লালমোহনের খান সাহেব সড়কের বেহাল দশা, জনদুর্ভোগ চরমে ॥ নেই বিদ্যূত সংযোগ

শিশির হাওলাদার ॥ | সোমবার, জুন ৮, ২০১৫
লালমোহনের খান সাহেব সড়কের বেহাল দশা,  জনদুর্ভোগ চরমে ॥ নেই বিদ্যূত সংযোগ

লালমোহন উপজেলার একটি জড়াজীর্ণ সড়কের কারনে হাজার হাজার মানুষ দূর্ভোগ পোহাচ্ছে। যে সড়কটি দিয়ে এক সময় সব ধরনের যানবাহন চলাচল করতো সে সড়কটি দিয়ে এখন পায়ে হেঁটে চলা দুস্কর। অন্যান্য ইউনিয়নের সাথে উপজেলা সদরের আন্ত : যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নতী হলেও এই সড়টি রয়ে গেছে অবহেলিত।

খানা খন্দক ও ভাঙ্গাচোরা হয়ে যাওয়ায় স্কুল-কলেজগামী ছাত্র-ছাত্রী এবং বিভিন্ন পেশার মানুষ সড়কটি দিয়ে উপজেলা সদরে যাতায়াত করতে গিয়ে দীর্ঘ দিন ধরে দর্ভোগ পোহাচ্ছে। লালমোহন উপজেলা পরিষদের কাছেই সড়কটির অবস্থান। অথচ; স্থানীয় সরকার প্রকৌশল বিভাগ কোনো ব্যবস্থা নিচ্ছে না।

লালমোহন সদর ইউপি চেয়ারম্যান শাজাহান মিয়া বলেন, পৌর এলাকার ষ্টেডিয়াম থেকে ফুলবাগিচা এলাকা হয়ে সড়কটি চলে গেছে চেয়ারম্যান বাজার পর্যন্ত।  প্রায় সাড়ে চার কিলোমিটার দীর্ঘ এ সড়কটির নাম ‘খান সাহেব সড়ক’। ২০০১ সালের দিকে এ সড়কটি পাকা হয়েছিল। এর পর থেকে দীর্ঘ প্রায় ১৫ বছর এ সড়কটির সংস্কার হয়নি।

সড়কটিতে রয়েছে কাশেম চেয়ারম্যানের নতুন বাড়ি, হেলাল মাতাব্বরের বাড়ি, টাকা মালিকের বাড়ি, খান সাহেব বাড়ি, ঢ়াড়ী বাড়ি, ফজলু মাষ্টার বাড়ি, শিউলি বাড়ি, কালামিয়া বাড়ি, হাকিম মুন্সি বাড়ি, হাকিমিয়া সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়, হাজি সলেমান সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়, নদ্দা বাড়ি, হানিফ মেম্বার বাড়ি, মোকনআলী মেম্বার বাড়ি, হাওলাদার বাড়ি, মহাজন বাড়ি সহ আরো নামী দামী বংশের বাড়ি। উপজেলার সদর ইউনিয়নে যাতায়াতের অন্যতম এ সড়কটি উন্নয়নের দিক থেকে বঞ্চিত রয়ে গেছে। এ অবস্থায় সড়কটির সংস্কার করে এলাকাবাসীকে স্বস্তি দেয়া দরকার।

এদিকে বেহাল দশার এ সড়কটিতে নেই বিদ্যূতের ব্যবস্থা। উপজেলার এমন কোনো ইউনিয়ন নেই যেখানে বিদ্যূত পৌছেনি। উপজেলার পূর্বে ও পশ্চিমে নদীর তীরবর্তী এলাকায়ও বিদ্যূতের সংযোগ আছে। অথচ উপজেলা শহরের পাশের এ সড়কটিতে বিদ্যূতের খুঁটি বা সংযোগ না থাকায় এ সড়কের বাসিন্দারা আধুনিক জীবন যাপন থেকে পিছিয়ে রয়েছে। তাই এ সড়কটিকে বিদ্যূতের আওতায় নেয়ার দাবী জানিয়েছে এলাকাবাসী।