লক্ষীছড়ি উপজেলায় গৃহবধুকে ধর্ষনের অভিযোগ

সাইফুল মাহমুদ, চট্টগ্রাম, প্রতিনিধি: | বৃহস্পতিবার, জুলাই ২, ২০১৫
লক্ষীছড়ি উপজেলায় গৃহবধুকে ধর্ষনের অভিযোগ

খাগড়াছড়ি জেলার লক্ষীছড়ি উপজেলায় গৃহবধুকে ধর্ষণের অভিযোগ পাওয়া গেছে। গতকাল ৩০শে জুন রাত আট ঘটিকার দিকে উপজেলার সদর ইউনিয়নের ডেবাতলী এলাকার বড়ইতলী গ্রামে এই ঘটনা ঘটে।

এলাকাবাসী এবং ধর্ষনের অভিযোগকারী সুত্রে জানা যায়, ৩০শে জুন আট ঘটিকার দিকে মগাইছড়ি গ্রামের খোকন মিয়া (২৬) পিতা-রহিম মেম্বার, মো. রফিকুল ইসলাম (২৭), পিতা-মো. ঈমান আলী, মো. সুজন মিয়া (২৬) পিতা- মো. ওজিউল্লাহ, মো. রুবেল হোসেন (২৮) পিতা- জাল্লীস মিয়া নামে চার যুবক আমাকে আমার প্রতিবেশীর বড়িতে যাওয়ার পথে জোর পূর্বক তুলে নিয়ে ধর্ষণ করে তার মধ্যে প্রথম দুই জন খোকন মিয়া ও রফিকুল আমাকে ধর্ষণ করে এবং বাকী দুই জন ধর্ষনের সময় পাহাড়া দেয়।

এক পর্যায়ে আমি পালিয়ে আমার বাসায় আশ্রয় নিই এবং অন্য জনের মোবাইলের সাহায্য নিয়ে আমার স্বামীকে ফোনে ঘটনার বিষয়ে জানাই। পরে রাত্রে এগারো ঘটিকার দিকে মগাইছড়ি হতে লোকজন এসে আমাকে উদ্বার করে মগাইছড়িতে নিয়ে আসে। ঘটনার পর আমি স্থানীয় থানায় ফোন করে সাহায্য চাইলে পহেলা জুলাই সকাল এগারো ঘটিকার দিকে থানা হতে লোকজন এসে আমার খোজ খবর নেয়। ধর্ষণের স্বীকার গৃহবধুর নাম নিরাপত্তার কারনে প্রকাশ করা  যাচ্ছে না।  তবে সে বড়ইতলী গ্রামের সাহেব আলীর স্ত্রী এবং দুই সন্তানের জননী।
তবে লক্ষীছড়ি থানার অফিসার ইনচার্জ (তদন্ত)  মিজানূর রহমান ঘটনার সত্যতা স্বিকার করেন এবং  পুলিশের সহায়তা  প্রাপ্তিতে বিলম্ব বিষয়ে বলেন, ঘটনাস্থল লক্ষীছড়ি মানিকছড়ি সীমান্তে হওয়ায় স্থান নির্ধারনে দেরী হয় তবে তার পরও আমরা লক্ষীছড়ি হতে ফোর্স সহ গিয়ে অভিযুক্তের জবাব নিয়ে আইনগত ব্যবস্থা নেয়ার সহযোগীতা দিয়েছি।

এদিকে মগাইছড়ির স্থানীয় ইউপি সদস্য দেলোয়ার ফরাযেজী  এবং স্থানীয় উপজেলা আওয়ামীলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক নূরে আলম সংবাদকর্মীদের  বলেন অভিযুক্তরা এর আগে ধর্ষণের অভিযোগে অভিযুক্ত এবং পুলিশের তালিকা ভুক্ত আসামী এদের জন্য মগাইছড়ির এলাকার মা বোনেরা নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছে এই ধরনের  জঘন্য কাজে দৃষ্টান্ত মূলক শাস্তি নাহলে বার বার একই ঘটনা ঘটাতে উৎসাহিত হবে।

তবে অভিযুক্ত রফিকুল মুটো ফোনে সাংবাদকর্মীদের বলেন, আমরা ঘটনার চক্রান্তের স্বীকার, আমরা এক নেতার নির্দেশে সেখানে সৃষ্ট অপকর্মের কাজ হাতে নাতে ধরতে গিয়ে আমাদেরকে ফাসানো হয়েছে, যা যাচাই করলে প্রকৃৃত সত্য বেরিয়ে আসবে বলে জানান। তবে এই রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত জানা যায় ঘটনাস্থল মানিকছড়ি উপজেলাতে হওয়ায়, মানিকছড়ি থানাতে বাদীর অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে মামলা দেয়ার এবং বাদীর ডাক্তারী পরীক্ষা করার প্রস্তুতি চলছে।