিন মুসলমানের উচিত রাতের যাবতীয় ভয় ও অপ্রীতিকর ঘটনা থেকে মুক্ত থাকতে এবং হাদিসে ঘোষিত কল্যাণ লাভে সুরা ফাতেহা ও সুরা বাকারার শেষ আয়াত দুটি তেলাওয়াত করা।

আল্লাহ তাআলা মুসলিম উম্মাহকে সুরা বাকারার শেষ আয়াত দুটি যথাযথ আমল করার তাওফিক দান করুন। এ আমলের মাধ্যমে রাতের বেলার যাবতীয় ভয় ও অপ্রীতিকর ঘটনা থেকে বেঁচে থাকার তাওফিক দান করুন। আমিন।





আরও পড়ুন



২. সম্পাদক ও প্রকাশক ঃ মোঃ খায়রুল আলম রফিক
৩. নির্বাহী সম্পাদক ঃ প্রদীপ কুমার বিশ্বাস
৪. প্রধান প্রতিবেদক ঃ হাসান আল মামুন
প্রধান কার্যালয় ঃ ২৩৬/ এ, রুমা ভবন ,(৭ম তলা ), মতিঝিল ঢাকা , বাংলাদেশ । ফোন ঃ ০১৭৭৯০৯১২৫০
ফোন- +৮৮০৯৬৬৬৮৪, +৮৮০১৭৭৯০৯১২৫০, +৮৮০১৯৫৩২৫২০৩৭
ইমেইল- aporadhshongbad@gmail.com
(নিউজ) এডিটর-ইন-চিফ,
ইমেইল- khirulalam250@gmail.com
close