* শিক্ষক-শিক্ষার্থীরা পছন্দ না করলে বাড়ি চলে যাব: চবি উপাচার্য            * অধ্যক্ষকে পানিতে ফেলার মূল হোতাসহ গ্রেপ্তার ৫           * ইরানে জ্বালানি তেলের মূল্যবৃদ্ধির প্রতিবাদে বিক্ষোভে নিহত ১২           * চলছে অভিযোগের তদন্ত সদর দপ্তরে দায়িত্বহীন এসপি হারুন            * দৃশ্যমান হতে যাচ্ছে পদ্মা সেতুর আড়াই কিলোমিটার           * আর্জেন্টিনায় এভাবেও মাদক পাচার হয়!            * মেয়ের বাবা হলেন তামিম           * আবারও নাম্বার টেনের জাদু, নিশ্চিত হার এড়াল আর্জেন্টিনা           * আমি ভাল আছি, কেউ চিন্তা করো না: নুসরাত           * পরিবহন আইন বাতিলের দাবিতে ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়ক অবরোধ           * পেয়াজসহ নিত্য প্রয়োজনীয় দ্রব্য নিয়ন্ত্রণে ময়মনসিংহ সিটি কর্পোরেশন উদ্যোগে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা            *  একাধিক শারীরিক সম্পর্কে ক্যান্সারের ঝুঁকি বাড়ে            * গাঁজার বস্তার ওপর ঘুমিয়ে গেলো পাচারকারী           * বস্তিতে বড় হয়েও এখন হাতে ২২ লাখ টাকার ঘড়ি!           * সর্দি-কাশির সঙ্গে লড়াই করে রসুন চা           * পার্টটাইম ইয়াবা ব্যবসায়ী!           * পেঁয়াজের ঝাঁঝ না কাটতেই ‘লবণের কেজি ১০০ টাকা’ গুজব!            * সন্তান জন্মদানের এক মিনিট আগেও জানতেন না তিনি গর্ভবতী!            * 'উন্নয়নের পুণ্যে প্রধানমন্ত্রীর বেহেস্ত যাওয়ার হক আছে'           * সৃজিত-মিথিলার বিয়ে          
* দৃশ্যমান হতে যাচ্ছে পদ্মা সেতুর আড়াই কিলোমিটার           * মেয়ের বাবা হলেন তামিম           * পরিবহন আইন বাতিলের দাবিতে ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়ক অবরোধ          

ঢাকা কাস্টম হাউস সাত সিএন্ডএফ-এর নিয়ন্ত্রণে মিথ্যা ঘোষণায় পণ্য পাচার সহযোগিতায় তিন ডিসি

এনাম আহমেদ | সোমবার, নভেম্বর ৪, ২০১৯

ঢাকা কাস্টম হাউস সাত সিএন্ডএফ-এর নিয়ন্ত্রণে মিথ্যা ঘোষণায় পণ্য পাচার সহযোগিতায় তিন ডিসি

ঢাকা কাস্টম হাউসের এয়ারফ্রেইট ইউনিট থেকে প্রতিদিন কোটি কোটি টাকা মূল্যের কমার্শিয়াল পণ্যের চালান মিথ্যা ঘোষণায় পাচার হচ্ছে। বৈধ পণ্যের আড়ালে পাচার হচ্ছে অবৈধ পণ্য। হচ্ছে দেদারছে চোরাচালান। সরকার হারাচ্ছে প্রতিদিন বিপুল অংকের রাজস্ব।

ঢাকা কাস্টম হাউস সূত্রে জানা যায়, মিথ্যা ঘোষণায় পণ্য চালান পাচারের মূল হোতা সাতজন সিএন্ডএফ ব্যবসায়ী। এরা হলেনÑমোঃ শাহজাহান (এ.এস ইন্টারন্যাশনাল ও দিশারী),

জীবন চৌধুরী (তাজিয়া এন্টারপ্রাইজ), শামীম (রনি কার্গো), লিটন (লাভিয়া), রাশেদ (সাদ), বশির (সালাম এন্টারপ্রাইজ) ও বুলবুল (মাইক্রো সিস্টেম)।

এছাড়াও তারা তাদের সুবিধা মতন একাদিক লাইসেন্স দিয়ে কাজ করেন। এরা প্রত্যেকেই চোরাচালানী হিসেবে কাস্টম হাউসে পরিচিত।
দীর্ঘদিন যাবত এরা কমার্শিয়াল পণ্যের আড়ালে চোরাচালানী পণ্য খালাস করে আসছে। তবে এলসির মাধ্যমে একাদিক চোরাচালানরী পণ্য আমদানী হচ্ছে। ভারত, চীন, করিয়া, হংকং, সিঙ্গাপুর, দুবাই, লন্ডনসহ মধ্যপ্রাচ্য ও ইউরোপের বিভিন্ন দেশ থেকে পণ্য আমদানী করছে আমদানীকারকের চাহিদামত পণ্য।

