* পেয়াজসহ নিত্য প্রয়োজনীয় দ্রব্য নিয়ন্ত্রণে ময়মনসিংহ সিটি কর্পোরেশন উদ্যোগে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা            *  একাধিক শারীরিক সম্পর্কে ক্যান্সারের ঝুঁকি বাড়ে            * গাঁজার বস্তার ওপর ঘুমিয়ে গেলো পাচারকারী           * বস্তিতে বড় হয়েও এখন হাতে ২২ লাখ টাকার ঘড়ি!           * সর্দি-কাশির সঙ্গে লড়াই করে রসুন চা           * পার্টটাইম ইয়াবা ব্যবসায়ী!           * পেঁয়াজের ঝাঁঝ না কাটতেই ‘লবণের কেজি ১০০ টাকা’ গুজব!            * সন্তান জন্মদানের এক মিনিট আগেও জানতেন না তিনি গর্ভবতী!            * 'উন্নয়নের পুণ্যে প্রধানমন্ত্রীর বেহেস্ত যাওয়ার হক আছে'           * সৃজিত-মিথিলার বিয়ে           * শাহাদাত আজীবনও নিষিদ্ধ হতে পারেন           *  বাস ধর্মঘটে যশোরে যাত্রীদের ভরসা ট্রেন            * কারখানায় বিমান হামলায় ৫ বাংলাদেশি নিহত           *  পেঁয়াজ নিয়ে মঙ্গলবার ঢাকায় আসছে বিমান            *  যে কারণে তড়িঘড়ি বিয়ে করছেন মিয়া খলিফা           * ঠাকুরগাঁও‌য়ে ইট প্রস্তুতকারী মালিক সমিতির মতবিনিময় ও বার্ষিক সভা।           * পূর্বধলায় বিজ্ঞান বিষয়ক কুইজ প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত           * মুক্তিযোদ্ধা আব্দুল মতিন সরকারের বর্নাঢ্য রাজনৈতিক জীবন           * বুঝিয়ে দাও বাংলাদেশ ছোট দল না: হোয়াটমোর           * পণ্যের মূল্য বৃদ্ধির প্রতিবাদে ময়মনসিংহে বিএনপির বিক্ষোভ সমাবেশ           
*  গুরবাজ ঝড়ে লণ্ডভণ্ড উইন্ডিজ            *  উইঘুর মুসলিম নিপীড়নের আলামত চীনের ফাঁস হওয়া নথিতে            * স্ত্রীসহ ৩ সন্তানকে হত্যার পর আত্মহত্যা           

বর্জ্য দিয়ে বিদ্যুৎ উৎপাদন করবে সরকার

অপরাধ সংবাদ ডেস্ক | শনিবার, নভেম্বর ৯, ২০১৯
বর্জ্য দিয়ে বিদ্যুৎ উৎপাদন করবে সরকার

গৃহস্থালির বর্জ্য দিয়ে বিদ্যুৎ উৎপাদন করবে সরকার। স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ের অধীনে এ প্রকল্প পরিচালিত হবে। বেসরকারি উদ্যোক্তারাও এতে বিনিয়োগের ব্যাপারে আগ্রহ দেখিয়েছেন। সচিবালয়ে মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠক হয়েছে তাদের। উন্নত বিশ্বের মডেলের অনুসরণে এ প্রকল্পে ইনসিনারেশন (ক্ষতিকর বর্জ্য ধ্বংস করা) পদ্ধতিতে বিদ্যুৎ উৎপাদন করা হবে। সব প্রক্রিয়া শেষ হলে রাজধানীর নির্ধারিত একটি জায়গায় স্থাপন করা হবে ইনসিনারেশন প্লান্ট।

বেসরকারি উদ্যোক্তারা এ উদ্যোগে বিনিয়োগ করলে তারাও উৎপাদিত জ্বালানি বিক্রির মুনাফার অংশীদার হবেন। বাংলাদেশ বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ডকে এই জ্বালানি কিনতে হবে। এ নিয়ে বিদ্যুৎ বিভাগ ও উদ্যোক্তাদের মধ্যে আলোচনা চলছে। প্রথম পর্যায়ে এর কার্যক্রম শুরু হবে ঢাকার উত্তর-দক্ষিণ সিটি ও চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনে। এরপর ঢাকার সিটির নিকটবর্তী পৌরসভা এবং পর্যায়ক্রমে সারাদেশ এর আওতায় আসবে।

এ বিষয়ে স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায়মন্ত্রী মো. তাজুল ইসলাম বলেন, 'গৃহস্থালির ক্ষতিকর সব বর্জ্য ইনসিনারেশন পদ্ধতিতে ধ্বংস করা হবে। বেসরকারি উদ্যোক্তারা বর্জ্য ধ্বংসে সক্রিয় ভূমিকা রাখবেন। সিটি ও পৌর কর্তৃপক্ষ বর্জ্য পৌঁছে দিয়ে তাদের এ কাজে সহায়তা করবেন।'

