কলেজ ছাত্রকে খুন করে নদীতে ফেলার সময় নারী আটক

জেলা প্রতিনিধি, | বৃহস্পতিবার, সেপ্টেম্বর ২৪, ২০১৫
কলেজ ছাত্রকে খুন করে নদীতে ফেলার সময় নারী আটক
 নরসিংদীতে মাথা ও পা বিচ্ছিন্ন করে কলেজছাত্রকে খুন করার পর বস্তাবন্দী লাশ নদীতে ফেলার সময় এ্যামি আক্তার নামে এক নারীকে আটক করে পুলিশে দিয়েছে এলাকাবাসী। ঘটনাটি ঘটেছে মঙ্গলবার রাতে সদর উপজেলার চিনিশপুর ইউনিয়নর সোনাতলা গ্রামে। নিহত কলেজছাত্র রায়পুরা উপজেলার নিলক্ষা গোপীনাথপুর গ্রামের মৃত অহেদ আলীর পুত্র খোরশেদ আলম (২৪)। নিহত খোরশেদ নরসিংদী সরকারী কলেজের রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগের অনার্স পরীক্ষার্থী।

এলাকাবাসী জানায়, বুধবার রাতে এক নারী ও কয়েকজন যুবক বস্তাবন্দী লাশটি ব্যাটারিচালিত অটোরিকশায় করে ঘোড়াদিয়া-পুটিয়া সড়কের সোনাতলা রাস্তায় নিয়ে আসে। বস্তাটি সেতুর কাছে নিয়ে গেলে এলাকাবাসীর সন্দেহ হয়। এ সময় স্থানীয় কয়েকজন এগিয়ে গেলে বস্তাটি ফেলে যুবকেরা দৌড়ে পালিয়ে যায়। তখন এলাকাবাসী ওই নারীকে আটক করে। পরে বস্তার মুখ খুলে মাথা ও পা বিচ্ছিন্ন একটি লাশ দেখতে পেয়ে পুলিশে খবর দেয় এলাকাবাসী। পরে পুলিশ মহিলাকে নিয়ে তার দেখানো মতে কলেজ ছাত্রের মাথা এবং হত্যা কাজের ব্যবহৃত ছুড়ি ও চাপাটি উদ্ধার করেন।

নরসিংদী সদর মডেল থানার (ওসি) কে এম আবুল কাসেম স্বাধীনবাংলা’কে বলেন, বস্তাবন্দী লাশসহ ওই নারীকে জনরোষ থেকে উদ্ধার করে আটক করা হয়েছে। লাশটি ময়নাতদন্তের জন্য নরসিংদী সদর হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে।

এ ব্যাপারে নিহতের বড় ভাই বেদন মিয়া বাদী হয়ে একটি মামলা দায়ের করেন। অতি শ্রীঘ্রই এ ঘটনার সাথে জড়িত সবাইকে গ্রেফতার করে আইনের আওতায় আনা হবে বলে জানান তিনি।