এয়ারফ্রেইট সূত্রে জানা যায়, এই সাতজন কমার্শিয়াল সিএন্ডএফ ব্যবসায়ীর চোরাচালানী পণ্য নামমাত্র শুল্ক পরিশোধে পাচারের কাজে সার্বিক সহযোগিতা করছে ডিসি এয়ারফ্রেইট, ডিসি প্রিভেনটিভ ও ডিসি শুল্ক গোয়েন্দা। এদের সহযোগিতা পেয়ে এই সাতজন ব্যবসায়ী বেপরোয়া হয়ে উঠছে কে কত পণ্য চালান আমদানী ও খালাস করতে পারে।

প্রতি চালানে তিন হাজার থেকে আট হাজার কেজি পর্যন্ত বিভিন্ন আইটেমের মালামাল থাকে। জানা যায়, কাস্টম কর্মকর্তাদের ঘুষের হারও কেজির উপর নির্ধারিত হয়।

তিন হাজার কেজির চালান হলে প্রতি চালানে তিন ডিসিকে জনপ্রতি ২৫ হাজার টাকা আর সাত হাজার কেজি হলে জনপ্রতি ৫০ হাজার টাকা করে ঘুষ দিতে হয়। এটা তিন ডিসিরই নির্ধারণ করে দেওয়া বললেন, জীবন চৌধুরী। এছাড়া এ্যাসেসমেন্ট ও এক্সজামিনের আরও, এআরওদেরও ঘুষের টাকা নির্ধারণ করা।

এদের মধ্য থেকে একজন ব্যবসায়ী কথা প্রসঙ্গে বললেন, প্রতি চালানের পেপার পাস করতে কাস্টম কর্মকর্তাদের পেছনে খরচ হয় প্রায় ২ লাখ টাকা। এরপর ট্যাক্সের নির্ধারিত টাকা ব্যাংকে জমা দিতে হয়।

এভাবেই কণ্ট্রাক্টের মাধ্যমে চালান খালাস করা হয়। এরপরও খরচ আছে বিমান ও গেটে।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কয়েকজন ব্যবসায়ী এই প্রতিবেদককে বললেন, তিনজন ডিসি প্রতিদিন চোরাচালানীদের কাছ থেকে প্রতি চালানে মোটা অংকের টাকা ঘুষ নিয়ে কেসিনোর মত জুয়া খেলায় মেতে উঠছেন।

আর এসব অসাধু ব্যবসায়ীরাও ব্যাপক সুযোগ-সুবিধা নিচ্ছেন। ছোট ও সাধারণ ব্যবসায়ীরা জিরো হয়ে গেছে। এক্সজামিনের এক কর্মকর্তা বললেন, উপরের নির্দেশ আছে এদের পণ্য চালানে কেউ যেন হাত না দেয়। এক্সাজামিন হবে ডেক্সে বসে। এদের চালানের কার্টুনের গায়ে হাত দেয়া যাবে না।
হাউস সূত্রে জানা যায়, সম্প্রতি সৎ ও নিষ্ঠাবান কমিশনার রাজস্ব আহরণের স্বার্থে কঠোর নির্দেশনা দেয়। এর ফলে এসব অবৈধ ব্যবসায়ীরা পণ্য খালাস বন্ধ রাখে।

এরপর তিন ডিসি ও ঐসব ব্যবসায়ী বিপাকে পড়ে যান।
ফ্রেইট সূত্রে জানা যায়, বিশেষ কৌশল অবলম্বন করে ঐ তিন ডিসি চিহ্নিত সাত সিএন্ডএফদের নিয়ে গত ১৭ অক্টোবর বিকেলে এয়ারফ্রেইটের ডিসির রুমে দীর্ঘক্ষণ বৈঠক করেন। বৈঠকের পর আবার শুরু হয় পণ্য চালান খালাসের কাজ। বর্তমানে প্রতি সপ্তাহে ৭০টি চালান খালাস হয়। গত সপ্তাহের বৃহস্পতিবার পর্যন্ত জীবন চৌধুরীর ১৪টি চালান খালাস হয়েছে।

শামীমের ১১টি, শাহজাহানের ১৫টি, লিটনের ৫টি, বুলবুলের ৯টিসহ অন্যান্য মিলে মোট ৬০টি চালান খালাস হয় বলে জানা যায়।
এ ব্যাপারে জানার জন্য ফ্রেইট ডিসি দেলোয়ার হোসেনের সেলফোনে একাধিকবার ফোন করলে সে ফোন রিসিভ করেনি। কমিশনারের কাছে জানার জন্য ফোন দিলে তার পি.এ নাজির বললেন, স্যার অনেক ব্যস্ত আছে, পরে ফোন করেন।





আরও পড়ুন



২. সম্পাদক ও প্রকাশক ঃ মোঃ খায়রুল আলম রফিক
৩. নির্বাহী সম্পাদক ঃ প্রদীপ কুমার বিশ্বাস
৪. প্রধান প্রতিবেদক ঃ হাসান আল মামুন
প্রধান কার্যালয় ঃ ২৩৬/ এ, রুমা ভবন ,(৭ম তলা ), মতিঝিল ঢাকা , বাংলাদেশ । ফোন ঃ ০১৭৭৯০৯১২৫০
ফোন- +৮৮০৯৬৬৬৮৪, +৮৮০১৭৭৯০৯১২৫০, +৮৮০১৯৫৩২৫২০৩৭
ইমেইল- aporadhshongbad@gmail.com
(নিউজ) এডিটর-ইন-চিফ,
ইমেইল- khirulalam250@gmail.com
close