তাজুল ইসলাম বলেন, এ দেশের অর্থনৈতিক অবস্থার ব্যাপক পরিবর্তন হয়েছে। মানুষের আয় ও ক্রয়ক্ষমতা বেড়ে যাওয়ায় শুধু সিটি করপোরেশনে নয়, গ্রামেও বর্জ্য বেড়েছে। গোটা দেশে যেখানে-সেখানে বর্জ্য ফেলে নদনদী-খালবিল ভরাটের কারণে পরিবেশের মারাত্মক ক্ষতি হচ্ছে। এগুলো দুর্গন্ধ ও রোগজীবাণু ছড়াচ্ছে। মানুষের স্বাস্থ্যঝুঁকি বাড়ছে। তাই এখন সারাদেশে উৎপাদিত বর্জ্যের দৈনিক নিষ্পত্তির ব্যবস্থা করা জরুরি।

ইতোমধ্যে ঢাকা উত্তর সিটি থেকে এ-সংক্রান্ত একটি প্রস্তাবনা দেওয়া হয়েছে। বর্জ্য ধ্বংসের প্লান্ট এবং সিটি ও পৌরসভার বর্জ্য ব্যবস্থাপনার পদ্ধতি নিয়ে চলছে আলোচনা-পর্যালোচনা। বিনিয়োগকারীদের কীভাবে বর্জ্য দিয়ে সহায়তা করা যাবে, তা নিয়েও স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ে প্রস্তাব গেছে। এসবের আগে গত সেপ্টেম্বরে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে এ বিষয়ে জানানো হয়। সেখানে সিদ্ধান্ত হয়, সিটি ও পৌর কর্তৃপক্ষ জমির পাশাপাশি বর্জ্যগুলো প্লান্টে পৌঁছে দেবে। বেসরকারি উদ্যোক্তারা বিনিয়োগ করলেও এ-সংক্রান্ত একটি পথনকশাও তৈরি করা হচ্ছে। কারণ জায়গা সরকারের হলেও নিজ উদ্যোগে বিনিয়োগ করবে তারা। বিদ্যুৎ বিভাগ থাকবে মুখ্য ভূমিকায়। কারণ বর্জ্য পুড়িয়ে বিদ্যুৎ উৎপাদন হলেও উৎপাদিত বিদ্যুতের মূল্য নির্ধারণের ক্ষেত্রে এটির বিশেষ ভূমিকা রয়েছে।

সম্প্রতি সচিবালয়ে স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায়মন্ত্রী মো. তাজুল ইসলামের সভাপতিত্বে এ বিষয়ে আন্তঃমন্ত্রণালয়ের এক সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় বলা হয়, বর্জ্য পুড়িয়ে বিদ্যুৎ উৎপাদন প্রক্রিয়ায় স্থানীয় সরকার বিভাগই নেতৃত্ব দেবে। এ প্রক্রিয়াটিকে টেকসই ও কার্যকর করার জন্য সিটি করপোরেশনের অংশগ্রহণ ও অংশীদারিত্ব নিশ্চিত করতে হবে। এ ছাড়া নিজ নিজ ভূমিকা রাখবে বিদ্যুৎ বিভাগ, বাংলাদেশ বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ডসহ (বাবিউবো) অন্যান্য সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠান ও সংস্থা। কাজ হতে হবে সম্মিলিত ও সমন্বিতভাবে।

বাংলাদেশের ঘনবসতি এবং জমির স্বল্পতা বিবেচনায় নিয়ে অগ্রাধিকার ভিত্তিতে বর্জ্য পোড়ানোর মাধ্যমে ব্যবস্থাপনার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।

রাজধানীসহ সারাদেশের মানুষকেই এখন গৃহস্থালির বর্জ্য নিয়ে হিমশিম খেতে হয়। বাসাবাড়ি থেকে সিটির পরিচ্ছন্নতাকর্মীদের বর্জ্য পদ্ধতিও নিরাপদ নয়। এসব বর্জ্য সড়কের অলিগলিতে যেখানে-সেখানে ছড়িয়ে-ছিড়িয়ে থাকে। এতে পরিবেশ মারাত্মক হুমকিতে থাকে। ২০০০ সালে শেখ হাসিনার নেতৃত্বাধীন সরকারের প্রথম মেয়াদে প্রথমবারের মতো বর্জ্য ধ্বংসের লক্ষ্যে সমন্বিত উদ্যোগ নেওয়া হয়। তৃতীয় মেয়াদে ক্ষমতায় আসার পর এই উদ্যোগ বাস্তবায়নে সচেষ্ট হয়েছে সরকার। এ পরিকল্পনার অংশ হিসেবে বর্তমান স্থানীয় সরকার মন্ত্রীর নেতৃত্বে একটি প্রতিনিধি দল উন্নত দেশগুলোর বর্জ্য অপসারণে অনুসৃত মডেল সম্পর্কে জানতে কয়েকটি দেশও সফর করে। 





আরও পড়ুন



২. সম্পাদক ও প্রকাশক ঃ মোঃ খায়রুল আলম রফিক
৩. নির্বাহী সম্পাদক ঃ প্রদীপ কুমার বিশ্বাস
৪. প্রধান প্রতিবেদক ঃ হাসান আল মামুন
প্রধান কার্যালয় ঃ ২৩৬/ এ, রুমা ভবন ,(৭ম তলা ), মতিঝিল ঢাকা , বাংলাদেশ । ফোন ঃ ০১৭৭৯০৯১২৫০
ফোন- +৮৮০৯৬৬৬৮৪, +৮৮০১৭৭৯০৯১২৫০, +৮৮০১৯৫৩২৫২০৩৭
ইমেইল- aporadhshongbad@gmail.com
(নিউজ) এডিটর-ইন-চিফ,
ইমেইল- khirulalam250@gmail.com
close