খাগড়াছড়িতে সহকর্মী হত্যার আসামী আনসার সদস্য অস্ত্রসহ গ্রেপ্তার

খাগড়াছড়ি সংবাদদাতা | রবিবার, জুলাই ৫, ২০১৫
খাগড়াছড়িতে সহকর্মী হত্যার আসামী আনসার সদস্য অস্ত্রসহ গ্রেপ্তার

চট্টগ্রামের খাগড়াছড়ির দীঘিনালায় পলাতক আনসার সদস্য রফিকুল ইসলামকে আটক করেছে সেনা বাহিনী। তিনি সহকর্মী আনসার নায়েক আমির হোসেন (৫০) তারই গুলিতে নিহতের ঘটনার আসামী। ৪ জুলাই শনিবার বিকেল ৪টার সময় উপজেলার মনের মানুষ এলাকার প্রীতি চাকমা নামে এক ইউপিডিএফ নেতার বাড়ি থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। পরে তাকে দীঘিনালা থানায় সোপর্দ করা হয়েছে। এ সময় তার সঙ্গে ব্যবহৃত বন্দুক ও ৮০ গুলি উদ্ধার করা হয়েছে।

খাগড়াছড়ি দীঘিনালা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শাহাদাত হোসেন টিটু জানিয়েছেন, সহকর্মী আনসার নায়েক আমির হোসেনকে গুলি করে মারার ঘটনায় পলাতক আনসার সদস্য রফিকুল ইসলামকে আটক করা হয়েছে। এ ঘটনায় নিহতের বড় ছেলে গত শুক্রবার রাতে আনসার সদস্য রফিকুল ইসলামকে আসামী করে থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেছেন। এছাড়াও তার বিরুদ্ধে অস্ত্র আইনেও একটি মামলা করা হয়েছে। আজ শনিবার দুপুরে খাগড়াছড়ি সদর হাসপাতালে ময়নাতদন্ত শেষে নিহত আনসার নায়েক আমির হোসেনের লাশ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে বলে জানান ওসি।

এ নিহতের ঘটনার ব্যাপারে খাগড়াছড়ির পুলিশ সুপার মো. মজিদ আলী বিপিএম (সেবা) জানান, ঘটনার পর পরই পুলিশ আশপাশের ওই এলাকায় অভিযান চালিয়ে শনিবার সকালে ক্যাম্পের পাশের ২শ’ গজ দূরের জঙ্গল হতে পরিত্যক্ত অবস্থায় আনসার সদস্য রফিকুল ইসলামের ব্যবহৃত বন্দুক, ৮০ রাউন্ড গুলি ও একটি গুলির খোসা উদ্ধার করা হয়। তার বিরুদ্ধে আইনুনাগ ব্যবস্থা নেয়া হবে।

উল্লেখ্য যে গত ৩ জুলাই শুক্রবার বিকেলে দীঘিনালার উপজেলার কবাখালী ইউনিয়নের হেডম্যান পাড়া এলাকার ৩৪ নম্বর আনসার ক্যাম্পে ঘুমে ব্যাঘাত ঘটানোর জের ধরে সহকর্মীদের সঙ্গে রফিকুল ইসলামের বাকবিতণ্ডা হয়। একপর্যায়ে নিহত আমির হোসেন সহকর্মী রফিকুল ইসলামকে শান্ত করার চেষ্টা করলে এক পর্যায়ে তিনি ক্ষিপ্ত হয়ে আমির হোসেনকে গুলি করে পলাতক ছিলেন।